• ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৪, ১৭ বৈশাখ ১৪৩১
logo
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা / খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ পেছালেন আদালত। আগামী ২৫ জুন শুনানির জন্য ধার্য করা হয়েছে। কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক আলী হোসেনের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল আজ বুধবার (২৪ এপ্রিল)। কিন্তু আদালতে হাজির হয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি মুলতুবি রাখার জন্য সময়ের আবেদন করেন তার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৫ জুন নতুন তারিখ ধার্য করেন। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী চারদলীয় জোট সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় গ্যাটকো দুর্নীতি মামলাটি করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।  মামলার ২৪ আসামির মধ্যে ১১ জন এরই মধ্যে মারা গেছেন। মামলার জীবিত আসামিরা হলেন, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আলী, প্রয়াত মন্ত্রী কর্নেল (অব.) আকবর হোসেনের স্ত্রী জাহানারা আকবর, দুই ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন ও এ কে এম মুসা কাজল, এহসান ইউসুফ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য এ কে রশিদ উদ্দিন আহমেদ, গ্লোবাল অ্যাগ্রোট্রেড প্রাইভেট লিমিটেডের (গ্যাটকো) পরিচালক শাহজাহান এম হাসিব, গ্যাটকোর পরিচালক সৈয়দ তানভির আহমেদ ও সৈয়দ গালিব আহমেদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এ এস এম শাহাদত হোসেন, বন্দরের সাবেক পরিচালক (পরিবহন) এ এম সানোয়ার হোসেন ও বন্দরের সাবেক সদস্য লুৎফুল কবীর।
২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৩৪

খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি পেছাল
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা ১১ মামলার অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি ফের পেছানো হয়েছে। অসুস্থতাজনিত কারণে খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করলে সোমবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আগামী ২৯ জুলাই নতুন দিন ধার্য করেন। ১১ মামলার মধ্যে রাজধানীর দারুস সালাম থানায় নাশকতার আটটি, যাত্রাবাড়ী থানার দুটি ও রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলা রয়েছে। এরমধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলা চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য রয়েছে। অপর ১০ মামলা ছিল চার্জ শুনানির জন্য। এসব মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়াও বিএনপির উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন আমানউল্লাহ আমান, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের বিভিন্ন সময়ে মামলাগুলোয় চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলায় খালেদা জিয়াকে পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। পরে খালেদা জিয়া আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
২২ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৪১

‘খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আমি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত’
খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সরকারের সঙ্গে আমি যেকোনো সময় আলোচনায় বসতে প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট বীর বিক্রম ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। শনিবার (২০ এপ্রিল) দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। অলি আহমদ বলেন, ‘আমি বেগম জিয়ার মুক্তি চাই। আমি একজন বীর বিক্রম তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার অনুরোধ খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আপনাদের সঙ্গে যেকোনো সময় আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‌‘খালেদা জিয়ার মতো এতো গুনে গুণান্বিত একজন নারী এবং সর্বজনীন গণতন্ত্রের রূপকার বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিনা দোষে কারাগারে রেখে যে অন্যায় করতেছেন, একদিন আল্লাহর কাছে কী জবাব দিবেন?’ অনুষ্ঠানে এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি নূরুল আলম তালুকদার, ডক্টর নেয়ামূল বশির, ডক্টর আওরঙ্গজেব বেলাল, এড. কে কিউ স্যাকলায়েন, সাবেক ডিসি হামিদুর রহমান খান, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি, আইন সম্পাদক এড. আবুল হাসেম, প্রচার সম্পাদক, এড. নিলু, ঢাকা মহানগর উত্তর এলডিপির সাধারণ সম্পাদক অবাক হোসেন রনি, দক্ষিণের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, পূর্বের সাধারণ সম্পাদক অসিম ঘোষ, গণতান্ত্রিক যুবদলের সভাপতি আমান সোবহান, গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি খালিদ বিন জসিম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মাদ্রাজি, আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক এড. নূরে আলম, কৃষক দলের সভাপতি এবিএম সেলিম এবং সাংস্কৃতিক দলের মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
২০ এপ্রিল ২০২৪, ২০:১২

ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে খালেদা জিয়ার বাসভবনে বিএনপি নেতারা
পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবনে গিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ  নেতারা। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাতে গুলশানের খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় প্রবেশ করেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির সভাপতি অলি আহমেদ।
১১ এপ্রিল ২০২৪, ২১:৩৬

খালেদা জিয়ার হাতে তার জীবনীগ্রন্থ তুলে দিলেন ফখরুল
‘বেগম খালেদা জিয়া : হার লাইফ, হার স্টোরি’ নামে ইংরেজি বই লিখেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ। বইটির বাংলা অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ। বইটির বাংলা নামকরণ করা হয়েছে ‘বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রাম’। বইটি  বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (৬ এপ্রিল) রাত ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবন ফিরোজায় সাক্ষাৎ করে বইটি উপহার হিসেবে বেগম জিয়ার হাতে তুলে দেন ফখরুল। বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়াকে নিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহর লেখা ইংরেজি বইটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ। বইটির একটি সংখ্যা রাতে চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ ও তার স্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য আফরোজা খানম রিতা প্রমুখ।
০৬ এপ্রিল ২০২৪, ২৩:১৯

সরকার খালেদা জিয়ার মৃত্যুর অপেক্ষায় আছে : গয়েশ্বর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সরকার খালেদা জিয়ার মৃত্যুর অপেক্ষায় আছে। যেদিন তার মৃত্যু হবে, সেদিন আর কোথাও না হলেও গণভবনে মিষ্টি বিতরণ করা হবে। সন্ত্রাসী হামলায় আহত নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান শাহীনকে দেখতে সোমবার (১ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যান গয়েশ্বর। পরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।   এ সময় গয়েশ্বর বলেন, চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে সরকার তিলে তিলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।  বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি ছাত্ররাজনীতি চায়। কিন্তু সেটি একদলীয় ছাত্র সংগঠন নয়। জোর করে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা ঠিক হবে না জানিয়ে গয়েশ্বর রায় বলেন, বুয়েটকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সেখানে রাজনীতি উন্মুক্ত হবে কি না। গয়েশ্বর বলেন, সারাদেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের দমন-পীড়ন চলছে, স্বাভাবিক রাজনীতি করা যাচ্ছে না। দমন-পীড়ন করেই সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়।
০১ এপ্রিল ২০২৪, ১৫:৪৯

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি, নেওয়া হচ্ছে হাসপাতালে
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রাতেই হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে তাকে।    বুধবার (২৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব আবদুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা চেয়ে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে। খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ জানিয়ে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণে কমিশনারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে। আবদুস সাত্তার জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করছেন। তবে, এখনও কোনও সিদ্ধান্ত দেননি তারা। বেশ কিছুদিন ধরেই খারাপ যাচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসনের শরীর; ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে শারীরিক অবস্থার।  এর আগে গত ১৩ মার্চ জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যান খালেদা জিয়া। পরে সেখানে তার কিছু শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ১৪ মার্চ গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় ফেরেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই অসুস্থতা জেঁকে ধরে বিএনপি চেয়ারপারসনকে। করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। এরপর বেশ কয়েকবার গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয় তাকে। সবশেষ গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। গত বছরের ২৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স হাসপাতালের তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বাংলাদেশে আসেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য। তাদের চিকিৎসা শুরুর পরই খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে। সে যাত্রায় হাসপাতালে ১৫৬ দিন থেকে গত ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। এরপর থেকে কিছুদিন বিরতি দিয়ে দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে তাকে।
২৮ মার্চ ২০২৪, ০০:৪৮

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ল
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়েছে সরকার। বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত ২৫ মার্চ থেকে তার সাজা স্থগিত কার্যকর হবে। এ সময় তিনি নিজ বাসায় থেকেই চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন না। এর আগে, গত ২০ মার্চ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে আগের দুটি শর্তেই মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হচ্ছে। সে সময় আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে মত দেওয়া হয়। এরপর খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে করা আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়।  ৭৮ বছর বয়সী বিএনপির এই নেত্রী হার্টের সমস্যা, লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। এরইমধ্যে কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। গত বছরের জুনে খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর একটিতে রিং পরানো হয়। উল্লেখ্য, দুর্নীতির দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি হন। এরপর দেশে করোনা শুরু হলে ২০২০ সালের মার্চে নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। তখন থেকে তিনি গুলশানের বাড়িতে রয়েছেন এবং প্রতি ছয় মাস পরপর সরকার থেকে তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।
২৭ মার্চ ২০২৪, ১৮:০১

‘খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে ২৫ মার্চের মধ্যে সিদ্ধান্ত’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার বিষয়ে আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, আমি খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড স্থগিত ও তার বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে যে আবেদনটি করা হয়েছে তা পড়েছি। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে এখনও আমার মতামত দিইনি। আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এর আগে, সোমবার (১৮ মার্চ) আইনমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আবেদনের বিষয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন। আবেদন ও সংশ্লিষ্ট ফাইল তার কাছে সোমবার পৌঁছেছে বলে জানান তিনি। গত ৬ মার্চ আবেদনের চিঠিটি পরিবারের পক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে দেন খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এবিএম সাত্তার। এ বিষয়ে রোববার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, আবেদনপত্রে ম্যাডামের স্থায়ী মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। ম্যাডামের ছোটভাই (শামীম ইস্কাদার) অসুস্থ থাকায় আমি চিঠিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে দিয়েছি। আবেদনপত্রে শামীম ইস্কাদার বলেন, বেগম জিয়ার জীবন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। খালেদা জিয়ার জীবন রক্ষায় দরকার দেশের বাইরে চিকিৎসা। উল্লেখ্য, খালেদা জিয়া হার্টের সমস্যা ও লিভারসিরোসিস ছাড়াও নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। এ ছাড়া আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানান জটিলতা রয়েছে তার। এরই মধ্যে কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি। ২০২২ সালের জুনে খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর একটিতে রিং পরানো হয়। এরপর থেকে কয়েক দফায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি। খালেদা জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের সাজা হয়। সেদিন থেকে তিনি কারাবন্দি হন। ২০২০ সালের মার্চে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার খালেদা জিয়ার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে মুক্তি দেয়। এরপর দফায় দফায় তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ মার্চ।
১৯ মার্চ ২০২৪, ২২:০৯

খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার আবেদনের বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক। গত ৬ মার্চ খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। পাশাপাশি আবেদনে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চাওয়া হয়। সেই আবেদনের বিষয়ে মতামত নিতে সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ প্রসঙ্গে সোমবার (১৮ মার্চ) আনিসুল হক বলেন, চিঠিতে তারা আগের মতোই খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চাচ্ছেন। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) নাগাদ সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। এর আগে, এ দুটি শর্তে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ আটবার বাড়ানো হয়েছে। শর্ত ছিল, ঢাকার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং এই সময়ে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না সর্বশেষ গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ আগামী ২৪ মার্চ শেষ হবে। এবার বাড়ানো হলে নয়বারের মতো খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়বে। প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়া আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস ও চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতা বাড়লে মাঝে মাঝে তাকে হাসপাতালে নিতে হচ্ছে। গত ১৩ মার্চ রাতেও তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন তিনি বাসায় ফিরে যান। দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথমদিকে কারাবন্দি ছিলেন। সরকারের নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে তাকে বাসায় থাকতে দেওয়া হচ্ছে।
১৯ মার্চ ২০২৪, ১২:৩৮
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়