• ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
logo
জম্মু-কাশ্মীরে গোলাগুলিতে ভারতীয় মেজরসহ চার সেনা নিহত
ব্যস্ত সড়ক খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো নারীর মরদেহ
মাত্রই কয়েকদিন আগে পানি সরবরাহের জন্য সড়ক খুঁড়ে কাজ করে পৌরসভার লোকেরা। এরপর সড়কটি ঠিক করে দেওয়া হয়। কিন্তু কয়েকদিনের ব্যবধানেই আবারও রাস্তাটি খোঁড়া হলো দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেওয়ায়। সামান্য খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো এক নারীর মরদেহ। ইতোমধ্যে ঘটনাটি বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে  শহর জুড়ে।  শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে কলকাতার কাশী বোস লেনে ঘটেছে এ ঘটনা। তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহের পরিচয় মেলেনি। তবে কে বা কারা এই মরদেহ সেখানে রেখে গেছে সে বিষয়ে ইতোমধ্যে জোর তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য পুলিশ।  ভারতীয় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার দুপুরে কলকাতার কাশী বোস লেনে রাস্তা খুঁড়তেই এক নারীর মরদেহ বেরিয়ে আসে। মরদেহটি দেখে বেশি পুরনো নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে কলকাতার ব্যস্ত এলাকায় সড়কের নিচে মরদেহটি কীভাবে এলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দারা মরদেহটি দেখে প্রাথমিকভাবে অনুমান করছেন, গত দু-তিন দিনের মধ্যে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে।  পুলিশের এক সূত্রের বরাতে ইটিভি ভারত জানিয়েছে, ওই নারীর পরনে একটি গেঞ্জি ছাড়া আর কিছুই ছিল না। ময়নাতদন্তের পর বিশেষজ্ঞের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, রাস্তা খুঁড়ে যে মরদেহ মিলেছে, তা ৪০-৫০ বছর বয়সী এক নারীর। তবে তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে জানায় এলাকাবাসী। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি যে জায়গা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়, সেই স্থানটি ঘিরে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে কাশী বোস লেন এবং বিধান সরণির ক্রসিংয়ে রাস্তা খোঁড়া হয়। পরে বেরিয়ে আসে পচাগলা মরদেহটি। মাত্র কয়েকদিন আগেই ওই এলাকায় পানি সরবরাহের জন্য কাজ করেছিল কলকাতা পৌরসভা। তখন রাস্তাও খোঁড়া হয়েছিল।  
কলকাতার জলাশয়ে বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ
ভারতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮
বাংলাদেশিদের কিডনি চুরি, ভারতের চিকিৎসকসহ গ্রেপ্তার ৬
কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় ৫ ভারতীয় সেনা নিহত
বাংলাদেশকে তিস্তার পানি দেবো না: মমতা
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার চাইলেও বাংলাদেশকে তিস্তার পানি দেবেন না বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।  সোমবার (৮ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সচিবালয় ‘নবান্ন’তে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারকে দেওয়া ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়াদা রাখতে পারবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।   মূলত, মমতা ব্যানার্জির কারণেই ভারত সরকার গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চেষ্টা করেও বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা পানি চুক্তি করতে পারছে না। সবশেষ সংবাদ সম্মেলনেও তিস্তা পানি চুক্তির ব্যাপারে নিজের অবস্থান আরেকবার স্পষ্ট করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।  সোমবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি, শহরে যানজট থেকে মূল্যবদ্ধি, বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন তিনি। ডিভিসির জল ছাড়া নিয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপি সরকারের ওপর রীতিমত আক্রোশ ঝাড়েন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।  মমতা বলেন, গঙ্গায় ভাঙন দেখার দায়িত্ব কেন্দ্রের। কিন্তু কেন্দ্র তা করেনি। বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার আগে প্রতিদিন ডিভিসির তাকে রিপোর্ট দিতে হবে বলেও দাবি জানান মমতা।  তিস্তা চুক্তির নবায়ন নিয়েও কেন্দ্রকে একহাত নেন তিনি। বলেন, গঙ্গার ভাঙনে যেসব বাড়ি তলিয়ে গেছে, সেগুলি নতুন করে তৈরি করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছিল। ৭০০ কোটি টাকা আজ পর্যন্ত দেয়নি। ফরাক্কা চুক্তি নবায়ন হলে বিহারও ভাসবে। মূল পক্ষ আমরা। আমাদের জানানো হল না। বলছে তিস্তার পানি দেবে বাংলাদেশকে। পানি রয়েছে যে দেবে? বাংলাদেশকে পানি দিলে উত্তরবঙ্গে কেউ পানীয় জল পাবেন না।  
বাংলাদেশিদের কিডনি পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতীয় চিকিৎসক
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার আন্তঃদেশীয় একটি কিডনি পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ডা. বিজয়া কুমারি (৫০) নামে এক ভারতীয় চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে নয়াদিল্লি পুলিশ। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ভিত্তিক ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের চিকিৎসক তিনি। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।  প্রাথমিক অভিযোগে জানা গেছে, ওই নারী চিকিৎসক রাজধানী দিল্লির পার্শ্ববর্তী নয়ডা শহরে ‘যথার্থ’ নামের একটি হাসপাতালে অপারেশনের নামে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন ব্যক্তির কিডনি সরিয়েছেন। কিডনি পাচারকারী দলের সদস্য হিসেবে এসব অপারেশন করেছেন তিনি। যাদের কিডনি তিনি সরিয়েছেন, তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নাগরিক। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ের মধ্যে এই অপকর্ম করেছেন তিনি। ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সক্রিয় একটি চক্র দালালদের মাধ্যমে দরিদ্র বাংলাদেশিদের অর্থের লোভ দেখিয়ে নয়াদিল্লির আশপাশের কিছু হাসপাতালে নিয়ে আসত। সেসব হাসপাতালে চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বাংলাদেশিদের কিডনি অপসারণ করতেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লিতে একাধিক কিডনি পাচারকারী চক্র সক্রিয়। ডা. বিজয়া কুমারি যে চক্রটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, ওই চক্রের অধিকাংশই বাংলাদেশি। গত মাসে নয়াদিল্লি থেকে এই চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। তাদের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। উল্লেখ্য, বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মতো ভারতেও অর্থের বিনিময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে, কোনো ব্যক্তি যদি স্বেচ্ছায় কাউকে কিডনি বা অন্য কোনো প্রত্যঙ্গ প্রদান করতে চান, তাহলে তা বৈধ। এক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতার নাম-পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে হয়। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, চক্রটি কেবল বাংলাদেশ থেকে আসা ভিকটিমদের কিডনি অপারেশন করত এবং দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এসব অপারেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন ভুয়া নথি প্রদান করত। সেসব নথিও জব্দ করেছে পুলিশ। ডা. বিজয়া কুমারি নয়াদিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ক সার্জন। প্রায় ১৫ বছর আগে জুনিয়র ডাক্তার হিসেবে ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলোতে যোগ দেন তিনি। অ্যাপোলোর পাশাপাশি নয়ডার ‘যথার্থ’ হাসপাতালের ভিজিটিং কনসালটেন্ট ও সার্জনও ছিলেন এই নারী চিকিৎসক। ওই হাসপাতালের অতিরিক্ত মেডিকেল সুপারিটেন্ডেন্ট সুনীল বালিয়ান জানিয়েছেন, যেসব ব্যক্তির কিডনি ডা. বিজয়া কুমারি অপসারণ করেছেন, তাদের কেউই ওই হাসপাতালের রোগী ছিলেন না। ভিজিটিং কনসালটেন্ট হিসেবে তিনি রোগী ভর্তির জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বরাবর সুপারিশ করতে পারতেন। যে ১৫-১৬ জন বাংলাদেশির কিডনি তিনি অপারেশন করেছেন, তাদের সবাইকে তার সুপারিশের ভিত্তিতেই ভর্তি করা হয়েছিল।  ডা. বিজয়া কুমারি ব্যতীত ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের আর কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কিডনি পাচার চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে এ চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।  
আসামে বন্যায় ৫২ জনের মৃত্যু
ভারতের আসামে বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাড়ে ২৪ লাখ মানুষ। শনিবার (৬ জুলাই) আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন। এতে বলা হয়, আসামের ৩৫টি জেলার মধ্যে ৩০টিতেই বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধুবড়ি, ডারাং, কছাড়, বরপেটা ও মরিগাঁও জেলা। এ ছাড়া বন্যায় আসামের কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের অন্তত ৭০ শতাংশ জমি প্লাবিত হয়েছে। আতঙ্কে উদ্যান ছেড়ে পালাচ্ছে পশুরা। এখন পর্যন্ত ৭৭টি পশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ হাজারের বেশি পশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ব্রহ্মপুত্রসহ একাধিক বড় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতি হচ্ছে। রাজ্যের শহরাঞ্চলগুলোও ৯ দিন ধরে পানির নিচে। বৃষ্টি না থামলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, ক্ষতির মোকাবিলা করতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যগুলোতে পরিস্থিতির তত্ত্বাবধানের জন্য মন্ত্রীদের নিয়োগ করা হয়েছে।
ভারতে পদদলিত হয়ে নিহত বেড়ে ১২১, ভোলে বাবাকে খুঁজছে পুলিশ
উত্তরপ্রদেশের হাথরসের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর পর থেকেই ধর্মীয় গুরুকে গ্রেপ্তারের জন্য খুঁজছে পুলিশের একটি বড় দল। কিন্তু ধর্মগুরুর সন্ধান এখনও মেলেনি বলে জানা গেছে। খবর এনডিটিভির।  ঘটনার পরের দিন বুধবার (৩ জুলাই) উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এ ঘটনার তদন্তের জন্য বিশেষ কমিটি গড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন আগরার অতিরিক্ত ডিজিপি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফুলরাই গ্রাম থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে মৈনপুরি এলাকায় আশ্রম রয়েছে ভোলেবাবার। পদদলিতের ঘটনার পর সেই আশ্রমে গেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। প্রশাসনের নির্দেশ, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের যেন কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়। হাথরসের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আলোচনা তৈরি হয়েছে এই বিপর্যয়ের কারণ নিয়ে। পদদলিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় আয়োজক সৎসঙ্গ কমিটিকে দায়ী করছেন অনেকে। অনেকে প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলেছেন। আবার অনেকের দাবি, আগত ভক্তদের হুড়োহুড়ির কারণেই এই ঘটনা। মঙ্গলবার হাথরসে সৎসঙ্গের ডাক দিয়েছিলেন নারায়ণ সাকার হরি ওরফে সাকার বিশ্ব হরি ওরফে ভোলে বাবা। অনুষ্ঠানের শেষে হুড়োহুড়ি পড়ে পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, সৎসঙ্গের জন্য যে প্যান্ডেল বাঁধা হয়েছিল, তাতে ব্যারিকেড ছিল। পাখার ব্যবস্থা করা হয়নি। প্যান্ডেল খোলামেলা থাকলেও আর্দ্রতা ও গরমের কারণে সকলেই হাঁসফাঁস করছিলেন। ফলে সৎসঙ্গ শেষ হওয়ার পরেই মানুষ হুড়মুড়িয়ে মাঠের বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আসা-যাওয়ার জন্য যে গেট তৈরি হয়েছিল, সেটিও অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ হওয়ার কারণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অনেকে মাটিতে পড়ে যান। বাকিরা তাদের ওপর দিয়েই বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেন। তাতেই মারা গেছেন শতাধিক ভক্ত। মঙ্গলবার যখন এই ঘটনা ঘটে তখন লোকসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। তার মাঝেই বিষয়টি জানতে পেরে ভাষণ থামিয়ে তিনি শোকপ্রকাশ করেন। সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। এরপরে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এক্স হ্যান্ডল থেকে জানানো হয়, হাথরসের ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।   
ভারতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নিহত বেড়ে ১০৭
ভারতের উত্তর প্রদেশে হাথরাসে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১০৭ হয়েছে। যাদের মধ্যে নারী এবং শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, জেলার সিকান্দ্রারাউ এলাকার রতিভানপুর গ্রামে হাথরাস নামে একজন ধর্মীয় প্রচারক তাবু টানিয়ে ‘সৎসঙ্গে’ অনুসারীদের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হতেই হুড়োহুড়ি শুরু হয়। তখনই ঘটে দুর্ঘটনা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভিড়ের চাপে প্রাণ হারান অসংখ্য মানুষ। হিন্দু দেবতা শিবের পূজা উপলক্ষে পুণ্যার্থীরা রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে হাথরাস শহরে ওই আয়োজনে সমবেত হয়েছিলেন। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এ দুর্ঘটনায় প্রাণহানি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো নানা রকম হিসাব দিচ্ছে। এনডিটিভি জানিয়েছে, অন্তত ৮৭ জন নিহত হয়েছে। আর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের হিসাবে মারা গেছে অর্ধশতাধিক। অন্যদিকে দ্য হিন্দুর হিসাবে প্রায় ৬০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সৎসঙ্গে উপস্থিত লোকজন প্রচণ্ড  গরমের মধ্যে দম বন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে সমবেত পুণ্যার্থীরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। এ সময় পদদলিত হয়ে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ইতাহর জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা রাজেশ কুমার জানিয়েছেন, মরদেহগুলো ইতাহ হাসপাতাল পাঠানো হচ্ছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহতদের মধ্যে তিনটি শিশুও রয়েছে। পদদলনের এই ঘটনা ঘটে সিকান্দ্র রাও থানার অন্তর্গত একটি গ্রামে। আলিগড়ের আইজি জানিয়েছেন, সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। যারা বেঁচে আছেন তাদের কাছ থেকে গোটা বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এক নারী জানিয়েছেন, প্রার্থনা সভাটি আয়োজন করা হয়েছিল স্থানীয় এক ধর্মীয় গুরুর সম্মানে। অনুষ্ঠান শেষে যখন মানুষ বের হয়ে যাচ্ছিলেন, তখন পদদলনের ঘটনা ঘটে।
ভারতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৭
ভারতের উত্তর প্রদেশে হাথরাসে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৮৭-তে পৌঁছেছে। প্রাথমিক অবস্থায় ২৭ জনের মৃত্যুর তথ্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এই সংখ্যা বেড়ে যায়। যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী ও শিশুসহ আরও ১৫ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে একটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে বলা হয়, পদদলনের ঘটনাটি একটি প্রার্থনা সভায়। স্থানীয় কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বাস এবং টেম্পুতে করে অনেকের নিথর দেহ নিয়ে আসা হয়েছে। ওই সময় তাদের আত্মীয়-স্বজনরা কান্নাকাটি করছিলেন। ইতাহর জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা রাজেশ কুমার জানিয়েছেন, মরদেহগুলো ইতাহ হাসপাতাল পাঠানো হচ্ছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহতদের মধ্যে তিনটি শিশুও রয়েছে। পদদলনের এই ঘটনা ঘটে সিকান্দ্র রাও থানার অন্তর্গত একটি গ্রামে। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এক নারী জানিয়েছেন, প্রার্থনা সভাটি আয়োজন করা হয়েছিল স্থানীয় এক ধর্মীয় গুরুর সম্মানে। অনুষ্ঠান শেষে যখন মানুষ বের হয়ে যাচ্ছিলেন, তখন পদদলনের ঘটনা ঘটে।