• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
৩৪ হাজার ম্যাক ডোনাল্ড বার্গার খেয়ে রেকর্ড
খোঁজ মিলল ৩৭০০ বছরের পুরোনো লিপস্টিকের
প্রাচীন সংস্কৃতি এবং নারীদের সাজসজ্জার উদাহরণ মিলেছে আবারও। আজ থেকে হাজার হাজার বছর আগেও মহিলারা লিপস্টিক ব্যবহার করতেন। আর সম্প্রতি তারই প্রমাণ মিলেছে। ইরানের প্রত্নতাত্ত্বিকদের হাতে এসেছে তেমনই বহু পুরোনো লিপস্টিক। বিগত দু’দশক আগে মাটি খুঁড়ে এক ধরনের বোতলের সন্ধান পান প্রত্নতত্ত্ববিদরা। ইরানের দক্ষিণাংশে জিরোফত এলাকায় এই প্রসাধনীর সন্ধান মিলেছে। ২০০১ সালেই জিরোফত এলাকা থেকে একটি বোতলের ভিতরে লিপস্টিকের সন্ধান পান প্রত্নতত্ত্ববিদরা। উজ্জ্বল ক্রিমসন বর্ণের লিপস্টিক সেটি। প্রসাধনীর সন্ধান পেলেও তার বয়স নিয়ে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না প্রত্নতত্ত্ববিদরা। প্রায় দু’দশক ধরে গবেষণা করে তারা এই প্রসাধনীর সঠিক বয়স নির্ধারণ করে ফেলেন।  গবেষণায় জানা যায়, বোতলের ভিতর রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো লিপস্টিক। রেডিও কার্বন পদ্ধতিতে বয়স নির্ধারণ করে তারা জানতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো লিপস্টিক এটি। যার বয়স ৩৭০০ বছর। তবে এই লিপস্টিকটি ১৬৮৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তৈরি করা হয়েছিল বলে ‘জার্নাল সায়েন্টিফিক রিপোর্টস’-এ প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গেছে। এই লিপস্টিক মূলত হেমাটাইট নামের খনিজ দিয়ে তৈরি। লিপস্টিকের লাল রঙের নেপথ্যে রয়েছে হেমাটাইট নামের অক্সাইড খনিজের উপস্থিতি। এই খনিজ থেকেই উজ্জ্বল লাল বর্ণের উৎপত্তি। এই লিপস্টিকটি একটি সুন্দর খোদাই করা বোতলের মধ্যে রাখা। কী থেকে তৈরি করা হয়েছিল এই লিপস্টিকটি? লিপস্টিকটি তৈরি করা হয়েছিল হেমাটাইটের মতো খনিজ থেকে। এই লিপস্টিকটি হেমাটাইটের মতো খনিজ থেকে তৈরি একটি লাল পদার্থ, যা ম্যাঙ্গানিজ এবং ব্রাউনাইট দিয়ে গাঢ় করা হয়েছে। এতে অল্প পরিমাণে গ্যালেনা এবং অ্যাঙ্গলেসাইট রয়েছে। ৩৭০০ বছরের পুরোনো লিপস্টিকের রং এবং মোমের টেক্সচার সমসাময়িক লিপস্টিকের মতো। সায়েন্টিফিক রিপোর্টে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে এই লিপস্টিকের মালিক খুব সম্ভবত এটি একইভাবে ব্যবহার করেছেন, ঠিক যেভাবে আধুনিক যুগের মানুষ আজ এই লিপস্টিক ব্যবহার করে। সায়েন্টিফিক রিপোর্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অনুসারে, অতীতেও আজকের মতোই লিপস্টিক ব্যবহার করা হত। শিশিটির সরু আকৃতি এবং পুরুত্ব ইঙ্গিত দেয় যে এটি অন্য হাতে আরামে ধরে রেখে তামা/ব্রোঞ্জের ডিক্যানটার দিয়ে সহজেই ব্যবহার করা যেতে পারে। লুটপাটের কারণে, কখন লিপস্টিকটি তৈরি হয়েছিল বা কোথা থেকে তৈরি হয়েছিল তা বলা খুব কঠিন। গবেষকরা বিশ্বাস করেন যে এটি প্রাচীন মার্সাসি, ব্রোঞ্জ যুগের সভ্যতা থেকে এসেছে। তবে লিপস্টিকের মালিক ও উদ্ভাবন সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। লিপস্টিকের উৎপত্তি-  এই আবিষ্কার প্রাচীন ইরানের ব্রোঞ্জ যুগের মানুষের কথা বলে। সে কালের মানুষ কীভাবে সৌন্দর্য পণ্য ব্যবহার করতেন, তার একটি আভাস দেয়। যাইহোক, মহিলাদের ঠোঁটের রং ব্যবহার করার প্রথম প্রমাণ খ্রিস্টপূর্ব ১২ শতকের দিকে পাওয়া গিয়েছিল। মিশর এবং এখন ইরানে পাওয়া তুরিন প্যাপিরাস দেখিয়েছে যে ব্রোঞ্জ যুগেও মেকআপের চল ছিল।
বুলগেরিয়ার পোমাকদের ঐতিহ্যবাহী বিয়ের অনুষ্ঠান
অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজন যেসব সতর্কতা
১১০ ক্যারেট হিরা বসানো বিশ্বের সবচেয়ে দামি হাতঘড়ি, দাম কত?
গাড়ির অভিনব সংগ্রহ
আসছে ফাল্গুন-ভালোবাসা দিবস, বাড়ছে ফুলের দাম
বসন্ত বরণ, ভালোবাসা দিবস আর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে ঘিরে প্রতিবছর সারাদেশে জমে ওঠে ফুলের বাজার। তবে এ বছর একটু আগেভাগেই শুরু হয়েছে ফুলের বাণিজ্য। ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে রাজধানীর ফুলের দোকানগুলোতে। ক্রেতারা বলছেন আগের তুলনায় ফুলের দাম বেশ চড়া। দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে ফুলের রানি গোলাপের। পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে গোলাপের কদর বাড়ে। প্রেমিক-প্রেমিকা আর ভালবাসার মানুষকে গোলাপের উপহার না দিলে কি ভালবাসা পূর্ণতা পায়? তাই সবাই কমবেশি গোলাপ কিনে।  তবে এখনও ভালবাসা দিবসের বাকি প্রায় এক সপ্তাহ। এর মধ্যেই  জমে ওঠেছে গোলাপের বেচাকেনা। বিক্রি হচ্ছে ৫ গুণ বেশি দামে। কয়েকদিন আগেও যে গোলাপ বিক্রি হত ১০ থেকে ২০ টাকায়, সেটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, দাম বেশি হলেও পছন্দমত ফুল পাওয়া কষ্টকর। রাজধানীর শাহবাগ, কাঁটাবনসহ বেশ কয়েকটি ফুলের দোকান ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য ফুলের তুলনায় গোলাপের চাহিদা বেশি। বিক্রেতারাও দাম হাঁকছেন কয়েকগুণ। বাধ্য হয়ে বেশি দামেই কিনছেন ক্রেতারা। এ ছাড়া রজনীগন্ধা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা এবং চন্দ্রমল্লিকা ১০-১৫ টাকা করে। শাহবাগে ফুলের দোকানে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সজীবের সঙ্গে। তিনি জানান, গোলাপ ফুলের দাম তুলনামূলক বেশি নিচ্ছেন বিক্রেতারা। একটি গোলাপ তিনি নিয়েছেন ৬০ টাকা দিয়ে। আবুল কালাম। পেশায় ব্যবসায়ী। অফিসের কাজে ফুল কিনতে এসেছেন। তিনি বলেন, প্রায় সময়ই তোড়া কিনতে হয়, কিন্তু এবার কিনতে হলো অনেক বেশি দামে। অন্য সময় যেটার দাম ২৫০ টাকা ছিল, সেটা আজ ৬০০ টাকা। গোলাপের সংখ্যা খুবই কম। ফুলবিক্রেতা নুর আলম বলেন, হঠাৎ করেই ফুলের চাহিদা বেড়ে গেছে। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় এবং নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রচুর ফুলের চাহিদা। এ ছাড়া সামনে বসন্ত বরণ, ভালোবাসা দিবস। ফুলবিক্রেতা শরীফ বলেন, কয়েকদিন আগেও গোলাপ ১০ টাকা করে বিক্রি করেছি। এখন বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই বিক্রিও করছি বেশি দামে। ফেব্রুয়ারি মাসে ফুলের দাম একটু বেশিই থাকে। এমন দাম চলবে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তারপর আবার কমবে।