• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
থালাপতি বিজয়ের ‘হুইসেল পোডু’ গানে উত্তাল নেটদুনিয়া (ভিডিও)
অস্ত্রোপচার করে চেহারা পাল্টে ট্রলের শিকার রাজকুমার রাও
বলিউডের এ সময়ের স্বনামধন্য ও দর্শকপ্রিয় অভিনেতা রাজকুমার রাও। ব্যতিক্রমধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে এই বলিউড তারকা সিনেপ্রেমীদের আকুণ্ঠ প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন। বরাবরই চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে নিজের অভিনয় প্রতিভা মেলে ধরতে ভালোবাসেন এই অভিনেতা। এবার তেমনি এক চরিত্রে কাজ করতে গিয়ে নিজের চেহারায় আমূল পরিবর্তন এনেছেন বলিউড অভিনেতা রাজকুমার। আর সেই চেহারার কারণে নেটিজেনদের ট্রলের শিকার হলেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নতুন সিনেমা 'শ্রীকান্ত'র কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নতুন এ লুক তৈরি করেছেন অভিনেতা। জানা গেছে, নতুন ওই সিনেমায় শিল্পপতি শ্রীকান্ত বোল্লার চরিত্রে অভিনয় করবেন রাজকুমার। রুপালি পর্দার সে চরিত্রকে সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতেই চেহারায় এমন বদল এনেছেন অভিনেতা। আর এ কারসাজি হঠাৎই প্রকাশ্যে আসে দিলজিৎ দোসাঞ্জের কনসার্টে।   সম্প্রতি দিলজিৎ দোসাঞ্জের কনসার্টে রাজকুমার রাও উপস্থিত হন। আর তারপরই এ অভিনেতার নতুন লুক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে নেটপাড়ায়। তার নতুন লুক দেখে এরইমধ্যে নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেছেন, সৌন্দর্য বাড়াতে কৃত্রিম উপায় অর্থাৎ অস্ত্রোপচারের সাহায্য নিয়েছেন রাজকুমার। তারা বলছেন, পুরানো ছবি আর নতুন এ ছবি একসঙ্গে রাখলেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে পার্থক্য। সহজেই চোখে পড়ছে রাজকুমারের নাক, ঠোঁট, চোয়াল ও থুতনির অমিল।   এ প্রসঙ্গে রাজকুমার রাও জানান,  অস্ত্রোপচার করেননি তিনি। বরং তা ছিল মেকআপের কারসাজি। তবে রাজকুমারের এমন ব্যাখ্যা মানতে নারাজ তার ভক্ত ও নেটিজেনরা। প্রসঙ্গত, তুষার হিরানান্দানি পরিচালিত 'শ্রীকান্ত' ছবিটিতে রাজকুমার রাও ছাড়াও থাকবেন জ্যোতিকা, আলায়া এফ, শরদ কেলকার প্রমুখ।রাজকুমার রাওয়ের এই সিনেমাটি আগামী ১০ মে মুক্তি পাবে।
আমির খানের ভিডিও ভাইরাল!
চলচ্চিত্র শিল্পীদের নির্বাচনে ভ্রাম্যমাণ আদালত (ভিডিও)
এই অশান্তি আর ভাল্লাগে না : মাহি
জয়কে নিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে মন খারাপ শাকিবের পরিবারের
ফের পীরজাদা হারুনকে বয়কটের সিদ্ধান্ত
গত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আলোচিত নাম অভিনেতা পীরজাদা শহীদুল হারুন। নির্বাচন নিয়ে তুমুল হট্টগোল, তর্ক-বিতর্ক, মামলা, আদালতে দৌড়ঝাঁপসহ সবকিছুই হয়েছে। পরাজয়ের পর জাতীয় প্রেস ক্লাবে পীরজাদা হারুনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানিসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ আক্তার।  নির্বাচনের দিন নিপুণকে চুমু খেতে চেয়েছিলেন পীরজাদা, প্রকাশ্যে এমন অভিযোগও তুলেছিলেন নিপুণ। নিপুণের দ্বারা নিষিদ্ধ হারুন এখন তার প্যানেলেই কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। এ কারণে পীরজাদা শহীদুল হারুনকে ব্যক্তিগতভাবে বয়কট করার কথা জানালেন চিত্রনায়িকা আঞ্জুমান আরা শিল্পী। ‘প্রিয়জন’ সিনেমার এই নায়িকা বলেন, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছিল তাতে করে তার মানসম্মান মাটিতে মিশে গেছে। তিনি কী করে এমন ব্যক্তিত্বহীন সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি যদি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতেন আমিসহ সবাই তাকে সমর্থন করতাম। তিনি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মকর্তা। যার জন্য তার মানসম্মান গেছে তার প্যানেলে যিনি নির্বাচন করতে পারেন আমি মনে করি তিনি ব্যক্তিত্বহীন। তার কাছে ভালো কিছু আশা করা যায় না। যোগ করে শিল্পী বলেন, এমন লোক শিল্পীদের অভিভাবক হতে পারে না। কারণ তার দ্বারা সংগঠনের মঙ্গল হবে না। তাছাড়া বিগত দিনে তো তিনি শিল্পীদের পাশে ছিলেন না। কখনও শিল্পীদের খোঁজ নেননি। তাই আমি তাকে বয়কট করলাম। আমার মনে হয় সকল শিল্পীদের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। সাধারণ ভোটারদের অনুরোধ করে বলব— বিগত দুই বছর অনেক কিছু দেখেও আপনারা চুপ ছিলেন। কিন্তু এবার আর নয়, আপনারা সজাগ দৃষ্টিতে সমিতির কল্যাণে কাজ করবে এমন যোগ্য প্রার্থী বেছে নিন। শুধু পীরজাদা শহীদুল হারুন নয়, এক দুইটি সিনেমায় অতিথি চরিত্রে অভিনয় করে শিল্পী সমিতির সদস্য হয়ে যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধেও শিল্পীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই নায়িকা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আগামী ১৯ এপ্রিল। এদিন এফডিসিতে বিরতিহীনভাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মিশা-ডিপজলের বিপরীতে মাহমুদ কলি-নিপুণ লড়ছেন। 
৫ দিনে ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’র আয় ১২৬ কোটি টাকা
বলিউডের জনপ্রিয় দুই তারকা অক্ষয় কুমার ও টাইগার শ্রফ। গত ১০ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে তাদের অভিনীত সিনেমা ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন আলী আব্বাস জাফর। মুক্তির পর থেকেই বক্স-অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছে সিনেমাটি। মুক্তির ৫ দিনে ১২৬ কোটি টাকা ঘরে তুলেছে ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’।  বর্তমানে ভারতের সাড়ে ৩ হাজার পর্দায় প্রদর্শিত হচ্ছে অক্ষয়-টাইগারের ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’। মুক্তির প্রথম দিনে চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি আয় করা বলিউড সিনেমার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান দখল করেছে এটি। মুক্তির প্রথম দিনই ১৫ কোটি রুপি আয় করে সিনেমাটি।   বলি মুভি রিভিউজ ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে মুক্তির প্রথম দিনে ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’ আয় করে ১৫ কোটি রুপি, দ্বিতীয় দিন ৭ কোটি রুপি, তৃতীয় দিন ৮.২৫ কোটি রুপি, চতুর্থ দিন আয় ৮.৭৫ কোটি রুপি, পঞ্চম দিনে আয় করে ৩ কোটি রুপি। ভারতে ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’র মোট আয় ৪২ কোটি রুপি। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় ৯৬.১৮ কোটি রুপি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার বেশি। জানা গেছে, ২৫ বছর আগে ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও গোবিন্দ। সেসময় বক্স-অফিসে ব্যাপক সফলতা পায় সিনেমাটি। বলা যায়, রীতিমতো বাজিমাত করেছিল অমিতাভ-গোবিন্দের ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’। এবার একই নামের সিনেমা ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’-তে অভিনয় করে রীতিমতো পর্দা মাতাচ্ছেন অক্ষয়-টাইগার। আর এই সিনেমাতেই একসঙ্গে প্রথম অভিনয় করলেন তারা। প্রসঙ্গত, অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমায় অক্ষয়-টাইগার ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন— পৃথ্বীরাজ সুকুমারন, সোনাক্ষী সিনহা, মানসী চিল্লার, মনীষ চৌধুরানী প্রমুখ। এটি প্রযোজনা করেছেন রাকুল প্রীত সিংয়ের বর জ্যাকি।    
কান্না থামছেই না পরিণীতির
প্রায় এক দশক আগে ‘লেডিস ভার্সেস রিকি বাহল’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল পরিণীতি চোপড়ার। ক্যারিয়ারের এই সময়ে লম্বা একাধিক সিনেমায় অভিনয় করলেও তার কোনো সিনেমাই বক্সঅফিসে তেমন ব্যবসা করতে পারছিল না। এতে হতাশায় পড়ে গিয়েছিলেন পরিণীতি।  তবে সম্প্রতি পরিণীতি ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে। আর এতেই কান্না থামছে না অভিনেত্রীর।  গত ১২ এপ্রিল ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে পরিণীতি অভিনিতে সিনেমা ‘চমকিলা’। সিনেমাটি মুক্তি পেতেই যেন ঘুরে গেল অভিনেত্রীর ভাগ্যের চাকা।  পঞ্জাবি গায়ক ‘অমর সিংহ চমকিলা’র জীবনীর ওপর নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। এর মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ। অন্যদিকে সিনেমায় গায়কের স্ত্রী অমরজোৎ কউরের চরিত্রে দেখা গেছে পরিণীতিকে।     ভারতীয় গণমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী, ২০১২ সালে যশরাজ ফিল্মসের প্রযোজনায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘ইশকজাদে’। ওই সিনেমায় মুখ্যচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান পরিণীতি। নবাগত অর্জুন কাপুরের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। তবে সিনেমাটি বক্সঅফিসে ভালো ব্যবসা করতে না পারলেও একাধিক পুরস্কার জিতে নিয়ে আলোচনায় চলে আসেন পরিণীতি।    এরপর ‘শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স’, ‘হাসে তো ফাঁসে’র মতো রোম্যান্টিক ঘরানার সিনেমায় দেখা গেছে পরিণীতিকে। অভিনেত্রীর এই সিনেমা দুটি ভালো ব্যবসা করলেও ২০১৪ সাল থেকে তার ক্যারিয়ারের গ্রাফ নিম্নমুখী হতে শুরু করে।  পর পর বেশ কয়েকটি সিনেমা ব্যর্থ হওয়ায় রীতিমতো মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন পরিণীতি। শুধু অভিনয় নয়, গানেও বেশ পারদর্শী তিনি। তাই অভিনয়ের পাশাপাশি গানকেও পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানেও নেটিজেনদের কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে।        মূলত আশির দশকে পঞ্জাবের জনপ্রিয় গায়ক ছিলেন অমর সিংহ ওরফে চমকিলা। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ভরা আসরে আততায়ীদের হাতে খুন হন তিনি ও তার স্ত্রী। এমনই এক চরিত্রকে নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক ইমতিয়াজ আলি।   আর সেই সিনেমায় গায়কের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করে নজর কেড়েছেন পরিণীতি। সমালোচক থেকে দর্শক, সবার প্রশংসায় ভাসছেন এই অভিনেত্রী। তবে অনেকেরই ধারণা— এই সিনেমার মাধ্যমেই যেন প্রত্যাবর্তন হলো পরিণীতির।  এদিকে সমালোচকদের উদ্দেশে পরিণীতি জানান, তিনি ফিরে এসেছেন। আর কোথাও যাচ্ছেন না। গান গাওয়ার সুযোগ আছে বলেই এই সিনেমায় অভিনয় করতে রাজি হয়েছিলেন তিনি। সবার প্রশংসা ও রিভিউ পেয়ে তিনি আপ্লুত। বলা যায়, কান্না থামছেই না তার। অবশ্যই সেটা খুশির অশ্রু।    সূত্র : আনন্দবাজার       
যে কারণে ছেলে জয়কে বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন অপু বিশ্বাস
শাকিব-অপু দম্পতির একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়কে বিদেশ পাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার এই তারকা জুটি। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে বিষয়টি জানিয়েছেন অপু বিশ্বাস। অপু বিশ্বাস বলেন, শাকিব ও আমি দুজন মিলেই ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলতি বছরই পড়াশোনার জন্য জয় বিদেশে যাবে। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বুকটা কেমন জানি ভারি হয়ে যাচ্ছে; বলে বোঝানো যাবে না। তবে সাবেক এই তারকা দম্পতি তাদের ছেলেকে কোন দেশে পাঠাচ্ছেন, তা আপাতত গোপন রেখেছেন অপু। শাকিব-অপুর ছেলে জয়ের বয়স এখন মাত্র ৮ বছর। এই বয়সেই তাকে একা বিদেশ পাঠানো হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, না না আমি ওকে একা রাখব না। আমি বাবা-মা, আমরা ফ্যামেলির সবাই মিলেমিশে থাকা হবে। জয় শুধু আমার জীবনেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, ও আমাদের পরিবারের সবার কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। ভিডিও সাক্ষাৎকারে অপু আরও বলেন, যখন আমি আমার জয়কে নিয়ে প্রথম টিভিতে আসি, তখন শুধুই একজন মায়ের জায়গা থেকে এসেছিলাম। এটার জন্য অনেক কথা শুনতে হয়েছে। সেই সঙ্গে এখন সামাজিক মাধ্যম যতটা উপকারী আমার মনে হয় তার থেকে বেশি ক্ষতিকর। মানুষ অনেক কথাই বলবে। সেগুলোকে পাত্তা দিলে নিজেদের ক্ষতি। যাইহোক, সব কিছু মিলে বছরটি সাজিয়েছি।
২০ বছরে সিসিমপুর
সময়টা ২০০৫ সাল, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের শেখাকে আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে ‘সিসিমপুর’। দেখতে দেখতে এই অনুষ্ঠানটি পার করল ১৯ বছর।  সিসিমপুরের প্রথম প্রচারের দিন হিসেবে প্রতি বছর ১৫ এপ্রিল তারিখটিকে ‘সিসিমপুর দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়। সিসিমপুর তার টেলিভিশন অনুষ্ঠান, মুদ্রিত বিভিন্ন উপকরণ এবং স্কুলভিত্তিক কার্যক্রম ও কমিউনিটি কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের শিখন দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যেমন- বর্ণ চেনা, শব্দ থেকে বর্ণ চিহ্নিত করা, বর্ণ দিয়ে শব্দ মেলানো, শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করতে সাহায্য করে। চারপাশের পরিবেশ থেকে উপকরণ খুঁজে নিয়ে সেগুলোর মাধ্যমে বর্ণ ও শব্দ চিনতে সাহায্য করে। যেমন : ঘর, কলা, আম, টেবিল, ঘড়ি, গরু, গাছ, পাতা, কলম, বই ইত্যাদি শিশুর পরিচিতি বিভিন্ন শব্দ কোন বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, তা খেলার ছলে শেখানো হয়। সিসিমপুরের চরিত্রগুলোর মাধ্যমে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান থেকে বিভিন্ন আকার-আকৃতির নাম, রঙের নাম ইত্যাদি শেখানো হয়।  এছাড়া ইন্টারনেটে শিশুদের নিরাপদ রাখার বিষয় নিয়েও বেশ কয়েক বছর ধরে কাজ করছে সিসিমপুর। পাশাপাশি প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের শেখার দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং অভিভাবক মাঝে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে সিসিমপুর। বর্তমানে  আরটিভি সহ দেশের ৩ টি বেসরকারি টেলিভিশনে সিসিমপুরের ১৬তম সিজন সম্প্রচারিত হচ্ছে।  তবে শুরু থেকেই একটি সরাকারি টেলিভিশন বিগত ১৯ বছর ধরে বিরতিহীনভাবে সিসিমপুর সম্প্রচার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যা বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং সিসিমপুরের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফল। তিনটি টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা দেশের প্রায় এক কোটি দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করছেন। প্রতি বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় শিশুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের বিষয়ে পরিণত হয়েছে সিসিমপুর। মেলায় প্রতি শুক্র-শনি আর ছুটির দিনগুলোতে ইকরি, হালুম, টুকটুকি আর শিকুর সঙ্গে মজার সময় কাটাতে শিশুদের ঢল নামে। যা ইতোমধ্যেই অমর একুশে গ্রন্থমেলার অন্যতম অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। সিসিমপুরের ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ১৯ বছর ধরে শিশুতোষ এই অনুষ্ঠানটি নির্মিত হচ্ছে তিন থেকে আট বছর বয়সী শিশুর প্রারম্ভিক শিক্ষার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে। সেইসঙ্গে সিসিমপুরের লক্ষ্য শিশুর পিতা-মাতা, যত্নকারী এবং শিক্ষকরাও।  আনন্দ আর খেলার ছলে সিসিমপুর ভূমিকা রেখে চলেছে শিশুর সামগ্রিক বিকাশে। ভাষা-বর্ণ; গণিত; পরিবেশ; সুষম ও পুষ্টিকর খাবার; স্বাস্থ্যসুরক্ষার মতো মৌলিক বিষয়গুলো ছাড়াও সিসিমপুর জেন্ডার সমতা; সামাজিক মূল্যবোধ; নিরাপদে খেলাধুলা করা, ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকা, দুর্যোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস চর্চা; ভূমিকম্প; রাস্তা পারাপার ও পানিডুবি-বিষয়ক নিরাপত্তা; বিভিন্ন আঘাত প্রতিরোধে সচেতনতা; সঞ্চয় করা, পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ইত্যাদি নানা বিষয় শিশুদের শিখতে সাহায্য করেছে সিসিমপুর।  পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মমত্ববোধ, অভিন্নত্ব ও বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাসহ দেশের সব মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে সিসিমপুর। সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ তার সব কার্যক্রমই সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে যৌথভাবে পরিচালনা করে থাকে। গত ১৯ বছরে সিসিমপুর বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে।  ইউএসএআইডির অর্থায়নে সিসিমপুরের পথচলা শুরু এবং ইউএসএআইডি-র এই সহায়তা অদ্যাবধি অব্যাহত রয়েছে। নিউইয়র্কভিত্তিক সিসেমি স্ট্রিট নামক শিক্ষামূলক টেলিভিশন-ধারাবাহিকের সহ প্রযোজনা সিসিমপুরের কার্যক্রম বাংলাদেশে পরিচালনা করছে সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ।
অবশেষে নিজেদের গোপন সম্পর্কের কথা ফাঁস করলেন মাহি-জয়
ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের নায়িকা মাহিয়া মাহি। বিচ্ছেদের পর সন্তানকে নিয়ে ফুরফুরেই মেজাজে আছেন এই নায়িকা। বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে বেশ সুন্দর সময় কাটাচ্ছেন তিনি। শুধু তাই নয় নতুন উদ্যমে কাজেও ফিরেছেন তিনি। এবার ঈদে মুক্তি পাওয়া শাকিবের ‘রাজকুমার’ ছবিতে ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা পাচ্ছেন। এদিকে ঢাকাই সিনেমার বর্তমান প্রজন্মের নায়ক জয় চোধুরী। ভালোবেসে নায়িকা নীড়কে বিয়ে করেছেন। তাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তানও আছে। যদি বিয়ে-সন্তানের বিষয়টি দীর্ঘ আড়ালেই রেখেছিলেন তারা।  জয় চোধুরীর সঙ্গে মাহির প্রায় সময়ই নানান ছবি দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই নায়কের বাসায় অন্য নায়ক-নায়িকাদের সঙ্গে বেশ ফুরুফুরে মেজাজেই আড্ডায় মাততে দেখা যায় মাহিকে। জয়ের সঙ্গে সিনেমা না করেও এতট ভালো সম্পর্ক কীভাবে হলো সেটিই এবার একটি অনুষ্ঠানে এসে ফাঁস করলেন তারা।   মাহি বলেন, অল্প সময়েই জয়ের সঙ্গে আমার বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছে। ও আমার সঙ্গে কোন সিনেমায় কাজ করেনি। আর আমার সঙ্গে যেই নায়করা কাজ করেন তাদের আমি শত্রু ভাবি। যার কারণে তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ভালো হয় না। জয়ের সঙ্গে আমার ২০১৯ থেকেই ভালো সম্পর্ক কিন্তু গোপন রেখে ছিলাম কারণ যে কোন জিনিস  গোপন রাখলে সেটা সুন্দর থাকে।  এদিকে মাহির সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে জয় বলেন, খোলামেলা বিষয়টা আসলে সবাই ভালভাবে নেন না। গোপন থাকলে বিষয়টার মাঝে একটা পবিত্রতা থাকে। মাহির সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব অল্প দিনের হলেও আমাদের সম্পর্কের মাঝে গভীরতা অনেক।     
যে কারণে নিজেকে ‘অযোগ্য’ বললেন প্রসেনজিৎ
ওপার বাংলার দর্শকনন্দিত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। শুধু ওপার বাংলাতেই নয় এপার বাংলায়ও তার ভক্তের সংখ্যা কম নয়। দর্শকপ্রিয় এই অভিনেতা হুট করেই নিজেকে ‘অযোগ্য’ বলে বসলেন! কিন্তু কেন? আসলে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নতুন ছবির নাম ‘অযোগ্য’। সিনেমার ইতিহাসে হয়তো এটাই প্রথম। যেখানে টালিউডের দুই সুপারস্টার তাদের ৫০তম ছবিতে জুটি বাঁধছেন। হ্যাঁ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। যাদের একফ্রেমে আনতে পরিচালকরা সবসময় প্রস্তুত। যাদের একফ্রেমে দেখার জন্য হইচই পড়ে যায় ভক্তদের মধ্যে। সেই জুটিই ফের একসঙ্গে, তাদের ৫০তম ছবিতে। আর এই ম্যাজিক তৈরি করলেন টলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। গতবছরই এই সিনেমার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে নববর্ষে মুক্তির দিনক্ষণ জানা গেল। চলতি বছরের ৭ জুন এই ছবি আসছে প্রেক্ষাগৃহে। নতুন পোস্টারে ভেসে উঠল ঝাপসা প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার মুখ।  প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটি মানেই বক্স অফিস বাম্পার। উত্তম-সুচিত্রা জুটির পরই বাংলা সিনেমার দর্শকদের মনে তাদের স্থান। এবার পঞ্চাশতম সিনেমার পালা।   নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির সফর শুরু হয়। প্রথম ছবিই ছিল সুপারহিট। তারপর একে একে ‘মায়ার বাঁধন’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘স্বামীর ঘর’, ‘মনের মানুষ’-এর মতো সিনেমার দর্শকদের উপহার দিয়েছেন দুজনে। তবে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ সিনেমার মুক্তির পর বহুদিন একসঙ্গে কাজ করেননি ঋতুপর্ণা আর প্রসেনজিৎ। কিন্তু দুজনের জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। তার প্রমাণ ছিল নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘প্রাক্তন’। ২০১৬ সালে মুক্তি পায় ‘প্রাক্তন’। আবারও সুপারহিট প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির অনস্ক্রিন রসায়ন। এই জুটিকে নিয়েই আবার কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় তৈরি করেছিলেন ‘দৃষ্টিকোণ’। আলাদা গল্প, আলাদা চরিত্র। কিন্তু প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির ম্যাজিক ছিল অক্ষুণ্ন। তাতে আবার বাড়তি পাওনা ছিল কৌশিকের পরিচালনা। এই তিন মূর্তিই এবার দর্শকের দরবারে নতুন গল্প নিয়ে আসছেন।