• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
গর্ভপাত বৈধ করার সুপারিশ জার্মান কমিশনের
১০০ বছর পর খুলল মসজিদ, ঈদের নামাজ পড়লেন মুসলিমরা
অটোম্যান শাসনামলে তৈরি গ্রিসের থেসালিনিকির ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ ১০০ বছর পর নামাজের জন্য খুলে দিয়েছে গ্রিস সরকার। আর মসজিদটি খুলেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসলিমরা। বুধবার (১০ এপ্রিল) এ খবর জানিয়েছে এপি নিউজ, দি ইকোনোমিকস টাইমস, ওয়াসিংটনপোস্ট, ইরান প্রেস। জানা গেছে, মুসলিমরা ১০০ বছর আগে গ্রিসে যুদ্ধে হেরে যাওয়ায় অনেক মসজিদ বন্ধ করে দেয় অর্থোডক্স খ্রিস্টানরা। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ। দেশটিতে গত শতক থেকেই বহাল থাকলেও সম্প্রতি মত পাল্টায় দেশটির কর্তৃপক্ষ। ফলে বুধবার (১০ এপ্রিল)  খুলে দেওয়া হয় মসজিদটি। পরে মুসলিমরা এখানে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। এদিন ৭০ হাজার মুসল্লি  নামাজে অংশ অংশ নিয়েছেন। এক শতাব্দি পূর্বে ইহুদি থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল ডনমেহ সম্প্রদায়ের মানুষ। আর তাদের জন্য অটোম্যান শাসকরা এ মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৯০২ সালে তৈরি মসজিদটির স্থাপত্যে দেখা মেলে ইসলামিক কারুকার্যের। ইতালিয়ান স্থপতি ভিতালিনো পোসেলির হাত ধরেই গড়ে ওঠে মসজিদটি। ১৯২৩ সালে গ্রিস এবং তুরস্কের মধ্যে দুই দেশের সংখ্যালঘু মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বিনিময় হয়। ফলে ইয়েনি যামি মসজিদটিতে নামাজ আদায় বন্ধ হয়ে যায়। পরে এটি কখনো ব্যবহার হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র, কখনো জাদুঘর হিসাবে। আবারও মসজিদটি খুলে দেওয়ায় দেশটির মুসলিমরা ফিরে পেয়েছেন হারানো ঐতিহ্য। এ প্রসঙ্গে এআই গ্রিসো নামের এক গ্রিস নাগরিক বলেন, আমাদের দেশে ৯৮ শতাংশ খ্রিস্টান এবং ২ শতাংশ মুসলিম বসবাস করেন। এবারের ঈদে প্রায় এক শতাব্দী আগের বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রাচীন মসজিদ খুলে দেওয়ায় প্রমাণ করে গ্রিসে মুসলিম আর সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এ সময় এক মুসল্লি বলেন, গ্রিস সরকার জানিয়েছিল, একশো বছর পর মসজিদটির দরজা খুলে দেওয়া হবে। তাই নামাজ পড়তে এসেছিলাম। প্রায় ৬৩ বছর যাবৎ এখানে আছি, এতদিন এটাকে জাদুঘর হিসেবে চিনলেও, জানতাম না এটা একটা মসজিদ।  প্রসঙ্গত, অর্থোডক্স খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ইউরোপের দেশটিতে ২০২০ সাল পর্যন্তও মুসলিমদের জন্য কোনো মসজিদ ছিল না। ভোটানিকোসে প্রথম সরকারিভাবে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয় ২০২০ সালে। যেটি পুরোপুরি চালু রয়েছে। এ ছাড়া এথেন্সের বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশিসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের মুসলিম কমিউনিটিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত অসংখ্য মসজিদ রয়েছে।
তেহরানে সাময়িকভাবে বিমান বন্ধ করল লুফৎহানসা
ইসরায়েলে জার্মানির অস্ত্র বিক্রি বন্ধ চায় নিকারাগুয়া
জার্মান সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের জন্য ইমাম
তুরস্কে নাইট ক্লাবে আগুন, ২৯ জনের মৃত্যু
ভেনিস কি শেষ পর্যন্ত তলিয়ে যাবে
ইটালির স্বপ্নময় শহর ভেনিস গোটা বিশ্বের পর্যটক আকর্ষণ করে আসছে৷ কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শহরের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন৷ একাধিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ভেনিসের সুরক্ষার উদ্যোগ চলছে৷ ১,৬০০ বছর আগে থেকেই ভেনিস গোটা বিশ্বের বিস্ময়ের কারণ৷ বন্যা ও কোনো এক সময়ে সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার ভয়ও ততই পুরানো৷ পানি থেকে সুরক্ষার সর্বশেষ প্রচেষ্টা হিসেবে ৭৮টি ইস্পাতের প্রাচীর সৃষ্টি করা হয়েছে, যা প্রয়োজনে উপহ্রদটিকে সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখবে৷ সেই ব্যবস্থার পোশাকি নাম এমওএসই বা মোজে৷ ভেনিসের বন্যা সুরক্ষা কমিশনর এলিজাবেতা স্পিৎস বলেন, মোজে না থাকলে ২০২২ সালের ২২শে নভেম্বর ভেনিস অপূরণীয় ধ্বংসলীলার শিকার হতো৷ ইতিহাসে দ্বিতীয় উচ্চতম বন্যার স্তর সত্ত্বেও কিছুই ঘটেনি৷ আমরা উপহ্রদ ও ভেনিস বাঁচাতে পেরেছিলাম৷ এলিজাবেতা ৫০ বারেরও বেশি ফ্লাড গেট খাড়া করার নির্দেশ দিয়েছেন৷ মোজে বার বার কাজে লাগানো হচ্ছে৷ এবার সেটি পুরোপুরি চালু হয়ে গেছে৷ তিনি বলেন, আমরা এখন জানি, যে মোজে এমন এক নমনীয় হাতিয়ার, যা সব সময়ে এবং একই সঙ্গে বন্ধ করা হয় না৷ আজ আমরা বন্যা ও বাতাস সম্পর্কে আরো বেশি জানি৷ সে কারণে আমরা বন্যার মোকাবিলা করতে পারি৷ উপহ্রদ ও সমুদ্রের মধ্যে পানির আদানপ্রদান নিশ্চিত করতে মোজে প্রণালী আংশিকভাবেও খাড়া করা যায়৷ বিশ্ব জলবায়ু পরিষদের পূর্বাভাস অনুযায়ী শহরের পানির স্তর চলতি শতাব্দীর শেষে ৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে৷ গেয়র্গ উমগিসার নামের এক সমুদ্রবিজ্ঞানীর মতে, মোজে প্রণালীর মাধ্যমে ভেনিস শুধু কিছুটা বাড়তি সময় পেয়েছে৷ ভেনিস রক্ষা করতে মোজে কি যথেষ্ট। এই মুহূর্তে বা আগামী দশ, বিশ বা তিরিশ বছর পর্যন্ত অবশ্যই সেটা কাজে লাগবে৷ পানির স্তর ৫০ সেন্টিমিটার বেড়ে গেলে সেই প্রণালীকে ৩০০ থেকে ৪০০ বার খাড়া করতে হবে৷ অর্থাৎ দিনে একবার তো বটেই৷ তখন সেই প্রণালীর সীমা স্পষ্ট হয়ে যাবে৷ কারণ মোজে সেটা পারবে না৷ কাঠামো হিসেবে তো নয়ই, উপহ্রদের পক্ষেও সেটা সম্ভব হবে না৷ উপহ্রদে পানির আদানপ্রদান জরুরি৷ সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্রে মার্কো সিগোভিনিও উপহ্রদের ইকোসিস্টেম নিয়ে গবেষণা করছেন৷ জীববিজ্ঞানী হিসেবে তিনি মনে করেন যে মোজে প্রণালী কত ঘনঘন খাড়া করা হচ্ছে, উপহ্রদের উপর সেই সংখ্যা কোনো বড় প্রভাব ফেলছে না৷ কিন্তু আগামী দশকগুলিতে উপহ্রদ আরো ঘনঘন এবং আরো বেশি সময়ের জন্য সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন রাখলে সেই পরিস্থিতি বদলে যাবে৷ মার্কো মনে করেন, এমনও হতে পারে, যে এই উপহ্রদ লবণাক্ত রাখার অর্থ আছে কি না, কোনো এক সময়ে আমাদের সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রাখার কারণে সমুদ্র ও উপহ্রদের মধ্যে আদানপ্রদানের ছন্দ ভেঙে যাবে, যে চক্র ভেনিসের জন্য অত্যন্ত জরুরি৷ কারণ এভাবে উপহ্রদের তলদেশ সৃষ্টি হয়৷ কোন প্রাণী ও উদ্ভিদ সেখানে থাকতে পারে, সেটাও এভাবে স্থির হয়৷ আমাদের কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ বলা বাহুল্য, ভেনিসের মানুষ দুটোই চাইবেন৷ সেন্ট মার্ক্স স্কোয়্যার ভেনিসের সর্বনিম্ন অংশ৷ সেখানেই সবার আগে বন্যার পানি আসে৷ বর্তমানে সেই অংশটিকে উঁচু করার উদ্যোগ চলছে৷ গেয়র্গ উমগিসার বলেন, ধরা যাক, জায়গাটিকে ১১০ সেন্টিমিটার উঁচু করা হলো৷ তখন সেন্ট মার্ক্স চত্বর আর পানির নীচে চলে যাবে না৷ কারণ ১১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বন্যা এড়ানো যাবে৷ উচ্চতা আরো বাড়লে মোজে তা সামলে নেবে৷ মোটকথা সেন্ট মার্ক্স চত্বরে আর কখনো বন্যা দেখা যাবে না৷ সেই সঙ্গে সাহসেরও প্রয়োজন৷ উমগিসার মনে করিয়ে দিলেন, যে গত দেড়শো বছরে ভেনিস ২০ সেন্টিমিটার নেমে গেছে৷ অতিরিক্ত পরিমাণ ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণেই এমনটা ঘটেছে৷ তবে সেই ভূগর্ভস্থ পানির স্তরই ভেনিসকে সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচাতে পারে৷ যে পানি পাম্প করে বার করা হয়েছে, সেটা আবার পাম্পের মাধ্যমে জমিতে ফিরিয়ে দিলে ভেনিস সত্যি আবার ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে যেতে পারে৷ অর্থাৎ গত দেড়শো বছরে আমরা যে ৩০ সেন্টিমিটার হারিয়েছি, হুবহু সেই আগের অবস্থা মানে শূন্যে পৌঁছানো যাবে৷ তবে এই সমুদ্র গবেষকের মতে, ভেনিস অনন্তকাল টিকে থাকতে পারবে না৷ কোনো এক সময়ে উপহ্রদটিকে সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই হবে৷ তখন ভেনিসের মানুষকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ এর কারণ ব্যাখ্যা করে উমগিসার বলেন, দুটিই রক্ষা করা সম্ভব নয়৷ কোনো একটির প্রতি মনোযোগ দিতে হবে৷ উপহ্রদ নাকি শহর হিসেবে ভেনিস রক্ষা করা উচিত? অবশ্যই ভেনিস৷ ভেনিস একটাই আছে৷ কঠিন সিদ্ধান্ত বটে৷ ভেনিসের মানুষ যত দেরিতে সম্ভব সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশা করছেন৷
স্পেনে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইন স্পেনের উদ্যোগে স্পেনের বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাদ্রিদের স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সরোয়ার মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মসজিদের সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার, দূতাবাসের কাউন্সিলর মুতাসিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি জামাল উদ্দিন মনির। রাষ্ট্রদূত সরোয়ার মাহমুদ তার বক্তব্যে বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ যেমন স্পেন ও স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্পর্কে জানতে পারছেন। তেমনিভাবে প্রবাসী বাংলাদেশি তথা বিদেশিরা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারছেন। সংবাদকর্মীদের সকল ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে দূতাবাস সবসময় তাদের পাশে থাকবে বলে রাষ্ট্রদূত আশ্বস্ত করেন। ইফতার মাহফিলে বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মস্কো হামলার ঘটনায় এখনও নিখোঁজ ১৪৩
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে কনসার্ট চলাকালে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলায় শেষ পর্যন্ত ১৪৩ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে। কিন্তু এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তদন্ত কর্মকর্তাদের। কারণ, এখনও খোঁজ মিলছে না আরও ১৪৩ জনের। এছাড়া হলের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া দগ্ধ মরদেহগুলো সনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। খবর বিবিসির।  ঘটনার দিনই হামলায় জড়িত সন্দেহে চার বন্দুকধারীসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে রুশ নিরাপত্তা বাহিনী। ইতোমধ্যে বিচার শুরু হয়েছে তাদের। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় মস্কোর উত্তরে ক্রাসনোগোর্স্ক অঞ্চলে ক্রোকাস সিটি হলে কনসার্ট দেখতে জড়ো হয়েছিলেন হাজারো মানুষ। অনুষ্ঠান শুরুর কয়েক মিনিট আগেই হঠাৎ থিয়েটারে ঢুকে পড়ে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি। ঢুকেই নির্বিচার গুলি ছুড়তে শুরু করে তারা। এ সময় গ্রেনেডেরও বিস্ফোরণ ঘটায় হামলাকারীরা, যাতে ভবনের ছাদে আগুন ধরে যায়। ৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তৎপরতা চালানোর পর নিয়ন্ত্রণে আসে ওই আগুন। কিন্তু আগুনে আংশিকভাবে ধসে পড়ে হলের ছাদ। ওইদিনই ভয়াবহ এ হামলার দায় স্বীকার করে নেয় জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। আর হোয়াইট হাউজ বিবৃতি দেয়, মার্চের শুরুতেই মস্কোতে ‌বড় কোনো সমাবেশ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে বলে আগেই ‍রুশ কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার ইতিহাসে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা এটি। ভয়াবহ এই হামলায় এখন পর্যন্ত ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক। নিহতদের স্মরণে গত রোববার (২৪ মার্চ) রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয় রাশিয়ায়।  
ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে আয়ারল্যান্ড
মাত্রই সপ্তাহখানেক আগে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর এবার নিজেদের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে আয়ারল্যান্ড। মাত্র ৩৭ বছর বয়সে দেশটির ক্ষমতাসীন দল ফাইন গায়েলের নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাইমন হ্যারিস। এতেই আইরিশদের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ খুলে গেছে হ্যারিসের জন্য। খবর বিবিসির। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গেল বুধবার আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকার ফাইন গায়েল পার্টির প্রধান হিসেবে পদত্যাগের ঘোষণার পর সাইমনই ছিল ওই পদের একমাত্র দাবিদার। পরে দলের কংগ্রেসেও তাকে পার্টি প্রধান হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এতে করে তিনিই হতে চলেছেন আয়ারল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী। গত রোববার ফাইন গায়েল পার্টির প্রধান নির্বাচিত হবার পর এক প্রতিক্রিয়ায় সাইমন হ্যারিস বলেন, এটি ছিলো আমার জীবনের অন্যতম সম্মানের বিষয়।  আগামী ৯ এপ্রিল আইরিশ পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী পদে ভোটগ্রহণ হবে। ক্ষমতাসীন ফাইন গায়েলের নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থনে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হওয়া ৩৭ বছর বয়সী সাইমনের জন্য এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এর আগে, গত সপ্তাহের বুধবার রাজধানী ডাবলিনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকার পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে ক্ষমতাসীন জোটে নিজ দল ফাইন গায়েলের প্রধানের পদ থেকেও সরে দাঁড়ান। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক, বিশেষ করে রাজনৈতিক কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান সমকামী এ প্রধানমন্ত্রী।
মস্কো হামলা : যত টাকার বিনিময়ে গুলি চালায় বন্দুকধারীরা
মস্কোর কনসার্ট হলে হামলা চালানোর পর গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। তার ভাষ্য, হামলা চালানোর জন্য পাঁচ লাখ রুবল বা পাঁচ হাজার ৪০০ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল হামলাকারীদের। নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি বলেছেন, ‘টাকার জন্য আমি ক্রোকাসে মানুষের ওপর গুলি ছুড়েছি। আমাকে প্রায় পাঁচ লাখ রুবল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।’   রোববার (২৪ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস।  তাসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য হামলায় আগেই ওই ব্যক্তিকে কার্ডে প্রতিশ্রুত অর্থের অর্ধেক অগ্রিম পরিশোধ করা হয়েছিল। এ ছাড়া কাজ শেষ হওয়ার পর বাকি টাকা দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছিল। বাসস, বিবিসি ও আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, হামলার পর দীর্ঘ চেষ্টা শেষে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করা হয়েছে। তবে তল্লাশি অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন মস্কোর গভর্নর আন্দ্রে ভোরোবিভ।  নারকীয় এই হামলার ঘটনায় শোক ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশ্ব নেতারা।   এদিকে শনিবার (২২ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, সব হামলাকারীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই হামলার পেছনে যারাই রয়েছে তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, হামলাকারীরা ইউক্রেনের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। এর ফলশ্রুতিতে সেদিকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে হামলাকারীদের সীমান্ত পার করে দিতে ইউক্রেনে একটি দল কাজ করছিল। ভয়াবহ ওই হামলাকে ‘বর্বর ও সন্ত্রাসী’ কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে পুতিন বলেন, শত্রুরা আমাদের বিভক্ত করতে পারবে না। এর আগে, শুক্রবার (২২ মার্চ) রাতে মস্কোর ক্রোকাস সিটি হলে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। তখন সেখানে একটি কনসার্ট চলছিল। বন্দুকধারীরা কনসার্ট হলে ঢুকে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল দিয়ে ভিড়ের মধ্যে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ভয়াবহ এই হামলায় এখন পর্যন্ত ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক। নিহতদের স্মরণে রোববার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে হামলার পরপরই ইসলামিক স্টেট- খোরাসান এর দায় স্বীকার করেছে। 
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিচ্ছে ইউরোপের ৪ দেশ
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সম্মত হয়েছে ইউরোপের চার দেশ স্পেন,  আয়ারল্যান্ড, মাল্টা ও স্লোভেনিয়া। এ বিষয়ে এরইমধ্যে দেশগুলো প্রাথমিক পদক্ষেপও নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে গত শুক্রবার ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান কাউন্সিলে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর আশা প্রকাশ করে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, গত বছর শুরু হওয়া তার সরকারের চার বছরের মেয়াদকালের মধ্যে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি মিলবে। এদিকে আয়ারল্যান্ড এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা সম্মত হয়েছি, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের একমাত্র উপায় হলো একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান বাস্তবায়ন করা। তাহলেই কেবল ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করতে পারবে।’ উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে ১৩৯টি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে।  প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩২ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এ ছাড়া আহতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ছাড়িয়েছে। চলমান এই সংঘাত ঘিরে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের জোর দাবি উঠছে।
মস্কো হামলায় জড়িত সবাই শাস্তি পাবে : পুতিন
মস্কোর ক্রোকাস সিটি কমপ্লেক্সে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার (২২ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। পুতিন বলেন, সব হামলাকারীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই হামলার পেছনে যারাই রয়েছে তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, হামলাকারীরা ইউক্রেনের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। এর ফলশ্রুতিতে সেদিকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে হামলাকারীদের সীমান্ত পার করে দিতে ইউক্রেনে একটি দল কাজ করছিল। ভয়াবহ ওই হামলাকে ‘বর্বর ও সন্ত্রাসী’ কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে পুতিন বলেন, শত্রুরা আমাদের বিভক্ত করতে পারবে না। এর আগে, শুক্রবার (২২ মার্চ) রাতে মস্কোর ক্রোকাস সিটি হলে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। তখন সেখানে একটি কনসার্ট চলছিল। বন্দুকধারীরা কনসার্ট হলে ঢুকে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল দিয়ে ভিড়ের মধ্যে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ভয়াবহ এই হামলায় এখন পর্যন্ত ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক। নিহতদের স্মরণে রোববার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে হামলার পরপরই ইসলামিক স্টেট- খোরাসান এর দায় স্বীকার করেছে। সূত্র : বিবিসি