• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
নওগাঁয় ২ মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, স্বামী-স্ত্রী নিহত
ছাগলে আম গাছের পাতা খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১
ছাগলে মসজিদের আম গাছের পাতা খাওয়ার জেরে রাজশাহীতে সংঘর্ষে ১ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার দিগরাম ঘুন্টিঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুহুল আমিন (৪২) ওই গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে।     জানা গেছে, ঘুন্টিঘর এলাকার সাদেকুল ইসলামের একটি ছাগল মসজিদের আম গাছের পাতা খায়। বিষয়টি নিয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি নিজাম উদ্দিন সাদেকুলকে ডেকে ছাগল ছাড়তে বারণ করলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর মসজিদ কমিটির সভাপতি নেজাম উদ্দীন মেম্বারের পক্ষের লোকজন ও আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুলের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এত রুহুল আমিনকে নামের এক ব্যক্তি নিহতসহ আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। রুহুল আমিন ও নাজিরুল ইসলামকে উদ্ধার করে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক রুহুলকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় রাতেই তিনজনকে আটক করে পুলিশ। রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোদাগাড়ী থানার ওসি আবদুল মতিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় সাদেকুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম ও জামাল উদ্দিনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 
সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ, নেই ভোগান্তি
পাবনায় অপারেশনের সময় ২ প্রসূতির মৃত্যু
ব্রিজের নিচে পড়ে ছিল কিশোরের মরদেহ
সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে বাড়ছে ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ 
অন্তরঙ্গ সম্পর্কের পর পালিয়েছেন প্রেমিক, অতঃপর....
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিয়ের দাবি নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন এক প্রেমিকা। রোববার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে উপজেলার তালম ইউনিয়নের সিলেট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী জানান, এই গ্রামের জামাল মুন্সির ছেলে মহিবুল্লাহ সঙ্গে চার বছর আগে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। ওই সময় থেকে মহিবুল্লাহ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছে। রোববার মহিবুল্লাহ তাকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। আমি এখন তাকে বিয়ে না করে তার বাড়ি থেকে যাব না। ঘটনা জানাজানি হবার পর মহিবুল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।   এ বিষয়ে তাড়াশ অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি মৌখিকভাবে জানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  
পদ্মায় গোসল করতে নেমে ২ শিশু নিখোঁজ 
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে ২ শিশু নিখোঁজ হয়েছে। শনিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে মানিকচরে পদ্মা নদীতে এই ২ শিশু নিখোঁজ হয়। এরই মধ্যে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিট তাদের সন্ধানে কাজ করছে। নদীতে নিখোঁজরা হলেন মানিকচর এলাকার কাশেমের ৮ বছর বয়সী মেয়ে জান্নাতী এবং মনির হোসেনের ১২ বছর বয়সী মেয়ে ঝিলিক।  স্থানীয়রা জানান, দুই শিশু নদীতে গোসলের সময় হঠাৎ পানিতে তলিয়ে যায়। পরে বাঘা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস অফিসে খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এ উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দেয়। এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা ফায়ার সার্ভিস অফিসের উপসহকারী পরিচালক আক্তার হামিদ খান জানান, সীমান্তবর্তী দুর্গম চর এলাকা। এরই মধ্যে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাদের সন্ধানে কাজ করছে।  তাদের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা। 
নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে ২ বোনের মৃত্যু
নাটোরের সিংড়ায় নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে মামাতো বোনসহ ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার লালোর ইউনিয়নের ঢাকঢোল ডাঙ্গাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিংড়া থানার ওসি মো. আবুল কালাম। নিহতরা হলো ফারিয়া আক্তার (৮) ও ফাতেমা আক্তার (৮)। তারা মামাত-ফুফাত বোন। জানা যায়, ফারিয়া সৌদি প্রবাসী ফারুক হোসেনের মেয়ে এবং ফাতেমা নাটোর সদর উপজেলার তেবাড়িয়া হাট এলাকার রায়হান হোসেনের মেয়ে।  এ বিষয়ে ওসি আবুল কালাম বলেন, ঈদে উপলক্ষে নানা বাড়িতে বেড়াতে আসে ফাতেমা। সকালে মামাত বোন ফারিয়ার সঙ্গে খেলার এক ফাঁকে বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যায় তারা। দীর্ঘ সময় তাদের না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরে স্যান্ডেল ভাসতে দেখেন।  ওসি আবুল কালাম আরও বলেন, পরে স্থানীয়রা পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে ২ শিশুকে উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। কোনো অভিযোগ না থাকায় স্বজন ও স্থানীয়দের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই শিশুদের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
রাজশাহীতে স্কুলে আগুন, শ্রেণিকক্ষ পুড়ে ছাই
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে স্কুলে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নির্বাপণ করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকালে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এ সময় পঞ্চম শ্রেণির একটি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ওই কক্ষের চেয়ার টেবিলসহ প্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে পুঠিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানান, স্কুলে অগ্নিকাণ্ডের খবরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। একতলা পাকা স্কুলের আশপাশে ইটের দেয়াল থাকায় আগুন সেভাবে ছড়াতে পারেনি। এতে স্কুলের আসবাবপত্র ছাড়া তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কেউ হতাহতও হয়নি।
ঈদের প্রথম দুদিনে রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
রাজশাহীতে ঈদের প্রথম দুদিনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহতরা সবাই বয়সে তরুণ।  নিহতরা হলেন পবা উপজেলার কয়রা গ্রামের সাধু মিয়ার ছেলে শান্ত হোসেন (২০), আক্কাস আলীর ছেলে ফাহিম ইসলাম (২০) ও ভড়ুয়া গ্রামের আকানির ছেলে আজিজুল ইসলাম (১৮)।  এর মধ্যে শান্ত ও ফাহিম বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ও আজিজুল শুক্রবার (১২ এপ্রিল) মারা গেছেন। মতিহার থানার ওসি এসএম মোবারক পারভেজ বলেন, ঈদের দিন শান্ত ও ফাহিম দুই বন্ধু তাদের পরিচিত আরও কয়েকজন মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিল। নগরীর বুধপাড়া ফ্লাইওভারের কাছে অতিরিক্ত গতির কারণে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন তারা। দুজনই সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খায়। তাদের উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শান্ত মারা যান। ফাহিম রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।  রাতেই তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা। এ দিকে শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। এই তরুণের নাম আজিজুল ইসলাম (১৮)। তিনি পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর থানার ভড়ুয়া গ্রামের আকানির ছেলে। কাশিয়াডাঙ্গা থানার ওসি এমরান হোসেন বলেন, বেলপুকুর থেকে একটি পিকআপ নিয়ে এসেছিল বেশ কিছু যুবক। পিকআপে সাউন্ডবক্স ছিল। পিকআপটিতে আজিজুল মাথা বের করে ছিল। রাজশাহীগামী একটি বাসের সঙ্গে তার মাথার ধাক্কা লাগে। তাকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওসি আরও জানান, নিহত আজিজুলের পরিবারের সদস্যরা এসেছেন। তার মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
নাচানাচি করার সময় গাড়ি থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে পিকআপে করে সাউন্ডবক্সে গান বাজিয়ে নাচানাচি করার সময় বাসের ধাক্কায় এক কিশোর নিহত হয়েছে।  শুকবার (১২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।  নিহত ওই কিশোরের নাম আজিজুল ইসলাম। তিনি পুঠিয়ার ভরুয়াপাড়া এলাকার আকানি ইসলামের ছেলে।  পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে আজিজুল তার বন্ধুদের নিয়ে একটি ভাড়া করা পিকআপ গাড়িতে সাউন্ড বক্সে গান বাজিয়ে নাচানাচি করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জ টু রাজশাহীগামী একটি বাস পিকআপকে ধাক্কা দিলে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যায় ওই কিশোর। এ সময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।   এ বিষয়ে কাশিয়াডাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমরান হোসেন জানান, এ ঘটনায় ওই কিশোরের মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনাস্থলে থানার সীমানা নিয়ে একটু জটিলতা আছে। সেটি সুরাহা করে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।