• ঢাকা সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
logo
গরম ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন তথ্য দিলো আবহাওয়া অফিস
মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের নিয়ে হাইকমিশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আনন্দ উৎসব 
মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রবাসীদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী ও আনন্দ উৎসব করেছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।  রোববার (২৩ জুন) মালয়েশিয়ার মনোরম পাহাড়ি এলাকা, ক্যামেরুন হাইল্যন্ডসের একটি মিলনায়তনে প্রবাসী কর্মীদের চিত্তবিনোদনের উদ্দেশ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রবাসীদের নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান।  এছাড়া ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খোরশেদ আলম খাস্তগীর, ক্যামেরুন হাইল্যান্ডস ফার্মাস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লি পেং ফো, মালয়েশিয়ার ফার্ম মালিকদের প্রতিনিধি  মিজ পুয়ান সিতি, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি প্রতিনিধি, প্রবাসী কর্মী প্রতিনিধি, অগ্রণী রেমিটেন্স হাউজ এবং সিটি ব্যাংক রেমিট্যান্স হাউজের প্রতিনিধি, প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।   অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন হাইকমিশনার শামীম আহসান। পরে হাইকমিশনার প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এ সময় প্রবাসীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা হাইকমিশনারের কাছে তুলে ধরেন। পাসপোর্টসহ হাইকমিশনের অন্যান্য সেবা কুয়ালালামপুর থেকে দূরবর্তী ক্যামেরুন হাইল্যন্ডসে প্রদানের দাবি জানান তারা। হাইকমিশনার কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন এবং সেসব সমস্যা সমাধানে হাইকমিশন নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান। তিনি বলেন, কুয়ালালামপুর থেকে দূর প্রদেশে যারা বসবাস করছেন তাদের আর কষ্ট করে হাইকমিশনে যেতে হবে না। দূতাবাসের সেবা ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে ও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া হাইকমিশনের সেবা সংক্রান্ত কল সেন্টার চালু করা হয়েছে যার নাম্বার ০৩৯২১২০২৬৭। হাইকমিশনের ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার সেবা ছুটির দিনগুলোতে বিভিন্ন স্থানে নিয়মিতভাবে দেওয়া হচ্ছে। ক্যামেরুন হাইল্যন্ডসেও পাসপোর্টসহ অন্যান্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নিয়মিত কনস্যুলার ক্যাম্প করা হবে বলে হাইকমিশনার প্রবাসীদের আশ্বস্ত করেন।  হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণের স্বপ্নকে অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর। তার কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ একটি গতিশীল অর্থনীতি ও সম্ভাবনার দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। আর এ অগ্রযাত্রার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে প্রবাসী কর্মীরা।   প্রবাসীদের ব্যাংকের মাধমে রেমিট্যান্স পাঠানোর এবং সার্বজনীন পেনশন স্কীমে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শামীম আহসান বলেন,  বৈধ পথে টাকা পাঠানো হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।   আলোচনা শেষে প্রবাসী শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে কর্মীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন হাইকমিশনার। অনুষ্ঠান শেষে প্রবাসীদের হাতে ঈদ উপহার তুলে দেন তিনি।  
অস্ত্র কিনতে বাইডেন পুত্রের মিথ্যাচার ও যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার চর্চা 
মালয়েশিয়ায় ‘মুজিব’ চলচ্চিত্র প্রদর্শন
আমিরাতে আরাভ খানের হামলায় সাংবাদিক আহত
একাদশে ভর্তিতে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ রাতে
বিএসএফ-বিজিবি’র বার্ষিক সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন শুরু
কলকাতায় ২০তম মহাপরিদর্শক বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-রিজিওনাল কমান্ডার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পর্যায়ের বার্ষিক সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন শুরু হয়েছে।  শনিবার (২২ জুন) কলকাতায় এই সম্মেলন শুরু হয়। এই সম্মেলনে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত প্রতিরক্ষা বাহিনী সীমান্ত বিরোধ, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহমেদের নেতৃত্বে শনিবার সকালে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আইসিপি পেট্রাপোল থেকে ভারতে পৌঁছেছে। এ সময় বিএসএফ অঞ্চলিক মুখ্যালয় কলকাতার ডিআইজি তাকে স্বাগত জানান এবং বিএসএফ জওয়ানরা গার্ড অব অনার প্রদানের পর তারা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হন। সম্মেলনে বিএসএফের ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিজিবির আলোচনা হয়। এ ছাড়া দুই বাহিনীর মধ্যে আন্তঃসীমান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে যৌথ প্রচেষ্টা, সীমান্ত এলাকার অমীমাংসিত উন্নয়ন কাজ, অবৈধ আন্তঃসীমান্ত চলাচল রোধে পদক্ষেপসহ কার্যকর সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, বিএসএফ ও বিজিবির বার্ষিক সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন। এই ধরনের সম্মেলনগুলো এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে একটি নিরাপদ এবং আরও নিরাপদ সীমান্ত পরিবেশের গঠনের উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। সম্মেলনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব জোরদার করার চেষ্টা করা হবে।  
রাসুল (সা.) যাকে সবচেয়ে বড় কৃপণ বলেছেন
একজন মুমিনের আমলের পাল্লা ভারী করতে এবং নবিজি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় হতে বেশি বেশি দরুদ পড়া উচিত। যে ব্যক্তি নবিজির প্রতি দরুদ পড়ে না এবং কোথাও রাসুল (সা.)-এর নাম উচ্চারণ হলে দরুদ না পড়ে চুপ থাকে, তাকে হাদিসে কৃপণ বলা হয়েছে। হজরত আবু জর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলাম।  তিনি বললেন, ‘তোমাদেরকে কি বলে দেব না, সবচেয়ে বড় কৃপণ কে?’ সবাই বললেন, ‘অবশ্যই হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, ‘যার সামনে আমার নাম উল্লেখ করা হল, অথচ সে (আমার নাম শুনেও) আমার প্রতি দরুদ পড়ল না, সেই হল সব চাইতে বড় কৃপণ।’ (আত তারগীব, হাদিস, ১৬৮৪) হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দরুদ পড়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ নবির ওপর রহমত অবতীর্ণ করেন এবং ফেরেশতারা তার জন্য রহমতের দোয়া করেন। সুতরাং হে মুমিনগণ! তোমরাও তার প্রতি দরুদ পড়ো এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও। (সুরা আহজাব, আয়াত : ৫৬) রাসুল (সা.) প্রতি দরুদ পাঠের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। নবিজি হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ প্রেরণ করবে আল্লাহতায়ালা তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন। (সহিহ মুসলিম)। রাসূলের প্রতি দরুদ পাঠকারী ব্যক্তি কেয়ামতের দিন রাসূলের কাছে থাকবে। এ সম্পর্কে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, কেয়ামত দিবসে লোকদের মধ্যে ওই ব্যক্তিই আমার অধিক নিকটতম হবে, যে ব্যক্তি তাদের মধ্যে আমার প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করবে। (তিরমিজি)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দরুদ পড়লে ফেরেশতারা তা তার কাছে পৌঁছিয়ে দেন। এক হাদিসে হজরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘পৃথিবীতে মহান আল্লাহর ভ্রমণরত বহু ফেরেশতা রয়েছেন, যারা আমার উম্মতের কাছ আমাকে সালাম পৌঁছে দেন।’ (আহমাদ ৩৬৬৬, ৪২১০, ৪৩২০, নাসাঈ ১২৮২, ইবনে হিব্বান ৯১৪, তারগীব ১৬৬৪ নং)
সুখবর নেই আবহাওয়ার পূর্বাভাসে
পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় অবস্থান করায় সারাদেশে বৃষ্টি এবং ভারী বর্ষণের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। শনিবার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানায়, রোববার (২৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। মঙ্গলবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, এ সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
‘রাসেলস ভাইপার’ নাম এলো যেভাবে
দেশব্যাপী রাজত্ব গেড়ে বসতে শুরু করেছে এক সময়ের বিলুপ্ত বিষধর সাপ রাসেলস ভাইপার। রাজশাহী এবং এর আশে পাশে ছাড়াও সাপটির খোঁজ মিলছে বরিশাল, পটুয়াখালী, চাঁদপুর এমনকি ঢাকার আশপাশেও। অস্তিত্ব মিলেছে ২৭টি জেলায়। ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত এ সাপের কামড়ে মারা গেছেন ১০ জন। রাসেল ভাইপার সাপ বাংলাদেশে চন্দ্রবোড়া বা উলুবোড়া নামেও পরিচিত। রাসেলস ভাইপার সাপ মেরে ফেরার প্রচারণা চালানো হচ্ছে ফেসবুকে। এমন অবস্থায় এই সাপ ধরতে পারলেই ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. ইশতিয়াক আরিফ। কিন্তু যে সাপ নিয়ে এত উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সেটির নামের আগে রাসেলস এলো কীভাবে। কেন এই সাপের নাম রাসেলস ভাইপার হলো? জানা গেছে, ১৭২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে জন্মগ্রহণ করা সার্জন এবং প্রকৃতিবিদ প্যাট্রিক রাসেলের নাম থেকেই এসেছে রাসেলস ভাইপার সাপের নাম। ১৭৮১ সালের পর প্যাট্রিক রাসেল ভারতে এসে এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক ইতিহাস অধ্যয়ন শুরু করেন। সে সময় কর্নাটক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তারা সাপের কামড়ের সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে বিষধর সাপ শনাক্ত করার উপায় খুঁজতে প্যাট্রিক রাসেলকে নিয়োজিত করেন। তিনি কোবরার পরেই যে প্রাণঘাতী সাপটি শনাক্ত করেছিলেন সেটি হলো কাতুকা রেকুলা পোদা (Katuka Rekula Poda), এটিই বর্তমান সময়ের রাসেলস ভাইপার। এরপর তিনি ইংল্যান্ডে ফিরে সাপের ওপর ‘অ্যান অ্যাকাউন্ট অফ ইন্ডিয়ান সার্পেন্টস কালেক্টেড অন দ্য কোস্ট অব কোরোমন্ডেলের’ (An Account of Indian Serpents Collected on the Coast of Coromandel) বই লিখেছেলেন। বইটির প্রথম খণ্ড ১৭৯৬ সালে ৪৪টি প্লেটে প্রকাশিত হয়েছিল। প্যাট্রিক রাসেল অসুস্থতার তিন দিন পর অবিবাহিত অবস্থায় ১৮০৫ সালের ২ জুলাই মারা যান। পিট ভাইপার ট্রাইমেরেসুরাসের (Trimeresurus) গর্তের ওপর দুটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ ছাড়া কীভাবে সাপ তার ফণা ছড়িয়ে দেয় তার ওপর আরেকটি গবেষণাপত্র তৈরি করেছিলেন তিনি। বিষধর এই সাপের ওপর তার গবেষণার জন্যই এই প্রজাতির সাপের নাম রাসেলস ভাইপার হয়। রাসেলস ভাইপারের আরেকটি শ্রেণি রয়েছে যার নাম ডাবোয়া রুসেলি; যা অনেকটাই রাসেলস ভাইপারের মতো দেখতে।   দেশের ২২-২৪টির মতো জেলার কিছু স্থানে রাসেল’স ভাইপারের উপস্থিতি দেখা গেছে। যদিও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজেরে ভেনম রিসার্চ সেন্টারের হিসেবে এ সাপ আছে ২৭টির মতো জেলার কিছু কিছু জায়গায়। তার মতে এটি কোবরা কিংবা কেউটের চেয়ে কম প্রাণঘাতী কিন্তু এই সাপের বিষে নানা ধরণের উপাদান বেশি। ফলে চিকিৎসায় বিলম্ব হলে বহুমাত্রিক জটিলতা তৈরি করে শরীরে। সেজন্য তখন আর অ্যান্টিভেনম দিয়ে কাজ হয় না। ক্রমান্বয়ে ফুসফুস, কিডনি আক্রান্ত হয়। এক পর্যায়ে অনেক রক্তক্ষরণ হয়, তখন আর রক্ত দিলে শরীরে তা থাকে না। পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে এই সাপ বেশি ছড়াচ্ছে। গবেষকেরা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণেই ছড়াচ্ছে রাসেলস ভাইপার। মূলত পদ্মা অববাহিকায় চাঁদপুর, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ এমনকি ঢাকাতেও দেখা মিলছে রাসেলস ভাইপারের। সাপটি একসঙ্গে ৩-৬৩টি পর্যন্ত বাচ্চার জন্ম দিয়ে থাকে। এসব বাচ্চা দুই বছরে পরিপক্ব হয়। এদের গর্ভধারণকাল ছয় মাস। এই সাপের কামড়ে দেড় বছরে শুধু রাজশাহী মেডিকেলেই মারা গেছেন অন্তত ১৮ জন। এ সময়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৮ জন।
রাতেই যেসব জায়গায় ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
দেশের পাঁচ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পাশাপাশি বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (২২ জুন) রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল এবং পটুয়াখালি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।  এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এদিকে, রোববার রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।  এ ছাড়া রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি বা ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে বলা হয়।
কাবার চাবি রক্ষকের ইন্তেকালে যা বললেন আজহারী
পবিত্র কাবাঘরের চাবি রক্ষক ড. সালেহ বিন জাইন আল আবিদিন আল শাইবি মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইাহি রাজিউন)। তার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মাওলানা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। শনিবার (২২ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে তিনি শোক প্রকাশ করে একটি পোস্ট করেন। পোস্টে আজহারি বলেন, ‘শায়খ সালেহ আল শাইবা আল্লাহ‌র জিম্মায়। তিনি ছিলেন সাহাবি উসমান ইবনে তালহা (রা.)-এর ১০৯তম বংশধর। মক্কা বিজয়ের পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইতুল্লাহর চাবি সংরক্ষণের দায়িত্ব যে বংশের ওপর বহাল থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি ওই গোত্রেরই উত্তরাধিকারী।’  তিনি বলেন, ‘আর কিয়ামত পর্যন্ত এই গোত্রের বংশধরদের হাতেই বাইতুল্লাহ‌র চাবি উত্তরাধিকার সূত্রে সংরক্ষিত থাকবে, ইনশা আল্লাহ‌। আল্লাহ‌ ওনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন।’ প্রসঙ্গত, রাসুল (সা.) মক্কার ক্ষমতায় আসার আগে জাহেলি যুগ থেকেই কাবাঘরের চাবি শায়বা গোত্রের কাছে থাকত। মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেই ওই গোত্রের উসমান ইবনে তালহার (রা.) কাছে চাবি হস্তান্তর করে তাকে সম্মানিত করেন। আর বলে দেন, ‘এখন থেকে এ চাবি তোমার বংশধরের হাতেই থাকবে, একেবারে কেয়ামত পর্যন্ত। তোমাদের হাত থেকে এ চাবি কেউ নিতে চাইলে সে হবে জালিম।’ সেই ধারা এখনো চলমান। উসমান ইবনে তালহা (রা.)-এর বংশধররা পর্যায়ক্রমে চাবি বহন করে আসছেন। তাদের কাছ থেকে চাবি নিয়েই বিভিন্ন সময় সৌদি আরবের বাদশাহ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পবিত্র কাবা ঘরে প্রবেশ করে থাকেন। তারাই কাবার দরজা খুলে দেন। এ পর্যন্ত অসংখ্যবার কাবার তালা-চাবি পরিবর্তন করা হয়েছে। ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর সর্বশেষ কাবাঘরের চাবি পরিবর্তন করা হয়। এখনো ওই তালা-চাবি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে আব্বাসী, আইয়ুবী, মামলুক ও ওসমানিয়া যুগে কয়েকবার কাবাঘর মেরামত করা হয়েছে। তখন প্রয়োজনমতো নতুন তালা-চাবিও বানানো হয়েছে।
কাবাঘরের চাবি রক্ষক সালেহ বিন জাইন আর নেই
পবিত্র কাবাঘরের চাবি রক্ষক ড. সালেহ বিন জাইন আল আবিদিন আল শাইবি মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইাহি রাজিউন)। শনিবার (২২ জুন) সকালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। হারামাইনের সংবাদ পরিবেশনকারী ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ইনসাইড দ্য হারামাইনে এই খবর জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, মক্কা বিজয়ের পর থেকে ড. সালেহ বিন জাইন কাবাঘরের ১০৯তম অভিভাবক ছিলেন। তিনি হজরত উসমান ইবনে তালহা (রা.)-এর বংশধর ছিলেন। জানা গেছে, বায়তুল্লাহয় জানাজা শেষে তাকে জান্নাতুল মুআল্লায় শায়িত করা হবে। রাসুল (সা.) মক্কার ক্ষমতায় আসার আগে জাহেলি যুগ থেকেই কাবাঘরের চাবি শায়বা গোত্রের কাছে থাকত। মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেই ওই গোত্রের উসমান ইবনে তালহার (রা.) কাছে চাবি হস্তান্তর করে তাকে সম্মানিত করেন। আর বলে দেন, ‘এখন থেকে এ চাবি তোমার বংশধরের হাতেই থাকবে, একেবারে কেয়ামত পর্যন্ত। তোমাদের হাত থেকে এ চাবি কেউ নিতে চাইলে সে হবে জালিম।’ সেই ধারা এখনো চলমান। উসমান ইবনে তালহা (রা.)-এর বংশধররা পর্যায়ক্রমে চাবি বহন করে আসছেন। তাদের কাছ থেকে চাবি নিয়েই বিভিন্ন সময় সৌদি আরবের বাদশাহ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পবিত্র কাবা ঘরে প্রবেশ করে থাকেন। তারাই কাবার দরজা খুলে দেন। প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত অসংখ্যবার কাবার তালা-চাবি পরিবর্তন করা হয়েছে। ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর সর্বশেষ কাবাঘরের চাবি পরিবর্তন করা হয়। এখনো ওই তালা-চাবি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে আব্বাসী, আইয়ুবী, মামলুক ও ওসমানিয়া যুগে কয়েকবার কাবাঘর মেরামত করা হয়েছে। তখন প্রয়োজনমতো নতুন তালা-চাবিও বানানো হয়েছে।