• ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
logo
সারাদেশে পোশাক কারখানা চালু
দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭৪৭
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান চলাচ্ছে র‍্যাব-ডিবিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট। নাশকতার স্পটের আশপাশ এলাকাসহ অলিগলি, এমনকি বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে পুলিশ। সন্দেহ হলে মোবাইল ফোন যাচাই করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ড বা নাশকতায় সম্পৃক্ততার কোনো আলামত পেলেই আটক করা হচ্ছে। সহিংসতার ঘটনায় এ পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় অন্তত ১৫৯টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ২ হাজার ৭৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, নাশকতার ঘটনায় ঢাকায় এ পর্যন্ত ৩৮টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১ হাজার ১১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢাকার বাইরে আরও অন্তত ১২১টি মামলায় ১ হাজার ৬৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বেশির ভাগ বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মী। এর মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাইফুল আলম নিরব, রফিকুল আলম মজনু ও সাবেক এমপি এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ ছাড়া রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাহীন শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে চলমান অভিযানে নিরপরাধ লোকজনকেও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির দাবি, ঢালাওভাবে দলটির নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, হত্যা-নাশকতায় জড়িত ছিল না, এমন কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না। সন্দেহভাজন হিসেবে আটকদের যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্টতা না পেলে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।  ঢাকা মহানগর পুলিশ জানায়, ঢাকার বিভিন্ন স্থানে নাশকতা চালানো বেশির ভাগই বাইরে থেকে এসেছিল। তারা কিছুদিন আগে এসে বিভিন্ন এলাকার বাসা ও মেসে ওঠে। পরে একটি মহলের নির্দেশনা অনুযায়ী সুযোগ বুঝে নাশকতা চালায়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, এ পর্যন্ত ১৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি। বিএনপি নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, রফিকুল আলম, মিয়া গোলাম পরওয়ার, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আমিনুল হক ও জহির উদ্দিন স্বপন এরই মধ্যে ডিবির রিমান্ডে রয়োছেন। গতকাল সোমবার আরও কয়েকজনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। তারা হলেন শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাইফুল আলম নিরব, রফিকুল আলম মজনু ও এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যারা হত্যা-নাশকতায় জড়িত ছিল না, এমন কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ছিল বলেই দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তারা এরই মধ্যে মুখ খুলতে শুরু করেছে। ঢাকার বাইরেও গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অধিকাংশ বিএনপি-জামাতের সদস্য বলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যুরো, অফিস ও প্রতিনিধিদের জানান নিজ নিজ জেলার পুলিশ কর্মকর্তারা।
ঢাকাসহ চার জেলায় দুদিন ৭ ঘণ্টা কারফিউ শিথিল থাকবে
বাজারে পণ্য সরবরাহ ঠিক রাখতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী
কারফিউ আরও শিথিল, আজ অফিস খুলছে
পদ্মা সেতুতে সর্বোচ্চ সতর্কতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় গত কয়েক দিন ধরে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কারফিউর কারণে বর্তমানে পদ্মা সেতুতে যান চলাচল অনেক কমে গেছে।  স্বাভাবিক সময়ে এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে যেখানে ১৯ হাজার ১৬৮ যান পারাপার হতো, সেখানে এখন প্রতিদিন গড়ে পারাপার হচ্ছে মাত্র তিন হাজার যানবাহন। প্রতিদিন টোল আদায় হচ্ছে ৪০ লাখ টাকার মতো। অথচ স্বাভাবিক সময়ে সেতুটি থেকে গড় টোল আদায় হতো ২ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার ২২ টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পদ্মা সেতু থেকে গড় রাজস্ব আয় প্রায় ২ কোটি টাকা কমে গেছে। গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে সারা দেশের মতো পদ্মা সেতুতেও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মাওয়া প্রান্তে সেতুর উত্তর থানার কাছে ব্যারিকেড দেয়ার চেষ্টা করে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। আন্দোলনকারীদের ইটপাটকেলে থানা ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে পুলিশ টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর আন্দোলনকারীরা অবস্থান নেয় পদ্মা সেতুর মাওয়া চৌরাস্তার গোল চত্ত্বরে। পরে সেখান থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয় তাদের। এরপর আর কোনো চ্যালেঞ্জ না এলেও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন শুক্রবার (১৯ জুলাই) সেতুতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। শনিবার (২০ জুলাই) থেকে সেতুর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেতুর নিরাপত্তায় কাছেই স্থাপন করা হয়েছে শেখ রাসেল সেনানিবাস।    এছাড়া পূর্ণাঙ্গ ক্যান্টনমেন্ট রয়েছে জাজিরায়। মাওয়া প্রান্তেও রয়েছে শেখ রাসেল সেনানিবাসের একটা অংশ। সেতুর স্থলভাগ ছাড়াও নৌপথেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জলে ও স্থলে সেতুর সবখানেই সবরকম পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে সেনাবাহিনী। এদিকে পদ্মা সেতুতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে বলে গুজব ছাড়ানো হচ্ছে। তবে সেনাবাহিনী বলছে, টোল প্লাজা তো দূরের কথা দুর্বৃত্তরা সেতুর ধারেকাছেও যেতে পারেনি। ফলে এক মিনিটের জন্যও বন্ধ হয়নি সেতুর যান চলাচল। অবশ্য কারফিউর কারণে এখন ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর আগে সিডিউল অনুযায়ী সব ট্রেন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে কারফিউর কারণে খাদ্যবাহী ট্রাক, পিকাপভ্যান, কাভার্ডভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন জরুরি যান চলাচল করছে। কিছু মোটারসাইকেলও চলছে। নিরাপত্তার স্বার্থে যানবাহনগুলো তল্লাশি করা হচ্ছে। মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আবুজাফর রিপন জানান, বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায়ও পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।  সাক্ষাৎকালে সেনাবাহিনী প্রধান দেশে বিরাজমান পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব ব্রিফ করেন। সাক্ষাৎ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব ব্রিফে বলেন, সাক্ষাতের সময় সেনাপ্রধান ঢাকাসহ দেশের ৫৭ জেলায় ২৭ হাজার সেনা মোতায়েনের তথ্য অবহিত করেন রাষ্ট্রপতিকে। তিনি বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা সদস্যরা বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করছে। সেনাবাহিনী জানান, প্রধান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে যতদিন প্রয়োজন ততদিন সেনা সদস্যরা মাঠে থাকবে। সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সেনাবাহিনীর দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ টেলিভিশন, মেট্রোরেল, সেতুভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানান। তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী চক্র এই ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে তাদের হীন স্বার্থ কায়েমের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গঠিত সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি যে কোনো প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সেনাবাহিনী দেশের ক্রান্তিকালে দায়িত্ব পালন করে জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।  তিনি দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সেনা মোতায়েনের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপ্রধান আশা প্রকাশ করেন, শিগগিরই আইন-শৃঙ্খলাসহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে। এ সময় সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
খোলা থাকবে দোকানপাট
দেশে চলমান সহিংসতার জেরে ব্যবসা-বাণিজ্যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তা শঙ্কায় দোকান খুলতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। টানা ৪ দিন পর মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) ৭ ঘণ্টা কারফিউ শিথিলের ঘোষণা দেওয়া হলে রাজধানীতে অনেক এলাকায় দোকানপাট আবারও খোলা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কারফিউ শিথিলের ঘোষণা দেওয়ার পর দোকান মালিক সমিতি জানিয়েছে, কারফিউ শিথিল থাকা অবস্থায় দোকান খোলা রাখবেন তারা। এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় দেশব্যাপী সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে বিপাকে পড়েন ব্যবসায়ীরা। সারা দেশে কারফিউ জারি হওয়ায় জরুরি পণ্য ছাড়া বাকি সব ধরনের ব্যবসা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন ব্যবসায়ীরা। এ দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বুধ ও বৃহস্পতিবার (২৪ ও ২৫ জুলাই) ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে কারফিউ চলবে। তবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। এ ছাড়া বাকি জেলাগুলোর কারফিউর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জেলা প্রশাসন।’ প্রসঙ্গত, সারা দেশে তাণ্ডব শুরু হলে শুক্রবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা থেকে রোববার (২১ জুলাই) সকাল ১০টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করে সরকার। এরপর অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ বাড়ানো হয়। যদিও প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিল করা হয়।
চলবে দূরপাল্লার বাস
কারফিউ শিথিল থাকা অবস্থায় বুধবার থেকে দূরপাল্লার বাস চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ। তবে তিনি জানান, রাজধানীর অভ্যন্তরীণ রুটে লোকাল বাস চলবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেবে কোম্পানিগুলো। যদিও মঙ্গলবার ঢাকায় অল্প কিছু বাস চলেছে। খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে দূরপাল্লার সকল বাস চলবে।  অভ্যন্তরীণ রুটের বাসের বিষয়ে তিনি বলেন, কোম্পানিগুলো চাইলে কারফিউর নিয়ম মেনে চালাতে পারবে। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘাত ও প্রাণহানিতে নিরাপত্তা শঙ্কায় শনিবার (২০ জুলাই) মধ্যরাত থেকে দেশজুড়ে কারফিউ চলছে।  বৃহস্পতিবার থেকেই বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার বাস। এর আগের দিন দুপুর থেকে ঢাকার কমলাপুর থেকে বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। মঙ্গলবার উত্তরা এলাকায় হাতেগোনা কিছু বাস চলেছে। তবে তাতে যাত্রী ছিল কম। ভাড়াও ছিল স্বাভাবিক সময়ের কয়েক গুণ। বিমানবন্দর থেকে তেজগাঁওয়ের ভাড়া চাওয়া হয় ১০০ টাকা। বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। সেই সময়ে দূরপাল্লার বাস চালাতে মহাখালী ও সায়েদাবাদ টার্মিনালে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। 
নতুন ভাড়াটিয়াদের তথ্য চান ডিএমপি কমিশনার
ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় যারা গত ২ মাসে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে বাসা ভাড়া নিয়েছেন তাদের তথ্য অতিদ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। সোমবার (২২ জুলাই) যাত্রাবাড়ী এলাকা পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য আছে কিছুদিন আগে থেকেই এই অপতৎপরতা চালানোর জন্য ঢাকার বাইরে থেকে সন্ত্রাসীরা ঢাকায় এসে ঘাঁপটি মারে। বিভিন্ন বাসা তারা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে। স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, যারা গত দুই মাসে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে বাসা ভাড়া নিয়েছেন তাদের তথ্য অতিদ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিন। পুলিশ যাচাই-বাছাই করে দেখবে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে যারা উঠেছেন তারা নাশকতার সঙ্গে যুক্ত কিনা। ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশ ঢাকা শহরের সোয়া দুই কোটি মানুষের নিরাপত্তা দিতে সর্বদা বদ্ধপরিকর।’  হাবিবুর রহমান বলেন, ‘পুলিশ সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে তা মানুষের নিরাপত্তা দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। পুলিশের সঙ্গে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং কারফিউ জারির পর সেনাবাহিনীর সদস্যরা পুলিশকে সহযোগিতা করছে। তারপরেও স্বাধীনতা বিরোধী ও অপতৎপরতাকারী যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে সেটি রোধে বাংলাদেশ পুলিশ জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছে। পুলিশ সদস্যকে হত্যার জন্য টাকা দিয়ে মানুষ নিয়োগ করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের সন্তান পরিচয় পেলে তাদেরও হত্যা করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া যারা এই অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত তাদের প্রত্যেককে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। এরপর তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে যা যা করার তাই করা হবে।’ নগরবাসীর উদ্দেশ্য করে ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ‘নাশকতাকারীদের তথ্য দিন। নাশকতাকারীরা দেশের যেখানেই লুকিয়ে থাকুক তাদের আমরা ধরে এনে শাস্তির মুখোমুখি করবো। সেই সামর্থ্য বাংলাদেশ পুলিশ তথা ডিএমপির রয়েছে।’
চলছে সাঁড়াশি অভিযান, যাত্রাবাড়ী-বাড্ডার অবস্থা যেমন
টানা পাঁচদিন সহিংসতার পরে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা মঙ্গলবার তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল। যেসব জায়গায় বেশি সহিংসতা হয়েছে, সেগুলোর শতভাগ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। তবে সোমবার রাত ও মঙ্গলবার ভোররাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে। খবর বিবিসি বাংলার। ঢাকা শহরের বেশ কয়েকটি থানা এবং আদালতে গিয়ে দেখা গেল, সহিংসতার অভিযোগে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকেই ছাত্র, বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী ও শ্রমজীবী মানুষ। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৬১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে সরকার-বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মী কতজন রয়েছেন সেটি তারা জানাতে পারেননি। সূত্র বলছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় আটককৃতদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। শুধু ঢাকাতেই গত দুদিনে ১ হাজার ১১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানার সামনে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুজন নারী। একজন মমতাজ বেগম, অপরজন সালমা বেগম। থানার সামনে ব্যাপক পুলিশ, র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা তখন প্রহরারত রয়েছেন। দুজনই জানালেন মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে বাসা থেকে তাদের কিশোর ছেলেকে পুলিশ আটক করে থানায় এনেছে। এরপর থেকে একটানা ১০ ঘণ্টা থানার সামনে তাদের অপেক্ষা। মঙ্গলবার যাত্রাবাড়ী থানার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে পুলিশ ও র‍্যাব। মমতাজ বেগম এবং সালমা বেগমের বাসা যাত্রাবাড়ী থানার আওতাধীন ধোলাইপাড় এলাকায়। সালমা বেগম জানালেন তার ছেলের বয়স ১৬ বছর এবং সে স্থানীয় একে উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সালমা বেগম গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘রাত চারটার দিকে বাসার দরজা নক করছে। বলছে আমরা পুলিশের লোক, আপনার ছেলের সঙ্গে কথা বলবো। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে সাত-আটজন হুড়মুড় করে আমার বাসায় ঢুকলো। ঢুকে আমার ছেলেকে একটা থাপ্পড় মারলো। আমি বলছিলাম, মাইরেন না, ওরে নিয়া যান। পুলিশ বাসায় ঢুকে জিজ্ঞেস করছে, তোর কান্ধে গুলি লাগছে। তুই পুলিশ মারছস। তুই আন্দোলনে গেছিলি। নাইলে গুলি লাগছে কেমনে? আমি বললাম, স্যার আমার ছেলেটা অসুস্থ। আমরা ডাক্তারের কাছে গেছিলাম, কাগজপত্র সব আছে। পুলিশ কোন কথাই শুনে নাই।’ সালমা বেগমের ছেলে তামিম রহমান শনিবার কাঁধে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, ছেলে অসুস্থ ছিলেন। মৌচাকের একটি হাসপাতাল থেকে ডাক্তারের কাছ থেকে ফেরার সময় রাস্তায় সংঘাতের মধ্যে পড়ে যান। তখন তামিম রহমান গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনা প্রসঙ্গে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে গণমাধ্যমকর্মীদের ভেতরে ঢুকতে দেননি গেটে প্রহরারত পুলিশ। ‘থানায় পরিস্থিতি খুব গরম। সাংবাদিক-টাংবাদিক কাউরে ঢুকতে নিষেধ করছে। ভেতরে ডিসি স্যারও আছেন,’ বলছিলেন গেটে প্রহরারত একজন পুলিশ সদস্য। কোটা বিরোধী আন্দোলনে যেসব জায়গায় সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়েছে তার মধ্যে যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়া এলাকা ছিল অন্যতম। মঙ্গলবার বিকেলে যাত্রাবাড়ী, মাতুয়াইল, রায়েরবাগ, শনির আখড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেল পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত। কিছু দোকানপাটও খুলেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেশ কিছু অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেল বিকেল চারটার দিকে। যাত্রাবাড়ী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের একটি টোল প্লাজায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। এছাড়া মহাসড়কের পাশে পোড়ানো কয়েকটি গাড়ির ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গত দুদিনে রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সহিংসতার বিভিন্ন চিহ্ন সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রবাড়ি ও শনির আখড়া এলাকায় সেনা সদস্য, র‍্যাব ও পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বাড্ডা এলাকার চিত্র কোটা বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্রস্থল ছিল বাড্ডা ও রামপুরা এলাকা। বুধবার এসব এলাকার বিভিন্ন অলি-গলি ঘুরে ভিন্ন রকম এক চিত্র দেখা গেছে। এসব এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে এবং এখনও চলছে। উত্তর বাড্ডার তেতুলতলা এলাকা থেকে সোমবার দুপুরে পুলিশ ১২জনকে আটক করেছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় একটি হোটেলের কর্মচারী মো. সোহেলও ছিলেন আটকৃতদের মধ্যে অন্যতম। তিনি জানান, দুপুর দুটার দিকে তাকে আটক করা হয় এবং জ্ঞিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার ভোররাত চারটার দিকে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। বাড্ডার হোসেন মার্কেট এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে ২৫ বছর বয়সী আহাদুল ইসলাম বাদলকে। তার মা লিপি আক্তার দাবি করেন, তার ছেলে কোনও বিক্ষোভ কিংবা সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না। চারদিন ধইরা যে গ্যাঞ্জাম চলছে আমার ছেলে ওখানে যায় নাই।’ বাড্ডা এলাকার বিভিন্ন মহল্লা ঘুরে দেখা গেল, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ‘পুলিশ আতঙ্ক’ বিরাজ করছে। কখন, কাকে আটক করা হয় সেটি নিয়ে অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় আছেন। বাড্ডা থানার ডিউটি অফিসার মঙ্গলবার দুপুর দুটার দিকে বলেন, ‘সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় চার থেকে পাঁচ হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। গতরাতে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করে সকালে আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।’ ডিউটি অফিসার বলেন, ‘আমাদের থানায় পাঁচবার আসছিল অ্যাটাক করার জন্য। আমরা যে বেঁচে আছি এটাই বেশি’। এ দিকে আদালত চত্বরের বাইরে কথা হচ্ছিল শাহিনা খানের সঙ্গে। তিনি মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা। তার ছেলে সামসুল হক খান রনিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শাহিনা খান বলেন, তার ছেলে বিএনপির ‘সমর্থক’ ছিল। আগে একাধিক মামলায় তিনি জামিনে ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তিনি জানতে পারেন যে, তার ছেলের বিরুদ্ধে ‘সহিংসতা ও জ্বালাও-পোড়াও’-এর মামলা দেওয়া হয়েছে। শাহিনা খান বলেন, ‘আমার ছেলে তাজমহল রোডে শ্বশুরবাড়িতে গেছিল। ওখান থেকে র‍্যাব ওরে ধরে নিয়ে গেছে। আমার ছেলে বিএনপি করে এইটা ঠিক। ও তো কোনও কিছুতে জড়িত ছিল না।’ পুলিশ বলছে, কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় যেসব জায়গায় সবচেয়ে বেশি সংঘাত হয়েছে সেখানে গ্রেপ্তারের সংখ্যা বেশি। পুলিশ দাবি করছে, যাদের আটক করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।  প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত এই সাঁড়াশি অভিযান চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তারা।
নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের হয়রানি করবে না ঢাবি প্রশাসন
কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরপরাধ কোনো শিক্ষার্থীকে হয়রানি করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।  মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর পরিচালক মাহমুদ আলম সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধান এবং শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুততম শুরু করার লক্ষ্যে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথাও উল্লেখ করা হয়।  পদক্ষেপগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহে শুধুমাত্র বৈধ শিক্ষার্থীরাই থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী আবাসিক হলগুলোতে মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রবেশদ্বারে অবস্থান করবে, যেন বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে না পারে।  তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত নিয়মে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগের মতো নিয়োজিত থাকবে। দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলের কক্ষসমূহ সংস্কার করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে।  ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম যেন কোনোক্রমে ব্যাহত না হয়, সেজন্য শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে। এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কাম্য। বিগত কয়েকদিনে ক্যাম্পাসে সংঘটিত অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাবলি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সব সদস্যকে ক্যাম্পাসে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব এবং ভূমিকা পালনের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশ্বাস করে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংঘটিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।