• ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
logo
রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ / ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ ৫ ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ
কোটা সংস্কারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারন ছাত্রছাত্রীদের ওপর হামলা, হত্যার প্রতিবাদ ও কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে খাগড়াছড়িতে সড়ক অবরোধসহ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে সাধারন শিক্ষার্থীরা।  এ সময় খাগড়াছড়ির সকল স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।  অন্যদিকে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের ব্যানারেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে পাহাড়ি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও কোটা সংস্কার করে রাষ্ট্র পরিচালনা করার আহ্বান জানান সাধারন শিক্ষার্থীরা।
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবক নিহত
চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানো দুজনের পরিচয় মিলেছে
যৌন হয়রানির অভিযোগে কম্পিউটার অপারেটর গ্রেপ্তার
ট্রেনের দুই ইঞ্জিনের মধ্যে সংঘর্ষ
ছাত্রলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর করলেন কোটা আন্দোলনকারীরা
কক্সবাজার শহরে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে এক ছাত্রলীগ নেতাকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।  মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্রলীগ নেতার নাম রাজিবুল ইসলাম মোস্তাক। তিনি কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক।  জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের চার-পাঁচজন নেতা শহরের লালদীঘির পাড়স্থ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় হঠাৎ কয়েকশ’ কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে এসে রাজিবুল ইসলাম মোস্তাককে ধরে নিয়ে যায়। পরে দলীয় কার্যালয়ের পাশে নিয়ে লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে তাকে পিটিয়ে আহত করে চলে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।  কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডাক্তার আশিকুর রহমান বলেন, মোস্তাক বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার হাতে কাটার আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।  জানা যায়, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে সকাল সোয়া ১০টা থেকে কক্সবাজার সরকারি কলেজের গেটের সামনে ও লিংক রোডের সামনে সমবেত হন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী। সেখান থেকে কোটা সংস্কারের দাবিতে নানা স্লোগান দেন তারা। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থী আহত হয়। 
‘আমার ছেলে-মেয়েরা এখনো জানে না তাদের বাবা নেই, কী বলব তাদের?’
চট্টগ্রামে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন মুরাদপুরের ফার্নিচার কারখানার কারিগর মো. ফারুক। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে কারখানা থেকে চা খেতে বের হলে মুরাদপুর এলাকায় বুকে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে নগরের লালখান বাজারের বাসা থেকে দ্রুত ছুটে আসেন তার স্ত্রী সীমা আকতার। এসেই স্বামীর লাশের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়েন তারা। কাঁদতে কাঁদতে সীমা বলেন, ‘আমার ছেলে–মেয়েরা এখনো জানে না, তাদের বাবা নেই। কী বলব তাদের, তা জানি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে সকালে বলে গেল ফিরতে ফিরতে রাত ১০টা হবে। এখন একেবারেই চলে গেল।’ ফারুক ও সীমা আকতারের এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে ফাহিম বাগমনিরাম সিটি করপোরেশন উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। মেয়ে ফাহিমা বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের কেজি শ্রেণির ছাত্রী।  এদিকে মঙ্গলবার সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবির আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশ। বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন ৬ জন। আহত হয়েছেন কয়েক শ’। উল্লেখ্য, চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’। প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা বা নাতিপুতি’ বলা হয়েছে অভিযোগ করে রোববার রাত থেকে প্রতিবাদ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীজুড়ে। এবার সেই আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।  
চট্টগ্রামে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩
চট্টগ্রামে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত অন্তত ২০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াসিম আকরাম, নোয়াখালী জেলার ওয়ার্কশপ কর্মচারী ফারুক। এ ছাড়া অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি। তার পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে। জানা গেছে, এদিন বিকেল ৩টা থেকে নগরের মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট এবং ষোলশহর আশপাশের এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু হয়। এতে চট্টগ্রাম কলেজের এক শিক্ষার্থী ও একজন পথচারী নিহত হন। এখনও থেমে থেমে ষোলশহর শিক্ষা বোর্ড এলাকায় কোটা আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মাঝে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে।  সিএমপি কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, এই সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের একজন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী, আরেকজন পথচারী এবং অপরজন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদিকে সংঘর্ষের পর চট্টগ্রামে তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির ব্যাটালিয়ন-৮ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহেদ মিনহাজ সিদ্দিকী। উল্লেখ্য, চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’। প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা বা নাতিপুতি’ বলা হয়েছে অভিযোগ করে রোববার রাত থেকে প্রতিবাদ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীজুড়ে। এবার সেই আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।  
চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, নিহত ২
চট্টগ্রামে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৯ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াসিম আকরাম এবং ওয়ার্কশপ কর্মচারী ফারুক। ওয়াসিমের বাড়ি কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় আর ফারুকের বাড়ি নোয়াখালী জেলায়। জানা গেছে, এদিন বিকেল ৩টা থেকে নগরের মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট এবং ষোলশহর আশপাশের এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু হয়। এতে চট্টগ্রাম কলেজের এক শিক্ষার্থী ও একজন পথচারী নিহত হন। ষোলশহর শিক্ষা বোর্ড এলাকায় কোটা আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মাঝে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে। মুরাদপুর অংশে অবস্থান নিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা।  সিএমপি কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহতদের একজন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী, আরেকজন পথচারী। দুজনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রয়েছে। উল্লেখ্য, চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’। প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা বা নাতিপুতি’ বলা হয়েছে অভিযোগ করে রোববার রাত থেকে প্রতিবাদ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীজুড়ে। এবার সেই আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
উত্তপ্ত কক্সবাজার, কোটা আন্দোলনকারীদের ধাওয়ায় কোণঠাসা ছাত্রলীগ
কক্সবাজার সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে দুপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে দুপক্ষ একে অপরের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছে। এ সময় কলেজের সামনে রাখা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কোটা সংস্কারের দাবিতে সকাল সোয়া ১০টা থেকে কক্সবাজার সরকারি কলেজের গেইটের সামনে ও লিংক রোডের সামনে সমবেত হন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী। সেখানে সমবেত হয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে নানা স্লোগান দেন তারা। এরপর ছাত্রলীগ এসে আন্দোলনকারীদের বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সরজমিনে দেখা যায়, ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা একে অপরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছে। এতে মুহূর্তেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। এক পর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সরকারি কলেজের গেটের ভেতরে অবস্থান নেন। পরে তারা গেইটের তালা লাগিয়ে ভেতর থেকে ইট ছুড়তে থাকেন। শিক্ষার্থীরাও পাল্টা ইট ছুড়তে থাকেন। পরে শিক্ষার্থীরা হল গেটে হামলা চালিয়ে লোহার গেটে ধাক্কা দিতে থাকেন। গেইটের সামনে থাকা মোটরসাইকেলগুলো ভাঙচুর করেন। এ বিষয়ে এক ছাত্রলীগ নেতা বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের ওপর আগে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, ছাত্রলীগ তাদের ওপর প্রথম হামলা চালিয়েছে।  কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান বলেন, ‘হঠাৎ কিছু ছাত্র এসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।’ 
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ, দফায় দফায় সংঘর্ষ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়িতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন কোটাবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনকারী শিক্ষার্থীরা।  মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় আইআইইউসির সহস্রাধিক শিক্ষার্থী এ অবরোধ করেন।  এ সময় তারা সরকারি চাকরিতে কোটার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চট্টগ্রামমুখী মহাসড়ক অবরোধ করলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।  এ দিকে কোটবিরোধী আন্দোলকারীদের সরিয়ে দিতে ছাত্রলীগের কয়েকটি গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়েছে বলে জানা গেছে।  বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা ছাত্রদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে কাজ করছেন।