• ঢাকা বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
logo
সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ : অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (১৭ এপ্রিল)
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা। লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ বিনিময় হার তুলে ধরা হলো- বৈদেশিক মুদ্রার নাম   বাংলাদেশি টাকা   ইউএস ডলার   ১১৫ টাকা ১৫ পয়সা   ইউরোপীয় ইউরো   ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা   ব্রিটেনের পাউন্ড   ১৪৪ টাকা ১০ পয়সা   ভারতীয় রুপি   ১ টাকা ২৯ পয়সা   মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত   ২৪ টাকা ২৮ পয়সা   সিঙ্গাপুরের ডলার   ৮৪ টাকা ১৮ পয়সা   সৌদি রিয়াল   ২৯ টাকা ২৭ পয়সা   কানাডিয়ান ডলার   ৮৩ টাকা ৫৬ পয়সা   অস্ট্রেলিয়ান ডলার   ৭৪ টাকা ৭৭ পয়সা   কুয়েতি দিনার   ৩৭৬ টাকা ৩৬ পয়সা   ** যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওয়ালটনের আইনি নোটিশ
চাল আমদানির অনুমতি পেল আরও ৫০ প্রতিষ্ঠান
বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম
আইএমএফের ১০ শর্তের ৯টিই পূরণ করেছে বাংলাদেশ : গভর্নর
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (১৬ এপ্রিল)
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা। লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ বিনিময় হার তুলে ধরা হলো- বৈদেশিক মুদ্রার নাম   বাংলাদেশি টাকা   ইউএস ডলার   ১১৫ টাকা ১৫ পয়সা   ইউরোপীয় ইউরো   ১২৬ টাকা ৪০ পয়সা   ব্রিটেনের পাউন্ড   ১৪৫ টাকা ৮০ পয়সা   ভারতীয় রুপি   ১ টাকা ২৯ পয়সা   মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত   ২৪ টাকা ৩০ পয়সা   সিঙ্গাপুরের ডলার   ৮৫ টাকা ৩ পয়সা   সৌদি রিয়াল   ২৯ টাকা ২৭ পয়সা   কানাডিয়ান ডলার   ৮৪ টাকা ৫ পয়সা   অস্ট্রেলিয়ান ডলার   ৭৫ টাকা ৭৩ পয়সা   কুয়েতি দিনার   ৩৭৫ টাকা ২৩ পয়সা   ** যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
রেমিট্যান্সে ঈদের সুবাতাস, ১২ দিনে এলো ৮৭ কোটি ডলার
ঈদ ঘিরে সুবাতাস বইছে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসীদের কাছ থেকে দেশে এসেছে ৮৭ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ এই সময়ে গড়ে প্রতিদিন দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৭ কোটি ৩১ লাখ ডলার। সোমবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স প্রবাহে সুবাতাস লেগেছে। ঈদের বদৌলতে রেমিট্যান্সের চাঙ্গাভাব দেখা গেছে বিগত দুই মাসেও। আগামী ঈদুল আজহা পর্যন্ত এ সুবাতাস জারি থাকতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।  বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, রোজা-ঈদে প্রবাসীরা আত্মীয়-স্বজনদের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ পাঠান। তাই এ সময়ে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ। রেমিট্যান্সের এ ধারা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়বে। সেইসঙ্গে কেটে যাবে ডলার সংকটও। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের প্রথম ১২ দিনে দেশে ৮৭ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ কোটি ৮৪ লাখ ২০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৭৫ কোটি ৩৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এর আগে গত মার্চ ও ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১২ দিনে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ও ৮৬ কোটি ২৮ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে চলতি মাসে। তবে, পুরো মাসের বিচারে চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে ফেব্রুয়ারি মাসে। ওই মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসে ২১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। আর মার্চ মাসে রেমিট্যান্স আসে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ মার্কিন ডলার।      
নতুন আর কোনো ব্যাংককে আপাতত একীভূত করা হচ্ছে না
দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের যে উদ্যোগ, তাতে ইতোমধ্যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে, এবার এ পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে ১০টি দুর্বল ব্যাংককে বিভিন্ন সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ইতোমধ্যে একীভূত হতে সম্মত পাঁচ ব্যাংক বাদে অন্য কোনো ব্যাংককে এ প্রক্রিয়ায় আপাতত আর শামিল করা হচ্ছে না বলে জানা গেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে।  সোমবার (১৫ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক। তিনি বলেন, আপাতত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, পদ্মা ও ন্যাশনাল ব্যাংকের একীভূতকরণ নিয়ে কাজ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বাইরে নতুন কোনো ব্যাংককে আপাতত একীভূত করা হবে না। পরবর্তী সময়ে অন্য কোনো ব্যাংককে একীভূত করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালক ও চেয়ারম্যানরা। বৈঠকে ১০টি দুর্বল ব্যাংককে বিভিন্ন সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়। এই ১০ ব্যাংকের তালিকায় ছিল পদ্মা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এবং আইসিবি ইসলামি ব্যাংক। এর পরিপ্রেক্ষিতে সবশেষ স্বেচ্ছায় বেসরকারি খাতের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধুঁকতে থাকা পদ্মা ব্যাংক। সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে উচ্চ খেলাপি ঋণের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) দ্রুতসময়ের মধ্যে একীভূত করার বিষয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এছাড়া বেসিক ব্যাংক একীভূত হতে যাচ্ছে বেসরকারি সিটি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংক একীভূত হতে যাচ্ছে আরেক বেসরকারি ব্যাংক ইউসিবিএলের সঙ্গে।  এর আগে ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নীতিমালার আলোকে খারাপ অবস্থায় থাকা ব্যাংকগুলো নিজ থেকে একীভূত না হলে বাধ্যতামূলকভাবে একীভূত করা হবে। এর জন্য দুই ব্যাংকের মধ্যে আগে সমঝোতা সই করতে হবে। এরপর আমানতকারী, পাওনাদার ও বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরতের পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক চিত্র বের করবে। সবশেষ আদালতের কাছে একীভূতকরণের আবেদন করতে হবে।    এতে কোনো ব্যাংক মূলধন ও তারল্য ঘাটতি, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি এবং আমানতকারীদের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপের কারণে পিসিএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতাভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পুনরুদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ মানতে হবে। পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে আমানতকারীর স্বার্থে ব্যাংক বাধ্যতামূলক একীভূতকরণ হবে। একীভূতকরণ প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে এ নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রেমিট্যান্সে শীর্ষে ঢাকা, পাঁচ নম্বরে নোয়াখালী
প্রতি মাসে বিদেশ থেকে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে, তার বড় অংশই আসে ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন ব্যাংকের শাখাগুলোতে। রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম। এরপরই রয়েছে সিলেট, কুমিল্লা ও নোয়াখালী। বাংলাদেশ ব্যাংকের জেলাভিত্তিক প্রবাসী আয়ের আট মাসের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে প্রবাসীরা দেশে ১ হাজার ৫০৭ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৬ লাখ ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আর গত ডিসেম্বরে দেশে প্রবাসী আয় আসে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ডলার, যা নভেম্বরে ছিল ১৯৩ কোটি ডলার। তথ্যমতে, আট মাসে ঢাকা জেলায় ৫২৩ কোটি ডলার ও চট্টগ্রাম জেলায় ১৪২ কোটি ডলার প্রবাসী আয় আসে। এই সময়ে সিলেট জেলায় ৮৭ কোটি, কুমিল্লায় ৮১ কোটি ও নোয়াখালীতে ৪৬ কোটি ডলার এসেছে। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ কোটি, ফেনীতে ৩৭ কোটি, মৌলভীবাজারে ৩৬ কোটি, চাঁদপুরে ৩৫ কোটি ও নরসিংদীতে ২৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ২০২৩ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১৯০ কোটি ডলার। ২০২২ সালে যা ছিল ২ হাজার ১৩০ কোটি ডলার। অর্থাৎ ২০২৩ সালে প্রবাসী আয়ে প্রায় ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। 
মোবাইলে এক মাসে ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা লেনদেন
যতই দিন যাচ্ছে ততোই বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এর প্রতি মানুষের নির্ভরশীলতা বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় গত ফেব্রুয়ারিতে ১ লাখ ৩০ হাজার ১৪০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যা এযাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড লেনদেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, এমএফএসের মাধ্যমে ফেব্রুয়ারিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাঠানো হয়েছে ৩৯ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা। এসময় ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি হিসাবে ৩৪ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা বাবদ চার হাজার ১০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন পরিষেবার ২ হাজার ৩১৮ কোটি টাকার বিল পরিশোধ হয় এবং কেনাকাটায় ৬ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। ফেব্রুয়ারিতে ৫৯০ কোটি টাকার রেমিট্যান্সও এসেছে মোবাইলের মাধ্যমে। এর আগে, একক মাসে হিসেবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছিল গত বছরের জুনে। ওই মাসে বিকাশ, রকেট, নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় ১ লাখ ৩২ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। বর্তমানে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, মাই ক্যাশ, শিওর ক্যাশসহ নানা নামে ১৩টির মতো ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান এমএফএস সেবা দিচ্ছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ১৪ লাখ ৭৮ হাজারে। গ্রাহক বেশি হওয়ার কারণ, অনেক গ্রাহক একাধিক হিসাব খুলছেন। নিবন্ধিত এসব হিসাবের মধ্যে পুরুষ গ্রাহক ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৮৬ হাজার ও নারী ৯ কোটি ২৩ লাখ ৪৭ হাজার।
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (১৫ এপ্রিল)
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা। লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে ১৫ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো- বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংক রেট মাল্টিজ ১ লিরি ২৭২.৫০ টাকা (●) মার্কিন ১ ডলার ১১৫.১৫ টাকা (●) সৌদির ১ রিয়াল ২৯.২৭ টাকা (●) মালয়েশিয়ান ১ রিংগিত ২৪.৩০ টাকা (●) ব্রুনাই ১ ডলার ৮০.৮০ টাকা (●) ইতালিয়ান ১ ইউরো ১২৬.৪০ টাকা (●) ব্রিটেনের ১ পাউন্ড ১৪৫.৮০ টাকা (▼) ইউরোপীয় ১ ইউরো ১২৬.৪০ টাকা (●) অস্ট্রেলিয়ান ১ ডলার ৭৫.৭৩ টাকা (●) নিউজিল্যান্ডের ১ ডলার ৬৪.২১ টাকা (●) সিঙ্গাপুরের ১ ডলার ৮৪.৩৯ টাকা (●) ইউ এ ই ১ দিরহাম ৩১.৬৮ টাকা (●) ওমানি ১ রিয়াল ৩০০.০০ টাকা (▼) কানাডিয়ান ১ ডলার ৮৪.৫ টাকা (●) কাতারি ১ রিয়াল ৩১.৮৩ টাকা (●) কুয়েতি ১ দিনার ৩৭৭.৩৬ টাকা (▲) বাহরাইনি ১ দিনার ৩০২.৭১ টাকা (●) দক্ষিণ আফ্রিকান ১ রান্ড ৫.৮০ টাকা (●) জাপানি ১ ইয়েন ০০.৭০৭ পয়সা (●) চাইনিজ ১ ইউয়ান ১৫.১৬ টাকা (●) সুইজারল্যান্ডের ১ ফ্রেঞ্চ ১২৫.৮৬ টাকা (●) ইন্ডিয়ান ১ রুপি ১ টাকা ২৯.০৪ পয়সা (●) দক্ষিণ কোরিয়ান ১ ওন ০ টাকা ০৮৩৬৩৯ পয়সা (▲) ইউক্রেন ১ রিভনিয়া ২.৭৮ টাকা (●)   ** যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে। (▲) গতদিনের তুলনায় আজ টাকার রেট বেড়েছে। (▼) গতদিনের তুলনায় আজ টাকার রেট কমেছে। ( ● ) টাকার রেট অপরিবর্তিত রয়েছে।
ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে ব্যাংক, অফিস-আদালত
৫ দিনের ছুটি শেষে সোমবার (১৫ এপ্রিল) খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক-শেয়ার বাজার। ঈদ উপলক্ষে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল (বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার) ছিল সরকারি ছুটি। ঈদের পর ১৩ এপ্রিল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি এবং ১৪ এপ্রিল ছিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলা নববর্ষের ছুটি। ফলে ঈদ ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চাকরিজীবীরা ১০ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ভোগ করছেন। টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে সোমবার (১৫ এপ্রিল) সবাই কাজে যোগ দেবেন। তবে ঈদে ঢাকার বাইরে যাওয়া সরকারি-বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের অনেকেই ঐচ্ছিক ছুটি নিয়েছেন। ফলে ব্যাংক, শেয়ারবাজার ও অফিস-আদালত পুরোদমে শুরু হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে ছুটি কাটাতে বাড়িতে যাওয়া মানুষজন। এছাড়া স্কুল-কলেজও খুলবে আগামী সপ্তাহে। তারপরই চিরচেনা রূপে ফিরবে রাজধানী ঢাকা।