• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
শ্রীপুরে পুকুর থেকে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলল স্ত্রী!
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে নিয়ে গেছেন স্ত্রী জাকিয়া বেগম। স্বামীর নাম ফিরোজ মিয়া (২৯)। তিনি পেশায় একজন এক্সেভেটর চালক।  বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোররাতে উপজেলার রাউৎবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফিরোজ রাউৎবাড়ী গ্রামের মৃত শাহজাহান আলীর ছেলে এবং স্ত্রী জাকিয়া জিগাতলা গ্রামের মো. জামিলের মেয়ে। তাদের ৫ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এ দিকে ঘটনার পর থেকেই স্ত্রী জাকিয়া পলাতক রয়েছেন। চিকিৎসকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কর্তন হওয়া পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করে জোড়া লাগাতে না পারলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।  স্থানীয়রা জানান, ১২ বছর আগে উপজেলার রাউৎবাড়ী গ্রামের মৃত শাহজাহান আলীর ছেলে ফিরোজের সঙ্গে জিগাতলা গ্রামের মো. জামিলের মেয়ে জাকিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। এ নিয়ে দফায় দফায় গ্রাম্য সালিশ হয়। সম্প্রতি গোবিন্দাসী ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদারের উপস্থিতিতে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানার মাধ্যমে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। সেখানে সালিশে ২০ হাজার টাকা দিতে সম্মত হলেও পরবর্তীতে ৩ লাখ টাকা না দিতে পেরে ফিরোজ স্ত্রীকে আবার নিজ ঘরে ফিরিয়ে নেয়। তারপরও তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকে। মঙ্গলবার রাতে ফিরোজ বাড়ি ফিরে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। বুধবার ভোরে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী জাকিয়া বেগম তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে নিয়ে যায়। লজ্জার কারণে বিষয়টি গোপন রাখলেও সকালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তা প্রকাশ পায়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে তাকে সেখানে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, ঘটনাটি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মধুপুরে আ.লীগের দু’পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, আহত ৬
নরসিংদীতে বালু ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ 
কর্মস্থলে ফেরার পথে আশুলিয়ায় ট্রাকচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত
দাওয়াত না পেয়ে বিয়ে বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, অতঃপর....
বর্ষবরণ উদযাপন করল হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চ  
‘বিপ্লবী স্পর্ধায় ভাঙো অবক্ষয়ের ভিত’ এমন বাতিক্রমী স্লোগানে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে নববর্ষ ১৪৩১ উপলক্ষে বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চের আয়োজনে উপজেলার পাটগ্রাম অনাথ বন্ধু সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ অতিক্রম করে পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ বন্ধুমঞ্চের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দেয়।  হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চের  প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট রাসেল হোসেন জানান, ২০০৮ সালে সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বন্ধুমঞ্চ। তারই ধারাবাহিকতায় বাঙ্গালির  অসাম্প্রদায়িক চেতনার সর্বজনীন উৎসব বর্ষবরণের আয়োজন করেছে হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চ। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ধাপে বিকেলে বর্ষবরণের আলোচনা, গুনিজন সম্মাননা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৫-২০ হাজার মানুষ ভিন্ন ধরনের এ উৎসবে মেতে উঠেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট রাসেল হোসেনের সঞ্চালনায় বন্ধুমঞ্চের বর্তমান সভাপতি প্রকৌশলী মো. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে যৌথভাবে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন প্রবীণ শিক্ষক ও নাট্যকার হরিপদ সূত্রধর এবং বিশিষ্ট পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তৈয়বুল আজহার। 
যমুনা নদী‌তে অষ্টমীর স্না‌নে পুণ্যার্থীদের ঢল
টাঙ্গাইলের ভূঞাপু‌রে যমুনা নদী‌তে মহাষ্টমীতে হাজার হাজার পুণ্যার্থীদের পদচারণায় মুখ‌রিত স্নান ঘাট।  মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) ভো‌র থে‌কে উপ‌জেলার খান‌ুরবা‌ড়ি সরাতলা কা‌লীম‌ন্দির সংলগ্ন যমুনা নদী‌তে স্নান শুরু হয়।  পাপমোচনের আশায় এবং দেশ ও জা‌তির মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা ক‌রে আগত পুণ্যার্থীরা যমুনা নদী‌তে স্নান কর‌তে আসেন।  ‌দেশের বি‌ভিন্ন জেলা থে‌কে পুণ্যার্থীরা স্নান কর‌তে যমুনা ঘা‌টে আসে। এ সময় গঙ্গা পূজা-অর্চনা ক‌রে ভক্তরা। চৈত্রমাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পুণ্যস্নান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অসংখ্য পুণ্যার্থী এখানে পুণ্যস্নানের জন্য আসেন। ঘা‌টে পূজা করা পুরো‌হিত পিন্টু গোস্বামী জানান, পাপ‌মোচনের আশায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যমুনা নদী‌তে স্নান কর‌তে এসেছেন। বি‌ভিন্ন জায়গা থে‌কে পুণ্যার্থীরা আস‌ছেন স্নান কর‌তে। হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ঢল নে‌মে‌ছে নদী‌তে। এ দিকে স্নান ঘা‌টের পা‌শেই মেলা শুরু হয়ে‌ছে। মেলায় বিভিন্ন ধর‌নের পণ্য সামগ্রীর পসরা নি‌য়ে ব‌সে র‌য়েছেন বি‌ক্রেতারা।   অন‌্যদি‌কে ভূঞাপুরে স্লুইস গে‌ট এলাকায়ও স্নান উৎসব হ‌য়েছে। সেখানেও স্নান উৎসব‌কে ঘি‌রে মেলার আয়োজন করা হয়।  অষ্টমী স্নান উৎসব আয়োজক ক‌মি‌টির সাধারণ সম্পাদক অভি‌জিৎ ঘোষ বলেন, ‌ভোর থে‌কে পুণ্যার্থীরা স্নান ঘা‌টে এসে‌ছেন পূজা অচর্না কর‌তে। আগত পুণ্যার্থী‌দের জন‌্য সকল ব‌্যবস্থা গ্রহণ করা হ‌য়ে‌ছে। ক‌য়েক হাজার ভক্ত‌দের জন‌্য প্রসা‌দের ব‌্যবস্থা করা হয়। স্না‌নোৎস‌বে পর্যাপ্ত সংখ‌্যক পু‌লিশ সদস‌্য দা‌য়িত্ব পালন ক‌রে‌ছেন ভক্ত‌দের নিরাপত্তার জন‌্য।  ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্ল‌্যাহ ব‌লেন, নিরাপত্তা নি‌শ্চি‌তে স্নান ঘা‌টে পু‌লিশ সদস‌্য মোতা‌য়েন করা হ‌য়েছে। জেলা পু‌লিশের রিজার্ভ ফোর্স, থানা পু‌লিশ ও নৌপু‌লি‌শের সদস‌্যরা আইনশৃঙ্খলা কা‌জে নি‌য়ো‌জিত র‌য়েছেন‌।
ফরিদপুরে দুর্ঘটনা : নিহতদের ৫ জন একই পরিবারের
ফরিদপুরে বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৩ জনের মধ্যে একই পরিবারের ৫ জন রয়েছেন। রফিক মোল্লা নামের এক লিফটম্যান তার মা, স্ত্রী, সন্তান নিয়ে বাড়ি থেকে ঢাকায় কর্মস্থলে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনায় পরিবারসহ নিহত হন।  মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কানাইপুরে এ দুর্ঘটনায় রফিকসহ পরিবারের সকলেই মারা যান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই পরিবারের নিহত পাঁচজন হলেন ফরিদপুরের বোয়ালমারীর বেজিডাঙ্গা গ্রামের রফিক মোল্লা (৩৫), তার স্ত্রী সুমি বেগম (২৩), দুই ছেলে রুহান মোল্লা (৬), হাবিব মোল্লা (৩) ও রফিক মোল্লার মা। রফিক ঢাকায় একটি সরকারি অফিসে লিফটম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঈদের ছুটি শেষ করে তিনি মা, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে পিকআপ ভ্যানে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পুলিশ জানায়, যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা থেকে মাগুরার উদ্দেশে যাচ্ছিল। কানাইপুরের দিকনগর এলাকায় পৌঁছালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস মরদেহ উদ্ধার করে। এ ছাড়া আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাধীন আরও দুজনের মৃত্যু হয়। রফিক মোল্লার পরিবার ছাড়াও নিহত আরেকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম মর্জিনা বেগম। তিনি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বাসিন্দা। এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ‘এ দুর্ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা ও আহতদের প্রত্যেককে তিন লাখ টাকা করে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।’
ফরিদপুরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ১৩
ফরিদপুরের কানাইপুরে বাস ও পিকআপ ভ্যান সংঘর্ষের ঘটনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩ জনে। নিহতদের মধ্যে ৫ জন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।  মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৮টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন করিমপুর হাইওয়ে থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন। এ দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৬ জনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বেজিডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা তারা মোল্লার ছেলে রফিক মোল্লা (৩৫), তার স্ত্রী সুমী বেগম (২৩), দুই ছেলে রুহান মোল্লা (৬) ও হাবিব মোল্লা (৩), রফিক মোল্লার মা। নিহত আরও একজন হলেন শেখর ইউনিয়নের বাসিন্দা মর্জিনা বেগম। বাকিদের নামপরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মাগুরাগামী ইউনিক পরিবহনের সঙ্গে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিশুসহ ১১ জন নিহত হন। ওই পিকআপ ভ্যানটি ভাড়া করে কয়েকজন ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পরে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দু’জনের মৃত্যু হয়। আরও পাঁচজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আহসান তালুকদার ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম। এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ‘খবর পেয়েই আমরা ছুটে এসেছি। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া নিহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ৫ লাখ এবং আহতদের পরিবারের জন্য ৩ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে।’ ফরিদপুরের জেলা পুলিশ সুপার মোরশেদ আলম বলেন, ‘সড়কে আমাদের চলাচলে আরও সচেতন হতে হবে। তা না হলে থামবে না মৃত্যুর মিছিল। শুধু যাত্রীদেরই নয় মালিক ও শ্রমিকদের বড় ভূমিকা রাখতে হবে।’ এই ঘটনার কানাইপুরের দিগনগর গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে আসার পর বাসটির একটি চাকা রাস্তার গর্তে পড়ে যায়। গাড়িটি আড়াআড়িভাবে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় পিকআপ ভ্যানটি বাসটির মাঝামাঝিতে এসে আঘাত করলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ওসি হাসানুজ্জামান বলেন, ‘মরদেহগুলোর সুরতহালের পরে পরিচয় শনাক্ত করার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।’
মানিকগঞ্জে গঙ্গাস্নানে পুণ্যার্থীদের ঢল
প্রতিবছরের মতো এবারও মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদীতে গঙ্গাস্নানের আয়োজন করেছে অন্নপূর্ণা সেবা সংঘ।  মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) ভোর ৬টায় স্নান করতে জেলা শহরের বেউথা ঘাট এলাকায় ভিড় করেন বিভিন্ন এলাকার হাজারে পুণ্যার্থীরা।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র সুদেব কুমার সহা, পৌর কাউন্সিলর উজ্জ্বল হোসেন, অন্নপূর্ণা সেবা সংঘের সভাপতি দিলীপ কুমার রাজবংশী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব সাহা, জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি দীপক ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসাইন খান, পৌর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি জাফর শেখ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বিশ্বাস টুটুল, বেউথা মুকুল ফৌজের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। 
ফরিদপুরে বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১১
ফরিদপুরের কানাইপুরে বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মাগুরাগামী ইউনিক পরিবহনের সঙ্গে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী।  তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে হতাহতদের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, একটি পরিবারের লোকজন পিকআপ ভাড়া করে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন।