• ঢাকা শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
logo
‘জীবনযুদ্ধে আমি পরাজিত’ স্ট্যাটাস দিয়ে শিক্ষকের আত্মহত্যা
কাশিয়ানীতে মোক্তার, মুকসুদপুরে কাবির বিজয়ী
৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কাশিয়ানী উপজেলায় দোয়াত কলম প্রতিক নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোক্তার হোসেন এবং মুকসুদপুর উপজেলা ঘোড়া প্রতীক নিয়ে মো. কাবির মিয়া বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কাশিয়ানী উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. জামিনুর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জিনাত রেহানা খান এবং মুকসুদপুর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে শাহারিয়ার কবির ও তানিয়া আক্তার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. গোলাম কবীর তাদেরকে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। সকাল ৮টা থেকে একটানা ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল ৪টা পযর্ন্ত। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা। কাশিয়ানী উপজেলার ৭৫টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এসব কেন্দ্রের ফলাফলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোক্তার হোসেন দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৩২ হাজার ৫৩৫ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুন্সি ফররুখ হোসাইন মিন্টু আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৮ হাজার ১১২ ভোট। কাজী নুরুল আমিন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৫৫৭ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. জামিনুর রহমান উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে ৩৬ হাজার ১৫১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দীনবন্ধু মন্ডল তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ২১২ ভোট। আবুল কালাম আজাদ টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৯৭২ ভোট। সুলতান আহমেদ মোল্যা চশমা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ১৬৯ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জিনাত রেহানা খান প্রজাপতি প্রতীক নিয়ে ২৭ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহাগী রহমান মুক্তা পদ্ম ফুল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৭৬১ ভোট। মোছা. শামচুন্নাহার হাঁস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩৯৯ ভোট। তুলি আক্তার ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৩০৪ ভোট। মুকসুদপুর উপজেলায় রয়েছে ৯৬টি কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রের ফলাফলে মো. কাবির মিয়া ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৫৪ হাজার ৫৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম এম মহিউদ্দিন আহম্মদ মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৮১১ ভোট। আবুল কাসেম রাজ দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে পান ২৮ হাজার ৫৪২ ভোট। মো. কাইমুজ্জামান রানা আনারস প্রতীক নিয়ে পান ৩ হাজার ২১৫ ভোট। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে শাহারিয়ার কবির চশমা প্রতীক নিয়ে ৩৩ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে পান ৩২ হাজার ৭১৫ ভোট। সঞ্জিত সরকার টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৭৪ ভোট। মো. দুলাল মুন্সী মাইক প্রতীক নিয়ে পেয়েছে ২৫ হাজার ৬১১ ভোট। দুলাল হোসেন তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৩২ ভোট। অন্যদিকে, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তানিয়া আক্তার হাঁস প্রতীক নিয়ে ৬২ হাজার ৪৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নাজমা বেগম কলস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৮৫৬ ভোট। রিনা বেগম ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৯৩ ভোট।
গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
গোপালগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে ২ নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
প্রেমঘটিত কারণে হতাশায় দুই বন্ধুর আত্মহত্যা
গোপালগঞ্জে এসএসসিতে অকৃতকার্য হয়ে পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা
গোপালগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী নুরী বেগম ওরফে মুনিয়াকে শ্বাসরোধ করে স্বামী আশিকুর রহমান শেখ হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  রোববার (১২ মে) সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মোছরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নুরী বেগম ওরফে মুনিয়া গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল চরপাড়া গ্রামের মুক্ত মোল্যার মেয়ে ও মোছরা গ্রামের আশিকুর রহমান শেখের স্ত্রী।  অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনিচুর রহমান।  তিনি বলেন, বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কলহ নিয়ে স্ত্রী নুরী বেগম ওরফে মুনিয়ার ওপর বিভিন্ন সময় নির্যাতন চালাতো স্বামী আশিকুর রহমান শেখ। এ নিয়ে রোববার সকালে মুনিয়াকে বেদম মারধর করে এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন মুনিয়াকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  তিনি আরও বলেন, মুনিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী আশিকুর রহমান শেখকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এ সময় ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এর আগে একদিনের সফরে আজ (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ৭টায় সড়ক পথে রওনা দিয়ে পৌনে ১০টার দিকে নিজ বাড়ি ও নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানা, ভাই শেখ হেলালসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ‌‘আমার বাড়ি আমার খামার’ কর্মসূচির আওতায় দাঁড়িয়ারকুল সমবায় সমিতির সদস্যদের মধ্যে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কৃষি উপকরণ ও নগদ সহায়তা দেবেন। এ ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর বিকেলে ঢাকায় ফিরে আসবেন শেখ হাসিনা।   
গোপালগঞ্জে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা
গোপালগঞ্জের তিনটি উপজেলায় সুষ্ঠুভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বুধবার (৮ মে) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে টুঙ্গীপাড়া উপজেলা পরিষদে ৩১টি কেন্দ্রে ৪০ হাজার ৭৭৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মো. বাবুল শেখ (দোয়াত—কলম)। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী গাজী মাসুদুল হক (আনারস) পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৫১ ভোট।  কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদে ৭৭টি কেন্দ্রে ৪০ হাজার ২৭১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিমল কৃষ্ণ বিশ^াস (দোয়াত—কলম)। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুজিবুর রহমান হাওলাদার (চিংড়ি মাছ) পেয়েছেন ৩৯ হাজার ২৮২ ভোট।  এছাড়া টুঙ্গীপাড়া উপজেলায় ২০ হাজার ৯৭৩ ভোট পেয়ে ভাইস—চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল ওহাব শেখ (উড়োজাহাজ) এবং ১৬ হাজার ৩৭ ভোট পেয়ে মহিলা ভাইস—চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মিসেস পারুল বেগম (হাঁস)। কোটালীপাড়া উপজেলায় ৬৯ হাজার ৫৩৭ ভোট পেয়ে ভাইস—চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন দেবদুলাল বসু (টিউবওয়েল) এবং ৪৫ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়ে মহিলা ভাইস—চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জেসমিন বেগম (কলস)।  গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল (টেলিফোন) ৩১ হাজার ৩৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বি এম লিয়াকত আলি আনারস পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৪ ভোট। ভোটের ব্যবধানে ৩য় স্থানে রয়েছেন  নিতিশ রায় (মোটরসাইকেল)। তিনি পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩০০ ভোট।  
পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা, স্ত্রী ও প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
গোপালগঞ্জে স্বামী কমলেশ বাড়ৈ (৪৫) হত্যার দায়ে স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাকসুদুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কমলেশ বাড়ৈর স্ত্রী সুবর্ণা বাড়ৈ (৩৮) ও তার পরকীয়া প্রেমিক মন্মথ বাড়ৈ (৪০)।  জানা যায়, সুবর্ণার বাড়ি কোটালীপাড়া উপজেলার তালপুকুরিয়া গ্রামে এবং মন্মথ বাড়ৈ ওই গ্রামের মহেন্দ্রনাথ বাড়ৈর ছেলে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামি পলাতক রয়েছেন। মামলার বরাতে জানা যায়, কমলেশ বাড়ৈ কাঠমিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তার স্ত্রী গৃহবধূ সুবর্ণা বাড়ৈ একই গ্রামের মন্মথ বাড়ৈর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি স্বামী কমলেশ বাড়ৈ জানতে পারেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ শুরু হয়। সুবর্ণা বাড়ৈ ও তার পরকীয়া প্রেমিক কমলেশকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ২০২০ সালের ২ মার্চ গভীর রাতে খাবারের সঙ্গে কমলেশকে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে হত্যার পর মরদেহ ঘের পাড়ে মাটিচাপা দেয় তারা।  প্রায় ৩ মাস পর ঘেরপাড় থেকে কমলেশের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কমলেশের ভাই রমেশ বাড়ৈ বাদী হয়ে সুবর্ণা ও মন্মথকে আসামি করে কোটালীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে বিচারক সুবর্ণা ও মন্মথকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র জয়ধর। বিবাদী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এইচএম মহিউদ্দিন। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন পিপি অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র জয়ধর। তিনি বলেন, মামলা দায়েরের পর পুলিশ ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে তারা জামিনে বেরিয়ে আর আদালতে হাজির হননি। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।
‘উপজেলা নির্বাচনে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে’
নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের চাইতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনে শুধু সেনাবাহিনী ছিলো তবে উপজেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও মোতায়েন থাকবে। রোববার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা  পরিস্থিতি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ইসি আলমগীর জানান, জাতীয় নির্বাচনে একযোগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য পর্যাপ্ত থাকে না। তবে উপজেলা নির্বাচন  পর্যায়ক্রমে অনু্ষ্ঠিত হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য পর্যাপ্ত থাকবে।  তিনি আরও জানান, গণমাধ্যমে সব ধরনের কথা বলা রিস্ক। কারণ কোথাও আমি বলিনি শতকরা ৮০ভাগ ভোট পড়বে, তবে কোনো কোনো  গণমাধ্যম তাই প্রচার করেছে। অনেকে আবার কলামও লিখেছেন। এজন্য আমি গণমাধ্যমকে ভয় পাই। এর আগে দুপুরে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় পবিত্র ফাতেহা পাঠ করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম, পুলিশ সুপার আল বেলী আফিফা, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. ফয়জুল মোল্যাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।  
জাতির পিতার সমাধিতে বিএসএমএমইউ’র নতুন উপ-উপাচার্যের শ্রদ্ধা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।  শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।  পরে জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানার দীর্ঘায়ু কামনা এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনায় মোনাজাত করা হয়।  এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সের বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। এ সময় তিনি টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদি পৈতৃক বাড়ি ও বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন।  মন্তব্য খাতায় নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান উল্লেখ করেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না, পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক দেশটি থাকতো না। সেই অজেয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. একেএম খুরশিদুল আলম, হেমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বিজয় কুমার পাল, বিএসএমএমইউ শাখা স্বাচিপের সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার টিটো, সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান শাহরিয়ার আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. কেএম তারিকুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশীষ কুমার সরকার, সহকারী অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন সুমন, ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা. জাহান শামস নিটোল, টুঙ্গিপাড়া পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, সাবেক মেয়র মো. ইলিয়াস হোসেন, টুঙ্গিপাড়া পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. ফোরকান বিশ্বাস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ জিয়াউল বশির টুটুলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স, কর্মচারীবৃন্দ, স্বাচিপের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকবৃন্দ, স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।   গত ২২ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ৪ বছরের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমানকে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) হিসেবে নিয়োগ দেন। অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এর আগে দুই মেয়াদে সফলভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে উপ-উপাচার্যের (শিক্ষা) দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি বিশ্বদ্যিালয়ের মেডিকেল টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও বক্ষব্যাধি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।  প্রথিতযশা বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় রয়েছে অনন্য সাধারণ অবদান। অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান রোগীদের কাছে অত্যন্ত অমায়িক ও সজ্জন চিকিৎসক হিসেবে সুপরিচিত। তার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন জার্নালে ৪৭টি বৈজ্ঞানিক প্রকাশনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।  বক্ষব্যাধি চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের গ্রামের বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জে। তিনি ১৯৬৯ সালের ১৫ মে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। তিনি ২০০২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বক্ষব্যাধির ওপর এমডি এবং ২০১৪ সালে আমেরিকান কলেজ অব চেস্ট ফিজিশিয়ান্স থেকে এফসিসিপি ডিগ্রি অর্জন করেন।  অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের বাবা মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, মা হাসিনা রহমান। ব্যক্তিজীবনে তিনি আদিবা আজিজ রহমান ও আরিবা আজিজ রহমান এই দুই কন্যা সন্তানের পিতা। তার সহধর্মিনী ডা. কাজী রাহিলা ফেরদৌসি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।