• ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
logo
আশা করছি খুব শিগগিরই সব ঠিক হয়ে যাবে: মিলন
৮ মাস পর শুরু হচ্ছে রোশান-বুবলীর সিনেমার শুটিং
৭০ শতাংশ কাজ শেষে বন্ধ হয়ে যায় জিয়াউল রোশান ও শবনম বুবলী অভিনীত চলচ্চিত্র ‘তুমি যেখানে আমি সেখানে’র শুটিং। নতুন খবর হলো, দীর্ঘ আট মাস পর আগামী ১০ আগস্ট থেকে ফের শুরু হতে যাচ্ছে সিনেমাটির শুটিং। গণমাধ্যমকে এমনটাই নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা দেবাশীষ বিশ্বাস।  তিনি বলেন, প্রযোজক তার ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। অপেক্ষা করা ছাড়া আমার আর উপায় ছিল না। এখন তিনি সবুজ সংকেত দিয়েছেন, শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন।  নির্মাতা আরও বলেন, রোশান ও বুবলীর সঙ্গে কথা বলেছি। সব ঠিক থাকলে আগামী ১০ আগস্ট থেকে টানা শুটিং করব। ইচ্ছা আছে আগামী রোজার ঈদে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার। প্রসঙ্গত, গত বছর নভেম্বর পর্যন্ত এফডিসি ও ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে ‘তুমি যেখানে আমি সেখানে’ সিনেমার শুটিং হয়। এরপর কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
মা হলেন অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা
কোটা আন্দোলন / আজ মসজিদে আজান দিতে গিয়ে মুয়াজ্জিন কাঁদছে: ইভানা
এই কোটা আসলে কাদের জন্য, প্রশ্ন সোহেল রানার
কোটা আন্দোলনকারীদের কটাক্ষ করে তোপের মুখে শিরিন শিলা
‘ওদের মায়েদের হাহাকার তোমাদের কখনই ভালো থাকতে দিবে না’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা কর্মসূচিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় ১১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) আরটিভির প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত কয়েক দিন ধরেই কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরবেন না শিক্ষার্থীরা। সাধারণ জনগণের পাশাপাশি শোবিজের তারকারাও চলমান ইস্যুতে সরব রয়েছেন। নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদও জানাচ্ছেন তারা। এবার সেই তালিকায় নাম লিখালেন নির্মাতা ভিকি জায়েদ।  বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এই নির্মাতা তার ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে বলেন, এই বাচ্চাগুলোর বুকে যারা গুলি চালিয়েছে তারা কি মানুষ? মানুষ হলে তো একবারের জন্য হলে ও তাদের হাত কাঁপতো! ওঁদের মায়েদের হাহাকার তোমাদের কখনই ভালো থাকতে দিবে না! আজ থেকে তোমরা চিরকালের জন্য অভিশপ্ত। 
শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিকে সমর্থন দিয়ে সবাই একত্রে কাজ করি: টনি ডায়েস
গত কয়েক দিন ধরেই কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরবেন না শিক্ষার্থীরা। সাধারণ জনগণের পাশাপাশি শোবিজের তারকারাও চলমান ইস্যুতে সরব রয়েছেন। নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদও জানাচ্ছেন তারা। জনপ্রিয় অভিনেতা টনি ডায়েস আছেন এ তালিকায়। সামাজিকমাধ্যমে এ নিয়ে দীর্ঘ একটি পোস্ট দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ( ১৮ জুলাই) ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন টনি ডায়েস। তিনি সেই পোস্টে লেখেন, নিরীহ মানুষ হত্যা কোনো সমাধান হতে পারে না। এমন সহিংসতা শুধু আমাদের মানবতাকে কলুষিত করে না, বরং আমাদের আগামী প্রজন্মকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলে। বর্তমানের শিশুরা এসব সহিংসতা, মানুষ পেটানো পোস্ট, মেয়েদের অপমান করা পোস্ট দেখে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে উঠছে। আমরা কি এমন একটি সমাজ চাই যেখানে আমাদের সন্তানেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে? তিনি আরও লেখেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি শান্তিপূর্ণ এবং সংলাপমুখী সমাধানের পথে এগিয়ে যাই। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিকে সমর্থন দিয়ে, তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার জন্য, আমরা সবাই একত্রে কাজ করি। নিরপেক্ষ আলোচনা এবং সঠিক সমঝোতাই হতে পারে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান। আমাদের দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য হোক। প্রসঙ্গত, চলমান আন্দোলন নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে ঢাকার উত্তরা, বাড্ডা ও সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও র‍্যাবের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এতে কয়েক শ’ আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।
যে মায়ের বুক খালি হলো সেই শুন্যতা কি পূরণ করতে পারব: মেহজাবীন
গত কয়েক দিন ধরেই কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরবেন না শিক্ষার্থীরা। সাধারণ জনগণের পাশাপাশি শোবিজের তারকারাও চলমান ইস্যুতে সরব রয়েছেন। নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদও জানাচ্ছেন তারা। জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীও আছেন এ তালিকায়। সামাজিকমাধ্যমে এ নিয়ে দীর্ঘ একটি পোস্ট দিয়েছেন।  বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ফেসবুকে প্রকাশিত মেহজাবীনের পোস্টটি হুবহু তুলে দেওয়া হলো- ছোটবেলা থেকে জেনেছি, পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র নারীর গায়ে হাত তোলা সমর্থন করে না। আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থও কখনও নারীর প্রতি সহিংসতা শেখায়নি। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো’। হাদীসে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক ভালো মানুষ তারাই, যারা নারীদের সঙ্গে সদাচরণ করে’। অথচ আমাদের দুর্ভাগ্য, গণমাধ্যম বা সামাজিকমাধ্যমে আজকাল এর ভিন্ন চিত্র, মর্মান্তিক সব ভিডিও চিত্র দেখতে হচ্ছে।  একজন নয়, দুইজন নয়, আমারই অসংখ্য বোনের ওপর নির্বিকার ভঙ্গিতে হামলা চালানো হচ্ছে, রক্তাক্ত করা হচ্ছে। কী নির্মম, কী নৃশংস! ন্যায়-অন্যায়ের প্রসঙ্গে পরে আসছি, তবে আমার অবস্থান থেকে বলব: সর্বোচ্চ কোনো যুক্তির অজুহাতেও নারীর প্রতি এই সহিংসতা মেনে নেওয়া যায় না। ‘না’ মানে ‘না’; কক্ষনো না। ছাত্র-ছাত্রীরা কি-ই বা করেছিল? তারা তাদের অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার হয়েছিল। কোটা সংস্কারের দাবি তুলেছিল। তাই তো?  একটি গণতান্ত্রিক দেশে স্বঅধিকারের দাবি যে কেউ তুলতে পারে। কিন্তু তাই বলে নারীর গায়ে হাত তোলা, আবু সাঈদের মতো সম্ভাবনাময় তরুণকে হত্যা করা-এসব কি সভ্যতার পর্যায়ে পড়ে? সমাধানের অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? গুলি কেন করতে হলো? পরিস্থিতি হয়তো আজ কিংবা কাল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু যে মায়ের বুক খালি হলো, যে পরিবারের মুখের হাসি চলে গেল, আমরা কি সেই শূণ্যতা অন্য কিছুর বিনিময়ে পূর্ণ করতে পারব? কক্ষনো না। তাছাড়া ইতিহাস সাক্ষী: শক্তি যত বড়-ই হোক, ছাত্র সমাজের ওপর চড়াও হয়ে যুগে যুগে কেউ কখনও কিছুই অর্জন করতে পারেনি। তাহলে কেন এই ব্যর্থ আস্ফালন?  মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ কিংবা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা সবসময়ই বুকের ভেতর লালন করি। আমরা গর্ব করি বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু এই দেশে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা যাবে না, অধিকারের দাবি তোলা যাবে না, সবকিছুর ঊর্ধ্বে যোগ্যতার পরিচয়টাকেই সবচেয়ে বড় করে দেখা যাবে না, প্রশাসনের চাওয়া-পাওয়ার বিরুদ্ধে গেলেই হামলার শিকার হতে হবে, অকাতরে অকাল প্রাণ বিলিয়ে দিতে হবে-এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন কি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছিলেন? আমার মনে হয় না। দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে দুর্নীতি-প্রায় সব ইস্যুতেই তো আমরা চুপ থাকি। রক্ষক ভক্ষক হয়ে গেলেও আমরা নিরবে সয়ে যাই। অপেক্ষা করি, হয়তো একটা না একটা সমাধান আসবে। আজ না হলেও দুদিন পরে আসবে। অন্যান্য ইস্যুতে আমরা সামাজিকমাধ্যমেও এতটা সোচ্চার হই না। তাহলে ইদানিং কেন হচ্ছি? কেন কোটা সংস্কার ইস্যুতে দলমত নির্বিশেষে আমাদের মতো সাধারণ জনগণ সরকারের পদক্ষেপের নিন্দা করছি? কারণ, একটাই কোটা সংস্কার এখন সময়ের দাবি।  যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান জরুরি। ভুলে গেলে চলবে না, আমরা এই সাধারণ জনগণই কিন্তু মেট্রো রেল, পদ্মা সেতু, উড়াল সেতু ইত্যাদিসহ সরকারের অনেক যুগান্তকারী সাফল্যে গর্বিত হয়ে হাত তালি দিয়েছিলাম। গালভরা প্রশংসা করেছিলাম। সামাজিকমাধ্যমে সরব হয়েছিলাম। নিশ্চয়ই ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি মেনে কোটা সংস্কার হবার পর আমরা পুনরায় সরকারের পাশে দাঁড়াব। এক পক্ষ হয়ে দেশের সব সমস্যার সমাধান করার জন্য সরকারকে সহযোগিতা করব। সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। অর্থাৎ সব কথার শেষ কথা: ছাত্ররা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। দমিয়ে না রেখে তাদের যৌক্তিক দাবিতে সমর্থন দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আমি মেহজাবীন চৌধুরী আকুল আবেদন করছি। আমার বিশ্বাস, আমরা নিরাশ হব না।  চলমান এ ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন তারকাদের আরও অনেকে। সালমান মুক্তাদির, তাসরিফ খান, শিরোনামহীন ব্যান্ডের দলনেতা জিয়াউর রহমান, চঞ্চল চৌধুরী, শাকিব খানসহ অনেকে।
কোটা আন্দোলন / কোটা ইস্যুতে সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানালেন কবীর সুমন
গত কয়েক দিন ধরেই কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরবেন না শিক্ষার্থীরা। সাধারণ জনগণের পাশাপাশি শোবিজের তারকারাও চলমান ইস্যুতে সরব রয়েছেন। নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদও জানাচ্ছেন তারা।  দেশীয় তারকাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন ওপার বাংলার তারাকারাও। এবার কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় গায়ক কবীর সুমন।  বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নিজের ফেসবুকে কোটা আন্দোলন ও বাংলাদেশ নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।  কবীর সুমন লিখেছেন, তিনি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ তার প্রতিবেশী। বাংলাদেশের বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার তার নেই। সেটা তিনি করতে চান না। মনে মনে তিনিও বাংলাদেশের নাগরিক। তার জীবনের সেরা কাজ এবং জীবনসায়াহ্নের প্রধান কাজ বাংলা খেয়াল বাংলাদেশে চর্চা করা হয়ে থাকে। বাংলা ভাষা আর বাংলা খেয়ালের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে ভালবাসার বন্ধনে বাঁধা তিনি।  বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে কবীর সুমন বলেন, বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারেন না তিনি। দেশের সব পক্ষকে মিনতি জানিয়ে হিংসা হানাহানি বন্ধ করার আহ্বান জানান এই গায়ক। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি লেখেন, বাংলা ভাষার শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে। ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেয়। সশরীরে যেতে পারলে ঢাকা এসে রাস্তায় বসে সকলকে শান্তিরক্ষার জন্য আহ্বান জানাতেন তিনি। পাশাপাশি হানাহানি বন্ধ করে উল্টাপাল্টা কথা বলা বন্ধ করার আহ্বানও জানান কবীর সুমন।  
কোটা আন্দোলন / কোটা আন্দোলনের পক্ষে যা বললেন হুমায়ূন আহমেদের চার সন্তান
গত কয়েকদিন ধরেই কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশ জুড়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরবেন না শিক্ষার্থীরা। যেকোনো মূল্যেই কোটা সংস্কার চান শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের রেশ ধরে ইতোমধ্যে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে কয়েক দফায় সংঘর্ষ হয়েছে শিক্ষার্থীদের।  এতে শতাধিক ছাত্রছাত্রী আহত হওয়ার পাশাপাশি নিহত হয়েছেন ছয়জন। এই ঘটনায় নিন্দা সাধারণ জনগণের পাশাপাশি জানিয়েছেন শোবিজ তারকারাও। এবার চলমান ইস্যু নিয়ে সরব হলেন দেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের চার সন্তান। বুধবার (১৭ জুলাই) ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন হুমায়ূন আহমেদের বড় ছেলে নুহাশ হুমায়ূন। ওই স্ট্যাটাসটির মাধ্যমে কোটা আন্দোলন নিয়ে নিজের এবং তার বড় তিন বোনের মতামত তুলে ধরেছেন নুহাশ।  পাঠকদের জন্য তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো— ‘আমরা বড় হয়েছি মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনে। আজকের বাংলাদেশ তৈরির পেছনে ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকার কথা জেনে। আমরা ছাত্রদের পাশে আছি। আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই, যেখানে সহিংসতা নেই। আমরা আর একটি জীবনও হারাতে চাইনা। -নুহাশ, নোভা, শীলা, বিপাশা,  একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার উত্তরসূরি।’ কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের লেখা, চলচ্চিত্র এবং নাটকে বারবার উঠে এসেছে মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কথা। তার বাবা ছিলেন একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। মূলত একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার উত্তরসূরি হিসেবে কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে  স্ট্যাটাসটি দিয়েছেন নুহাশ।    প্রসঙ্গত, বর্তমানে নির্মাতা হিসেবে কাজ করছেন নুহাশ। পরিচালক হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ প্রশংসিত তিনি। ২০২২ সালে ওয়েব সিরিজ ‘পেট কাটা ষ’ নির্মাণ করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান তিনি। গেল বছর যুক্তরাষ্ট্রের ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে নুহাশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘ফরেনারস অনলি।’    
কোটা আন্দোলন / কোটা আন্দোলন নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস স্বস্তিকার
কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমেছে শিক্ষার্থীরা। যেকোনো মূল্যেই কোটা সংস্কার চান শিক্ষার্থীরা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না বলে জানান তারা। আন্দোলনের রেশ ধরে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এতে শতাধিক ছাত্রছাত্রী আহত হয়েছেন, নিহত হয়েছেন ছয়জন। এই ঘটনায় নিন্দা সাধারণ জনগণের পাশাপাশি জানিয়েছেন শোবিজ তারকারাও।     দেশীয় তারকারা ছাড়াও কোটা আন্দোলন নিয়ে এবার সরব হলেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। বুধবার (১৭ জুলাই) মধ্য রাতে বিষয়টি নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তিনি।   গত ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তার একটি স্কেচ নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন স্বস্তিকা। ছবিটিতে লেখা রয়েছে— ‘বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।’ পাঠকদের জন্য স্বস্তিকার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো— ‘প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলে না। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই, তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম। খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরনীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয় না, মা-ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশে, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া।  বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠগোলাপের গাছ গুলিও কেমন একরকম। একরকম আকাশের মেঘগুলিও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ। ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ। তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির। এমন এক আপ্যায়ন প্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, ওমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখব? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ, অস্থির লাগছে।  আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করব, বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো। আলো হোক, ভালো হোক সকলের।’ স্বস্তিকার মতামতকে সমর্থন জানিয়ে মন্তব্য করেছেন নেটিজেনদের অনেকেই। বাংলাদেশের একজন লিখেছেন, ‘আপনার প্রতি আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণতি ও কৃতজ্ঞতা।’ আরেক নেটিজেন লেখেন, ‘ধন্যবাদ দিদি। প্রার্থনায় রেখো আমাদের সন্তানদের। একদিন নিশ্চয়ই সব শান্ত হবে, বারুদের গন্ধ থেমে যাবে। অন্যদিকে কলকাতার এক ভক্ত লেখেন, ‘ঠিক এজন্যই আপনি আর পাঁচজনের থেকে আলাদা, ধন্যবাদ।’
কবে বিয়ে করছেন পার্নো মিত্র, জানালেন নিজেই
ভারতীয় শোবিজ অঙ্গনে চলছে বিয়ের মওসুম। সম্প্রতি নতুন জীবনে পা রেখেছেন অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্ট। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গেও সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার এবং গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়।  এদিকে বিয়ের রেশ ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে অভিনেত্রী পার্নো মিত্রর প্রশ্ন, পরবর্তী বিয়ে কার? তবে এই প্রশ্ন করেই থেমে থাকেননি তিনি। নিজের বিয়ের পরিকল্পনাও পরিষ্কার করেছেন এই অভিনেত্রী। জানালেন, আপাতত বিয়ে করার ইচ্ছে নেই তার।   সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মোশন ছবি পোস্ট করেছেন পার্নো। সেই ছবির গায়ে লেখা— ‘শুধু ভাবছি এর পর কে বিয়ে করছেন। আমার নয়, আপনারও নয় আশা করি।’ সেই ছবিতে একটি হাসির ইমোজি দিয়ে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘বলো, বলো।’   অভিনেত্রীর এই পোস্টে মন্তব্যের ঝড় উঠেছে নেটিজেনদের। অধিকাংশ অনুরাগীই দিয়েছেন হাসির ইমোজি। পাল্টা হেসেছেন পার্নোও। একজন লিখেছেন, ‘পার্নো, আপনার মতো আমিও সেটাই ভাবছি। তবে কেউ যদি বিয়ে করেন, করতেই পারেন, আমি সুস্বাদু খাবারগুলো খেতে পারব।’ ২০০৭ সালে ‘খেলা’ ধারাবাহিক দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন পার্নো। বেশ কয়েকটি নাটকে কাজ করে প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি পুরস্কারও ঘরে তুলেছেন তিনি। এরপর বড় পর্দার অভিষেক হয় তার। অঞ্জন দত্তর ‘রঞ্জনা তুমি আর আসবে না’সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন পার্নো। তিনটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল এই সিনেমাটি।