• ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
logo
প্রচারণার শেষ দিনে সোনারগাঁয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রার্থীরা
‘ক্যাসিনো’ সেলিমকে জরিমানা, প্রার্থিতা বাতিলের রায় বহাল
আদালতের সময় নষ্ট করায় ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত সেলিম প্রধানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তার প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ৮ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। সেলিম প্রধান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তিনি ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত এবং অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত। অনলাইন ক্যাসিনোর মূল হোতা সাজাপ্রাপ্ত সেলিম প্রধান এবার উপজেলা নির্বাচনে গণসংযোগ করেছেন এবং একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন।   জানা গেছে, সেলিম প্রধান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় চার বছর সাজা খেটেছেন। তার বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন।  দুদক বলছে, অনুসন্ধানের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা, বনানীসহ একাধিক জায়গায় তার বাড়ি ও ফ্ল্যাট আছে, যার বাজারমূল্য শতাধিক কোটি টাকা, যা তার আয়কর নথিতে প্রদর্শন করা হয়নি। ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডগামী বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে নামিয়ে এনে সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তাকে নিয়ে তার অফিস ও বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা, ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকার সমপরিমাণ ২৩টি দেশের মুদ্রা, ১২টি পাসপোর্ট, ১৩টি ব্যাংকের ৩২টি চেক, ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ ও দুটি হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়। হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ নিরাপত্তা আইনে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে দুটি মামলা হয়।
হুইপ বাবুর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
ইঞ্জিনের সামনে বসে ভ্রমণ, ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু
সোনারগাঁয়ে ২ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার ১
নারী কাউন্সিলরকে মারধর করায় পুরুষ কাউন্সিলর বরখাস্ত
সোনারগাঁয়ে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জমে উঠেছে উপজেলা নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলার ভোটারদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তবে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলের অংশগ্রহণ থাকলে নির্বাচন আরও জমজমাট হতো বলে মনে করেন স্থানীয়রা। এবারের নির্বাচনে চারজন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান কালাম, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বাবুল ওমর বাবু, থানা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, থানা যুবলীগের সেক্রেটারি মো. আলি হায়দার। জানা গেছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলার আনাচে-কানাচে প্রার্থীদের পোস্টার আর ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন রাস্তাঘাটের মোড়সহ উপজেলার অলি-গলিতে প্রার্থীদের পোস্টার শোভা পাচ্ছে। এলাকার উন্নয়নসহ নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। ভোটাররাও তাদের এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে প্রার্থীদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি আদায় করে নিচ্ছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন। নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে নানা কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। অনেকেই এলাকার উন্নয়ন এবং ভোটারদের সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন এলাকার ভোটাররা জানান, সব নির্বাচনেই একটা আনন্দ থাকে। এ নির্বাচনে বিএনপি থাকলে আরও ভালো হতো। এখন তো সবাই আওয়ামী লীগেরই প্রার্থী। অন্য কোনো দলের প্রার্থী নেই। তারপরও আমরা চেষ্টা করবো, যাকে ভোট দিলে এলাকার উন্নয়ন হবে আমরা তাকেই ভোট দেবো। এ দিকে জানা যায়, প্রার্থী চারজন হলেও মূল লড়াই হবে মাহফুজুর রহমান কালাম (ঘোড়া প্রতীক) ও বাবুল ওমর বাবুর (আনারস প্রতীক) মাঝে। মাহফুজুর রহমান কালাম এর আগেও তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছিলেন। তিনি এ উপজেলার ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। যার কারণে এ উপজেলায় তার একটি বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে। অপরদিকে বাবুল ওমর বাবু বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে থাকায়, তিনি উপজেলার আনাচে-কানাচে ঘুরে ভালো পরিচিতি লাভ করেছেন। তার বড় ভাই কাঁচপুর ইউপির চেয়ারম্যান। তারও উপজেলার বিশাল এক কর্মী বাহিনী রয়েছে। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরাও দিনরাত গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করছেন।
‘ক্যাসিনো’ সেলিমের প্রার্থিতা স্থগিত
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত সেলিম প্রধানের নির্বাচনে অংশগ্রহণ আদালতে আটকে গেল।  সোমবার (৬ মে) সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের আদেশের ওপর এই আদেশ জারি করেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান জানান, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত এবং অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি সেলিম প্রধান।  গত ২৩ এপ্রিল যাচাই বাছাই শেষে মানি লন্ডারিং ও দুদকের মামলায় সাজার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে মনোনয়নের বৈধতা চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর সেলিম প্রধান আপিল করলে গত ২৮ এপ্রিল জেলা প্রশাসক আপিল খারিজ করে মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখেন। ৩০ এপ্রিল উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে নিজের প্রার্থিতার বৈধতা ও প্রতীক বরাদ্দ চেয়ে রিট করেন সেলিম প্রধান। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সেলিম প্রধানের প্রার্থিতার বৈধতা ও প্রতীক বরাদ্দের আদেশ দেয় উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ। গত ২ মে বৃহস্পতিবার সেই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালতে আপিল করেন রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান। তার আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হয়। পরে বিচারক এম. এনায়েতুর রহিমের আদালত সেলিম প্রধানের করা রিটের বিষয়বস্তুর ওপর স্থিতাবস্থা জারি করে। হাবিবুর রহমানের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। এ সময় তার সহকারী হিসেবে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক উচ্চ আদালতের আদেশের ওপর স্থায়ীভাবে স্থিতাবস্থা জারি করেন। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাইল্যান্ডগামী উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে এনে সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর তার বাসা ও অফিসে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলেছিল, সেলিম প্রধান বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনো বা অনলাইন জুয়ার মূলহোতা। তিনি প্রচুর টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। এ ঘটনায় তখন তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।  
‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সেনাবাহিনী’
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমান সরকার সেনাবাহিনীকে সর্বাত্মক সহোযোগিতা করে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা এদেশের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শনিবার (৪ মে) দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলার লাদুরচর এলাকায় আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আস্থা ফিডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার, ময়মনসিংহ ৫-আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও আওয়ামী লীগের ১ নং সদস্য মাহফুজুর রহমান কালামসহ বিভিন্ন শিল্প গ্রুপের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।  
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচন : প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ
আসন্ন সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান, পুরুষ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ মে) নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান উপজেলা প্রার্থীদের মধ্যে এ প্রতীক বরাদ্দ করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে মোহাম্মদ আলী হায়দার পেয়েছেন দোয়াত কলম প্রতীক, মাহফুজুর রহমান কালাম পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক, বাবুল ওমর পেয়েছেন আনারস প্রতীক। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাসুম চৌধুরী পেয়েছেন তালা প্রতীক, আজিজুল ইসলাম মুকুল পেয়েছেন মাইক প্রতীক, মো. ফয়েজ শিপন পেয়েছেন চশমা প্রতীক ও জাহাঙ্গীর পেয়েছেন টিউবওয়েল। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদা আক্তার ফেন্সী পেয়েছেন হাঁস প্রতীক ও শ্যামলী আক্তার ফুটবল প্রতীক। এ ছাড়া একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম নান্নু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী কোহিনুর ইসলাম রুমা, অ্যাডভোকেট নুরজাহান ও হেলেনা আক্তার এবং পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুব পারভেজ, জহিরুল ইসলাম খোকন হাইকোর্টে রিটের মাধ্যমে প্রার্থিতা পাওয়ায় তাদের প্রতীক বরাদ্দ হবে আগামী ৫ মে। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী হায়দার বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে দোয়াত কলম প্রতীক পেয়ে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন সাংবাদিকদের সামনে। আলী হায়দার জানান, তিনি শতভাগ আশাবাদী যে, সোনারগাঁওয়ের জনগণ তাকে দোয়াত কলম প্রতীকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন এবং তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সারের সঙ্গে মিলে সোনারগাঁও উপজেলাকে ‘স্মার্ট সোনারগাঁও’ হিসেবে উপহার দেবেন। এ সময় আগামী ২১ মে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাচনে তিনি সবার দোয়া এবং সহযোগিতা কামনা করেন।
বিশ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ভাইকে ফিরে পেলেন সুজন
বিশ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া বাকপ্রতিবন্ধী ভাই এটিএম মাসুদ ওরফে খোকাকে (৩২) ফিরে পেয়েছেন তার ভাই সুজন। বুধবার (১ মে) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বেপারীবাজারে প্রতিবন্ধী খোকাকে তার ভাই সুজনের হাতে তুলে দেন মেঘনা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (একটি মানবিক সংগঠন)। খোকা নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নে চর তারাকান্দি গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজিম উদ্দিন মাস্টারের ছেলে। খোকার ভাই সুজন বলেন, আমার ভাই গত বিশ বছর আগে নরসিংদী থেকে হারিয়ে যায়। তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। এলাকায় আমরা মাইকিং করে ও পোস্টার লাগিয়ে তার কোনো খোঁজ পাইনি। এভাবেই কেটে যায় বিশ বছর। গত মঙ্গলবার ভাইকে খুঁজে পাওয়ার একটি খবর আসে নরসিংদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি শরিফুল ইসলাম শাকিলের মাধ্যমে জানতে পারি।  তিনি জানান, আমার ভাই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনাঘাট আছেন। পরে আজ (বুধবার) আমি ও আমাদের এলাকার মেম্বারকে নিয়ে সোনারগাঁয়ের মেঘনা ঘাট আসি, এখানে মেঘনা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শাহাজালাল ও স্থানীয় সেলিম রেজা মেম্বারের মাধ্যমে খোকাকে আমাদের হাতে তুলে দেন। ভাইকে পেয়ে আমি ও পরিবারের সবাই দারুণ খুশি। মেঘনা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পরিচালক শাহজালাল বলেন, তাকে আমরা করোনার সময় রাস্তায় দেখতে পাই তখন আমি ও আমার সংগঠনের লোকজন তাকে নিয়ে বিভিন্ন চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তুলি। ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধী খোকাকে তার ভাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
সোনারগাঁয়ে ইসতিসকার নামাজ আদায়
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গোবিন্দপুর মাদরাসা ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে ইসতিসকার নামাজ আদায় করা হয়েছে।  শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে গোবিন্দপুর মাদরাসা মাঠে এই দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করা হয়। আজ সকালে নানা বয়সী মানুষ নামাজের জন্য মাঠে হাজির হন। নামাজের ইমাম প্রথমে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে নিয়মকানুন বলেন। এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে দুই হাত তুলে প্রচণ্ড গরম, তীব্র তাপপ্রবাহ ও খরা থেকে রক্ষা পেতে বৃষ্টি চেয়ে আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন তারা। নামাজ পড়তে আসা স্থানীয় কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অনেকদিন বৃষ্টি হয় না গরমে বাইরে যেতে পারছিনা। এই জন্যে জমির ক্ষতি হচ্ছে। তাই বৃষ্টির জন্য নামাজ আদায় করতে আসছি।’ নামাজ পরিচালনা করেন গোবিন্দপুর মাদরাসার খতিব মুফতি আবুবক্কর কাসেমী।