• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
শিল্পী সমিতির নির্বাচনে লড়ছেন যারা
১০০ হলে মুক্তি পাবে ‘ডেডবডি’
পরিকল্পনা ছিল পবিত্র ঈদুল ফিতরে মুক্তি দেওয়ার। ‘ডেডবডি’ সিনেমার পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল প্রচারণাও চালাচ্ছিলেন সেভাবে। এর মধ্যে তিনি জানতে পারেন, ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ১১টি সিনেমা। সিদ্ধান্ত বদলে ফেললেন এ নির্মাতা।  মুক্তি দিলেন না ঈদে। এবার জানা গেল সেই ‘ডেডবডি’ সিনেমার মুক্তির তারিখ। সব ঠিক থাকলে আগামী ৩ মে দেশের ১০০ হলে সিনেমাটি মুক্তি পাবে।  এ প্রসঙ্গে নির্মাতা ইকবাল বলেন, ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ঈদে ছবিটি মুক্তি দিলে ফলাফল হতো খারাপ। এমনিতে ১১টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখেন কোনো ছবিই দর্শক পাচ্ছে না। আমাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ দর্শক আছে। যারা বিভিন্ন উৎসবে হলে যায়। সেই দর্শক যখন ১১টি ছবিতে ভাগ হয়ে যায় তখন আর থাকে কী! একেকটি ছবির ভাগে কয়জন আর দর্শক থাকে? অনেক নির্মাতাকেই বলেছিলাম এভাবে ছবি মুক্তি না দিতে। তারা শোনেননি, এখন সেটার ফল ভোগ করছেন। তিনি আরও বলেন, ৩ মে সিনেমাটি মুক্তি দিলে কোরবানির ঈদও পাব। আশা করছি, দর্শক আমার এটি দেখবে। ‘ডেডবডি’ সিনেমায় শ্যামল মাওলা, জিয়াউল রোশান, ওমর সানী, অন্বেষা রায়, মিষ্টি জাহান প্রমুখ অভিনয় করেছেন।
তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে প্রেম নিয়ে যা জানালেন দীঘি
ডিগবাজি নিয়ে যা বললেন জায়েদ খান (ভিডিও)
চলচ্চিত্র শিল্পীদের নির্বাচনে ভ্রাম্যমাণ আদালত (ভিডিও)
এই অশান্তি আর ভাল্লাগে না : মাহি
জয়কে নিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে মন খারাপ শাকিবের পরিবারের
শাকিব-অপু দম্পতির একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়কে বিদেশ পাঠাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার এই তারকা জুটি। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে বিষয়টি জানিয়েছেন অপু বিশ্বাস। অপু বিশ্বাস বলেন, শাকিব ও আমি দুজন মিলেই ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলতি বছরই পড়াশোনার জন্য জয় বিদেশে যাবে। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বুকটা কেমন জানি ভারি হয়ে যাচ্ছে। বলে বোঝানো যাবে না। তবে সাবেক এই তারকা দম্পতি তাদের ছেলেকে কোন দেশে পাঠাচ্ছেন, তা আপাতত গোপন রেখেছেন অপু। শাকিব-অপুর ছেলে জয়ের বয়স এখন মাত্র ৮ বছর। এই বয়সেই তাকে একা বিদেশ পাঠানো হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, না না আমি ওকে একা রাখব না। আমি বাবা-মা, আমরা ফ্যামেলির সবাই মিলেমিশে থাকা হবে। জয় শুধু আমার জীবনেই গুরুত্বপূর্ণ নয় ও আমাদের পরিবারের সবার কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। ভিডিও সাক্ষাৎকারে অপু আরও বলেন, যখন আমি আমার জয়কে নিয়ে প্রথম টিভিতে আসি, তখন শুধুই একজন মায়ের জায়গা থেকে এসেছিলাম। এটার জন্য অনেক কথা শুনতে হয়েছে। সেই সঙ্গে এখন সামাজিকমাধ্যম যতটা উপকারী আমার মনে হয় তার থেকে বেশি ক্ষতিকর। মানুষ অনেক কথাই বলবে। সেগুলোকে পাত্তা দিলে নিজেদের ক্ষতি। যাইহোক, সব কিছু মিলে বছরটি সাজিয়েছি। এদিকে অপু জানান,  সন্তানকে বিদেশ পাঠানোর সিদ্ধান্তে মন খারাপ হয়েছিল শাকিবের পরিবারের। তবে তাদের বুঝিয়ে রাজি করাতে সক্ষম হয়েছেন নায়িকা। 
নির্বাচনের আগেই উত্তপ্ত এফডিসি
আগামী ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। ২০২৪-২৬ মেয়াদের এ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ভোটের দিন এফডিসিতে সমিতির ভোটার ছাড়া অন্যদের প্রবেশ না করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জানিয়েছেন নির্মাতারা। যে কারণে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে এফডিসিতে। চলচ্চিত্র পরিচালক সাফি উদ্দিন সাফি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কোনো পরিচালক অ্যাকশন না বলা পর্যন্ত যে শিল্পীরা মূর্তির মতন দাঁড়িয়ে থাকে, তারাই আজকে পরিচালকদের এফডিসিতে ঢুকতে নিষেধ করছে, কি চমৎকার !’ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিচালক বুলবুল বিশ্বাসও। তিনি লিখেছেন, ‘পরিচালকরা যে অভিনয়শিল্পীদের বাপ, তা মনে হয় শিল্পী সমিতি ভুলে গেছে। সময় এসেছে তাদের তা মনে করিয়ে দেওয়ার’    পরিচালক সাজ্জাদ খান লিখেছেন, ‘বিএফডিসিকে কি শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি মনে করছে নাকি কেউ! এফডিসি কোনো একটা সংগঠনের জন্য না। আগেরবার ঠিকঠাক প্রতিবাদ না-হওয়ায় এবারও তারা এই সাহস দেখাচ্ছে। এফডিসি নির্বাচন মানে নতুন পুরাতনের মিলনমেলা। এই সুন্দর পরিবেশ যারাই নষ্ট করার চেষ্টা করছেন, তারাই সিনেমার প্রধান শত্রু। কোনো রাজনৈতিক নেতার ফোন থাকলে এবার তার নাম প্রকাশ করা হোক। জাতি চিনে রাখুক কে সেই নেতা।’ এর আগে সোমবার (১৫ এপ্রিল) চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম খসরু স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, ‘সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, অদ্য ১৫ এপ্রিল বিকালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন- ২০২৪-২০২৬ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিএফডিসির সভাকক্ষে বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন বোর্ড এর জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নির্বাচন ১৯ এপ্রিল বিএফডিসির অভ্যন্তরে শিল্পী সমিতির স্টাডিরুমে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচন উপলক্ষে শুধুমাত্র শিল্পী সমিতির ভোটারগণ ব্যতিত অন্য কাউকে বিএফডিসির অভ্যন্তরে প্রবেশ না করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।’ এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে নির্বাচনের দিন এফডিসিতে ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্ট বসানো হবে বলেও জানানো হয়।
ফের পীরজাদা হারুনকে বয়কটের সিদ্ধান্ত
গত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আলোচিত নাম অভিনেতা পীরজাদা শহীদুল হারুন। নির্বাচন নিয়ে তুমুল হট্টগোল, তর্ক-বিতর্ক, মামলা, আদালতে দৌড়ঝাঁপসহ সবকিছুই হয়েছে। পরাজয়ের পর জাতীয় প্রেস ক্লাবে পীরজাদা হারুনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানিসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ আক্তার।  নির্বাচনের দিন নিপুণকে চুমু খেতে চেয়েছিলেন পীরজাদা, প্রকাশ্যে এমন অভিযোগও তুলেছিলেন নিপুণ। নিপুণের দ্বারা নিষিদ্ধ হারুন এখন তার প্যানেলেই কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। এ কারণে পীরজাদা শহীদুল হারুনকে ব্যক্তিগতভাবে বয়কট করার কথা জানালেন চিত্রনায়িকা আঞ্জুমান আরা শিল্পী। ‘প্রিয়জন’ সিনেমার এই নায়িকা বলেন, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছিল তাতে করে তার মানসম্মান মাটিতে মিশে গেছে। তিনি কী করে এমন ব্যক্তিত্বহীন সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি যদি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতেন আমিসহ সবাই তাকে সমর্থন করতাম। তিনি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মকর্তা। যার জন্য তার মানসম্মান গেছে তার প্যানেলে যিনি নির্বাচন করতে পারেন আমি মনে করি তিনি ব্যক্তিত্বহীন। তার কাছে ভালো কিছু আশা করা যায় না। যোগ করে শিল্পী বলেন, এমন লোক শিল্পীদের অভিভাবক হতে পারে না। কারণ তার দ্বারা সংগঠনের মঙ্গল হবে না। তাছাড়া বিগত দিনে তো তিনি শিল্পীদের পাশে ছিলেন না। কখনও শিল্পীদের খোঁজ নেননি। তাই আমি তাকে বয়কট করলাম। আমার মনে হয় সকল শিল্পীদের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। সাধারণ ভোটারদের অনুরোধ করে বলব— বিগত দুই বছর অনেক কিছু দেখেও আপনারা চুপ ছিলেন। কিন্তু এবার আর নয়, আপনারা সজাগ দৃষ্টিতে সমিতির কল্যাণে কাজ করবে এমন যোগ্য প্রার্থী বেছে নিন। শুধু পীরজাদা শহীদুল হারুন নয়, এক দুইটি সিনেমায় অতিথি চরিত্রে অভিনয় করে শিল্পী সমিতির সদস্য হয়ে যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধেও শিল্পীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই নায়িকা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আগামী ১৯ এপ্রিল। এদিন এফডিসিতে বিরতিহীনভাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মিশা-ডিপজলের বিপরীতে মাহমুদ কলি-নিপুণ লড়ছেন। 
যে কারণে ছেলে জয়কে বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন অপু বিশ্বাস
শাকিব-অপু দম্পতির একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়কে বিদেশ পাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার এই তারকা জুটি। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে বিষয়টি জানিয়েছেন অপু বিশ্বাস। অপু বিশ্বাস বলেন, শাকিব ও আমি দুজন মিলেই ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলতি বছরই পড়াশোনার জন্য জয় বিদেশে যাবে। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বুকটা কেমন জানি ভারি হয়ে যাচ্ছে; বলে বোঝানো যাবে না। তবে সাবেক এই তারকা দম্পতি তাদের ছেলেকে কোন দেশে পাঠাচ্ছেন, তা আপাতত গোপন রেখেছেন অপু। শাকিব-অপুর ছেলে জয়ের বয়স এখন মাত্র ৮ বছর। এই বয়সেই তাকে একা বিদেশ পাঠানো হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, না না আমি ওকে একা রাখব না। আমি বাবা-মা, আমরা ফ্যামেলির সবাই মিলেমিশে থাকা হবে। জয় শুধু আমার জীবনেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, ও আমাদের পরিবারের সবার কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। ভিডিও সাক্ষাৎকারে অপু আরও বলেন, যখন আমি আমার জয়কে নিয়ে প্রথম টিভিতে আসি, তখন শুধুই একজন মায়ের জায়গা থেকে এসেছিলাম। এটার জন্য অনেক কথা শুনতে হয়েছে। সেই সঙ্গে এখন সামাজিক মাধ্যম যতটা উপকারী আমার মনে হয় তার থেকে বেশি ক্ষতিকর। মানুষ অনেক কথাই বলবে। সেগুলোকে পাত্তা দিলে নিজেদের ক্ষতি। যাইহোক, সব কিছু মিলে বছরটি সাজিয়েছি।
২০ বছরে সিসিমপুর
সময়টা ২০০৫ সাল, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের শেখাকে আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে ‘সিসিমপুর’। দেখতে দেখতে এই অনুষ্ঠানটি পার করল ১৯ বছর।  সিসিমপুরের প্রথম প্রচারের দিন হিসেবে প্রতি বছর ১৫ এপ্রিল তারিখটিকে ‘সিসিমপুর দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়। সিসিমপুর তার টেলিভিশন অনুষ্ঠান, মুদ্রিত বিভিন্ন উপকরণ এবং স্কুলভিত্তিক কার্যক্রম ও কমিউনিটি কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের শিখন দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যেমন- বর্ণ চেনা, শব্দ থেকে বর্ণ চিহ্নিত করা, বর্ণ দিয়ে শব্দ মেলানো, শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করতে সাহায্য করে। চারপাশের পরিবেশ থেকে উপকরণ খুঁজে নিয়ে সেগুলোর মাধ্যমে বর্ণ ও শব্দ চিনতে সাহায্য করে। যেমন : ঘর, কলা, আম, টেবিল, ঘড়ি, গরু, গাছ, পাতা, কলম, বই ইত্যাদি শিশুর পরিচিতি বিভিন্ন শব্দ কোন বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, তা খেলার ছলে শেখানো হয়। সিসিমপুরের চরিত্রগুলোর মাধ্যমে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান থেকে বিভিন্ন আকার-আকৃতির নাম, রঙের নাম ইত্যাদি শেখানো হয়।  এছাড়া ইন্টারনেটে শিশুদের নিরাপদ রাখার বিষয় নিয়েও বেশ কয়েক বছর ধরে কাজ করছে সিসিমপুর। পাশাপাশি প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের শেখার দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং অভিভাবক মাঝে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে সিসিমপুর। বর্তমানে  আরটিভি সহ দেশের ৩ টি বেসরকারি টেলিভিশনে সিসিমপুরের ১৬তম সিজন সম্প্রচারিত হচ্ছে।  তবে শুরু থেকেই একটি সরাকারি টেলিভিশন বিগত ১৯ বছর ধরে বিরতিহীনভাবে সিসিমপুর সম্প্রচার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যা বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং সিসিমপুরের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফল। তিনটি টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা দেশের প্রায় এক কোটি দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করছেন। প্রতি বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় শিশুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের বিষয়ে পরিণত হয়েছে সিসিমপুর। মেলায় প্রতি শুক্র-শনি আর ছুটির দিনগুলোতে ইকরি, হালুম, টুকটুকি আর শিকুর সঙ্গে মজার সময় কাটাতে শিশুদের ঢল নামে। যা ইতোমধ্যেই অমর একুশে গ্রন্থমেলার অন্যতম অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। সিসিমপুরের ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ১৯ বছর ধরে শিশুতোষ এই অনুষ্ঠানটি নির্মিত হচ্ছে তিন থেকে আট বছর বয়সী শিশুর প্রারম্ভিক শিক্ষার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে। সেইসঙ্গে সিসিমপুরের লক্ষ্য শিশুর পিতা-মাতা, যত্নকারী এবং শিক্ষকরাও।  আনন্দ আর খেলার ছলে সিসিমপুর ভূমিকা রেখে চলেছে শিশুর সামগ্রিক বিকাশে। ভাষা-বর্ণ; গণিত; পরিবেশ; সুষম ও পুষ্টিকর খাবার; স্বাস্থ্যসুরক্ষার মতো মৌলিক বিষয়গুলো ছাড়াও সিসিমপুর জেন্ডার সমতা; সামাজিক মূল্যবোধ; নিরাপদে খেলাধুলা করা, ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকা, দুর্যোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস চর্চা; ভূমিকম্প; রাস্তা পারাপার ও পানিডুবি-বিষয়ক নিরাপত্তা; বিভিন্ন আঘাত প্রতিরোধে সচেতনতা; সঞ্চয় করা, পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ইত্যাদি নানা বিষয় শিশুদের শিখতে সাহায্য করেছে সিসিমপুর।  পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মমত্ববোধ, অভিন্নত্ব ও বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাসহ দেশের সব মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে সিসিমপুর। সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ তার সব কার্যক্রমই সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে যৌথভাবে পরিচালনা করে থাকে। গত ১৯ বছরে সিসিমপুর বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে।  ইউএসএআইডির অর্থায়নে সিসিমপুরের পথচলা শুরু এবং ইউএসএআইডি-র এই সহায়তা অদ্যাবধি অব্যাহত রয়েছে। নিউইয়র্কভিত্তিক সিসেমি স্ট্রিট নামক শিক্ষামূলক টেলিভিশন-ধারাবাহিকের সহ প্রযোজনা সিসিমপুরের কার্যক্রম বাংলাদেশে পরিচালনা করছে সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ।
অবশেষে নিজেদের গোপন সম্পর্কের কথা ফাঁস করলেন মাহি-জয়
ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের নায়িকা মাহিয়া মাহি। বিচ্ছেদের পর সন্তানকে নিয়ে ফুরফুরেই মেজাজে আছেন এই নায়িকা। বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে বেশ সুন্দর সময় কাটাচ্ছেন তিনি। শুধু তাই নয় নতুন উদ্যমে কাজেও ফিরেছেন তিনি। এবার ঈদে মুক্তি পাওয়া শাকিবের ‘রাজকুমার’ ছবিতে ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা পাচ্ছেন। এদিকে ঢাকাই সিনেমার বর্তমান প্রজন্মের নায়ক জয় চোধুরী। ভালোবেসে নায়িকা নীড়কে বিয়ে করেছেন। তাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তানও আছে। যদি বিয়ে-সন্তানের বিষয়টি দীর্ঘ আড়ালেই রেখেছিলেন তারা।  জয় চোধুরীর সঙ্গে মাহির প্রায় সময়ই নানান ছবি দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই নায়কের বাসায় অন্য নায়ক-নায়িকাদের সঙ্গে বেশ ফুরুফুরে মেজাজেই আড্ডায় মাততে দেখা যায় মাহিকে। জয়ের সঙ্গে সিনেমা না করেও এতট ভালো সম্পর্ক কীভাবে হলো সেটিই এবার একটি অনুষ্ঠানে এসে ফাঁস করলেন তারা।   মাহি বলেন, অল্প সময়েই জয়ের সঙ্গে আমার বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছে। ও আমার সঙ্গে কোন সিনেমায় কাজ করেনি। আর আমার সঙ্গে যেই নায়করা কাজ করেন তাদের আমি শত্রু ভাবি। যার কারণে তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ভালো হয় না। জয়ের সঙ্গে আমার ২০১৯ থেকেই ভালো সম্পর্ক কিন্তু গোপন রেখে ছিলাম কারণ যে কোন জিনিস  গোপন রাখলে সেটা সুন্দর থাকে।  এদিকে মাহির সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে জয় বলেন, খোলামেলা বিষয়টা আসলে সবাই ভালভাবে নেন না। গোপন থাকলে বিষয়টার মাঝে একটা পবিত্রতা থাকে। মাহির সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব অল্প দিনের হলেও আমাদের সম্পর্কের মাঝে গভীরতা অনেক।     
‘নিপুণ বিষয়টি নিয়ে অনুতপ্ত’
নানান আলোচনা-সমালোচনায় ছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৩ মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। সেবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন পীরজাদা শহীদুল হারুন। নির্বাচনে নিপুণ আক্তার পরাজয়ের পর ‘চুমু দিতে চাওয়ার’ অভিযোগ করেন তার  বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এবারের নির্বাচনে সেই নিপুণের প্যানেল থেকেই নির্বাচন করছেন হারুন! তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচনে লড়ছেন। হারুন বলেন, গতবার আমার বিরুদ্ধে নিপুণ যে অভিযোগ করেছিলেন সেটি কিন্তু অন্যের কথা শুনে। সে নিজের কানে শোনেননি। সুতরাং সেটি ছিল একদম ভিত্তিহীন একটি অভিযোগ। এমন কোনো কথাই হয়নি। এটা সম্পূর্ণ একটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল। আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। দীর্ঘদিনের অর্থ মন্ত্রণালয়ে কাজের সূত্র ধরে আমার অভিজ্ঞতা থেকে শিল্পীদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব। নিপুণ তার ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছিল কি না, জানতে চাইলে এই অভিনেতা বলেন, নিপুণ বিষয়টি নিয়ে অনুতপ্ত। তিনি আমাকে বলেছে অন্যের কথা শুনে বিশ্বাস করেছিল। যখন আপনি সত্যটা প্রকাশ করবেন তখন আর পা ধরে মাফ চাইতে হয় না। আমি নিপুণকে মাফ করে দিয়েছি। গেল নির্বাচনে একমাত্র শিল্পী ছাড়া এফডিসিতে আর কেউ প্রবেশের অনুমতি পায়নি। যার কারণে হারুনকে এফডিসিতে অবাঞ্ছিত করে সব সংগঠন। সেই বিতর্ক নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি সমিতি এফডিসিকে ভাড়া দেয়। শিল্পী সমিতিও তার ব্যতিক্রম নয়। গত বছর নির্বাচনের দিন সবার এফডিসিতে প্রবেশের অনুমতি চাইলে কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়নি। মহামরি করোনার কারণে তখন তারা অনুমতি দেয়নি সবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে। সরকার থেকেও বাধা নিষেধ ছিল। এখানে নির্বাচন কমিশনের হাত ছিল না। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ জানিয়ে হারুন বলেন, নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছি অনেক দিন ধরেই। প্রথমে ভোটার হিসেবে অংশ নেই। পরবর্তীতে ৫ বার নির্বাচন পরিচালনা করেছি। গত নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। এবার প্রার্থী হয়ে অংশ নিচ্ছি। জয়ের আশা নিয়েই নির্বাচনে এসেছি। তবে হেরে গেলেও ভেঙে পড়ব না। কারণ আমরা যারা খেলোয়ার জয় পরাজয় মেনে নিয়েই নির্বাচনে যেতে হয়। নির্বাচিত হলে সাধারণ সদস্যদের নিয়ে কাজ করব। জানা গেছে, পীরজাদা হারুন মিশা-ডিপজলের প্যানেল থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। এই প্যানেল থেকে ফিরিয়ে দেওয়ায় তিনি নিপুণের প্যানেলে নির্বাচন করছেন। প্রসঙ্গত , বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আগামী ১৯ এপ্রিল। এদিন এফডিসিতে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মিশা-ডিপজলের বিপরীতে কলি-নিপুণ লড়ছেন।