• ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
logo
মেরিট স্কলারশিপ নিয়ে পড়ুন যুক্তরাজ্যে, পাবেন ৫০০০ পাউন্ড
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরও ৭ দিন বন্ধের দাবি
টানা ২৬ দিন ছুটি কাটিয়ে রোববার (২১ এপ্রিল) খুলছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতদিন পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, বাংলা নববর্ষসহ বিভিন্ন ছুটি চলছিল। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে, এরই মধ্যে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৭ দিন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে অভিভাবক ঐক্য ফোরাম। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। মানুষজনকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হতে নিষেধ করছে প্রশাসন। এরমধ্যে স্কুল-কলেজ খুললে অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাই দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা আগামী ৭ দিনের জন্য বন্ধ রাখার দাবি জানাচ্ছেন অভিভাবকরা। প্রসঙ্গত, এ বছর শিখন ঘাটতি পূরণে মাধ্যমিকে ১৫ দিন ছুটি কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রমজানের শুরুতে প্রায় দুই সপ্তাহ ক্লাস হয়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। অন্যদিকে, রমজানের প্রথম ১০ দিন ক্লাস চালু ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। একইভাবে সব কলেজ ও মাদরাসায়ও ছুটি কমিয়ে রমজানের শুরুর দিকে প্রায় দুই সপ্তাহ ক্লাস হয়। ছুটি শেষে রোববার থেকে পুরোদমে চালু হচ্ছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
আগে ইকামত না দিলে কি নামাজ শুদ্ধ হবে?
তাপপ্রবাহ আরও তিন দিন, স্বস্তির বৃষ্টি হতে পারে যেসব জায়গায় 
‘পরিবারের লোকজনও আমাদের শুধু টাকার গাছ মনে করে’
বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনাল আজ
রজতজয়ন্তী মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ
প্রিয় প্রাঙ্গণ কুমিল্লার মুরাদনগরের প্রত্যন্ত গ্রাম রামচন্দ্রপুরের অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ ক্যাম্পাস। স্মৃতি কারো কাছে ২৯ বছর আগের। কারোর আবার ২০ কিংবা ১০ কিংবা তারও কম। ১৯৯৫ সালে শিক্ষার আলো জ্বালাতে নিজ শ্বশুর বাড়ি  এলাকায় গিয়ে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন কুমিল্লা-২ (হোমনা-মেঘনা) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য পপি গাইডের রচয়িতা অধ্যক্ষ মো. আবদুল মজিদ। যে প্রতিষ্ঠান ঘরে ঘরে আলো জ্বালিয়ে আলোকিত করেছে বাংলাদেশকে। সেই প্রতিষ্ঠান হাটি হাটি পা পা করে শৈশব, কৈশর পেরিয়ে এখন যৌবনের উত্তাল তরঙ্গে আন্দোলিত হচ্ছে। ২৮ পেরিয়ে ২৯ বছর অতিক্রান্ত হচ্ছে অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের।  ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় রজতজয়ন্তী। অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ সেই সময়টা পেরিয়ে এসেছে আরও চার বছর আগে। করোনা মহামারি, জাতীয় নির্বাচন ইত্যাদি নানা কারণে উৎসবটা আর হয়ে উঠেনি। অবশেষে আসছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আগামীকাল শনিবার অর্থাৎ ২০ এপ্রিল অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে হাজার হাজার মজিদিয়ানের। পুরনো সেই দিনের কথা বলতে এক হচ্ছে সখি-সখারা।  রজতজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যার আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন প্রথম ব্যাচের (১৯৯৭-পরীক্ষার্থী) শিক্ষার্থী ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক (প্রশাসন) ও উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।  তিনি বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে এই মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এমন আয়োজন অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শিক্ষার্থীসহ পুরো মুরাদনগর উপজেলাতেই এই অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা যে কলেজকে ভালোবাসে, রজতজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যার আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন প্রথম ব্যাচের (১৯৯৭-পরীক্ষার্থী) শিক্ষার্থী ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক (প্রশাসন) ও উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান। তিনি বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে এই মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এমন আয়োজন অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শিক্ষার্থীসহ পুরো মুরাদনগর উপজেলাতেই এই অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা যে কলেজকে ভালোবাসে, বিশেষ করে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মোঃ আবদুল মজিদকে ভালোবাসে এই অনুষ্ঠান তারই বহিঃপ্রকাশ। অনুষ্ঠান সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এটি অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হবে। প্রাক্তনদের কথা...  ২০০২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ঢাকা মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, ২৯ বছর পর হলেও রজতজয়ন্তী উদযাপন করতে পারার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার নয়। ভালো লাগার অন্যতম কারণ সবার সঙ্গে সবার দীর্ঘদিন পর দেখা হওয়ার সুযোগ। গ্র্যান্ড মিলনমেলায় রূপ নেবে রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠান। ৫ হাজারের বেশি প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সমাগম ঘটবে। এতে আমরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। এক সপ্তাহ ধরে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। আশা করছি সুন্দর ও সফলভাবে রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ঢাকা মেট্রোপলিটনের সহকারী উপ পুলিশ পরিদর্শক নজরুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেকটি গল্পেরই আলাদা একটা সত্ত্বা রয়েছে। ২৯ বছরে মজিদ কলেজ এমন শতশত গল্প রচনা করেছে। সব গল্প মিলেই রজতজয়ন্তীতে একটি গল্পসমগ্র হবে। রূপক অর্থে যার সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল মজিদ। আমরা প্রত্যেকে গল্পের একেকটা চরিত্র।   ২০০৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী সিলেটের সিনিয়র মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সগির আহমেদ টুটুল বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর অনেকের সাথে দেখা হবে। বিষয়টি ভাবতেই গাঁ শিউরে উঠছে। মুহূর্তটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আশা করছি রজতজয়ন্তী উৎসবের মাধ্যমে নতুন কিছু স্মৃতি নিয়ে যেতে পারবো, যেগুলো সারাজীবন বয়ে বেড়ানো যাবে।  ২০০৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাজধানীর মুগদা থানার সহকারী উপ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ বলেন, কত শত স্মৃতি আবদুল মজিদ কলেজকে ঘিরে। নদীতে গোসল করা, লঞ্চ ঘাটে ঘন্টার পর ঘণ্টা চুটিয়ে আড্ডা দেয়া, আশুলিয়ায় বসে বিকেলের হিমেল হাওয়ায় সিক্ত হওয়া, মাওলার দোকানে একসাথে সিনেমা দেখা আরও কত কি! সবকিছু যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছে। রজতজয়ন্তী সেই স্মৃতিগুলো ঝালিয়ে নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।  ২০১০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ঢাকার ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন সেলিম বলেন, অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ একটি আবেগের নাম। অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল মজিদ ভালোবাসার আশ্রয়স্থল। আবেগ আর ভালোবাসার সম্মিলন ঘটাতেই আমাদের রজতজয়ন্তী উৎসবের আয়োজন। এর মাধ্যম নতুন আর পুরাতনের বন্ধন অঁটুট হবে। আমরা স্মৃতির ভেলায় চড়ে ফিরে যাবো এইচএসসির সেই দুটি বছরে। কারা থাকছেন অতিথি হিসেবে?  প্রথম ব্যাচের ছাত্র মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামানের সভাপতিত্বে রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মোঃ আবদুল মজিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব (সচিব) মো. জয়নাল আবেদীন, ঢাকা মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান, কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: নিজামুল করিম, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও হোমনা উপজেলা চেয়ারম্যান, অধ্যক্ষ মোঃ আবদুল মজিদের সহধর্মীনি রেহানা বেগম, মুরাদনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ড. আহসানুল আলম সরকার কিশোর, মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন ও কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মোঃ ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী।  অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন মুরাদনগরের সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো: শফিকুল ইসলাম ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) গণিত বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল হাকিম খান।  যা যা থাকছে বর্ণাঢ্য আয়োজনে?  রজতজয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের শুরুটা হবে বর্ণাঢ্য র‍্যালি দিয়ে। সকাল সোয়া নয়টায় কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে কলেজ ক্যাম্পাসে এই র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। ১০টা ৪০ মিনিটে অতিথিদের উত্তরীয় পরিধান ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হবে। তারপরই সমবেত জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন অতিথিরা। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মোঃ আবদুল মজিদ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণার পর কলেজের যেসব শিক্ষার্থী এরইমাঝে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তাদের স্মরণে শোক প্রস্তাব পাঠ করা হবে। পৌনে ১২টার দিকে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য রাখবেন এবং কলেজের সার্বিক বিষয়ে একটি উপস্থাপনা করবেন। তারপরই রজতজয়ন্তী উপলক্ষে যে স্যুভেনির প্রকাশ করা হচ্ছে তার মোড়ক উন্মোচন করবেন অতিথিরা।  এবার বক্তব্যের পর্ব শুরু। শুরুতেই প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখবেন কয়েকজন। বেলা ১২ টায় বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্য দেবেন। তারপর অনুষ্ঠানের উদ্বোধক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মোঃ আবদুল মজিদ ও প্রধান অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার বক্তব্য রাখবেন। পরে অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান শেষে দুপুর ১টায় অনুষ্ঠানের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন। মধ্যাহ্নভোজন ও নামাজের বিরতির আগে অতিথিদের সঙ্গে ব্যাচ ভিত্তিক ফটোসেশনে অংশ নেবেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্য দিয়েই শেষ হবে রজতজয়ন্তী উদযাপনের প্রথম পর্ব।  মধ্যাহ্নভোজন শেষে বেলা আড়াইটায় বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণায় মুখর হয়ে উঠবে অনুষ্ঠান স্থল। স্মৃতিচারণ শেষে শিক্ষকদের সাথে ব্যাচ ভিত্তিক ফটো সেশনে অংশ নেবেন শিক্ষার্থীরা। বিকাল সাড়ে চারটায় র‌্যাফেল ড্র ও পুরষ্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব।  সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হবে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। চলবে রাত নয়টা পর্যন্ত। এর মধ্য দিয়েই পর্দা নামবে রজতজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের। ভাঙবে কোলাহল। ক্রমেই নেমে আসবে নীরবতা। যে নীরবতা ভাঙতে অপেক্ষা করতে আরও ২১ বছর। ৫০ বছর পূর্তিতে হয়তবা কলেজ প্রাঙ্গণে বসবে সুবর্ণজয়ন্তীর বিশাল মহাযজ্ঞ। তখন শোক প্রস্তাবের তালিকাটা অনেক দীর্ঘ হবে। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়া অনেকেই সেদিন সাদা চুল আর সাদা দাঁড়ি নিয়ে ধীর পায়ে হেঁটে বেড়াবে কলেজ ক্যাম্পাসে। এইতো আর ক’দিন! ২০৪৫...  
গোসলের পর নতুন করে অজু করতে হবে কি?
ইসলামের পরিভাষায়, গোসল হল সমস্ত দেহ ধৌত করার মাধ্যমে পূর্ণ পবিত্রতা অর্জনের একটি পন্থা। কতিপয় ধর্মীয় উপাসনা এবং আচার-অনুষ্ঠান পালনের পূর্বশর্ত হচ্ছে গোসল। শুক্রবার জুমার নামাজের পূর্বে, ঈদের নামাজের পূর্বে, এহরামের পূর্বে, হজের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সময়, অজ্ঞান হওয়ার পর সচেতন হলে অথবা আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পূর্বে গোসল করা মস্তাহাব। আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের বলেছেন, ‘তোমরা যদি অপবিত্র অবস্থায় থাকো, তবে নিজেদের শরীর (গোসলের মাধ্যমে) ভালোভাবে পবিত্র করে নাও।’ (সুরা মায়েদা: ৬) গোসল করার পর নামাজের জন্য কি নতুন করে অজু করতে হবে কিনা, সে বিষয়ে প্রশ্ন রয়েছে। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুল মুহাম্মাদ (সা.) গোসলের পরে নতুন করে অজু করতেন না। (তিরমিজি: ১০৭) এ থেকে বোঝা যায়, গোসলের পর অযু করতে হবে না। কারণ, গোসলের মাধ্যমে অজু হয়ে যায়। গোসলের পর অজু ভঙ্গের কারণ পাওয়া না গেলে নতুন করে অজু করতে হবে না। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে গোসলের পর অজু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, গোসল অপেক্ষা কোনো অজু ব্যাপকতর? (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা: ৭৪৮) মূলত গোসল করার পর অজু করার কোনো বিধান ইসলামে নেই। ফরজ গোসল হলে কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া ফরজ এবং পরিপূর্ণ অজু করে নেওয়া সুন্নত, যা গোসলেরই অংশ। আর গোসল ফরজ না হলে কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া সুন্নত এবং পরিপূর্ণ অজু করা মোস্তাহাব। তাই যথাযথভাবে গোসল করার পর নতুন করে আবার অজু করা ঠিক নয়। (সহিহ বুখারি: ২৪৮; উমদাতুল ক্বারি: ০৩/৮৬; বাহরুর রায়েক: ০১/৯৪; আদ্দুররুল মুহতার: ০১/৩২৩)।
টানা তিন দিন শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা, তাপপ্রবাহেও দুঃসংবাদ
আগামী তিন দিনের পূর্বাভাস জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে টানা তিন দিন দেশের বিভিন্ন বিভাগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টায় দেওয়া পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। বাগেরহাট, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলা সমূহের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং দিনাজপুর, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলাসহ ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। রোববার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। সোমবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  
তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে চার জেলায়, বাড়বে অস্বস্তি
বাগেরহাট, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং দিনাজপুর, চাঁদপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলাসহ ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলা এবং রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়। এদিন সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  সংস্থাটি বলছে, সারাদেশে শুক্রবার দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। রাত থেকে আগামী রোববার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ছাড়া বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনের আবহাওয়ার অবস্থা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেসব জায়গায় ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
দেশের ছয় বিভাগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।  এ অবস্থায় রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।  
যে ৪ জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে
দেশের চার জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।  এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বাগেরহাট, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া দিনাজপুর, চাঁদপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলাসহ ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।  এ ছাড়া একই সময়ে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।
ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, চলতি বছরে ২৪
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৩ জন। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ছয়জন ঢাকার বাসিন্দা এবং ১৭ জন ঢাকার বাইরের। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১২০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৯৩৯ জন। এরমেধ্য সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন এক হাজার ৮১৯ জন। মারা গেছেন ২৪ জন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সিজনাল নেই, সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনে পক্ষ থেকে সব জায়গায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। একই সঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বছরব্যাপী নানান উদ্যোগ নিলেও কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেনতনা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।