Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২২, ৩ মাঘ ১৪২৮
discover

বেসরকারি হাসপাতালে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার ভোগান্তি (ভিডিও)

রোগীর কথা শোনার আগেই দেওয়া হয় পরীক্ষা। বেশির ভাগ পরীক্ষার ফলই আবার ভুল। চিকিৎসক আর ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিকদের কমিশন ভাগাভাগির কারণেই এমন ব্যবসা গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

সরকারি হাসপাতালের আশপাশ জুড়েই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সারি। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগেরই মালিক চিকিৎসক বা কর্মকর্তাদের স্বজন। তেমনই এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেলিভিশন ক্যামেরা দেখেই চিকিৎসকের পড়ি-মরি করে ছুট।

উত্তরার লুবানা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারের বিল বেশি আদায়ের অভিযোগ পুরনো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নীতিকে তোয়াক্কা না করে অনুমতি ছাড়াই করছেন করোনা চিকিৎসা। মারাত্মক ভুল রিপোর্টের অভিযোগও আছে এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে। কেউ চ্যালেঞ্জ করলে আবারও পরীক্ষা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

নিজে মালিক আবার নিজেই টেকনোলজিস্ট। নেই প্যাথলজিস্ট। তবুও চলছে কেরাণীগঞ্জের কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে অবৈধ এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি। দেশের বেশির ভাগ ডায়াগনস্টিক সেন্টারেই নেই প্রয়োজনীয় জনবল। পুরো এলাকা চলে একজনের ওপর ভর করে। তিনি না এলে সই জাল করে রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

রোগ নির্ণয়ে যে হারে পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়, আদৌও তার প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়ে গবেষণা করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বে-নজীর আহমেদ।

তিনি আরটিভি নিউজকে বলেন, ‘পরীক্ষা যতগুলো দেয়, তার বেশির ভাগই অপ্রয়োজনীয়। এই ল্যাবরেটরি ডায়াগনোসিস সিস্টেমটা হলো এমন, আমি চিকিৎসক আপনি আমার কাছে এসেছেন। আমি প্রথমে আপনার একটা ডায়াগনোসিস করব। এটার নাম আমরা বলি প্রোভিশনাল ডায়াগনোসিস। মানে একবারে কনফার্মিটি ডায়াগনোস করতে পারছি না। আমি সবকিছু শুনব ভালো করে। ধরুন, আমি ডায়াগনোস করলাম টাইফয়েড ফিভার, তাহলে আমার টেস্ট হবে শুধু টাইফয়েড ফিভার নাকি ফিভার না। আর কোনো টেস্ট আমার দরকার না।’

প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন নৈরাজ্য চললেও দেখার কেউ নেই। ফলে প্রতিনিয়ত প্রতারিত আর আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

পি/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS