• ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
logo
পটুয়াখালীতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, আহত ৭
স্ত্রীর ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস নিলেন যুবক
স্ত্রীকে দায়ী করে চিরকুট লিখে ঘরের মধ্যে ফ্যানের সঙ্গে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেন হাসিব (২২) নামে এক যুবক।  বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে মহিপুর থানার বিপিনপুর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডস্থ কালাম আকনের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে হাসিব নামে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হাসিব কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের হারিচ হাওলাদারের ছেলে। হাসিবের মরদেহের পাশে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে, সেখানে লেখা ছিল, ‘আমার নাম মো. হাচিব। আমার মরণের জন্য দায়ী আমার বউ, তার বাবা-মা ও তার পরিবার। তারা আমাকে অপমান করছে। আমার বউ আমাকে ছেড়ে অন্য ছেলের সাথে থাকে, তাই আমার বউকে ছাড়বেন না কেউ। খুব ভালোবাসি।’   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাসিব গত দু’বছর আগে পারিবারিকভাবে মহিপুরের বিপিনপুর এলাকার লালমিয়ার মেয়ে আঁখি আক্তারকে বিয়ে করে। প্রতিনিয়ত পারিবারিক কলহ, ঝগড়া, মারপিট চলত তাদের সংসারে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে হাসিব তার স্ত্রী আঁখি আক্তারকে বেধড়ক মারধর করে। তারপর আঁখি আক্তার তার বাবার বাড়ি চলে যায়। ক্ষোভে স্ত্রীর প্রতি অভিমান করে চিরকুটে তার মৃত্যুর জন্য স্ত্রীকে দায়ী করেন এবং তার শ্বশুর-শাশুড়িকেও এই মৃত্যুর জন্য অভিযুক্ত করে ঘরের মধ্যে ফ্যানের সঙ্গে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। হাসিবের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিয়ের কয়েক দিন পার হতেই আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেয় হাসিব। শাশুড়ির সহযোগিতায় হাসিব তার শ্বশুরবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় ওঠেন গত ছয় মাস আগে এবং আজ সেই ভাড়া বাসায়ই আত্মহত্যা করেন।  হাসিব পেশায় একজন জেলে ছিল। শুরুতে বাবার সঙ্গে সাগরে মাছ ধরতেন তিনি, কিন্তু বিয়ের পর সংসারে কলহ শুরু হলে হাসিব মাছের আড়তে কাজ করতেন।  মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, এটি হত্যা না আত্মহত্যা সে বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। 
মারা গেছেন ছারছীনা দরবার শরীফের পীর
কোটা আন্দোলন প্রতিহত করতে কুয়াকাটা ছাত্রলীগ কর্মীর ছবি ভাইরাল
কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল বরিশাল
ড্রাইভার আবেদ আলী ও ‌হোটেল সান মেরিনার কী সম্পর্ক
প্রশ্নফাঁস: পিএসসির উপপরিচালক আবু জাফর সম্পর্কে যা জানা গেল
বর্তমানে ‘টক অব দ্যা কান্ট্রি’তে পরিণত হয়েছে গত ১২ বছরে পিএসসির অধীনে ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনা। এ অভিযোগে গ্রেপ্তার ও পিএসসি থেকে সাময়িক বরখাস্ত সংস্থাটির উপপরিচালক আবু জাফরের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সরেজমিনে গলাচিপা উপজেলায় জাফরের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পাওয়া গেছে বেশ কিছু তথ্য। এলাকাসূত্রে জানা গেছে, গলাচিপার কলাগাছিয়া গ্রামে বাড়ি হলেও আবু জাফর খুব একটা যেতেন না সেখানে। আর গেলেও থাকতেন পাশের কল্যাণকলস গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে। ছোটবেলায় এলাকা ছেড়ে খুলনায় বোন-ভগ্নিপতির কাছে থাকতেন আবু জাফর। তিনি গ্রামের বাড়িতে খুবই কম আসার কারণে গ্রামের অনেকেই তাকে চেনেন না। বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান ছাড়া জাফর গ্রামে আসতেন না।  জাফরের ছোটভাই জালাল মিয়ার খোঁজে বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা বলছেন, ভাইয়ের দুর্নীতির খবরে বিব্রত হয়ে লোকজনকে এড়িয়ে চলছেন।  আবু জাফরের আত্মীয় আউয়াল মিয়া বলেন, ছোটবেলায় এলাকা ছেড়ে খুলনায় বোন-ভগ্নিপতির কাছে থাকতেন জাফর। এলাকার লোকজন তাকে তেমন চেনেন না। দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট ভাই জালাল মিয়া সামান্য লেখাপড়া করে এলাকায় টিউশনি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। ভাইদের তেমন খোঁজখবর নিতেন না আবু জাফর। স্থানীয় ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী বলেন, জাফরের বৃদ্ধ মা কোথায় থাকেন তা-ও জানেন না এলাকার লোকজন। এলাকায় এলে তার সঙ্গে দেখা হতো। ভদ্র গোছের লোক। তার দুর্নীতির খবরে আমরা হতবাক। তবে এলাকায় তিনি কিছুই করেননি। আমাদের ধারণা অবৈধ আয় দিয়ে কিছু করলে ঢাকায় করতে পারেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বলেন, আবু জাফরের পৈত্রিক ভিটাবাড়ি কিছুই নেই। কয়েক বছর আগে লোহালিয়া নদীতে তাদের বাড়ি বিলীন হয়ে যায়। পরে বাড়ির জমির কাছেই ৬০ শতাংশ জমি কিনে পাকা বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেন জাফর। তবে একতলা ছাদ দেওয়ার পর আর আগায়নি নির্মাণকাজ। অসম্পূর্ণ পড়ে আছে বাড়িটি। আবু জাফর বছরে দুয়েকবার গ্রামে এলেও থাকতেন পাশের কল্যাণকলস গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে। এদিকে আবু জাফরের খোঁজে কল্যাণকলস গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, বাড়িতে কেউ নেই। পুরোনো ছোট টিনের ঘর, সামনে একটি নলকূপ।
ঝাড়ু মিছিল নিয়ে পল্লীবিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, পালালেন কর্মকর্তারা
পটুয়াখালীর বাউফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আদায় ও বন্ধ মিটারের বিদ্যুৎ বিল বাতিলের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।  সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টায় শতাধিক গ্রাহক বাউফল পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির অফিসের সামনে এ ঝাড়ু মিছিলে অংশ নেন।  এ সময় পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের কর্মকর্তা অফিস ত্যাগ করেন।  ভুক্তভোগী গ্রাহকদের দাবি, সম্প্রতি তাদের মিটারে রিডিং এর চাইতে অতিরিক্ত বিল করা হয়েছে৷ এ ছাড়াও আরও কয়েকটি বন্ধ মিটারেও বিল করে পল্লীবিদ্যুৎ। এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে গ্রাহকদের নামে মামলা দেওয়ার ভয় দেখায় পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ৷  পল্লীবিদ্যুতের এ ঘটনার প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা এ ঝাড়ু মিছিল করেন। 
বৃষ্টিতে থেমে নেই আন্দোলন, বরিশালে ‘বাংলা ব্লকেড’
বৃষ্টিতে থেমে নেই কোটাবিরোধী আন্দোলন। বাংলা ব্লকেড করে মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বি এম কলেজের শিক্ষার্থীরা। রোববার (৭ জুলাই) বেলা ১১টায় অবস্থান কর্মসূচির পরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। রোববার (৭ জুলাই) বেলা ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার ঘোষণা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের। এ দিকে সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল রেখে হাইকোর্টের আদেশের প্রতিবাদে পঞ্চম দিনে মতো উত্তাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ। বেলা ১১টা থেকে টানা তিন ঘণ্টা বরিশালের নথুল্লাবাদ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে রাখেন তারা। ববি আন্দোলনের সমন্বয়ক সুজয় শুভ বলেন, ‘সারা বাংলার সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করার। সেই লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের মেধাকে অগ্রাধিকার দিতে আমাদের আন্দোলন। শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার ঘোষণা তাদের।’ বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের এস এম রাজু বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোটা হলো সংবিধান পরিপন্থী একটা বৈষম্যমূলক বিতর্কিত ব্যবস্থা। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিতেই কোটা বাতিল করা উচিত।’ আন্দোলন সফল করতে যেকোনো পরিবেশ-পরিস্থিতিতি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এর আগে শনিবার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক দেন একাধিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা। মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাকিল আহমেদ বলেন, ‘বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে আমরা সবসময় রাজপথে আছি এবং আমাদের দাবি না হ‌ওয়া পর্যন্ত আমরা থাকবো। এই কোটা ব্যবস্থার কারণে প্রত্যেক বছর দেশ ছাড়ছে হাজারও মেধাবী। তাই আমরা দ্রুত এই কোটা পদ্ধতির সংস্কার চাই।’ আন্দোলনকারীদের মধ্যে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী লুৎফুন্নেসা স্মৃতি বলেন, ‘আমাদের এ আন্দোলন সকল চাকরিতে সকল বৈষম্যমূলক কোটা বাতিলের জন্য। আমরা চাই মেধাভিত্তিক নিয়োগ পদ্ধতি। সকল সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।’  বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মো. জাহিদুল ইসলাম, আইন বিভাগের শহিদুল ইসলাম, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের রিফাত, দর্শন বিভাগের নিবেদিকা দাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সুজন, ইংরেজি বিভাগের শারমিলা জাহান সেঁজুতি। বিএম কলেজের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন ইনামুল হক, হান্নান উদ্দিন ও নাইমুর রহমান প্রমুখ।
পরীক্ষার হলে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা, অতঃপর...
বরিশালে এইচএসসি পরীক্ষার হলেই আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সুমা আক্তার (১৭) নামে এক পরীক্ষার্থী। রোববার (৭ জুলাই) অমৃত লাল দে কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ওই পরীক্ষার্থী সরকারি বরিশাল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। জানা গেছে, পরীক্ষা দেওয়ার সময়ই সুমা আক্তার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং বমি করতে শুরু করে। কলেজ কর্তৃপক্ষ সকাল তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।  এ ব্যাপারে শেবাচিম মেডিসিন বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. অতনু বলেন, ‌‘ওই শিক্ষার্থী কীটনাশক জাতীয় বিষপান করে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসা করা হয়েছে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন সে কীটনাশক পান করেছে তার কারণ জানাতে পারেননি স্বজনরা।’  
এইচএসসি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় জিতু (১৯) নামের এক পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকালে দৌলতখান উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, জিতু ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. জসিম মাস্টারের ছেলে। স্থানীয় একটি কলেজ থেকে তিনি এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার তিনি ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তবে পরীক্ষা ভালো হয়নি। এর আগের দু’টি পরীক্ষা বাংলা ১ম ও ২য় পত্রের পরীক্ষাও ভালো হয়নি। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশ এবং জিতুর পরিবারের ধারণা। দৌলতখান থানার ওসি সত্যরঞ্জন খাসকেল জিতুর আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন চলছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
কবরস্থানে জায়গা না দেওয়ায় ঘরের বারান্দায় মায়ের দাফন
কবর দেওয়ার জায়গা না পেয়ে ঘরের বারান্দায় মায়ের দাফন করেছেন সন্তানেরা। এমন ঘটনা ঘটেছে দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আজি মদ্দি সরদার বাড়িতে। মৃতের নাম জবেদা খাতুন (৭০)। তার সফিজল ও রফিজল নামে দুই ছেলে এবং জাহানারা ও ঝড়িনা নামে দুই মেয়ে রয়েছে। হৃদয় বিদারক এ ঘটনায় দূর-দূরান্ত থেকে কবর দেখতে আসছেন মানুষ। এমনকি ঘটনাস্থলে রয়েছেন পুলিশও।  স্থানীয় বাসিন্দা মো. রায়হান ও মো. হারুন জানান, জবেদা খাতুনের ছেলে রফিজলের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই রফিকের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। মঙ্গলবার (২ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে জবেদা খাতুন মারা যান। তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করতে গেলে তারা বাধা দেন। এলাকাবাসী ও মৃতের স্বজনেরা অনুরোধ জানালেও রফিক ও তার পরিবারের সদস্যরা শোনেননি। পরে বুধবার  (৩ জুলাই)  ছেলেরা কোনো জায়গা না পেয়ে ঘরের বারান্দায় দাফন করেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সরেজমিন দেখা গেছে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কবর দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে রফিজলের বাড়িতে ভিড় করছেন মানুষ।  এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার  (৪ জুলাই) বিকেলে কবরটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য রফিকসহ তার পরিবার মৃতের সন্তানদের চাপ দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  রফিজল বলেন, মা মারা যাওয়ার পর দাফনের জন্য একটু জমি খুঁজছি, ‘কেউ দেয় নাই। আর সাড়ে ৩ হাত জমির জন্য মা’রে কবর দিতে পারি নাই, এহন আবার কবর তুলতে কয়। আমরা গরিব মানুষ কই যামু, মার কবর তুলমু না।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্য রঞ্জন খাসকেল বলেন, জবেদা খাতুন নামে এক বৃদ্ধার কবর ঘরের মেঝেতে দেওয়া হয়েছে শুনে আজ বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমি এখানেই রয়েছি। অনেকেই কবরটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলছেন, যদি তার ছেলে ও পরিবার মনে করে কবরটি সরিয়ে নেওয়া হোক তাহলে নেবেন, আর যদি না চান এখানেই থাকবে।