Mir cement
logo
  • ঢাকা শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮

কংক্রিটের নগরীতে একখণ্ড সবুজ মাঠ (ভিডিও)

কংক্রিটের নগরীতে একখণ্ড সবুজ মাঠ। আলাদা ফুটবল ও ক্রিকেট গ্রাউন্ড। বলছি উন্নত বিশ্বের আদলে তৈরি লালবাগের বদলে যাওয়া হাজী আবদুল আলিম খেলার মাঠের কথা। ইট পাথরের নগরীতে মানুষের আকটে থাকা নিঃশ্বাস মুক্ত বাতাসে ছেড়ে মনকে বিকশিত করার লক্ষে এই মাঠের নকশা করেন স্থপতি রফিক আজম। দৃষ্টিনন্দন মাঠটি এরই মধ্যে অর্জন করেছে ডিএনএ প্যারিস ডিজাইন এওয়ার্ড।

এক সময় আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছিল রাজধানীর লালবাগের হাজী আবদুল আলিম মাঠ। এক পাশে শুকানো হতো কাপড় তা আরেক দিকে লেগুনা, রিকশা আর ট্রাক স্ট্যান্ড। চলতো মাদক সেবন।

সেই মাঠে সবুজের ছোঁয়া দিয়েছে সরকারের জল সবুজের ঢাকা প্রকল্প। সবুজ ঘাসের সঙ্গে ফুটেছে বুনো-ফুল। প্রায় ৪ বছরের চেষ্টায় মৃত মাঠে ফিরেছে প্রাণ। নান্দনিক ডিজাইন আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে গেছে মাঠের চেহারা। প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বালুর মাঠ ঢেকেছে ঘাসের চাদরে। হাটার জন্য রয়েছে প্রশস্ত ওয়াকওয়ে। ক্রিকেট গ্রাউন্ড, জিমনেশিয়াম, ফুড কর্নার আর শিশুদের জন্য রাইড।

এদিকে মাদকের অন্ধকার ধোঁয়া সরিয়ে শিশু কিশোরদের উচ্ছলতায় আলোকিত হাজী আবদুল আলিম মাঠ। এখন নিয়মিত হয় ফুটবল আর ক্রিকেট খেলা।

মাঠটি হওয়াতে সুবিধার বিষয়ে সাধারণ মানুষরা বলেন, এই মাঠটি থাকাতে আমাদের হাটার জন্য জায়গা হলো। আর এখানের পরিবেশ অনেক ভালো। আগে আমরা খেলতে পারতাম না। এখন আমরা নিয়মিত ভাবেই খেলতে পারি।

এই মাঠ নিয়ে ডিএসসিসির ২৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক বলেন, মাঠটি সংস্কারের জন্য সিটি করপোরশেন নিলে তা অনেকেই ভালো ভাবে নেয়নি। প্রথম যখন মাঠটি নিয়ে কাজ করেছি অনেক বাধা আসছে। আর এখন মাঠ আর পরিবেশ দেখে সবাই অনেক খুশি।

পরিবেশ নিয়ে স্থপতি রফিক আজম বলেন, এ রকম মাঠ থাকলে পরিবেশ এবং বাচ্চাদের মানসিক ভাবনায় অনেক পরিবর্তন আসে। নগরবাসীর মানসিকতার বিকাশ আর চিত্ত বিনোদনের জন্যই মাঠটির নকশা করা হয়েছে ভিন্ন ভাবে। ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে সবুজায়নের বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ঢাকার মৃতপ্রায় ৩১টি মাঠ আধুনিকায়নের প্রকল্প নেয় দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

জিএম/এসএস

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS