• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
যে কারণে বারের সামনে নারীদের চুলোচুলি
রাজধানীতে যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত
জামালপুরের তারাকান্দি থেকে যাত্রীদের নিয়ে ছেড়ে আসা যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেন রাজধানীর তেজগাঁওয়ে লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানী কারওয়ান বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে এক লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে দেরিতে হলেও ঢাকা থেকে বের হচ্ছে ট্রেনগুলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস। তিনি বলেন, কারওয়ান বাজারে ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। সেখানে ডাবল লাইন থাকায় ট্রেন চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে যায়নি। একটি লাইন দিয়ে ট্রেন চলছে।  তবে লাইনচ্যুত ট্রেনটি লাইনে আনা ও চলাচল স্বাভাবিক করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলে জানান ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস।
পল্টনে ছয়তলা ভবন থেকে লাফিয়ে নারীর আত্মহত্যা
বারের সামনে চুলোচুলি, ভাইরাল সেই ৩ নারী গ্রেপ্তার
সুইমিংপুলে শিশুর মৃত্যু
জেল থেকে তাড়াতাড়ি বের হওয়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা
লঞ্চ-ট্রেন-বাসে যাত্রী চাপের মধ্যেই রাজধানীতে ফিরছে মানুষ
পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষের ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তাই আজ ট্রেন, বাস ও লঞ্চে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। এই ভিড়ের মধ্যেই রাজধানীতে ফিরছে মানুষ। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আসা যানবাহনগুলোতে যেন তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল এবং ট্রেন স্টেশন ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, কমলাপুর এবং বিমানবন্দর রেল স্টেশনে আসা ট্রেনগুলো থেকে নামছে অসংখ্য মানুষ। প্রতিটি ট্রেনেই ছিল যাত্রীদের ভিড়। এ ছাড়া মহাখালী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এবং সদরঘাট লঞ্চ ঘাটেও ছিল একই অবস্থা।  অতিরিক্ত চাপের কারণে বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা। তারা জানান, বাসগুলোতে আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। ঈদের চারদিনে এসেও এমন ভাড়া অপ্রত্যাশিত। কেউ প্রতিবাদ করলে বাস শ্রমিকদের হাতে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে। বাসে করে ঢাকায় ফিরেছেন সাকিব নামের এক যাত্রী। তিনি বলেন, আমাদের জেলায় বাস তেমন দাঁড়িয়ে নেই। কিছুক্ষণ পরপরই বাস ছেড়ে যাচ্ছে ঢাকার উদ্দেশ্যে। তবে বাসের ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টির ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। লঞ্চে করে ঢাকায় ফেরা মো. আল-আমিন বলেন, আজকে লঞ্চে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। আমি ভেবেছিলাম, ঈদের কয়েকদিন পরে ঢাকা যাচ্ছি, লঞ্চে হয়তো ভিড় কম থাকবে। কিন্তু লঞ্চে উঠে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। ট্রেনে করে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকায় আসা সেলিনা আক্তার বলেন, ট্রেনগুলোতে আজকে যাত্রীদের প্রচুর ভিড় ছিল। ঈদের চারদিনের মাথায় এত ভিড় হবে ভাবিনি। মনে করেছিলাম, একটু স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরতে পারব কিন্তু তা আর হলো না। এদিকে ঈদের ছুটির পর অফিস শুরু হলেও রাজধানী এখনও ফাঁকা। সড়কে নেই যানজট। স্কুল-কলেজও খোলেনি। এ কারণে এক প্রকার নীরব রাজধানী। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে স্কুল-কলেজ খুললে ঢাকা চিরচেনারূপ পাবে।
রাজধানীতে বাবার চড়ে ৫ বছরের শিশুর মৃত্যু
রাজধানীতে বাবার চড়ে জান্নাতুল নামে পাঁচ বছরের এক মেয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে হাজারীবাগের বৌবাজার এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। পরে মঙ্গলবার ভোরের দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় শিশুটি। শিশুটির মামা রাহাত বলেন, ‘মেয়েটি ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করত না, মুখে খাবার নিয়ে বসে থাকত। সোমবার রাতে তাকে খাওয়ানোর সময় তার বাবা রেগে গিয়ে চড় মেরে বসেন। এ সময় পাশের দেয়ালের সঙ্গে মাথা ঠুকে গেলে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে যায়।’ শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা এক প্রতিবেশী শিল্পী বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যার পরপর মেয়ের বাবা আমাকে ডেকে বলেন, খালা একটু দেখেন তো, আপনার নাতিনরে (জান্নাতুল) মারছি, তার মা নাসিমাও হাত কাইটা ফেলছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি বাসায় গিয়ে দেখি নাসিমার বাম হাতে কাটা, আর শিশুটি পরে আছে অচেতন অবস্থায়। পরে সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানেই মঙ্গলবার ভোরে শিশুটির মৃত্যু হয়।’ হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাদির শাহ বলেন, জান্নাতুল মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছে। পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
রাজধানীতে হঠাৎ স্বস্তির বৃষ্টি
টানা কয়েক দিন ভ্যাপসা গরমের পর ঢাকায় হঠাৎ স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় স্বস্তির বৃষ্টির সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়াও। হঠাৎ বৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি ফিরলেও মাঝপথে সড়কে থাকা পথচারীরা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৩টা থেকে আকাশে গুমোট ভাব ছিল। কালো মেঘে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায়। আধঘণ্টা পরই বিভিন্ন জায়গায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। এর আগে, ঢাকাসহ দেশের পাঁচ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, রাজশাহী, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া এবং কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ঈদযাত্রায় ফিরতি ট্রেনে যাত্রীর চাপ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে ফিরতি যাত্রার চতুর্থদিনে সকাল থেকেই ট্রেনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় প্রচুর যাত্রী ফিরছেন।  ঈদের পর বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ১৩ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী ট্রেনে ফিরতি যাত্রা ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে। এতদিন অধিকাংশ যাত্রীরা নিজে ফিরলেও আজ থেকে পরিবার নিয়ে তাদেরকে ফিরতে দেখা গেছে। মঙ্গলবারের (১৬ এপ্রিল) ট্রেনের টিকিট ১০ দিন আগে বিক্রিও করে রেলওয়ে। সকালে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, ঈদের ফিরতি যাত্রার প্রথম তিনদিন খুব বেশি চাপ না থাকলেও এদিন চাপ ছিল অনেক বেশি। চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, উত্তরবঙ্গগামী একতা এক্সপ্রেসসহ একাধিক ট্রেন ছাড়তে দেরি করছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের ট্রেনগুলো অধিক যাত্রী নিয়ে ঢাকা প্রবেশ করায় যাত্রীচাপের যথাসময়ে স্টেশনে প্রবেশ করতে পারছে না। এ বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন বলেন, সকাল থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় ১৪টি ট্রেন এসেছে আর সবগুলোই ঢাকা ছেড়ে গেছে। ঢাকায় আসা ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় অনেক ছিল বেশি। কিছু ট্রেন দেরিতে ছাড়লেও শিডিউল জটিলতা নেই। বাংলাদেশ রেলওয়ে ঈদের আগে ঢাকামুখী আন্তনগর ট্রেনগুলোর ১৩ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করে ৩ এপ্রিল, ১৪ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করে ৪ এপ্রিল, ১৫ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করে ৫ এপ্রিল, ১৬ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করে ৬ এপ্রিল, ১৭ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করে ৭ এপ্রিল, ১৮ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করে ৮ এপ্রিল এবং ১৯ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করে ৯ এপ্রিল। এ ছাড়া ২৫ শতাংশ টিকিট যাত্রা শুরুর দুই ঘণ্টা আগে থেকে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে বিক্রি করা হয়।  
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১৩
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ডিএমপি জানায়, ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৯৭ পিস ইয়াবা, ৬০০ গ্রাম গাঁজা ও ৫৩ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০টি মামলা রুজু হয়েছে।
দ্বিতীয় দিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান চলছে বঙ্গবাজারে  
রাজধানীর বঙ্গবাজারে বহুতল নতুন ভবন নির্মাণের জন্য দ্বিতীয় দিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযানে ভেঙে ফেলা হচ্ছে অস্থায়ী সব দোকান।  মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকেই এই কার্যক্রম শুরু করে সিটি কর্পোরেশন।  সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বঙ্গবাজারের সামনের অংশে একটি ভেকু দিয়ে বাঁশের কাঠামো সরিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থেকে বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে সেখানে উপস্থিত থেকে মোবাইলে উচ্ছেদ অভিযানের দৃশ্য ধারণ করতে দেখা যায়। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি কেউ। এর আগে গতকাল (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বঙ্গবাজারের অস্থায়ী দোকানগুলো উচ্ছেদের কার্যক্রম শুরু হয়। সংস্থাটির সম্পত্তি বিভাগের উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। গত বছরের ৪ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায় রাজধানীর সবচেয়ে পুরোনো ও জনপ্রিয় পাইকারি কাপড়ের মার্কেট বঙ্গবাজার। পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারের আধুনিকায়ন করে সেখানে ব্যবসায়িক পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। সেখানে ১.৭৯ একর জায়গার ওপর ১০ তলাবিশিষ্ট একটি আধুনিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা সিটি কর্পোরেশনের। সেইসঙ্গে বঙ্গবাজারের নাম পরিবর্তন করে রাখা হচ্ছে বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপণিবিতান।  পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ তলা বিশিষ্ট ভবনটিতে গ্রাউন্ড ফ্লোর ও বেজমেন্ট ছাড়াও থাকবে মোট আটটি ফ্লোর। ভবনে থাকবে তিন হাজার ৪২টি দোকান। প্রতিটি দোকানের আয়তন হবে ৮০-১০০ স্কয়ার ফুট। ভবনটিতে থাকবে আটটি লিফট। এর মধ্যে চারটি থাকবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য। আর বাকি চারটি কার্গো লিফট থাকবে মালামাল ওঠানো-নামানোর জন্য। এছাড়া থাকছে গাড়ি পার্কিং, খাবারের দোকান, সমিতির অফিস, নিরাপত্তাকর্মী এবং সেখানকার কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা। ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৮ কোটি টাকা। ডিএসসিসির সংশ্লিষ্ট দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১০ তলাবিশিষ্ট আধুনিক এ ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে মোট ৩৮৪টি, প্রথম তলায় ৩৬৬টি, দ্বিতীয় তলায় ৩৯৭টি, তৃতীয় তলায় ৩৮৭টি, চতুর্থ তলায় ৪০৪টি, পঞ্চম তলায় ৩৮৭টি, ষষ্ঠ তলায় ৪০৪টি ও সপ্তম তলায় ৩১৩টি দোকান থাকবে। এ ছাড়া, অষ্টম তলায় দোকান মালিক সমিতির অফিস, কর্মচারী ও নিরাপত্তাকর্মীদের আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হবে। ভবনের পার্কিংয়ে একসঙ্গে প্রায় ১৮৫টি গাড়ি ও ১১০টি মোটরসাইকেল পার্কিং করা যাবে। ভবনটিতে ২২টি খাবারের দোকান রাখা হবে। সেইসঙ্গে নকশায় আরও ৮১টির বেশি দোকান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।  বঙ্গবাজারের পুরাতন মার্কেটটি মূলত বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স, আদর্শ ইউনিট, মহানগর ইউনিট ও গুলিস্তান ইউনিট নিয়ে গঠিত ছিল। গত ৪ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মার্কেটগুলো পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়। এছাড়া, মহানগর শপিং কমপ্লেক্স, এনেক্সকো টাওয়ার, বঙ্গ হোমিও মার্কেট এবং বঙ্গ ইসলামিয়া মার্কেটের কিছু অংশেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে তিন হাজার ৮৪৫ ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩০৩ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। এতোদিন পর্যন্ত পুড়ে যাওয়া মার্কেটের ফাঁকা স্থানে শামিয়ানা ও ছোট ছোট চৌকি বসিয়ে কোনোমতে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।  
ভাষানটেকে বিস্ফোরণ / দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
রাজধানীর ভাষানটেকে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন সবশেষ লিটনের (৪৮) মৃত্যু হয়। এ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হলো। বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তরিকুল ইসলাম জানান, লিটনের শরীরের ৬৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এই ঘটনায় লিটনের তিন সন্তান ভর্তি রয়েছে। তাদের অবস্থাও গুরুতর। এর আগে, লিটনের স্ত্রী সূর্য বানু (৩০) ও শাশুড়ি মেহেরুন্নেছা (৮০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ১২ এপ্রিল ভোর ৪টার দিকে মিরপুরের ভাসানটেক এলাকার একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধ হন। দগ্ধরা হলেন মেহরুন্নেছা (৬৫), সূর্য বানু (৩০), লিজা (১৮), লামিয়া (৭), সুজন (৯) ও মো. লিটন (৫২)। এরমধ্যে মেহরুন্নেসার ৪৭ শতাংশ, সূর্য বানু ৮২ শতাংশ, লামিয়া ৫৫ শতাংশ, মো. লিটন ৬৭ শতাংশ, লিজার ৩০ শতাংশ এবং সুজনের ৪৩ শতাংশ দগ্ধ হয়। জানা গেছে, পরিবার নিয়ে ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকেন ফার্নিচার ব্যবসায়ী লিটন মিয়া। শুক্রবার ভোরে লিটন মশার কয়েল জ্বালাতে গেলে সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ হয়। পরে দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।