• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
স্মৃতিকথা / ‘চান উইল্ল্যে চান উইল্ল্যে, হালিয়ে ঈদ’
বুকার পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ
সাহিত্যজগতের সম্মানজনক ম্যান বুকার পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সংক্ষিপ্ত এ তালিকায় স্থান পেয়েছে ছয়টি বই। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বুকারের  অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, এতে আর্জেন্টিনার সেলভা আলমাদার লেখা ও অ্যানি ম্যাকডারমটের অনুদিত ‘নট আ রিভার’ বইটি স্থান পেয়েছে। এছাড়া কায়রোস উপন্যাসের জন্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন জার্মান লেখক জেনি এরপেনবেক। বইটি অনুবাদ করেছেন মাইকেল হফম্যান। তালিকায় আরও যে বইগুলো স্থান পেয়েছে তাহলো ব্রাজিলের ইটামার ভিয়েরা জুনিয়রের লেখা ও জনি লরেঞ্জের অনুদিক ‘ক্রুকড প্লো’, দক্ষিণ কোরিয়ার হোয়াং সোক ইয়ংয়ের লেখা ও সোরা কিম রাসেল এবং ইয়ংজাই জোসেফাইন অনুদিত ‘ম্যাটার ২-১০’, নেদারল্যান্ডের জেন্টে পোস্টহুমার লেখা ও সারাহ টিমার হার্ভের অনুদিত ‘হোয়াট আই উড র‌্যাদার নট থিংক অ্যাবাউট’ এবং সুইডেনের ইয়ো জেনবার্গের লেখা ও রাইরা ইউসেফসনে অনুবাদ করা ‘দ্য ডিটেইলস’। প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে সাহিত্যে সম্মানিত এ পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য বা আয়ারল্যান্ড থেকে প্রকাশিত, কিংবা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লেখকদের ইংরেজিতে অনূদিত বই এ পুস্কারের জন্য বিবেচিত হয়। এ পুরস্কারের আর্থিক মূল্য ৫০ হাজার পাউন্ড। যা লেখক ও অনুবাদকের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হয়। আগামী ২১ মে লন্ডনের টেট মর্ডানে আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার ২০২৪ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
‘ফারাক’ বইটি হতে পারে জীবন রক্ষার হাতিয়ার
বইমেলায় ৬০ কোটি টাকার বই বিক্রি
বইমেলায় যারা পেলেন গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার
বইমেলায় ৬০ কোটি টাকার বই বিক্রি
শেষ সময়ে প্রাণবন্ত বইমেলা
বিদায়ের সুর বাজছে আমর একুশে বইমেলায়। শেষবেলায় দর্শনার্থী ছিল কম। তবে পাঠকদের সমাগম ছিল বেশি। মেলায় যারা আসছেন অধিকাংশের হাতে ছিল বই। শেষ সময়ে পাঠকদের পদচারণায় প্রাণবন্ত ছিল বইমেলা। শনিবার (২ মার্চ) সরেজমিনে দেখা গেছে, তেমন ভিড় ছিলনা মেলায়। দর্শনার্থীদের সংখ্যা কম দেখা গেছে। শেষবেলা বইপ্রেমীরা খুঁজে খুঁজে বই কিনছেন। তবে অধিকাংশ পাঠককে হাতে বই নিয়ে ঘুরতে দেখা গেছে। খালি হাতে মেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হচ্ছে না পাঠকরা। এদিকে মেলার শেষ দিন হওয়ায় বই গোছাচ্ছেন কর্মীরা। বইগুলো প্যাকেজিং করে বিদায়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিক্রয়কর্মীরা জানান, মেলায় দর্শনার্থী কম হলেও বেচাকেনা ভালো। যারা স্টলে আসছেন তাদের বেশির ভাগই বই কিনছেন। ঘুরতে আসা মানুষের সংখ্যা ছিল কম। তারা আরও বলেন, সময় বাড়ানোর কারণে কাল থেকে ভালো বিক্রি হয়েছে। শেষ সময়ে প্রবন্ধ, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাস্থ্যবিষয়ক ও বাচ্চাদের নৈতিকতার বই বেশি বেচাকেনা হয়েছে। দর্শনার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, শেষ সময়ে কিছু প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করেছি। যা অন্যসময় পাওয়া যায় না। ভালেই লাগছে। এরপর অপেক্ষা করতে হবে আরও একবছর। প্রসঙ্গত, মেলা শেষ হওয়ার কথা ছিল ২৯ ফেব্রুয়ারি। তবে প্রকাশকদের আবেদনের পর প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশে মেলার সময় বাড়ানো হয় দুদিন।
বইমেলায় সাড়া জাগিয়েছে ‘নদী পেরোলেই সাততারা’
এবার একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে নন্দিত নাট্যকার শফিকুর রহমান শান্তনু এর নতুন উপন্যাস ‘নদী পেরোলেই সাততারা’। উপন্যাসটি প্রকাশের সাথে সাথেই পাঠক মহলে যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে।  এদিকে মেলার ২৫ তম দিনে নিঃশেষ হয়েছে বইটির প্রথম মুদ্রণ। নাট্যকার শফিকুর রহমান শান্তনু বলেন, একজন লেখকের জন্য এটা খুবই আনন্দের যে, পাঠক তার বইটি গ্রহণ করছে। আমার সৌভাগ্য, গত কয়েক বছরে আমার অল্পসংখ্যক নিয়মিত পাঠক তৈরি হয়েছে। তাদের মাধ্যমেই অন্যরা বইটির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করছে। আমি দেখেছি, যারা সত্যিকারের পাঠক তারা যাচাই করে কয়েক পাতা পড়ে যদি সন্তুষ্ট হয় তবেই বই কেনে। এবার মেলায় ৫/৬ দিন যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। প্রচুর অচেনা পাঠকের সাথে পরিচয় হয়েছে। তারা আগের বই নিয়ে মতামত জানিয়েছেন। আমাকে আবেগে ভাসিয়েছেন। নদী পেরোলেই সাততারা বইটি প্রকাশ করেছে ঝুমঝুমি প্রকাশন, স্টল ৭১-৭১। বইয়ের গল্প প্রসঙ্গে লেখক বলেন, প্রেম ও পারিবাহিক আবহের এই উপন্যাসে উঠে এসেছে সমকালীন বাংলাদেশ ও সমাজবাস্তবতা। প্রসঙ্গত, শফিকুর রহমান শান্তনু’র হরর থ্রিলার গবলিন, রোমান্টিক থ্রিলার কেউ কেউ পুরনো হয় না বিগত বছরগুলোতে রকমারি বেস্টসেলারে জায়গা করে নিয়েছিল। উপন্যাস লেখার পাশাপাশি বর্তমানে নাটক নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শান্তনু। ধারাবাহিক নাটক ঘরের শত্রু বিভীষন, নীল ঘুর্নি সহ ইদের বেশ কিছু বিশেষ নাটকের শুটিং ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।    
এপিএল এর ২টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
একাডেমিয়া পাবলিশিং হাউজ লিমিটেড (এপিএল) প্রকাশিত দুইটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত অমর একুশে বইমেলায় বৃহস্পতিবার, বিকালে গ্ৰন্থ উন্মোচন মঞ্চে এ মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রকাশিত নতুন বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্যকলা বিভাগের অনারারী প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার।  ড. সৈয়দ শহীদ আহমেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার সাবেক ট্রেজারার প্রফেসর ড. আনোয়ারুল করীম, এনইউবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, শের-ই-বাংলা: জীবন ও কর্ম গ্রন্থের লেখক প্রফেসর মো. মোসলেম উদ্দীন শিকদার এবং শিল্পকলা সাহিত্য ও ইসলাম গ্রন্থের লেখক প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক মো. সোলায়মান মিয়া, গবেষক ও সাংবাদিক আনিসুর রহমান এরশাদ, এপিএল’র ম্যানেজার মো. আখতারুজ্জামান এবং প্রচ্ছদশিল্পী এম এম হোসেন। প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম বলেন, এ কে ফজলুল হক ছিলেন যথার্থ অর্থে বাংলার কিংবদন্তি জননায়ক। তিনি ছাত্র-শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদদের নায়ক। বাংলার গণমানুষের অবিসংবাদিত বর্ষীয়ান জাতীয় নেতা। সমকালীন বিশ্বনেতাদের মধ্যে কামাল পাশা (আতাতুর্ক), লেলিন, মাওসেতুং কিংবা জিন্নাহ-গান্ধীর ন্যায় তিনি জাতির পিতা বলে আখ্যায়িত না হলেও এবং তাঁর পক্ষে কোনো প্রচার, প্রকাশনা, বিলবোর্ড তেমন কিছু না থাকা সত্ত্বেও মৃত্যুর অর্ধশতাব্দী পরেও তিনি স্মরণীয় বরণীয় নেতা, জনগণের মুকুটহীন সম্রাট। প্রফেসর মো. মোসলেম উদ্দীন শিকদার বলেন, ‘শের-ই-বাংলা: জীবন ও কর্ম’ গ্রন্থটি, ‘বাংলার বাঘ’ খ্যাত আবুল কাশেম ফজলুল হক-এর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনালেখ্য। তাঁর সময়কালে (১৮৭৩-১৯৬২) দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা এবং পার্লামেন্টে (১৯১৩-১৬) ও বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণসমূহের মসিচিত্র সংক্ষেপে বিবৃত হয়েছে। প্রায় শতবর্ষ আগে ভারতীয় হিন্দি ও উর্দুভাষী অবাঙালিদের প্রদত্ত খেতাব ‘শের-ই-বাংলা’ উপনামটি মূল নামের সাথে বহুল পরিচিত। প্রায় শতাব্দী ব্যাপী কর্মময় জীবনে তিনি যতসব উচ্চপদে সমাসীন ছিলেন, তার মধ্যে অবিভক্ত বাংলার শিক্ষা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী (১৯২৪), প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭-৪৩), কলকাতা করপোরেশনের প্রথম মুসলিম মেয়র (১৯৩৫), অন্যতম জাতীয় নেতা মওলানা ভাসানী, সোহরাওয়ার্দীসহ গঠিত যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), নিখিল পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের ১০ম ও প্রথম বাঙালি গভর্নর (১৯৫৬-৫৮)। উল্লেখ্য, ২০১৯ সাল থেকে সৃজনশীল একাডেমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয়ের সিলেবাস সংশ্লিষ্ট বই প্রকাশ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। বইমেলায় এপিএল এর স্টল নং ১৭৬। অমর একুশে বইমেলা ২০২৪ উপলক্ষে এই দুটিসহ মোট ১১টি নতুন বই প্রকাশ করেছে এপিএল।
পল্লীগীতিই ধ্যানজ্ঞান শিল্পী শাহীনের
ভাওয়াইয়া গানকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে চান সংগীত শিল্পী মো. শাহীন হোসেন। এই ধরনের গান গাইতে পছন্দ করেন ‘দুই চাকার গাড়ি’ খ্যাত এই শিল্পী। পল্লীগীতিকেই ধ্যানজ্ঞান করেছেন শিল্পী শাহীন। যশোর জেলার খাজুরা বাজারের মো. তবিবুর রহমানের ছেলে মো. শাহীন হোসেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে আধুনিক গানের এবং বাংলাদেশ বেতার আগারগাঁও, ঢাকা কেন্দ্রে লালন সংগীত ও পল্লীগীতিতে তালিকাভুক্ত সংগীত শিল্পী। ২০১১ সাল থেকে এই দুই মাধ্যমে নিয়মিত সংগীত পরিবেশ করে আসছেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তালিকাভুক্ত এই শিল্পী ঢাকার সরকারি সংগীত কলেজ থেকে লোক সংগীতে বি মিউজ, এম মিউজ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি এস এম মিডিয়া ভিশনের নিয়মিত সংগীত শিল্পী। এই প্রতিষ্ঠানে ৫টি মৌলিক ভাওয়াইয়া গান রেকর্ড করেছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশর অন্যতম নাট্যদল লোক নাট্যদলে ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিত নাটক ও সংগীত শিল্পী হিসেবে যুক্ত আছেন। মাটির গান সংগীত দলের পরিচালক শাহীন হোসেন। শিল্পী ২০১৭ সালে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় লোক সংগীতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হন। শিল্পী সংগীত শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ ৮ বছর যাবত ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশে নাটক সংগীত ও অঙ্কন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন শাহীন। এখন পর্যন্ত সংগীত শিল্পী শাহীন হোসেনের ৭টি মৌলিক গান রেকর্ড হয়েছে। সেগুলো হলো- দুই চাকার গাড়ি, ও নদীয়ার চাঁদ, তোমার চোখে হাজার ফাগুন, একটি সপ্ন দেখবো বলে, রাগ করিস না, নাজানি ভাব নদীর কেমন ধারা, মধুমতী কর্ণফুলী। বেতার ও টেলিভিশনে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করে আসছেন এই শিল্পী। এ ছাড়া দেশে-বিদেশে অসংখ্য মঞ্চে সুর-ছন্দে দর্শকদের মোহিত করেছেন তিনি। ঢাকাস্থ সুইট কনভেনশন হলে ভাওয়াইয়া সংরক্ষণ ও গবেষণা পরিষদ কতৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগীতে অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয় শাহীন হোসেনকে।
স্বরচিত দুই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ ও জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের ওপর নিজের রচিত দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার বৈঠকে বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। ‘সকলের তরে সকলে আমরা’ এবং ‘আবাহন’ শিরোনামে বই দুটি প্রকাশিত হয়েছে। বই দুটির গ্রন্থনা ও সম্পাদনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম।  এর মধ্যে ‘সকলের তরে সকলে আমরা’ বইয়ে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ১৯টি ভাষণ এবং সেগুলোর ইংরেজি অনুবাদ স্থান পেয়েছে। আর অপর গ্রন্থ ‘আবাহন’-এ স্থান পেয়েছে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জাতির উদ্দেশে দেওয়া তার গুরুত্বপূর্ণ ভাষণগুলো।   এদিন মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ট্যুরিস্ট গাইড ‘জাতির পিতার সমাধিসৌধ’-এর মোড়ক উন্মোচনও করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ও সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন।  একইদিন কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার রচিত ‘রাজনীতির পরম্পরা’ বইয়েরও মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। গ্রন্থটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার পরিবার এবং বাংলাদেশের রাজনীতির পালাবদল সম্পর্কে অসাধারণ পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে।  এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া মুক্তাগাছার মণ্ডা, জামালপুরের নকশিকাঁথা এবং জিআই সনদ তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব জাকিয়া সুলতানা।   
বইমেলায় মারুফ হোসেন সজীবের ‘অলিতে গলিতে’
অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তরুণ চিত্রনাট্যকার ও নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীবের গল্পের বই ‘অলিতে গলিতে’। এটি তার প্রথম বই। প্রচ্ছদ করেছেন জুলিয়ান। বইটি প্রকাশ করছে দুয়ার প্রকাশনী। এর মুদ্রিত মূল্য রাখা হয়েছে ২৭০ টাকা। বইটি রকমারি ডটকমসহ বইমেলায় প্রকাশনীর ৩৫৭ নাম্বার স্টলে পাওয়া যাবে। বইটি সম্পর্কে লেখক মারুফ হোসেন সজীব বলেন, বইটি ১১টি ছোটগল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে। শহরের অলিগলির ছোট ছোট গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে। গল্পে আছে প্রেম, সংসার, সমাজের বিভিন্ন ধরনের অবক্ষয়ের ছোটাছুটি। ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে লেখা প্রতিটি গল্পই আশা করি পাঠকদের ভালো লাগবে। প্রসঙ্গত, ‘বিলোপ’ নাটকের চিত্রনাট্যের জন্য পেয়েছেন মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার-২০২১ ও দুই ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ট নাট্যকার ও শ্রেষ্ট নাট্যপরিচালক হিসেবে ‘চ্যানেল আই ডিজিটাল মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২১।  
আরও দুইদিন বাড়লো বইমেলার সময়সীমা
আরও দুই দিন বাড়ানো হয়েছে অমর একুশে বইমেলা-২০২৪ এর সময়সীমা। ফলে ২৯ ফেব্রুয়ারির পর আগামী ১ ও ২ মার্চ শুক্রবার এবং শনিবারও অনুষ্ঠিত হবে মেলা। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদের বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও আগামী প্রকাশনীর প্রকাশক ওসমান গনি। তিনি জানিয়েছেন,  বইমেলার সময়সীমা দুদিন বাড়ানোর আবেদনে সাড়া দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত বইমেলা চলবে। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহাম্মদ নুরুল হুদাও রাত ৯টায় বইমেলার ঘোষণা কেন্দ্র থেকে মেয়াদ বাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতিক্রমে বইমেলা দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলার সময় আরও দুই দিন বাড়ানোর জন্য বাংলা একাডেমিকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতি। চিঠিতে বলা হয়, ‘অমর একুশে বইমেলা শুরু হওয়ার প্রথম তিন দিন মেলাপ্রাঙ্গনের প্রস্তুতি ও বৃষ্টিজনিত সমস্যার কারণে মেলায় অংশ নেওয়া প্রকাশকরা যথাযথভাবে বিক্রি শুরু করতে পারেনি। সে কারণে অনেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। তাই ১ ও ২ মার্চ শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় দুই দিন অমর একুশে বইমেলার সময় বৃদ্ধির অনুরোধ করছি।’ মূলত এই বছর অধিবর্ষ হওয়ার কারণে বইমেলা ২৯ দিন হওয়ার কথা ছিল। এখন দুইদিন বাড়ানোর ফলে এবারের মেলা হচ্ছে ৩১ দিন।