• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ২ কৃষকের মৃত্যু 
খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির সরকারি চাউলসহ জুয়েল মিয়া জাবেদ (২৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তার গোডাউন থেকে ২৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়।  ১৫ এপ্রিল (সোমবার) সন্ধ্যায় চুনারুঘাট থানা পুলিশ শাকির মোহাম্মদপুর মধ্য বাজার থেকে এ চাল উদ্ধার করে। গ্রেপ্তারকৃত জুয়েল মিয়া জাবেদপাইকুড়া গ্রামের মো. লাল মিয়ার ছেলে।  পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের শাকির মোহাম্মদপুর মধ্য বাজারে অভিযান করা হয়। এসময় জুয়েল মিয়া জাবেদের মা বাবার দোয়া ভেরাইটিজ স্টোরের চালের গোডাউনে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশি কালে ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ সম্বলিত লেখা খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির পাটের সেলাই করা ২৯ বস্তা সরকারি চাউল উদ্ধার করা হয়। পরে দোকান মালিক জাবেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অবৈধভাবে সরকারি চাল মওজুদ করার অপরাধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।      
সিলেটে বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট
সিলেটে ২ মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, নিহত ৩
গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে আহত শতাধিক
কোম্পানীগঞ্জে রাস্তার পাশে পড়েছিল এক ব্যক্তির মরদেহ 
হবিগঞ্জে চিপসের কারখানায় আগুন
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুরে অবস্থিত প্রাণের একটি কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।  বুধবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।  খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বিকেল ৪টার দিকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ১৩ নম্বর ভবনের চিপস তৈরির কারখানায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ও হবিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর থেকে কাউকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।  এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, বিকেলে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানতে পেরেছি। তবে আগুনের কারণ জানতে পারিনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
কোম্পানীগঞ্জে খাদে পড়ে শিশুর মৃত্যু
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে বাড়ির পাশে একটি খাদে পড়ে ২ বছরের এক শিশু মারা গেছে। শিশুটির নাম ইব্রাহিম আলী। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) কোম্পানীগঞ্জে পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া কালীবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  নিহত শিশু ওই গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য কাজল সিংহ বলেন, ইব্রাহিমের মা ঘরের কাজে ব্যস্ত থাকার সময় সে বাইরে খেলতে গিয়ে খাদে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মা সন্তানকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বাড়ির পাশের খাদে ইব্রাহিমকে ভাসতে দেখেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি গোলাম দস্তগীর আহমেদ। তিনি জানান, বাড়ির পাশের একটি খাদে পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত পর্যটন স্পট
ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত মৌলভীবাজারের পর্যটন স্পটগুলো। উঁচু-নিচু পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে সবুজের গালিচায় মোড়ানো চা-গাছ। একইসঙ্গে পাহাড়ি ঝর্ণার কলতান। মৌলভীবাজার জুড়েই রয়েছে প্রকৃতির নানা নৈসর্গিক সৌন্দর্য। জেলায় প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা একাধিক লেক আর শতাধিক পর্যটন স্পট এখন একেবারেই পর্যটক শূন্য। তবে ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে জেলার বিভিন্ন স্পটে অর্ধ লক্ষাধিক পর্যটক ঘুরতে আসবেন বলে আশা সংশ্লিষ্টদের। এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রশাসন থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মৌলভীবাজার জেলাটিকে সাজাতে কোন কার্পণ্য করেনি প্রকৃতি। চা বাগানের সবুজ গালিচা লাউয়াছড়ার প্রাণ-প্রকৃতি কিংবা হাওরের অথই জল এনিয়েই পযর্টন জেলা মৌলভীবাজার। একসময়ে পর্যটক মুখর এই জেলার নান্দনিক পর্যটন কেন্দ্র দেখতে দর্শনাথীর নেই তেমন আনাগোনা। প্রতিদিন দেশি-বিদেশি হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠতো জেলার অন্তত ১০০টিরও বেশী দর্শনীয় স্থান। কিন্তু অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং দর্শনীয় পর্যটন স্থানগুলোকে ঢেলে না সাজানোর কারণে প্রকৃতির এমন মায়াভরা আঙিনা এখন পর্যটকশূন্য। ফলে এ শিল্পের সাথে জড়িতরা বেকার হয়ে পড়েছেন। অনেকেই কাটাচ্ছেন মানবেতর জীবন। তবে এবারের ঈদে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের জন্য মৌলভীবাজারের প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলোর  মধ্যে রয়েছে- শ্রীমঙ্গল উঁচু-নিচু পাহাড়ে ভাঁজে ভাঁজে সবুজের গালিচায় মোড়ানো চা-বাগান, খাসিয়া পুঞ্জি, মণিপুরি ও ত্রিপুরাদের গ্রাম, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, বাইক্কাবিল হাইল, বধ্যভূমি ৭১, নিমাই শিববাড়ী, শ্রীমঙ্গল শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফিনলে চা বাগানের ভেতরে ডিনস্টন সিমেট্রি। জেলার উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে আরও আছে- কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, ধলই বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ, রাজকান্দি বন খাসিয়া পল্লী,হাম হাম জলপ্রপাত,কলাবন, বড়লেখায় মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, হাকালুকি হাওর, রাজনগর উপজেলার কমলা রাণীর দীঘি, কাউয়াদীঘি হাওর, জলের গ্রাম অন্তেহরি। জেলায় প্রায় দেড় শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ ইতোমধ্যে ৭০ শতাংশ বুকিং সম্পন্ন করেছে। ইতোমধ্যে হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ ও কটেজগুলো সাজানো-গোছানোর কাজ শেষ হয়ে গেছে। ঈদের টানা ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের আগমনে ভালো ব্যবসার প্রত্যাশা কথা জানিয়েছেন শ্রীমঙ্গলে পর্যটন সেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কাজী সামছুল হক। হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা এখানে আসবেন। তাদের সেবা দিতে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অতিথির জন্য রিসোর্টগুলো সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। আশা করছি এবার বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসবেন। শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক ও গ্রীনলিফ গেস্ট-হাউজ এর স্বত্বাধিকারী এসকে দাশ সুমন বলেন, পর্যটন স্থানগুলো নতুন করে সাজিয়ে না তুলা হলে এবং সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি না করা হলে পর্যটকদের বিমুখ করবে এই জেলা ভ্রমণে। এতে দেশি পর্যটকরা বিদেশ ভ্রমণে উৎসাহিত হবেন। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণে রাজস্ব হারাবে বলে মনে করেন তিনি। মৌলভীবাজার সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানান, ঈদের বন্ধে ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মৌলভীবাজারে স্পটগুলো বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে পরিকল্পনা করবে, আর জেলা পুলিশও সজাগ থাকবে।  
ঘোড়ার লাথিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ২, আটক ৬
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের থলেরবন্দ গ্রামে ঘোড়ার লাথি মারাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এতে আটক হয়েছেন ৬ জন। নিহতরা হলেন- থলেরবন্দ গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে নুর মোহাম্মদ (২২) এবং একই গ্রামের মৃত নইমুল্লার ছেলে আব্দুল আউয়াল (৫৫)। সোমবারর রাতে তারাবির নামাজের পর উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের থলেরবন্দ গ্রামের আশিক আলীর পক্ষ এবং শের আলীর পক্ষের লোকজনের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বিনা অনুমতিতে গৃহপালিত একটি ঘোড়া আশিক মিয়ার বাড়ির নামনে বেঁধে রাখে শের আলীর লোকজন। বেঁধে রাখার ঘোড়ার লাথিতে আশিক মিয়ার ছেলে ফরিদ আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এতে আশিক আলীর ভাই সাহার আলী, শের আলীকে আশিক আলীর বাড়ির সামনে ঘোড়া বেঁধে রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলে শের আলীর লোকজন সাহার আলীকে মারধর করে। উক্ত ঘটনার জের ধরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয়পক্ষের লোকজন। রাতে এলোপাতাড়ি সংঘর্ষে আশিক আলীর পক্ষের নূর মোহাম্মদ ও শের আলীর পক্ষের আব্দুল আউয়াল গুরুতর আহত হলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত নূর মোহাম্মদকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেলে পাঠালে রাত ১টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এ দিকে সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সদর হাসপাতালে অপর আহত আব্দুল আউয়ালের মৃত্যু হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। জোড়া খুনের ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থতির নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে উভয়পক্ষের ৬ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তাদির হোসেন।
কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড সুনামগঞ্জ, আহত ৫ 
সুনামগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। রোববার (৩১ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা সদর, বিশ্বম্ভপুর শান্তিগঞ্জ, দিরাই উপজেলার ওপর দিয়ে তীব্র গতিতে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। ঝড়ের কবলে গাছপালা ঘরবাড়ি, বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।  ঝড়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পাগলা, কান্দিগাঁও, রায়পুর আসামপুর, বাঘেরকোনাসহ একাধিক গ্রামের শতাধিক কাঁচা ও টিনসেটের ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে বলে জানা যায়। ঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাগলাবাজার। বাজারের সড়কের দুপাশের অস্থায়ী দোকানপাট ঝড়ের বেগে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে সড়কে পড়ে যায়। ঝড়ের কবলে পড়ে নারী শিশুসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।  এ দিকে শহরের কালিবাড়ি এলাকায় চলন্ত সিএনজির ওপর গাছ ভেঙে পড়ায় চালকসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতরা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের বৈষভেড় গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা যায়। এ দিকে সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের হাছন তোরণ এলাকায় একাধিক গাছ ভেঙে সড়কে পড়ায় দুপাশের পরিবহন আটকে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ঘণ্টাব্যাপী ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দলের চেষ্টায় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার ডা. নিরুপণ রায় চৌধুরী বলেন, ঝড়ের কবলে পড়ে আহত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৫ জন রোগী আসেন। তাদের মধ্যে সাদ্দাম নামের এক যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়েছে। রয়েল নামের আরেক যুবক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।  বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাগলা কান্দিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ইয়াকুব শাহরিয়ার বলেন, এমন ঝড় আর দেখেনি পাগলাবাসী। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুমড়েমুচড়ে গেছে। এলাকার অনেক ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
সিলেটে কালবৈশা‌খীর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি, ফসলের ক্ষতির শঙ্কা
সিলেটে কালবৈশাখীর তাণ্ডবের সঙ্গে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। বড় বড় শিলাখণ্ডের আঘাতে অসংখ্য বসতবাড়ির জানালার কাচ ভেঙে গেছে। ফসলের ক্ষতির শঙ্কাও করছেন কৃষকরা। এ ছাড়াও অনেক যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। রোববার (৩১ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টায় প্রায় ১৫ মিনিট এ ঝড় স্থায়ী হয়। স্থানীয়রা বলেন, শিলাবৃষ্টি শুরু হওয়ায় রাস্তায় থাকা পথচারী ও ঈদের কেনাকাটায় যাওয়া লোকজন বেশ বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে কয়েকটি গাড়ির সামনের গ্লাস প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টির আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  একেকটি শিলাবৃষ্টি টেনিস বলের আকার ছিলো বলেও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় এক চা দোকানদার বলেন, এত বড় বড় শিলা আগে শেষ কবে দেখেছি বলতে পারবো না। পুরো টেনিস বলের আকারের শিলার আঘাতে অনেক বসতবাড়ি ও রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা অনেক গাড়ির ক্ষতি হয়েছে। এদিকে এ চা দোকানদারের মতোই এরকম শিলাবৃষ্টি আগে কখনো দেখা যায়নি বলে অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন।  অনেকেই লিখেছেন, কারও কারও বাসার টিনের চালা ফুটো হয়ে গেছে। জানালার কাঁচের গ্লাস শিলাবৃষ্টিতে ভেঙে গেছে। আহত হয়েছেন খোলা জায়গায় ও রাস্তায় অবস্থান করা অনেক মানুষ। বিশেষ করে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে অনেক কৃষক দাবি করছেন।