• ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
logo
ভালো থাকতে প্রতিদিন এই সহজ ব্যায়ামগুলো করুন
বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু চকো চিপস কুকিজ
বিকেলের নাস্তায় পরিবারের সামনে কি উপস্থাপন করা যায়, তা নিয়ে গৃহিণীদের চিন্তার অন্ত নেই। সুস্বাদু এবং ঝটপট এই দুয়ের মিশেলেই তৈরি করতে হয় যা তৈরি করার। তবে আজকের লাইফস্টাইলে সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর খাবারের। আর এ দুশ্চিন্তার অবসান ঘটাতে তৈরি করতে পারেন চকো চিপস কুকিজ। বাড়িতেই ঘরোয়া কিছু উপাদান ও কম সময়ে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেলুন চকো চিপস কুকিজ। স্বাস্থ্য ও পছন্দ- দুটোই বজায় রাখুন সমান তালে। চায়ের সঙ্গে হোক বা মিড নাইট ক্রেভিংস, প্রায় যেকোনো সময়েই দু-তিনটা চকো চিপস দেওয়া কুকিজ খেয়ে ফেলাই যায়। চলুন, জেনে নেওয়া যাক তৈরির পদ্ধতি। জেনে নিন রেসিপি— উপাদান: আধা কাপ ঘি, আধা কাপ গুড় বা কোকোনাট সুগার, ১ টেবল চামচ ভ্যানিলা এসেন্স, ১ কাপ ওটসের আটা, আধা টেবল চামচ বেকিং সোডা, ১ চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার, আধা কাপ দুধ, আধা কাপ কোকো পাউডার, ১ কাপ চকোলেট কুকিজ ও এক চিমটে লবণ লাগবে বানাতে। প্রথম ধাপ: প্রথমেই ভালো করে ঘি ও গুড় বা কোকোনাট সুগারটি মিশিয়ে ফেটাতে থাকুন। আপনার কুকিজ খেতে কতটা ভালো হবে তা কিন্তু সম্পূর্ণ নির্ভর করে এই ধাপেই। তাই মিশ্রণটি মসৃন ও ফ্লাপি না হয়ে ওঠা পর্যন্ত মিক্স করতে থাকুন। দ্বিতীয় ধাপ: এবারে মিশ্রণটিতে ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে ফের একবার মিশিয়ে নিন। এবারে ধীরে ধীরে বাকি উপাদান যেমন আটা, কর্ন ফ্লাওয়ার, বেকিং সোডা ও কোকো পাউডার মিশিয়ে কুকিজের ময়ামটি তৈরি করুন। এবারে মিশ্রণটি ভালো করে মেখে নিন। তৃতীয় ধাপ: এবারে ধীরে ধীরে দুধ মিশিয়ে ফের একবার মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ১৫ থেকে ২০ মিনিট ফ্রিজে সেট হতে দিন। এই ফাঁকে আপনার ওভেন ১৮০ ড্রিগ্রি সেন্টিগ্রেডে প্রি-হিট করে রাখুন। চতুর্থ ধাপ: এবারে একটি বেকিং ট্রে-তে বেকিং শিটের ওপরে ওই ময়ামটি ফ্রিজ থেকে বের করে ছোট ছোট চ্যাপটা বলের আকারে সাজিয়ে উপর থেকে ইচ্ছেমতো চকো চিপস ছড়িয়ে দিন। পরিবেশন: এবারে বেকিং ট্রে ওভেনে ঢুকিয়ে ১২ থেকে ১৫ মিনিট কুকিজগুলো বেক হতে দিন। তারপরে বের করে ওপর থেকে সামান্য সি সল্ট ছড়িয়ে পরিবেশন করুন বাড়িতে বানানো হেলদি চকো চিপস কুকিজ।
দুধ বা দুধের তৈরি খাবার কোনটি বেশি ভালো
আঙুরের মতো দেখতে পুষ্টিকর এই ফলটি খেয়েছেন কি 
ত্বকের পরিচর্যায় ক্ষতিকর যেসব উপকরণ
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা
যে ৬ কারণে নারীদের অতিরিক্ত চুল পড়ে
প্রতিদিন ১০০ থেকে ১২৫টি চুল পড়া স্বাভাবিক। এ সংখ্যা যখন বেড়ে যায়, তখন তা সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় বর্ষাকালে একটু বেশি চুল পড়ে। নারী-পুরুষ উভয়ই চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু কিছু নারীরা সারা বছর চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন। তাদের চুল ঝরে পাতলা হয়ে গিয়েছে, টাক পড়ে গিয়েছে। সাধারণত বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা পরিমাণ বেশি থাকে, যার কারণে হেয়ার ফলিকলগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে একটু টান পড়লেই চুল ছিঁড়ে যায়। বর্ষাকাল গেলেই আবার চুল পড়া বন্ধ।  নারীদের চুল পড়ার সমস্যাকে বলে অ্যানড্রোজেনেটিক অ্যালোপিসিয়া। এ সমস্যায় মাথার উপরিভাগে ও দুই পাশের চুল পড়ে যায় কিংবা পাতলা হয়ে যায়। নানা কারণে চুল পড়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।  আসুন, কারণগুলো জেনে নিই— নারীদের মধ্যে রক্তাল্পতা খুব কমন সমস্যা। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকলে এবং দেহে আয়রনের ঘাটতি তৈরি হলে এই রোগ দেখা দেয়। আর এ কারণেই চুল উঠতে থাকে। চুলের যত্নে শ্যাম্পু, তেলই যথেষ্ট নয়। সঠিক খাবার খাওয়ার দরকার। অনেক সময় দেখা যায় যে, দেহে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে। এই কারণে চুলের গোড়ায় অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায় না আর চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকে। পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে থাইরয়েডের সমস্যা সবচেয়ে বেশি। থাইরয়েড হরমোন দেহে একাধিক মেটাবলিজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে তার প্রভাব চুলেও পড়ে। চুল পড়ার অন্যতম কারণ কিন্তু থাইরয়েড। আজকাল বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই মেয়েরা পিসিওডি বা পিসিওএস-এর সমস্যায় ভুগছে। তবে, ওভারিতে সিস্ট থাকার কারণে চুল পড়ে না। এই অবস্থায় দেহে পুরুষ হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন চুল ওঠে, ত্বকের রোমের আধিক্য বাড়ে, ব্রণ হয়। গর্ভাবস্থায় দেহে নানা রকম পরিবর্তন হয়। আবার প্রসবের পরও শরীরে কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়। এই সময় অনেক নারীই চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন। এমনকি মেনোপজের সময়ও অনেক নারীদের চুল পড়ার অভিযোগ করেন। নারীদের মধ্যে ঘুমের পরিমাণ কম। অথচ, নারীদেরই পুরুষদের তুলনায় বেশি ঘুমানো উচিত। ঘুম কম হওয়ার কারণে, জীবনে অত্যধিক পরিমাণে মানসিক চাপ বাড়লে দেহে হরমোনের তারতম্য ঘটে। তখনও চুল ঝরে।
রুপার গয়না ঝকঝকে করার টিপস
অনেকেই রুপার গয়না নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন। বর্তমানে রুপার গয়নার কদরও বেশ বেড়েছে। শাড়ি বা যে কোনও ট্র্যাডিশনাল পোশাকের সঙ্গে হালকা কিংবা জাঙ্ক রুপার গয়না কিন্তু এখন ট্রেন্ডিং। কিন্তু রুপার গয়না নিয়মিত পড়লে রুপা হারাতে আরম্ভ করে তার নিজস্ব জেল্লা। অনেকেই ভেবে থাকেন, বোধ হয় তার ব্যবহৃত গয়নার রুপা ভালো নয় বা নকল, বিষয়টি কিন্তু ঠিক নয়। আর এ নিয়ে দুশ্চিন্তারও কিছু নেই। হাতের কাছে থাকা কিছু সাধারণ উপাদান ব্যবহার করেই আপনার সাধের রুপার জিনিসের চকচকে ভাব ফিরিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব। জেনে নিন এই সমস্যা সমাধানের টিপস— ১) সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত ধাতুর গয়নাই ঔজ্জ্বল্য হারায়। রুপার গয়নাও ব্যতিক্রম নয়। সেই দীপ্তি ফেরানোর একটি সহজ উপায় রয়েছে। আর তা আপনার রান্নাঘরেই রয়েছে। ভিনিগার। দু’টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও আধ কাপ সাদা ভিনিগার একটি পাত্রে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তাতে ২-৩ ঘণ্টা ভিজিয়ে রুপার গয়না বা বাসন ভিজিয়ে রাখুন। এরপর মিশ্রণ থেকে তা তুলে ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিলেই উঠে যাবে দাগছোপ। ফিরবে ঔজ্জ্বল্য। ২) দেড় কাপ পানির মধ্যে আধ কাপ গুঁড়ো দুধ ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে সারারাত ডুবিয়ে রাখুন রুপার গয়না। পরের দিন নতুনের মতো চকচকে হবে। ৩) একটি ব্রাশে টুথপেস্ট লাগিয়ে তা রুপার গয়নায় লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। তারপর নরম কোনো কাপড়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। ৪) এছাড়াও হ্যান্ড স্যানিটাইজারে রুপার গয়না বা বাসন ভিজিয়ে রাখলেও ফিরবে ঔজ্জ্বল্য।  ৫) লেবুর রস বের করে তাতে লবণ দিয়ে গয়নায় মাখিয়ে রাখুন, কিছুক্ষণ বাদে ঘষে পরিষ্কার করে নিন।  ৬) গেরস্থালির আরও একটি জিনিস রুপার গয়না বা বাসন পরিষ্কার করতে কাজে লাগে। সাদা টুথপেস্টও এক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে। গয়না বা বাসনে টুথপেস্ট দিয়ে ঘষলে আবার নতুনের মতো ঝকঝকে হয়ে উঠে। ৭) সার্ফের পানিতেও চুবিয়ে রাখতে পারেন। হালকা গরম পানিতে সার্ফ দেবেন। তাতে দশ মিনিট গয়না বা বাসনগুলো চুবিয়ে রাখবেন। তারপর বের করে হালকাভাবে ব্রাশ (পুরনো বাতিল করে দেওয়া টুথব্রাশ) দিয়ে ঘষে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন। এবার মাইক্রোফাইবার তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছে নিলেই হবে। ৮) পর্যাপ্ত পরিমাণ টমেটো কেচআপ ঢেলে এবার পুরনো ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন। কালচে দাগ ভ্যানিশ হয়ে যাবে। তারপর গয়নাটা ভালো করে ধুয়ে নেবেন। 
পুষ্টিগুণে অতুলনীয় জামে রয়েছে যেসব উপকারিতা
গ্রীষ্মের অন্যান্য সুস্বাদু ফলের মতো জামও বেশ জনপ্রিয়। জাম খুব উপকারী ফল। জাম কিন্তু অনেক ধরনের পুষ্টিগুণে ভরা। পুষ্টিগুণে অতুলনীয় এ ফলটিতে আছে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, স্যালিসাইলেট, গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফুকটোজসহ অসংখ্য উপাদান। টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলের উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগেরই জানা নেই।  চলুন জেনে নেওয়া যাক জামের উপকারিতা— জামে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার, যা হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করে। জার্নাল অব এথনোফার্মাকোলজির একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জামে ট্যানিন এবং ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা প্রদাহ কমায় এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়িয়ে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।  রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে সাহায্য করে জাম। ফলটিতে জ্যাম্বোলিন এবং জাম্বোসিনের মতো যৌগ রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে পারে। মেডিসিনাল ফুড জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, এই যৌগগুলো স্টার্চকে চিনিতে রূপান্তরকে ধীর করতে সাহায্য করে।  ভিটামিন ‘সি’, আয়রন এবং অ্যান্থোসায়ানিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চমৎকার উৎস জাম, যা ফলটিকে গাঢ় বেগুনি রঙ দেয়। জার্নাল অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।  গ্রীষ্মের রোদ আমাদের ত্বকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তীব্র রোদে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। জামে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এবং অ্যাস্ট্রিনজেন্ট বৈশিষ্ট্য আমাদের ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং এই সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। আয়ুর্বেদ অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন জার্নালের একটি গবেষণায বলছে, জাম ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করতে সাহায্য করে এবং দাগ কমায়।  জামে থাকা ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের গবেষণা অনুসারে, এই পুষ্টি উপাদানগুলো শ্বেত রক্ত ​​​​কোষের উৎপাদন বাড়ায়, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা বাড়তি ওজন কমাতে চাইছেন তাদের জন্য দুর্দান্ত ফল জাম। ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি এতে, যা আমাদের দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে ও সামগ্রিক ক্যালোরি গ্রহণ কমায়। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ফুড সায়েন্সেস অ্যান্ড নিউট্রিশনের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, জামে থাকা ফাইবার শুধু হজমেই সাহায্য করে না, ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। জাম আমাদের হার্টের জন্যও উপকারী। এতে রয়েছে পটাসিয়াম, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। জার্নাল অব কার্ডিওভাসকুলার ফার্মাকোলজি অ্যান্ড থেরাপিউটিকসে প্রকাশিত গবেষণা অনুসারে, জামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে, যার ফলে সার্বিক কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভালো থাকে। গ্রীষ্মের তাপের কারণে ডিহাইড্রেশন হয় এবং শরীরে টক্সিন জমা হয়। জাম প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার হিসেবে কাজ করে। এটিতে উচ্চমাত্রায় পানি রয়েছে এবং মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে এবং আমাদের হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে। জার্নাল অব ট্র্যাডিশনাল অ্যান্ড কমপ্লিমেন্টারি মেডিসিনের একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাম লিভার এবং কিডনি পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।  জাম আমাদের দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। জামের অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট বৈশিষ্ট্য মুখের স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার জন্য উপকারী। দ্য জার্নাল অব ন্যাচারাল সায়েন্স, বায়োলজি এবং মেডিসিন বলছে,  জামের ব্যাকটেরিয়ারোধী বৈশিষ্ট্য মাড়ির রোগ এবং নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে চালের গুঁড়োর ফেসপ্যাক
সারা বছরই ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ থাকুক তা সবাই চায়। কিন্তু ধুলোবালি, বায়ুদূষণ এবং শারীরিক নানা কারণে ত্বকের উজ্জ্বলভাব ক্রমশ যেন হারিয়ে যেতে থাকে। হারানো উজ্জ্বলতা ফেরাতে অনেকেই বাজারের বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করেন। এমনকি ডাক্তারদের শরণাপন্ন হন। তবে ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য আজকাল অনেকেই ভরসা রাখেন কোরিয়ান স্কিনকেয়ার রুটিনে। কারণ কোরিয়ান সুন্দরীদের স্কিনকেয়ার রুটিন সাম্প্রতিক সময়ে বেশ ট্রেন্ডিং। কোরিয়ানদের মতো গ্লাস স্কিন পেতে জোরকদমে চেষ্টাও চালান অনেকেই। কখনও এই সিরাম ট্রাই করেন তো আবার কখনও মুখে মাখেন অন্য কিছু। এবার এক অদ্ভুত ফেসপ্যাক বেশ ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই চালের গুঁড়ো এবং ফ্ল্যাক্স সিডের ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে লাগাচ্ছেন। চলুন এ ফেসপ্যাকের কার্যকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই। যেভাবে বানাবেন ফেসমাস্কটি—  ফেসপ্যাক বানানোর জন্য আপনার প্রয়োজন দুই চামচ চালের গুঁড়ো, পরিমাণ মতো পানি এবং ফ্ল্যাক্স সিড। এক্ষেত্রে ১ চামচ আস্ত ফ্ল্যাক্সসিড ও ১ চামচ ফ্ল্যাক্সসিড গুঁড়ো ব্যবহার করতে হবে। প্রতিটি উপকরণ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তাহলেই আপনার ফ্ল্যাক্সসিড ফেসমাস্ক তৈরি। এটি মুখে লাগানোর পরে আরও ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ফেসওয়াশ করে নিন। শেষে টোনার এবং ময়শ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না। কার্যকারিতা—  ফ্ল্যাক্সসিড এবং চালের গুঁড়োর ফেসপ্যাক লাগালে উজ্জ্বলতা বাড়বে। কিন্তু সেই উজ্জ্বলতা সাময়িক। হয়তো আপনার ত্বক আরও উজ্জ্বল দেখাবে এবং চকচক করবে। কিন্তু তার ফল সুদূরপ্রসারী হবে না। কারণ কিছুক্ষণ পরেই আবার সেই জেল্লা ফিকে হয়ে যাবে। আর ত্বকের সৌন্দর্যও কমতে শুরু করবে। উপকার পাবেন যেভাবে—  ফ্ল্যাক্স সিডে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ফাইবার। এগুলো ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকী ত্বকের উজ্জ্বলভাবও অটুট রাখে। কিন্তু এসব উপকার পাওয়ার জন্য নিয়মিত ফ্ল্যাক্স সিড খাওয়া প্রয়োজন। এই বীজ ফেসপ্যাকে মিশিয়ে মুখে লাগালে কোনও উপকারই মেলে না। সাময়িক উজ্জ্বলতা বাড়াবে এই উপাদান: চালের গুঁড়ো প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ আপনি যদি নিয়মিত চালের গুঁড়ো মুখে লাগান, তাহলে ত্বকের মৃত কোষের স্তর পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে ত্বকের ভিতরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। অক্সিজেন সরবরাহও পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়। তাই সাময়িকভাবে উজ্জ্বল বৃদ্ধি পায়।  ত্বকের ধরন বোঝা জরুরি: প্রত্যেকের ত্বকের ধরন আলাদা। তাই আপনার ত্বকে কোনও উপাদান কার্যকরী হলে অন্য কারও ত্বকে সেটা নাও হতে পারে। তাই কোনওরকম ঘরোয়া ফেসপ্যাক মুখে লাগানোর আগে সব সময়ে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া জরুরি বলে জানালেন রূপ চিকিৎসকরা। তাহলে আপনার ত্বকও সুরক্ষিত থাকে এবং ত্বকের সৌন্দর্য নিয়ে কোনও চিন্তা ভাবনা করতে হয় না। এই টিপস জেনে রাখুন: ফ্ল্যাক্স সিড এবং চালের গুঁড়োর ফেসপ্যাক লাগালে সাময়িক জেল্লা পাবেনই। কিন্তু ত্বকের সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য আপনাকে সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন ফলো করতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যকর জীবনশৈলীও মেনে চলতে হবে। তাহলে আপনার ত্বক ভালো থাকবে এবং উজ্জ্বলও হবে দেখার মতো।
পুষ্টি ও ঔষধিগুণে ভরপুর লটকন
লটকন এক প্রকার দেশীয় ও হলুদ রঙের ছোট্ট গোলাকার ফল। টক-মিষ্টি ফল লটকন খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। ইংরেজিতে লটকনকে বলা হয় বার্মিজ গ্রেপ। টক-মিষ্টি রসালো এই ফলটি ছোট হলেও এটি পুষ্টি ও ঔষধিগুণে ভরপুর। লটকন ফলকে সরাসরি খাওয়া হয় বা জ্যাম তৈরি করেও খাওয়া যায়। লটকন স্বল্প সময়ের ফল। বর্ষা মৌসুমে এই ফলটি বাজারে সহজলভ্য হয়। এখন রাস্তাঘাটে সব জায়গায় মিলছে এই ফলটি। এই ফলটির আবার বেশ কয়েকটি নাম রয়েছে। যেমন- হাড়ফাটা, ডুবি, বুবি, কানাইজু, লটকা, লটকাউ, কিছুয়ান ইত্যাদি। লটকন গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিক চাষ হয়। ক্যালরি ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ফল লটকন।  চলুন জেনে নেওয়া যাক লটকনের স্বাস্থ্য গুণাগুণগুলো— >> লটকনে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ আছে। ভিটামিন সি ত্বক, দাঁত ও হাড় সুস্থ রাখে। সিজনের সময় প্রতিদিন দুই-তিনটি লটকন খাওয়া মানেই আমাদের দৈনন্দিন ভিটামিন ‘সি’র চাহিদা পূরণ হওয়া। এ ছাড়া এই ফলে চর্বি অত্যন্ত কম থাকায় ও কোনো শর্করা নেই বিধায় সব বয়সের মানুষ নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। >> পরিপক্ব লটকনের প্রতি ১০০ গ্রাম শাঁসে আছে ১.৪২ গ্রাম আমিষ, ০.৪৫ গ্রাম চর্বি, ০.৯ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ০.৩ গ্রাম লৌহ এবং ৯১ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি।  >> লটকনে রয়েছে ০.০৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১ এবং ০.১৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি২। সাধারণত লটকনকে ভিটামিন বি২ সমৃদ্ধ ফল বলা হয়ে থাকে। ভিটামিন বি২ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, যা শরীরের জন্য খুব প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। বেরিবেরি রোগ থেকে দূরে রাখে লটকন।   >> রক্ত ও হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী লটকন। কারণ এতে থাকে আয়রন। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে ৫.৩৪ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। >> খাদ্যশক্তির ভালো উৎস লটকন। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে ৯২ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি পাওয়া যায় যা আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।  >> লটকনের যেমন পুষ্টিগুণ রয়েছে তেমনি তার ঔষধিগুণও রয়েছে। লটকন মানসিক অবসাদ দূর করতেও সাহায্য করে। >> লটকন টক মিষ্টি ফল, তাই এই ফল খেলে আমাদের মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায় এবং খাবারের রুচি বাড়ে।  >> লটকন গাছের শুকনো গুঁড়ো পাতা ডায়রিয়া বেশ দ্রুত উপশম হয়। এর গাছের পাতা ও মূল খেলে পেটের ব্যথা ও পুরান জ্বর নিরাময় হয়। এমনকি গনোরিয়া রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এ ফলের বীজ। >> লটকন খেলে বমি বমি ভাব দূর হয় সহজেই। তৃষ্ণাও নিবারণ করে। এর গাছের ছাল ও পাতা খেলে চর্মরোগ দূর হয়। >> প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনের কোয়ায় খাদ্যশক্তি থাকে প্রায় ৯২ কিলোক্যালরি। অবাক বিষয় হলো এতে ক্যালরি আছে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের প্রায় দ্বিগুণ। >> লটকনে আছে প্রচুর পরিমাণে নানা ধরনের ভিটামিন ‘বি’। এতে ভিটামিন বি-১ এবং ভিটামিন বি-২ আছে যথাক্রমে ১০ দশমিক ০৪ মিলিগ্রাম এবং ০.২০ মিলিগ্রাম। ফলে পাকা লটকন খাদ্যমানের দিক দিয়ে খুবই সমৃদ্ধ। >> লটকনে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও এনজাইম যা দেহ গঠন ও কোষকলার সুস্থতায় কাজে লাগে। এইসব উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
ঢাকায় চলছে সপ্তাহব্যাপী সি ফুড ম্যানিয়া 
দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সি ফুড বা সামুদ্রিক খাবার। সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ পেতে দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও যাচ্ছেন কেউ কেউ। যদিও এখন ঢাকায় চলছে ‘সি ফুড ম্যানিয়া’। সামুদ্রিক খাবার প্রেমীদের জন্য এমন সুযোগ করে দিয়েছে বনানীর গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ডমার্ক। তাদের আয়োজনে থাকছে গলদা চিংড়ি, কাঁকড়া, স্থানীয় জনপ্রিয় ইলিশ মাছ, পোমফ্রেট, শিশু অক্টোপাস, স্কুইড, ম্যাকেরেল এবং কিংফিশের মতো রসালো খাবারের এক বিশাল সমাহার। এসব খাবার দেখেই জিভে জল চলে আসবে ভোজন রসিকদের।  সমুদ্রের অপূর্ব স্বাদের এক সপ্তাহব্যাপী উৎসবের আয়োজন করেছে হোটেলের গোল্ডেন ডাইন রেস্টুরেন্টে। ৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া সি ফুড ম্যানিয়া চলবে ১২ জুলাই পর্যন্ত। আয়োজকদের দাবি এই খাদ্য উৎসবটি তাজা তাজা সামুদ্রিক খাবারের বৈচিত্র্যময় নির্বাচনের মাধ্যমে খাদ্যরসিকদের মুগ্ধ করবে। আপনি যদি বারবিকিউ সস, লেমন বাটার বা হারিসা পছন্দ করেন, তাহলে যেকোনো পছন্দের সসের সঙ্গে এই সুস্বাদু খাবারগুলো উপভোগ করতে পারবেন। হোটেল ম্যানেজার সৈয়দ ইয়ামিনুল হক বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো সবচেয়ে তাজা সামুদ্রিক খাবারের বিভিন্ন পদ প্রদর্শন করে, আমরা আসল সামুদ্রিক খাবারের অভিজ্ঞতা দিতে চাই। আমরা আমাদের সি ফুড ম্যানিয়া উৎসবটি উন্মোচন করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। ভোজন রসিকদের তৃপ্ত করতে পারবেন বলেও মনে করেন তিনি। প্রথম দিনে যারা সি ফুডের স্বাদ নিতে এসেছেন কথা হয় তাদের সঙ্গে। তারা মনে করেন ঢাকায় এমন আয়োজন হলে সময় খরচ করে বিদেশে গিয়ে অন্তত সি ফুডের স্বাদ নিতে হবে না। খাবার বেশ সুস্বাদু বলেও জানান তারা।  এই সুস্বাদু বুফে ডিনার উপভোগ করতে জন প্রতি খরচ করতে হবে মাত্র ৫৭০০ টাকা। এ ছাড়াও BOGO এবং B1G2 ফ্রি অফার থাকছে নিদৃষ্ট কিছু ব্যাংক কার্ডের সঙ্গে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে রাত ১০:৩০ পর্যন্ত গোল্ডেন ডাইন রেস্টুরেন্টে এই মজাদার বুফে ডিনার পরিবেশন করা হবে।
ডিমের কুসুমে তৈরি ৪ ফেসপ্যাকেই ফিরবে উজ্জ্বলতা
ডিম যেকোন বয়সী মানুষের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে ত্বকের কালার উজ্জ্বল বা বাদামী রাখার জন্য ডিম বেশ উপকার করে। রূপচর্চায় ডিম ব্যবহার নতুন নয়। তবে মূলত, চুলের যত্নেই ডিম ব্যবহার করতে দেখা যায় বেশি। আপনি চাইলে ডিম দিয়ে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন। প্রাচীনকাল থেকে মেয়েদের ত্বকের ক্ষেত্রে ডিম ব্যবহার করে আসছে। তাহলে জেনে নিন ডিম দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক বানানোর পদ্ধতি। রূপ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমের কুসুম ত্বক উজ্জ্বল রাখতে দারুণ কাজ করে।  জেনে নিন ডিম দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাকের ব্যবহার— ১) তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ হওয়ার প্রবল সম্ভবনা দেখা যায়। সেক্ষেত্রে একটি ডিমের কুসুম, এক চামচ মধু এবং এক চামচ বাদাম তেল নিয়ে তা ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর ত্বকে প্যাকটি ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ২) ত্বক উজ্জ্বল রাখতে একটি ডিমের কুসুম, এক চামচ ঘন ক্রিম এবং এক চামচ গাজরের রস মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে নিন। এবার এই প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গর্যানপ্যানই দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল করে তুলবে। ৩) শুষ্ক ত্বকের জন্য প্রথমে একটি ডিম নিয়ে তার থেকে কুসুম আলাদা করে নিন। এবার এই কুসুমটির সঙ্গে এক চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। মুখে ভালো করে ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলে এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে নিন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট বাদে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি শুষ্ক ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে। ৪) মুখের অন্যান্য সমস্যার মধ্যে একটি সমস্যা হল ব্ল্যাকহেডেস। এরজন্য একটি ডিমের কুসুমকে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এরপর তা ব্রাশে করে নাকের চারপাশে লাগিয়ে নিন। এরপর একটি টিসু পেপার লাগিয়ে নিন নাকের ওপর। ডিমের প্রথম লেয়ারটি শুকিয়ে গেলে আরেকটি লেয়ার লাগিয়ে নিন। এরপর শুকিয়ে গেলে কাগজ গুলোকে টেনে তুলে ফেলুন। দেখবেন কাগজের সঙ্গে ব্ল্যাকহেডসও উঠে আসবে।