• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
বিএনপিসহ সব অপশক্তিকে প্রতিহত করব : কাদের
হিটলারের চেয়েও ভয়ংকর নেতানিয়াহু : কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হিটলারের চেয়েও ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।   কাদের বলেন, সারা বিশ্বই আজ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের যে দাম্ভিকতা, যুদ্ধাংদেহী মনোভাব সেটা মনে হয় আবারও নতুন করে দেখতে পাচ্ছি। হিটলার যে ৬০ লাখ ইহুদি হত্যা করে হলোকাস্ট ঘটিয়েছিল, আজকে গাজায় গণহত্যার নায়ক নেতানিয়াহু একই রূপে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি বলেন, নেতানিয়াহু জাতিসংঘ মানে না, হোয়াইট হাউজকে তোয়াক্কা করে না। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথা শুনে না। সে হিটলারের চেয়েও ভয়ংকররূপে আবির্ভূত হয়েছে। ইতোমধ্যে সে গাজায় ১৪ হাজার শিশুকে হত্যা করে ফেলছে।   আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ইরানের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ ইসরায়েলকে শান্ত থাকতে বলেছে। কিন্তু নেতানিয়াহু কারও কথা শুনছেন না। তিনি ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নেতানিয়াহু আপন ইচ্ছায় চলেন, যা খুশি করেন। যাকে ইচ্ছা ভাতে মারেন, পানিতে মারেন, এয়ার স্ট্রাইক করে মারেন। তার দাপট হিটলারকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ সময় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের, দ্রব্যমূল্য সহনীয় অবস্থায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী যে এফোর্ট দিচ্ছেন, তা বিরল। নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যক্রম চলমান থাকবে।  
ধর্ষণ মামলা : আ.লীগ থেকে বড় মনিরকে অব্যাহতি
‘স্বাধীনতার চেতনা ধ্বংস করার জন্য বিএনপির জন্ম’
বিএনপি এদেশের সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা : কাদের
সোমালিয়ার জলদস্যুদের চেয়েও ভয়ংকর বিএনপি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
‘মনগড়া তথ্য দিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে বিএনপি’
সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর বিএনপি এখন মনগড়া তথ্য দিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। কাদের বলেন, দেশের মানুষ যখন পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ উৎসবে মাতোয়ারা ঠিক সে সময়ে বিএনপি তথাকথিত ‘গুম-নির্যাতনের’ কাল্পনিক তথ্য দিয়ে দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুলের দেওয়া বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের গুম, খুন ও মামলার সংখ্যার তথ্য সম্পূর্ণ বানোয়াট। গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপির সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন মনগড়া তথ্য দিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে। আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, মিথ্যা এসব তথ্য দিয়ে বিদেশি প্রভুদের কাছ থেকে করুণা ও রাজনৈতিক সমর্থন লাভের আশায় বিএনপি নেতারা ধারাবাহিকভাবে সরকার বিরোধী এ অপপ্রচার চালাচ্ছে।  মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে কাদের বলেন, ঢালাওভাবে অপপ্রচার না চালিয়ে রাজনৈতিক কারণে তথাকথিত নিপীড়ন-নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটলে সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ বিএনপি নেতাদের সম্পূর্ণ তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করুন। ঠাকুরগাঁওয়ে মৃত্যুবরণকারী যুবদল নেতা একজন স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত মাদকসেবী এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। কোনো প্রকার আইনের ব্যত্যয় ঘটলে সরকার গুরুত্বসহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। কিন্তু মির্জা ফখরুল একজন মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায়ীর মতো একজন অপরাধীর স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে ‘বিরোধীদলের উপর সরকারের নির্যাতন’ এর অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল তখন ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র চালায়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে অপারেশন ক্লিন হার্টসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে মোট এক হাজার ২২৩ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে ক্রস ফায়ার এবং পুলিশ হেফাজতে হত্যা করে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ সরকার যেকোনো মূল্যে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।
নববর্ষ উপলক্ষে র‌্যালি করবে আ.লীগ
বাংলা শুভ নববর্ষ ১৪৩১ উপলক্ষে আলোচনাসভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি করবে আওয়ামী লীগ।  রোববার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৭টায় পুরান ঢাকা বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে এই র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। র‌্যালির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রোববার সকাল ৭টায় পুরান ঢাকা বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনাসভা শেষে একটি র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী। সঞ্চালনা করবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির।
ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরের ভালোবাসার বার্তা
ঈদের দ্বিতীয় দিন ফেসবুকে ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ভালোবাসা দিয়ে ঘৃণাকে জয় করার কথা বললেন তিনি। শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ১১টি ছবি পোস্ট করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ক্যাপশনে কাদের লিখেন, ‘ঘৃণা দিয়ে ঘৃণা তাড়ানো যায় না। শুধু ভালোবাসাই তা করতে পারে।’  পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। এক ঘণ্টার মধ্যেই ১১ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন পড়ে। এই সময়ের মধ্যে মন্তব্যও পড়েছে আড়াই হাজারের বেশি। শেয়ার হয়েছে ৫শ’র বেশি।  একজন লিখেছেন ‘কাদের ভাই, আজকে ছবি এত কম দিলেন কেন?’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, মাত্র ১১টা ছবি অ্যাটাচ করেছেন পোস্টে? মেনে নিতে পারলাম না।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘মিনিস্ট্রি অব লাভের মিনিস্টার।’  এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ঈদের দিন এক ভিডিও বার্তা দেন মন্ত্রী। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এবারও ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষের বাঁধভাঙা জনস্রোত দেখা গেছে। অনেকেই ঈদযাত্রা নিয়ে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা করেছিলেন। তবে সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় সব সংশয় ও শঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে ঈদযাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় ফেসবুকে একাধিক ছবি পোস্ট করেন ওবায়দুল কাদের। সেসব ছবি অনেক আলোচনার জন্মও দেয়।
ঈদের পরেই কঠোর অবস্থানে যাবে সরকার : শাজাহান খান
জঙ্গিবাদসহ সব ধরনের অসামাজিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ঈদের পরেই সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকাল পৌনে ৮টায় মাদারীপুরে ঈদের নামাজ আদায় শেষে তিনি এ কথা বলেন। শাজাহান খান বলেন, মানুষের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সামাজিক অবস্থান সৃষ্টি, বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ও দেশ থেকে সন্ত্রাস পরিহার করার জন্য সরকারের অঙ্গিকার রয়েছে।  তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল, সেই চেতনা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর মানুষ বুকে ধারণ করছে এবং তার ভিত্তিতেই রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে, মাদারীপুরের কেন্দ্রীয় পৌর ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে সোয়া ৮টায় একইস্থানে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় জামাত।  ঈদের প্রথম জামাতে নামাজ পড়ান জেলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ইলিয়াস হাবিবুল্লাহ।  
আ.লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে কাদেরের ঈদের শুভেচ্ছা 
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।  বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। কাদের বলেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এটি বাংলাদেশ এবং মুসলিম জাহানের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। পবিত্র ঈদুল ফিতরের মহিমান্বিত আহ্বানে শান্তি সুধায় ভরে উঠুক বিশ্ব সমাজ। আর মানবতাবাধের বহ্নিশিখা জেগে উঠুক প্রতিটি মানব হৃদয়। আসুন, সমাজের ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র, জাতি-গোষ্ঠী সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাই পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের খুশি ভাগাভাগি করে নিই। তিনি বলেন, পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ জ্বালানি সংকট আজ বিশ্বব্যাপী। বাংলাদেশও এ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। এগুলো সাশ্রয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির কাছে আহ্বান জানিয়েছেন। এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে কৃচ্ছ্রতাসাধনের জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আসুন, সংযমের শক্তি থেকে আমরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হই। উৎসবের এ শক্তি সংহত হোক সব ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। সুখী-সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও উন্নত স্মার্ট বংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করি। মনের গহীনে আলো জ্বালিয়ে অমানিশার আঁধার দূর করি। সহমর্মিতার সহজাত বাঙালি চেতনায় জাগিয়ে তুলি নিজেকে, সমাজকে, দেশকে। ঈদযাত্রা নিয়ে কাদের বলেন, ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষের বাঁধভাঙ্গা জনস্রোত দেখা গিয়েছে এবারও। অনেকেই ঈদযাত্রা নিয়ে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা করেছিলেন। তবে সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় সব সংশয় ও শঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এবারের ঈদযাত্রা তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক হয়েছে। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে যারা নিরলস পরিশ্রম করেছেন আমি তাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। সবাইকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।
আ.লীগ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন
উপজেলা নির্বাচনের আর মাসখানেক বাকি। ঈদের পরপরই শুরু হবে নির্বাচনী ডামাডোল। ঈদকে উপলক্ষ করে এরই মধ্যে নির্বাচনের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা ছুটছেন এলাকায়। পছন্দের প্রার্থীদেরকে সমর্থন জানাতে রাজধানী ছেড়ে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ছুটে যাচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিরাও।  আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, রমজান মাসজুড়েই মানুষের পাশে ছিলেন তারা। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে ইফতার পার্টি না করে অসহায়, দুস্থ ও গরিব মানুষের মধ্যে ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। সেই সঙ্গে ঈদ উপহারসামগ্রীও বিতরণ করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন মাস যেতেই স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনকে ঘিরে আবার ব্যস্ত হয়ে উঠেছে তৃণমূল। সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল তৃণমূল নেতাদের। আর এবার এই তৃণমূল নেতাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করা বড় নেতাদের সামনে সুযোগ হয়ে এসেছে ঈদুল ফিতর। বড় নেতারাও হারাতে চাচ্ছেন না এ সুযোগ। এবারের ঈদে নিজ নির্বাচনী এলাকায় কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অধিকাংশ মন্ত্রী-এমপিই। ঈদের টানা ছুটিতে এলাকায় গণসংযোগ ও জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে পেছন থেকে কাজ করবেন তারা। বিধি অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রত্যক্ষ প্রচারণায় নামতে পারবেন না মন্ত্রী-এমপিরা। পাশাপাশি প্রার্থী ঘোষণাসহ কারো পক্ষে সমর্থন জানিয়ে প্রভাব বিস্তার ও হস্তক্ষেপ না করার কঠোর নির্দেশনা আছে তাদের প্রতি। অবশ্য তথ্য আছে, স্বজন ও ঘনিষ্ঠরা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় অনেক মন্ত্রী-এমপি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই নিজ প্রার্থীর পক্ষে ভেতরে ভেতরে প্রচারণা চালাবেন ঈদের দিনগুলোতে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ঈদ উপযাপন করবেন পৈত্রিক বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়। শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনও ঈদ কাটাবেন চট্টগ্রামে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ঈদ উদযাপন করবেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে। শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ঈদে থাকবেন নরসিংদীর মনোহরদীতে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক থাকবেন গাজীপুরের কালিয়াকৈরে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রহমানের ঈদ কাটবে ফরিদপুরের মধুখালীতে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ঈদ করবেন ঢাকার কেরানীগঞ্জে। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ঈদে থাকবেন দিনাজপুরের বিরলে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন নেত্রকোনায়, ড. আব্দুর রাজ্জাক টাঙ্গাইলে, মাহবুব-উল-আলম হানিফ কুষ্টিয়ায়, বি এম মোজাম্মেল হক শরীয়তপুরে, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জয়পুরহাটে, মির্জা আজম জামালপুরে এবং অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন পটুয়াখালীতে এবারের ঈদ কাটাবেন। তবে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারও ঈদ করবেন ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে। প্রতিবারের মতো ঈদের দিন আওয়ামী লীগসহ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বিদেশি কূটনীতিক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার কথা রয়েছে তার। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও ঈদ করবেন ঢাকায়। তবে নোয়াখালীতে নিজ নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীর খোঁজখবর রাখছেন তিনি। সেইসঙ্গে দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক-মুখপাত্র আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বাড়ি যাচ্ছেন না এবারের ঈদে। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও পাটমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ঈদ উৎসবটা সবার। মন্ত্রী-এমপি ও নেতারা যারা মানুষের জন্য রাজনীতি করেন, তারা চেষ্টা করেন উৎসবের আনন্দটা জনগণের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে। এবারের ঈদেও তার ব্যতিক্রম হবে না।  
ভুলের চোরাবালিতে বিএনপি : কাদের
লাগাতারভাবে ভুল নীতি ও ভুল কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি ভুলের চোরাবালিতে নিমজ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) এক বিবৃতে তিনি এই মন্তব্য করেন। কাদের বলেন, বিএনপির রাজনীতি চরমভাবে দুর্দশাগ্রস্ত। ভুল রাজনীতির কারণে তাদের নেতাকর্মীরা হতাশাগ্রস্ত। ব্যর্থ বিএনপির উদ্ভ্রান্ত নেতাকর্মীরা জনগণের মাঝে হতাশার বীজ বপনের অপচেষ্টা করছে। তাদের সামনে কোনো স্বপ্ন নেই। তাই বিএনপির নেতারা ইতিবাচক কোনো কিছু দেখতে পায় না। বরং নেতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে দেশ ও জনগণের ক্ষতি সাধনে সর্বদা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে।   তিনি বলেন, বিএনপি এদেশের গণতন্ত্রের শত্রু ও আন্তর্জাতিকভাবে চিহ্নিত একটি সন্ত্রাসী দল। আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, রাজনীতির মঞ্চে বিএনপির অবস্থান গণতন্ত্রের বিপরীত মেরুতে। সামরিক স্বৈরাচারের হাতে প্রতিষ্ঠিত বিএনপি গায়ে গণতন্ত্রের আলখেল্লা জড়ালেও ভেতরে অগণতান্ত্রিক প্রেতাত্মাকে ধারণ করে। তাই সাংবিধানিক ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি তাদের কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই। অগণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিভূ বিএনপি সর্বদাই গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল পরিবেশ বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তারা নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল।  তিনি বলেন, বিএনপির নীতি, আদর্শ ও কর্মপন্থা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি। বিএনপি তাদের মজ্জাগত সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে আড়াল করার অপচেষ্টা করে। কিন্তু তাদের স্বরূপ আজ জাতির কাছে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত।  ওবায়দুল কাদের বলেন, কানাডার ফেডারেল আদালত কর্তৃক বিএনপি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত হয়েছে। তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী। বিবৃতিতে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।