• ঢাকা সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
logo
টঙ্গীতে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন
গাজীপুরে টিনশেড মার্কেট ও বসতবাড়িতে আগুন
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোগড়া বাইপাস গরু কাটা ব্রিজ এলাকায় কয়েকটি মার্কেট ও অর্ধ শতাধিক টিনশেডের কলোনি ঘর আগুনে পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাত ৩টার সময় একটি চায়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।   ভোগড়া মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. রুহুল আমিন মোল্লা জানান, ভোগড়া বাইপাস এলাকার স্থানীয় রফি মাতবরসহ কয়েকজনের জমি ভাড়া নিয়ে নিমাণকৃত মার্কেট ও টিনশেডের বাসা বাড়িতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ভোগড়া মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা আরও বেড়ে গেলে কোনাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট সংযুক্ত হয়ে ফায়ার সার্ভিসের মোট পাঁচটি ইউনিট ১ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।  তিনি জানান, আগুনে মার্কেটের কয়েকটি দোকানের মালামাল ও অর্ধ শতাধিক টিনশেড ঘরের কক্ষ ও আসবাপত্র পুড়ে গেছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে থাকায় প্রায় দু'ঘণ্টা ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 
উপজেলা নির্বাচন: আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে একজনের প্রার্থিতা বাতিল
কালিয়াকৈরে স্কুল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
টঙ্গীতে নারী আইনজীবীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
শ্রীপুরে ট্রেনের ধাক্কায় রেলসেতু থেকে পড়ে নিহত ২
হাসপাতালের লিফটে আটকে রোগীর মৃত্যু
গাজীপুরে হাসপাতালের লিফটে আটকা পড়ে মতাজ বেগম (৫৩) নামে এক রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১২ মে) বেলা ১১টার দিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  মমতাজ বেগম কাপাসিয়া উপজেলার বারিগাঁও গ্রামের শারফুদ্দিনের মেয়ে। মমতাজের মামা শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, আজ সকাল ৬টার দিকে অসুস্থতার কারণে মমতাজকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন তিনি এবং মমতাজের ছেলে মান্নান (২৫) ও মেয়ে শারমিন (২০)।  বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালের ১১ তলা থেকে চতুর্থ তলায় ডাক্তার দেখাতে লিফটে করে নামার সময় হঠাৎ লিফট বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় লিফটে ১৮ থেকে ২০ জন মানুষ ছিলেন। তারা ৪৫ মিনিট লিফটের ভেতর আটকে থাকেন। পরে হাসপাতালের লোকজন ৯ তলায় লিফট ফাঁকা করে তাদের বাইরে বের করে আনেন। তবে বের হওয়ার আগেই মমতাজ মারা যান। লিফটে আটকে থাকা আলাউদ্দিন নামে হাসপাতালের এক কর্মী মমতাজকে বাঁচাতে চেষ্টা করেন বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে গাজীপুর তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম  গণমাধ্যমকে বলেন, সকালে মমতাজ বেগমকে বুকে ব্যথা অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরে মেডিসিন বিভাগ থেকে ৪ তলায় নেওয়ার জন্য লিফটে তোলা হয়। এ সময় লিফটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এতে দীর্ঘ সময় লিফট আটকে থাকেন। পরে লিফটম্যান ও ফায়ার সার্ভিসের লোক এসে উদ্ধার করেন। লিফটে আটকা সবাই সুস্থ ছিলেন, কিন্তু উনি অসুস্থ থাকায় মারা গেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হবে। 
থোকায় থোকায় ঝুলছে আঙুর, দেখতে মানুষের ভিড়
চারদিকে বাঁশ আর নেটের বেড়া। লতানো গাছের মাচায় থোকায় থোকায় ঝুলছে রসালো ফল সবুজ আঙুর। ফলে ফলে ছেয়ে গেছে পুরো বাগান। দেশের মাটিতে এত সুন্দর আঙুরের বাগান, যে কেউ দেখলেই অভিভূত হবেন। এই ফলটি ভিনদেশি হলেও বহুকাল ধরে এ দেশের মানুষের পছন্দের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে এই টসটসে রসে ভরা আঙুর। কিন্তু পর্যাপ্ত চাহিদা থাকলেও নেই দেশে এর তেমন চাষাবাদ। তাইতো চড়া দামে কিনতে হয় এই পচনশীল দামি ফল। দেশে এর চাহিদা মেটাতে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সবুজ নামে এক যুবক।  তার বাগানে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, লতায় পেঁচানো গেট সদৃশ মাচার ভেতর দিয়েই ঝুলছে আঙুর। এমন সফলতা দেখতে উদ্যোক্তা, চাষিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন ভিড় করছেন তার বাগানে।  ইউটিউবে একজন ব্যক্তির আঙুর চাষের সফলতার ভিডিও দেখে উৎসাহিত হন সবুজ। তারপর সেই অনুযায়ী তিনি গাছ রোপণ ও চাষাবাদ শুরু করেন। তিনি চান দেশের যুবকরা যদি এই বিদেশি ফল চাষে উৎসাহিত হন তাহলে নিজেদের আমদানি নির্ভরতা কমবে। অন্যান্য ফল-ফসলের মতো বিদেশি আঙুর চাষেও সফল হওয়া যায়—এটি প্রমাণ করেছেন যুবক সবুজ। তাকে দেখে অনেক চাষি উৎসাহিত হবেন। আঙুরের মতো একটি বিশেষ ফলের চাহিদা মিটবে অদূর ভবিষ্যতে। মাচায় আঙুর চাষ দেখে অভিভূত এলাকাবাসী। তারা জানান, উদ্বুদ্ধ হওয়ার মতো একজন সফল চাষি হিসেবে সবুজ তার স্বাক্ষর রেখেছে। কমলা, আম, পেঁপেসহ নানা জাতের ফলের মধ্যে আঙুরের চাষ ব্যতিক্রম। এটি সবুজের ফল বাগানের সৌন্দর্য ও সফলতার প্রকাশ ঘটিয়েছে।  শ্রীপুরের মাটি আঙুর চাষের জন্য উপযুক্ত। প্রাথমিকভাবে তা করে দেখিয়েছেন সবুজ। সার ব্যবস্থাপনা ও ওষুধ প্রয়োগের ব্যাপারে নানাভাবে তাকে পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষিবিদরা। সবুজকে দেখে অন্য চাষিরাও আঙুর চাষে সফল হবেন—এমনটাই প্রত্যাশা দর্শনার্থীদের।  তথ্য ও ভিডিও: রায়হানুল ইসলাম আকন্দ।  
গাজীপুরে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত
গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও একজন।  শুক্রবার (১০ মে) রাত পৌনে ৯টায় গাজীপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের মারফত আলীর ছেলে মনজুর সরকার (৩৮) ও বগুড়ার মোকামতলা এলাকার এহসান হাসান (৪২)।  জানা যায়, নিহত মনজুর গাজীপুরের মহানগরের কোনাবাড়ীর এশরারনগর হাউসিং এলাকায় ও এহসান হাসান হরিণাচালার এলাকায় বসবাস করতেন। আহত আব্দুল হামিদের (৪৫) বাড়ি পাবনায়। তিনি হরিণাচালায় বসবাস করতেন। তারা তিনজনই এলাকায় ঝুট ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্থানীয়রা জানান, রাত ৯টার কিছু সময় পর কোনাবাড়ী থেকে মোটরসাইকেলে করে মনজুর সরকার, এহসান হাসান ও আব্দুল হামিদ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ধরে গাজীপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাইমাইল ব্রিজের ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাত একটি গাড়ি মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়।  এতে তিন আরোহী মহাসড়কের ওপর পড়ে যান। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে মনজুর সরকার ও এহসান হাসান ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং আব্দুল হামিদ গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ী থানার ওসি কে এম আশরাফ উদ্দিন। তিনি বলেন, দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা নিশ্চিত না। তবে ধারণা করছি কোনো গাড়িচাপায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের ফেসবুক আইডি হ্যাক
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্ট ও জেলা প্রশাসকের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ হ্যাক করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। বুধবার (৮ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মতিউর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে একাউন্ট দুটি আনভিজিবল হয়ে আছে। বিষয়টি প্রথমে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। পরে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেন। যদি দুটি একাউন্ট থেকে কোনো বিভ্রান্তিকর পোস্ট বা অন্য কোনো কনটেন্ট প্রকাশ পায় তাহলে তাতে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করেন তিনি।
গাজীপুর মহানগর যুবলীগের ৬ ওয়ার্ডে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের ছয়টি ওয়ার্ডে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।  সোমবার (৬ মে) বিকেলে যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। গাজীপুর মহানগর আওতাভুক্ত ২, ২০, ৩২, ৪১, ৪৯ ও ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের কমিটি দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির চিঠিতে স্বাক্ষর করেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মো. কামরুল আহসান সরকার রাসেল, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম, সুমন আহমেদ শান্ত বাবু ও মো. আলমগীর হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মো. কামরুল আহসান সরকার রাসেল জানান, সোমবার বিকেলে যুবলীগের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমতিক্রমে ছয়টি ওয়ার্ডের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।  তিনি বলেন, প্রতিটি কমিটিতে একজন করে আহ্বায়ক ও তিনজন করে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ওই কমিটিগুলো পুর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।  
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে টাকা ভরতেই নাই হয়ে যাচ্ছে!  
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে টাকা ভরতেই নাই হয়ে যাচ্ছে। দ্বিগুণ, তিনগুণ পর্যন্ত টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। টাকা রিচার্জ করতে করতে গ্রাহকরা এখন দিশেহারা। এমন অভিযোগ টঙ্গীর ডেসকোর গ্রাহকদের।  গ্রাহকরা বলছেন, গত দুমাস ধরে এ অবস্থা চলছে গাজীপুরের টঙ্গীতে। তাদের অভিযোগ প্রিপেইড মিটার থেকে স্বাভাবিকের চাইতে মাত্রাতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে।  তবে এমন অভিযোগের ব্যাপারে স্হানীয় ডেসকো অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, প্রিপেইড মিটারে বিদ্যুৎ বিল ঠিকঠাক মতোই কাটছে। কোনো গন্ডগোল নেই। তবে কেন এভাবে অতিরিক্ত টাকা কাটা হচ্ছে তার সঠিক কারণ ও সমাধান চান ডেসকোর টঙ্গী এলাকার গ্রাহকরা। অনেকে বলছেন, সকালে টাকা ভরলে রাতেই নাই। বিদ্যুৎ ব্যবহার যেন গলার কাটায় পরিনত হয়েছে। এদিকে বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিলের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে চলতি সংসদে নিজ বাড়িতে দ্বিগুণ তিনগুণ বিদ্যুৎ বিল আসার কথা বলেছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সায়েদুল ইসলাম সুমন। টঙ্গীর বাসিন্দা জহিুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগের তুলনায় দুই থেকে তিনগুণ খরচ হচ্ছে। মিটারে টাকা ভরতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কেউ তার কারণ জানে না। ডেসকো কর্তৃপক্ষও কোনো সমাধান দিচ্ছে না। এভাবে চলতে পারে না। আমরা ভুক্তভোগি। খুব কষ্ট হচ্ছে। এভাবে অতিরিক্ত টাকা খরচ করা সম্ভব নয়। দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের অনুরোধ করছি।  আরেক গ্রাহক সোহেব আহমেদ বলেন, ছোট একটা ফ্লাটে আগে এক হাজার টাকা খরচ হতো। এখন দুই থেকে তিন হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। অভিযোগ করেও লাভ হচ্ছে না। দেখার কেউ নাই। আমরা সাধারণ মানুষ, আমরা যাব কোথায়?