• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওয়ালটনের আইনি নোটিশ
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনিবন্ধিত অনলাইন!
দেশে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগ থেকেই। তবে যেসব অনলাইন নিবন্ধনভুক্ত নয় তাদের বিষয়ে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এ বিষয়ে এখন থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে অনিবন্ধিত ও অবৈধ অনলাইনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা (সাংবাদিক) বলছেন নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সরকার নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং আপনারাই বলছেন কিছুটা দরকার ডিসিপ্লিনের (শৃঙ্খলা) জন্য। স্বাধীনতা এমন পর্যায়ে চলে গেছে, যেটা লিমিটলেস (সীমাহীন)। যে কারণে কিছুটা ডিসিপ্লিনের অভাবও হয়ে গেছে।  মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ওনাব) কার্যনির্বাহী সদস্যদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়ার বাইরেও অনেকে অনলাইন সংবাদমাধ্যম পরিচালনা করছেন। এখানে গণমাধ্যম এতোটাই মুক্ত, উন্মুক্ত এবং স্বাধীন যে, নিবন্ধন ছাড়াও চলতে পারে এবং নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের কথা পেশাগত সাংবাদিকরাই বলছেন, এটা করা দরকার। কিন্তু আমরা এগুলো করি না। যেটা প্রমাণ করে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সংবাদমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এটা মুক্ত না, উন্মুক্ত।  তিনি বলেন, একটা ডিসিপ্লিন আনা দরকার। যেহেতু নিবন্ধনের একটা প্রক্রিয়া আছে, সেটাকে কার্যকর করা দরকার। যারা নিবন্ধিত, তাদের কিছুটা প্রণোদনা ও সহায়তা দেওয়ার দরকার আছে, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে প্রমোট (এগিয়ে) করার জন্য। তিনি বলেন, অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালগুলোর মাধ্যমে অনেক চটকদার, অসত্য, মানহানিকর ও ডিসইনফরমেশন ক্যাম্পেইন হয়। এটা একটা ভালো দিক— সাংবাদিক মহলই চাচ্ছেন একটি শৃঙ্খল ডিসিপ্লিনযুক্ত সাংবাদিকতার বিকাশ। এখানে পূর্ণাঙ্গভাবে আপনাদের সাথে একমত। মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, তবে একইসাথে আমি মনে করি, নিয়ন্ত্রণ কিংবা নজরদারির প্রশ্ন আসে না। আমরা এগুলোর পক্ষে না, আমরা করতে চাই না। আমরা এগুলোতে বিশ্বাস করি না। আমরা মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অংশ। আমাদের এখন ৪২৬টি নিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল আছে। এরমধ্যে ২১৩টির মূলধারার গণমাধ্যমে আছে—ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া। আর ২১৩টি কেবল অনলাইন নিউজ পোর্টাল। আরও কিছু প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে।  তিনি জানান, নতুন কেউ অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিয়ে আসতে চাইলে তাদের নিজেদের প্রমাণ করার সময় দেওয়া দরকার। আর যারা অনিবন্ধিত, আমি মনে করি, অবৈধভাবে কোনো কিছু সঠিক না, তারা সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে না। সেগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবো। আর এটা আপনাদের (সাংবাদিক) দাবি। আমি কিন্তু বলছি না। কাজেই আমি সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আপনাদের দাবি পূরণের ঘোষণা দিচ্ছি। ‌‌তিনি আরও বলেন, আমি চাই না, সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমি ঘোষণা দিলাম যে, অনিবন্ধিত অনলাইন বন্ধ করে দেবো, কালকে হেডলাইন করে পরের দিন আলাপ হবে, সরকার তো গণমাধ্যমের গলা টিপে ধরছে। সেটা আমি চাই না। সাংবাদিকরাই এমনটা বলছেন।
‘ভাইরাল হওয়াই এখন মুখ্য বিষয় হয়ে উঠেছে’
সাংবাদিক ইমনের ওপর হামলায় বিজেসি’র নিন্দা 
সংবাদপত্র বন্ধ থাকবে ৯-১৪ এপ্রিল 
ঈদে ৬ দিনের ছুটি পেতে পারে সংবাদপত্র, নোয়াবের ঘোষণা শনিবার
বাংলাদেশকে টার্গেট করে বিদেশি গণমাধ্যমের নকল ইউটিউব চ্যানেল  
বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে কিছু ইউটিউব চ্যানেল তাদের নিজস্ব উপায়ে তৈরি খবর প্রচার করে আসছে। বিদেশি এবং বাংলাদেশি বেশ কিছু গণমাধ্যমের নকল ইউটিউব চ্যানেল এগুলো। সেখানে ভুয়া খবর বানিয়ে নিজেদের ভিউ বাড়িয়ে আয় করে এসব চ্যানেল। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিজিটালি রাইট লিমিটেডের (ডিআরএল) তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ ডিসমিসল্যাব এমন ৫৮টি ইউটিউব চ্যানেল খুঁজে বের করেছে। মুলত বাংলাদেশকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর এবং অসত্য তথ্য প্রচার করে আয় করা হয় বলে জানায় ডিসমিসল্যাব।  প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদন বলছে, সাত দিন আগে ‘বিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলা’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে দেখা গেছে জনপ্রিয় উপস্থাপক হিউ এডওয়ার্ডস বাংলায় সংবাদ পাঠ করছেন। মুলত তার ছবি ব্যবহার করে অন্য একজনের কণ্ঠ বসিয়ে সংবাদ তৈরি করা হয়েছে। এই চ্যানেল বিবিসির লোগোর আদলে তৈরি।  ডিসমিসল্যাব এমন ৫৮টি ইউটিউব চ্যানেলের খোঁজ পেয়েছে যেগুলো বিদেশি ও বাংলাদেশি সুপরিচিত সংবাদমাধ্যমের কার্যত নকল। চ্যানেলগুলো বাংলাদেশের দর্শকদের লক্ষ্য করে খবর প্রচার করে। কেউ সুপরিচিত সংবাদমাধ্যমের নামের আদলে নিজেদের নাম দিয়েছে, কেউ লোগো নকল করেছে, কেউ কেউ সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের সুপরিচিত উপস্থাপকের ছবি ব্যবহার করে ভিডিও ছাড়ছে। ডিসমিসল্যাবের প্রতিবেদন বলছে, নকল ইউটিউব চ্যানেলগুলোর মূল কাজ হচ্ছে নিজেদের ভিউ বাড়ানো এবং আয় করা। তবে তারা মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায়। ভিডিও প্রচারের ক্ষেত্রে তারা বেছে নেয় সংবেদনশীল বিষয়গুলো। যেমন বিবিসি-নিউজ বিডি নামের একটি চ্যানেলে গত ৩ জানুয়ারি খবর (ভিডিওর থাম্বনেইলে) দেওয়া হয় যে, ‘নির্বাচনে সেনাবাহিনীর থাবা, ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বাতিল ঘোষণা’। যদিও খবরটি ভুয়া।  ডিসমিসল্যাব বলছে, যেহেতু তারা সুপরিচিত সংবাদমাধ্যমের নকল, সেহেতু পাঠক বিভ্রান্ত হয়। আবার এসব চ্যানেলে প্রচারিত ভুয়া ও চটকদার খবরের কারণে সুপরিচিত সংবাদমাধ্যমগুলো দর্শক থেকে বঞ্চিত হয়। গবেষকেরা সংবাদসংশ্লিষ্ট কিছু শব্দ দিয়ে ইউটিউবে খোঁজ (সার্চ) করে দেখেছেন, যেসব প্রতিবেদন সামনে আসে, তার অর্ধেকই এসব নকল চ্যানেলের। ডিসমিসল্যাবের প্রতিবেদনে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের নির্বাহী পরিচালক তালাত মামুনের মতামত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, সংবেদনশীল সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের লোগো ব্যবহার করে ভুয়া খবর ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এটা খুবই উদ্বেগজনক।  তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের গড় গণমাধ্যম-জ্ঞান (মিডিয়া লিটারেসি) ততটা বেশি নয়। আমরা যা দেখি, যাকে দেখি, তা যাচাই করি না। এরপর এমন হতে পারে যে মানুষ একপর্যায়ে বিশ্বাস করতে শুরু করে অপতথ্যগুলো সত্য। ডিসমিসল্যাব জানাচ্ছে, যে ৫৮টি চ্যানেল তারা খুঁজে পেয়েছে, তার মধ্যে ৩৭টিই বিবিসিকে নকল করেছে। নকলের শিকার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সিএনএন ও এবিসি, যুক্তরাজ্যভিত্তিক রয়টার্স, কাতারভিত্তিক আল-জাজিরা এবং বাংলাদেশের সময় টেলিভিশন, একাত্তর টেলিভিশন, যমুনা টেলিভিশনের মতো সংবাদমাধ্যমগুলো। যেমন একটি চ্যানেলের নাম আল-জাজিরা বাংলা। ডিসমিসল্যাব বলছে, এই নামে আল-জাজিরার কোনো চ্যানেল নেই। এটি আসলে আল-জাজিরার লোগো নকল করে তৈরি করা চ্যানেল। বিবিসিকে নকল করা ১২টি চ্যানেলের ১৬৮টি ভিডিও বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, একটিরও শিরোনামের (থাম্বনেইল) সঙ্গে ভেতরের কোনও মিল নেই। ডিসমিসল্যাবের পক্ষ থেকে বিবিসির কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জবাবে বিবিসির প্রেস অফিস থেকে বলা হয়, অতীতে তাদের আইন শাখা থেকে ভুয়া ইউটিউব চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘অ্যাকাউন্টে’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই প্রবণতা বন্ধ হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুয়া সংবাদ বা ফেক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সবচেয়ে ক্ষতির শিকার হবেন এর পাঠক নিজেরা। সুতরাং যেকোনো সংবাদ দেখে বিশ্বাস করার আগে বা পরিচিতদের সঙ্গে শেয়ার করার আগে সেটির উৎস ভালো করে যাচাই করে নেয়া উচিত।    
নাজমুল সাঈদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ক্র্যাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য ও ইন্ডিপেডেন্ট টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার নাজমুল সাঈদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ক্র্যাব। একজন পেশাদার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এই ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বানোয়াট মামলা হওয়ায় ক্র্যাব এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ক্র্যাবের এই সদস্যকে কোন ধরনের হয়রানি যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী না করেন তার অনুরোধ জানিয়ে ক্র্যাব। ক্র্যাব সভাপতি কামরুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, এই মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে নাজমুল সাঈদকে হয়রানি করা যাবে না। ক্র্যাব দ্রুত এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে। নাজমুল সাঈদ জানান, হাতবাড়ালে কীভাবে মাদকের দেখা মেলে তার একটি বাস্তব দৃশ্য ধারণে অনুসন্ধানে যায় টিম তালাশ। অনুসন্ধানের স্বার্থে নগদ টাকা দিয়ে হোটেল রুম বুক করা হয়। গোপন ক্যামেরায় সব ধারণও করে তালাশ। পরে পরিচয় দিয়ে রিসোর্ট মালিকের বক্তব্য নিতে গেলে ক্ষেপে যান মালিক নোমানুল হক সাজিম। এক পর্যায়ে তালাশ টিমের উপর হামলা ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। ঘিরে ফেলে সাজিম বাহিনীর সদস্যরা।  এরপর তালাশ টিমকে ভুয়া প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে সাজিম। তার মাসিক মাসোহারা ভুক্ত ভুয়া সাংবাদিকদের দিয়ে শুরু করেন অপপ্রচার। বাকবিতণ্ডার একটি খন্ডিত অংশ দিয়ে তারা অপকর্ম ঢাকার মিশনে নেমে পড়েন। ইয়াবা ব্যবসাী সাজিমের মদদপুষ্ট স্থানীয় একটি পত্রিকাসহ বেশকিছু ভুঁইফোড় অনলাইনে মিথ্যা খবর প্রকাশ করতে থাকে একেরপর এক। অথচ, পুরো ঘটনা উল্টো। তিনি বলেন, ঘটনার পর জানা যায়, সাজিম ও তার পরিবার মিলে শহর জুড়ে গড়ে তুলেছেন অপরাধের সম্রাজ্য। সাজিমসহ তার পরিবারের সদস্যের বিরুদ্ধে, ইয়াবা, ছিনতাই, চুরি, দখলসহ নানা অপরাধে ১৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে।  সাজিম এর আগেও বিভিন্ন অপরাধের কারণে গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। কক্সবাজারের চিহ্নিত অপরাধীর তালিকাতেও রয়েছে তার নাম। এসব মাদকের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশ করায় চট্টগ্রাম আদালতে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে আর কক্সবাজার আদালতে মানহানির মামলা করা হয়েছে নাজমুল সাঈদের বিরুদ্ধে। ক্র্যাব এই মিথ্যা মামলা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে এবং নাজমুল সাঈদকে কোন ধরনের হয়রানি না করার অনুরোধ জানান ক্র্যাব সভাপতি কামরুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম।
আরটিভির সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার ফারিহার বাবার মৃত্যু
জনপ্রিয় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার ফারিহা শারমিনের বাবা মো. ফিরোজ আলী মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।  বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে ফিরোজ আলী দৈনিক বাংলায় কাজ করেছেন ২৭ বছর, দৈনিক যুগান্তরে কাজ করেছেন ১২ বছর ও দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় কাজ করেছেন ১৪ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী চার মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সোমবার (১ এপ্রিল) নবাবগঞ্জের বলমন্তচর গ্রামের কবরস্থান সংলগ্ন মাঠে বাদজোহর ফিরোজ আলীর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকাস্থ রাজবাড়ী জেলা সাংবাদিক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত 
ঢাকায় কর্মরত রাজবাড়ী জেলার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকাস্থ রাজবাড়ী জেলা সাংবাদিক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।  রোববার (৩১ মার্চ) রাজধানীর কাঁঠালবাগানের একটি রেস্তোরাঁয় ইফতার মাহফিলে অংশ নেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা।  এসময় ইফতার উপলক্ষে বসা মিলনমেলায় সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রিমন রহমানের সঞ্চালনায় ইফতার পূর্ব আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী হক।  এ সময় সংগঠনের সদস্যরা রাজবাড়ী জেলা এবং সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। পরে সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য এবং প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুসের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক অরণ্য গফুর।  
সাভার উপজেলা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল
সাভার উপজেলা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ( ১ এপ্রিল) সাভার সিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে সাভার পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল গণি উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা বলেন ,সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। তাই তাদের প্রতিটি সংবাদ যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে হয় সেভাবে বস্তুুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হাসান তুহিন, সাভার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ আচার্য্য, বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. সেলিম মন্ডল, ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী লিয়াকত হোসেন, ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব), সাভার পৌর কাউন্সিল রমজান আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওবায়দুর রহমান অভি, সাভার থানা যুবলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মহসিন মন্ডল, আওয়ামী লীগ নেত্রী মিসেস মাহবুবা পারভীন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ কবিরসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।  
ঈদে ৬ দিন ছুটি মিলতে পারে সংবাদপত্রে
সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এবারের ঈদুল ফিতরে টানা ৬ দিনের ছুটি পেতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) আলোচনা চলছে। নোয়াবের কোষাধ্যক্ষ ও মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যে এক দিনের ব্যবধানে পহেলা বৈশাখ পড়েছে। তাই মাঝে ১৩ এপ্রিল বিশেষ ছুটি দেওয়া যায় কি না তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। সাধারণত সংবাদপত্র কর্মচারীরা সরকারি ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে ছুটি ভোগ করেন। সেই হিসেবে এবার ঈদে সরকারি ছুটি ১০ থেকে ১২ এপ্রিল। তবে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে সরকারি ছুটি একদিন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। সেটি হলে ৯ এপ্রিল থেকে ঈদের ছুটি শুরু হয়ে ১২ এপ্রিল শেষ হবে। এরপর ১৩ এপ্রিল সংবাদপত্রে অফিস খোলা থাকলেও ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের ছুটি। এ অবস্থায় নোয়াব যদি ১৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে তাহলে ৯ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৬ দিন ছুটি পাবেন সংবাদকর্মীরা। এদিকে এবার সরকারি চাকরিজীবীরা টানা ১০ দিন ঈদে ছুটি পেতে পারেন। অর্থাৎ সরকারি ক্যালেন্ডারে ঈদের ছুটি ধরা হয়েছে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল। ঈদের ছুটির পর ১৩ এপ্রিল শনিবার ও ১৪ এপ্রিল নববর্ষের ছুটি।     এ ছাড়া ঈদের আগে ৫ ও ৬ এপ্রিল সাপ্তাহিক ও ৭ এপ্রিল শবে কদরের ছুটি। ফলে ৮ ও ৯ এপ্রিল ছুটি পেলে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা ১০ দিন পাবেন। এরমধ্য ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে ৯ এপ্রিল ছুটি রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।  
ব্রডকাস্ট ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথম নারী হেড অব প্রোডাকশন
সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও কুসংস্কারকে তুচ্ছ করে সকল বাধা-বিপত্তি পেছনে ফেলে নিজ নিজ যোগ্যতাবলে এগিয়ে যাচ্ছেন নারীরা। এখন ঘর থেকে বেরিয়ে তারা কর্মক্ষেত্রের উচ্চ আসনে। সরকারি-বেসরকারি সব ক্ষেত্রেই নারীদের অংশীদারিত্ব রয়েছে। অবদান রাখছেন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের নারীদের বেশ কয়েকটি তাক লাগানো সাফল্য সবার দৃষ্টি কেড়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে হেড অব প্রোডাকশন পদে নায়লা পারভীন পিয়ার পদোন্নতি। বাংলাদেশে তিনি প্রথম নারী যিনি টেলিভিশন ব্রডকাস্ট ইন্ডাস্ট্রিতে হেড অব প্রোডাকশনের দায়িত্ব পেয়ে ইতিহাস গড়লেন। চলতি বছরের মার্চের ৩১ তারিখ থেকে তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে নায়লা পিয়া বলেন, যোগ্যতা থাকলে যে একজন নারীকে দায়িত্বশীল পদের দায়িত্ব দেওয়া যায়, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন তা প্রমাণ করেছে। তিনি আরও বলেন, নিউ মিডিয়ার যুগে টেলিভিশনের মান এবং দর্শক গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখার জন্য নতুন নতুন সৃজনশীল কাজ বাড়াতে হবে। ডিজিটাল এবং টেলিভিশনের দর্শককে আমরা একভাবে দেখি। কিন্তু এ ২ মাধ্যমের দর্শক এবং চাহিদা ভিন্ন। তাই টেলিভিশন এবং ডিজিটালের দর্শকের চাহিদা অনুসারে প্রোডাকশন তৈরি করা এবং তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কাজ করতে চাই। সেই সঙ্গে জেন্ডার সমতা নিয়ে কাজ করতে চাই। নায়লা পিয়া এর আগে যমুনা টিভি এবং একুশে টিভিতে কাজ করেছিলেন। ২০০৬ সাল থেকে ১৮ বছর ধরে তিনি এই টেলিভিশন ব্রডকাস্ট অঙ্গনে কাজ করছেন। নায়লা পিয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফোকলোর বিভাগে অনার্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ‘সমকাল নাট্যচক্র’ তে কাজ করতেন। তিনি ‘শকুন্তলা’, ‘কবি’, ‘বসন্ত’সহ বেশ কিছু মঞ্চ নাটকে প্রধান চরিত্রতে অভিনয় করেন। তিনি ২০০৫ সালে আন্তবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় অভিনয়ে গোল্ড মেডেল পেয়েছেন।