• ঢাকা সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
logo
গলায় লিচুর বিচি আটকে আ.লীগ নেতার মৃত্যু
‘আমারে মাটি দিব ছেলে, এহন আমারেই দিতে হইবো মাটি’
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার আসিম জাওয়াদ রিফাত নিহত হয়েছেন। মানিকগঞ্জে নিহতের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে কান্না করতে করতে মূর্ছা যাচ্ছেন মা নিলুফা আক্তার খানম। তার আহাজারিতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। তাকে কোনোভাবে সামাল দিতে পারছেন না প্রতিবেশী আত্মীয়রা।  বৃহস্পতিবার (৯ মে) মানিকগঞ্জে শহরের পশ্চিম দাশড়ায় জাওয়াদ রিফাতের বাড়িতে এ দৃশ্য দেখা যায়।  জাওয়াদ রিফাতের মা নিলুফা আক্তার কাঁদছেন আর বলছেন, ‘আমার ছেলে প্রতিদিন সকালে ফোন করে। কিন্তু আজ এখন পর্যন্ত ফোন করেনি। কখন আসবে জাওয়াদের ফোন। আমি আছি অথচ আমার ছেলে নাই এটা কেমন কথা। আমারে মাটি দিব আমার ছেলে। আর এহন আমারে দিতে হইবো তাকে মাটি।’  জানা গেছে, সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক শিক্ষক নিলুফা আক্তার খানম ও চিকিৎসক আমানুল্লাহর একমাত্র সন্তান ছিলেন আসিম জাওয়াদ রিফাত। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে কান্না করতে করতে মূর্ছা যাচ্ছেন মা নিলুফা।  নিহত জাওয়াদের বড় মামা সুরুজ খান জানান, অত্যন্ত মেধাবী ছিল জাওয়াদ। স্কুল ও কলেজজীবনে সব সময় প্রথম হয়েছে। ছোটবেলা থেকে জাওয়াদের স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়ার। কিন্তু সে স্বপ্ন পূরণ হয়ে পাইলটও হয়েছিল। কিন্তু সেটি ছিল মাত্র অল্প সময়ের জন্য। পরিবারের মাথায় বাজ নেমে পড়েছে জাওয়াদকে হারিয়ে।’ আগামীকাল শুক্রবার জাওয়াদের মরদেহ মানিকগঞ্জে আনা হবে বলে জানান তিনি।  জাওয়াদের খালাতো ভাই মশিউর রহমান শিমুল জানান, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ এয়ারফোর্স অ্যাকাডেমিতে (বাফা) যোগদান করে ২০১১ সালে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন জাওয়াদ। তার ছয় বছরের এক কন্যাসন্তান ও এক বছর বয়সী এক ছেলেসন্তান রয়েছে। স্ত্রী রিফাত অন্তরাসহ চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় থাকেন তারা। 
মানিকগঞ্জের দুই উপজেলায় চেয়ারম্যান হলেন যারা
দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক
‘রেজাল্ট দিছে, আমি আর বাঁচতে পারলাম না’
উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল
‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উৎসব মুখর পরিবেশে হবে’
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে ‍জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের হল রুমে হরিরামপুর ও সিংগাইর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। ইসি আলমগীর বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার সহযোগিতায় একটি উৎসব মুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে একটি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হলো স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এখানে আরও উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে।  ইসি আলমগীর বলেন, এই নির্বাচন হবে ইভিএম পদ্ধতিতে। এটি হলো টিকার মতো, আগে অনেক ভয় থাকে তবে দেওয়ার সময় টেরও পায় না। ইভিএমের ক্ষেত্রে বলা হয় যে, এই যন্ত্রের মাধ্যমে কখনও ভোট দেইনি কিন্তু এটি খুবই সহজ একটি পদ্ধতি। ভোটাররা ভোট দিতে এলে দেখবে, এটি অত্যন্ত সহজ। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট বক্স ছিনতাইয়ের ভয় থাকে না এবং এক জনের ভোট অন্য জন দিতেও পারে না।       স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক ফ্লেবার নেই উল্লেখ করে ইসি আলমগীর বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক নির্বাচন নয় এটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এখানে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রয়োজন নেই। এবারের নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক ফ্লেবার নেই। নির্বাচনটা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হতে হবে। কোনো প্রার্থীর প্রচারণায় বা ভোটারকে বাঁধা দিতে না পারে এবং কোনো ধরনের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি না হয় এই ম্যাসেজগুলো আমরা দিয়েছি। অনেক রাজনৈতিক দল অফিসিয়ালি সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও কিন্তু আন-অফিসিয়ালি একটি পক্ষকে নির্বাচনে সমর্থন করছে। ইসি আলমগীর আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন সিংড়ায় যে প্রার্থী আমরা তাকে ডেকেছি। তিনি সঠিক উত্তর না দিতে পারলে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নোয়াখালী এলাকায় একজন সংসদ সদস্য তার ছেলেকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন দেখে আমরা তাকেও সতর্ক করেছি এবং এই রকম আরও আছে তাদের প্রত্যেককেই বিরত থাকার জন্য বলেছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক রেহেনা আখতার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান মিঞাসহ সরকারি আরও অনেক দপ্তরের কর্মকর্তা।
বর্ষবরণ উদযাপন করল হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চ  
‘বিপ্লবী স্পর্ধায় ভাঙো অবক্ষয়ের ভিত’ এমন বাতিক্রমী স্লোগানে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে নববর্ষ ১৪৩১ উপলক্ষে বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চের আয়োজনে উপজেলার পাটগ্রাম অনাথ বন্ধু সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ অতিক্রম করে পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ বন্ধুমঞ্চের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দেয়।  হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চের  প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট রাসেল হোসেন জানান, ২০০৮ সালে সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বন্ধুমঞ্চ। তারই ধারাবাহিকতায় বাঙ্গালির  অসাম্প্রদায়িক চেতনার সর্বজনীন উৎসব বর্ষবরণের আয়োজন করেছে হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চ। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ধাপে বিকেলে বর্ষবরণের আলোচনা, গুনিজন সম্মাননা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৫-২০ হাজার মানুষ ভিন্ন ধরনের এ উৎসবে মেতে উঠেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট রাসেল হোসেনের সঞ্চালনায় বন্ধুমঞ্চের বর্তমান সভাপতি প্রকৌশলী মো. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে যৌথভাবে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন প্রবীণ শিক্ষক ও নাট্যকার হরিপদ সূত্রধর এবং বিশিষ্ট পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তৈয়বুল আজহার। 
মানিকগঞ্জে গঙ্গাস্নানে পুণ্যার্থীদের ঢল
প্রতিবছরের মতো এবারও মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদীতে গঙ্গাস্নানের আয়োজন করেছে অন্নপূর্ণা সেবা সংঘ।  মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) ভোর ৬টায় স্নান করতে জেলা শহরের বেউথা ঘাট এলাকায় ভিড় করেন বিভিন্ন এলাকার হাজারে পুণ্যার্থীরা।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র সুদেব কুমার সহা, পৌর কাউন্সিলর উজ্জ্বল হোসেন, অন্নপূর্ণা সেবা সংঘের সভাপতি দিলীপ কুমার রাজবংশী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব সাহা, জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি দীপক ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসাইন খান, পৌর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি জাফর শেখ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বিশ্বাস টুটুল, বেউথা মুকুল ফৌজের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। 
প্রশংসা কুড়াচ্ছে ‘গোশত সমিতি’
ঈদের আগমুহূর্তে অস্থির হয়ে উঠেছে মাংসের বাজার। সারাদেশে গরুর মাংসের দাম কেজিতে কোথাও ৩০, কোথাও ৫০ টাকা বেড়েছে। ফলে নিম্নবিত্তদের সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে গরুর মাংস। নিম্ন-মধ্যবিত্তও পড়ছেন দুচিন্তাই। তবে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার আশার আলো ব্যতিক্রমী ‘গোশত সমিতি’।  স্থানীয়দের ভাষায় এই সমিতির নাম ‘গোশত বা মাংস সমিতি’। অনেকের কাছে ‘গরু সমিতি’ নামেও পরিচিত। উপজেলার ধল্লা ইউনিয়ন ছাড়াও জয়মন্টপ, জামির্ত্তা, চান্দহর, বায়রা, তালেবপুর, শায়েস্তা, চারিগ্রাম, জামশা ও সিংগাইর সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের আরও অনেক সমিতি গড়ে উঠেছে। জানা গেছে, সিংগাইরে গ্রাম, পাড়া বা মহল্লায় ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ৩০ থেকে ১০০ জন মিলে গঠিত হয় মাংসের সমিতি। প্রতিবছর বাড়ছে মাংস সমিতির সংখ্যা। আগের বছর ঈদের পরপরই গঠিত হয় এ সমিতি। এতে অন্তর্ভুক্ত প্রতিজন সদস্য মাসে মাসে সমিতিতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রাখেন। ঈদের আগে জমাকৃত অর্থ দিয়ে পশু কেনা হয়। শবেকদরের দিন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এই পশু জবাই করে গোশত সমিতির প্রত্যেক সদস্যকে ভাগ করে দেওয়া হয়। এতে ঈদ উদযাপনের ক্ষেত্রে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর আর্থিক চাপ যেমন কমে, তেমনি ঈদের আগে সবাই বাড়তি আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারেন। বর্তমানে লোকজনের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে মাংস বা গোশত সমিতি। ভ্যান চালক উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. টোকন শেখ। পরিবারের সব খরচ মিলিয়ে তাকে অনেকটা নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থায় সংসার চালাতে হয়। ঈদ এলে পোশাকসহ সব কেনাকেটা শেষে একদমই খালি হাত এরই মধ্যে আদরের সন্তানদের বায়না থাকে ঈদের দিন গোশত খাওয়ার। ঈদের দিনে সন্তানদের গোশত খাওয়ানোর ইচ্ছা থাকলেও সাধ্যে কুলায় না। এ কারণে গত দুই বছর যাবৎ নয়াপাড়া ‘গোশত সমিতির সদস্য হয়েছেন। নয়াপাড়া গোশত সমিতির মূল উদ্যোক্তা মো. সারোয়ার হোসেন জানান, এবার সমিতির ৬৩ জন সদস্য প্রতিমাসে ২০০ টাকা করে অর্থ জমা রেখেছেন। এরই মধ্যে গরু কেনা হয়েছে, আগামিকাল কিংবা পরের দিন জাবাই করে মাংস সমিতির সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। বাজার দরের চেয়ে অনেক কম দামে এবং এক সাথে বেশি পরিমাণ গোশত পেয়ে প্রত্যেকেই খুব খুশি হবেন আশা করি। শবেকদরের দিন থেকে শুরু হয় সমিতির পশু জবাইয়ের কাজ। চলে ঈদের দিন পর্যন্ত। এ বিষয়ে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পলাশ কুমার বসু বলেন, এটা খুবই ইতিবাচক উদ্যোগ। সকল শ্রেণির লোকজনের অংশগ্রহণে এ ধরনের গোশত সমিতি সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে সকলের মধ্যে ঈদের আনন্দটাও অনেক বাড়িয়ে দেয়। 
কৃষককে অফিস থেকে বের করে দেওয়ায় দুই কর্মকর্তাকে বদলি
ধান নিয়ে পরামর্শের জন্য মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা কৃষি অফিসে গেলে কৃষক ফজলুর রহমানকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন সুজনকে মানিকগঞ্জ থেকে দিনাজপুর অঞ্চলে এবং শিবালয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া তরফদারকে ফরিদপুরের সালথায় বদলি করা হয়। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রবিআহ নূর আহমেদ। তিনি বলেন, শিবালয় উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তাকে দিনাজপুরে এবং কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া তরফদারকেও ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিস আদেশে জানা যায়, মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার কৃষি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন সুজনকে দিনাজপুর অঞ্চলের অধীনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ে পদায়ন করা হয়েছে। আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে তিনি দায়িত্বভার হস্তান্তর করবেন, অন্যথায় ৪ এপ্রিল থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিস) বলে গণ্য করা হবে। অপরদিকে কৃষি অধিদপ্তরের আরেক অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, শিবালয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া তরফদারকে মানিকগঞ্জ থেকে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। আগামী ১৬ এপ্রিল তিনি তার দায়িত্বভার হস্তান্তর করবেন। অন্যথায় ১৭ এপ্রিল থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিস) বলে গণ্য হবে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা কৃষি অফিসে ক্ষতিগ্রস্ত একগুচ্ছ ধান নিয়ে পরামর্শ নিতে যান কৃষক ফজলুর রহমান। কৃষি অফিসে দায়িত্বরত কৃষি কর্মকর্তার ওই কৃষকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। ওই কৃষককে অফিস থেকে বের করে দেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মো. শহিদুল আমিন এবং অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) মো. মামুন ইয়াকুবকে নিয়ে দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এবার মানিকগঞ্জে কয়েল কারখানা ও কাঠপট্টিতে আগুন
এবার মানিকগঞ্জের গোলড়া বিসিক এলাকার একটি কয়েল কারখানায় ও শিবালয় উপজেলার আরিচা কাঠপট্টিতে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ করছে। সোমবার (২৫ মার্চ) ভোর ৪টায় এ আগুন লাগে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ। তিনি বলেন, মানিকগঞ্জে ২ জায়গায় আগুন লেগেছে। এরমধ্যে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মানিকগঞ্জের গোলড়া বিসিক এলাকার একটি কয়েল কারখানায় আগুন লাগে। এছাড়া রাত আড়াইটার দিকে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা কাঠপট্টিতে আগুন লাগে। তিনি আরও বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের মোট ৬ ইউনিট। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট রাত দুটার দিকে কয়েল কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অন্যদিকে ভোর রাত সোয়া ৪টার দিকে কাঠপট্টির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট। এরআগে রোববার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার হোসেন্দীর সিকিরগাঁওয়ে সুপার বোর্ড কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট এবং আরও দুটি জাহাজ চেষ্টা করেও আগুন নেভাতে পারেনি। প্রায় ৫ ঘণ্টা পর বৃষ্টি নামলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।  তবে আগুনে কারখানার কয়েক কোটি টকার সম্পদ পুড়ে গেছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।