• ঢাকা বুধবার, ০১ মে ২০২৪, ১৮ বৈশাখ ১৪৩১
logo
কেএনএফের আরও ২ সদস্য কারাগারে
পাহাড়ের সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) আরও দুই সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর দেড়টায় বান্দরবান চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক নুরুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিরা হলেন বান্দরবান সদরের সুয়ালক ইউনিয়নের ফারুকপাড়া এলাকার লাংখাম বমের ছেলে মিকাএল বম (৪৩) ও লাইমিপাড়া এলাকার পাকদির সাইলুক বমের ছেলে লাল লুং সাং বম (৪২)। আদালতের উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) পিয়েল পালিত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বান্দরবানের রুমায় ব্যাংক ডাকাতি, মসজিদে হামলা, টাকা ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় করা মামলায় কেএনএফ সদস্য সন্দেহে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে হাজির হয়। পরে বিচারকের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, মসজিদে হামলা, টাকা-অস্ত্র লুট এবং ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের ঘটনায় কেএনএফ সদস্য সন্দেহে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার ৮০ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  
৮ ঘণ্টা আগে

চোর সন্দেহে ৯ তলা থেকে ফেলে রিকশাচালককে হত্যা, কারাগারে ১
রাজধানীর নর্দ্দায় চোর সন্দেহে আটক করা হয় শাকিল (২৫) নামে এক রিকশাচালককে। এরপর হাত, পা, চোখ বেঁধে মারধর করার পর ৯ তলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয় তাকে।  গত বৃহস্পতিবারের (২৫ এপ্রিল) ঘটনা এটি। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান ওই ব্যক্তি। এদিকে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইমরান হোসেন শুভ (২০) নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে ভবন মালিকের ছেলে বলে জানা গেছে।    নিহতের পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মারধর করা হয় শাকিলকে। এরপর রাতে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয় তাকে।  স্থানীয়দের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নর্দ্দার জাহাঙ্গীর সাহেবের বাড়ি নামে পরিচিত একটি বাড়ি থেকে কিছু বৈদ্যুতিক তার চুরি হয় কয়েক দিন আগে। সেগুলোর দাম ছিল প্রায় এক হাজার টাকার মতো। সে সময় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চুরিতে জড়িত একজনকে শনাক্ত করা হয়। তাকে আটক করে মারধর করে চুরির ঘটনায় আর কেউ সম্পৃক্ত কি না এ তথ্য জানতে চান ভবনটির বাসিন্দারা। এ সময় শাকিলের সম্পৃক্ততার কথা জানালে তাকে ডেকে নিয়ে যান তারা। পরে ৯ তলা ভবনটির ছাদে নিয়ে হাত-পা-চোখ বেঁধে মারধর করা হয় তাকে।  তবে চুরির সঙ্গে শাকিলের সম্পৃক্ততা সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে দাবি তার পরিবারের। তাদের ভাষ্য, চুরির অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এর কোনো তথ্য-প্রমাণও নেই। সেদিন রিকশা চালিয়ে ক্লান্ত শাকিল একটি দোকানে বসে চা খাচ্ছিল। সেখান থেকে দুজন ছেলে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে ৯ তলা ভবনের ছাদে নিয়ে হাত-পা-চোখ বেঁধে তাকে মারধর করে ওই বাড়ির লোকেরা। কিন্তু চুরির বিষয়ে কিছুই জানত না সে। তাই যতই মারধর করুক চুরি করা তার কোথায়, সে কথা বলতে পারেনি শাকিল। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে মারধরকারীরা হাত, পা ও চোখ বাঁধা অবস্থায় ছাদ থেকে ফেলে দেয় তাকে।  এ ঘটনায় শাকিলের বাবা আলেক মিয়া বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা করেছেন। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই ভবনের মালিকের ছেলে ইমরান হোসেন শুভকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।   বিষয়টি নিশ্চিত করে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ শাহানুর রহমান বলেন, চুরির সন্দেহে মারধর করে শাকিলকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবার একটি মামলা করেছে। মূল আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হয়েছে। আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত আরও কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।  
২৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৪

ফেসবুকে ধর্ম নিয়ে কটূক্তি, শিক্ষক কারাগারে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তিমূলক পোস্ট শেয়ার করার অভিযোগে করা মামলায় ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ জিকেপি ডিগ্রি কলেজের জীব বিজ্ঞানের শিক্ষক সুনীল চন্দ্র ঘোষকে (৪৮) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে ময়মনসিংহের চিফ জুডিশিয়াল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে বুধবার (২৪ এপ্রিল) শম্ভুগঞ্জ বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম মো. কাইয়ূম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলায় ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুনীল চন্দ্র ঘোষকে গ্রেপ্তার করে।    পুলিশ জানায়, শিক্ষক সুনীল চন্দ্র ঘোষ মুক্তাগাছা উপজেলার মহিষদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সতেন্দ্র ঘোষের ছেলে। তবে বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ নগরীর বাঘমারা এলাকায় বসবাস করতেন।  মামলার বাদী জানান, সম্প্রতি সুনীল চন্দ্র ঘোষ তার ফেসবুক আইডি থেকে একটি লেখা শেয়ার করেন। পরবর্তীতে এই পোস্টের কমেন্টসে ইসলাম ধর্মকে নিয়ে কটূক্তিমূলক কমেন্টস করেন। এরপর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ায় শম্ভুগঞ্জ এলাকার মুসলিমদের মধ্যে মুহূর্তেই চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।     জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি জানতে পেরে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাছুম আহম্মেদ ভূঞার নির্দেশে সুনীল চন্দ্র ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ ফেসবুকে আপলোডকৃত পোস্টের স্ক্রিনশট জব্দ করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সংশ্লিষ্ট মামলায় সুনীল চন্দ্র ঘোষকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।  
২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১৮:৩৪

লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় বিএনপির ৫ নেতা কারাগারে
লালমনিরহাটে শ্রমিক লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলায় বিএনপির ৫ নেতাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৪ এপ্রিল) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেলাল হোসেন এ নির্দেশ দেন। পরে বিকেলেই পুলিশ পাহারায় তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে যাওয়া নেতারা হলেন সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব মণ্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহানুর আলম সুজন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহাগ পাটোয়ারী ও ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম হোসেন। এর আগের দিন মঙ্গলবার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান এ কে এম মমিনুল হক এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর খান লালমনিরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদলতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। এদিকে আবার বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপি নেতাদের কারামুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি। শহরের বিডিআর রোডে জেলা বিএনপির কার্যালের সামনে ওই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও লালমনিরহাট  জেলা বিএনপির সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলুসহ অন্য নেতারা। উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা হরতালে উভয় দলের সংঘর্ষের সময় বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীরসহ কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করে। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীর। এ ঘটনার ৩ দিন পর লালমনিরহাট সদর থানায় ৮১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার কারাগারে পাঠানো আসামিরা এজাহারনামীয় আসামি ছিলেন।
২৪ এপ্রিল ২০২৪, ২৩:৩৭

ট্রান্সকমের ৩ কর্মকর্তা কারাগারে
অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল এবং অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরের অভিযোগে পৃথক দুই মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের তিন কর্মকর্তাকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন- কোম্পানির করপোরেট ফাইন্যান্সের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্যবস্থাপক আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক ও অ্যাসিস্ট্যান্ট কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। বুধবার (২৪ এপ্রিল) তিন দিনের রিমান্ড শেষে পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। এরপর আসামিরা জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে সোমবার (২২ এপ্রিল) বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের জামিন বাতিল করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রশিদুল আলম। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার পূর্বের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শুনানি শেষে আদালত তিন আসামির জামিন বাতিল করেন এবং তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জানা গেছে, রাজধানীর গুলশান থানায় করা মামলায় করপোরেট ফাইন্যান্সের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর মো. কামাল হোসেন। একই থানায় পৃথক মামলায় ব্যবস্থাপক আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক ও অ্যাসিস্ট্যান্ট কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি বাদী হয়ে গুলশান থানায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের মেয়ে শাযরেহ হক। মামলায় কোম্পানির ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল এবং অবৈধভাবে শেয়ার হস্তান্তর করার অভিযোগ আনা হয়।
২৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২৮

স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাবিননামা, কাজি-সহযোগী কারাগারে
চাঁদপুরের কচুয়ায় মুনতাসীর শাকিল নামে এক ব্যক্তির স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করায় কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী মো. মাহমুদুল হাসান ও তার সহযোগী মোহাম্মদ উল্লাহ আশরাফ আদালতে হাজির হলে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে কাজী ও তার সহযোগী মামলার হাজিরা দিতে আসলে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মহসিনুল হক এ আদেশ দেন। কাজী মো. মাহমুদুল হাসান ও তার সহযোগী মোহাম্মদ উল্লাহ আশরাফ কচুয়া উপজেলার বরইগাঁও গ্রামের মৃত মাওলানা আবদুর রবের ছেলে। মামলার বাদী হলেন কচুয়া উপজেলার আইনগীরী নাউলা গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে মুনতাসীর শাকিল। মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৩০ মে মুনতাসীর শাকিল চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় উল্লেখ করা হয়, নাউলা গ্রামের আবদুল হাকিমের মেয়ে লাহিনূর আক্তার লুনা (৩৬) কাদলা ইউনিয়নের কাজী মো. মাহমুদুল হাসান ও তার সহযোগী মোহাম্মদ উল্লাহ আশরাফের যোগাসাজসে মুনতাসীর শাকিলের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া জাল কাবিননামা তৈরি করে। যে কারণে শাকিল মামলা করেন। মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ে পাঠায়। মামলাটি তদন্তের জন্য দায়িত্ব পান পিবিআই উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফ উল্লাহ। তিনি মামলাটি তদন্ত করে ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই মামলার হাজিরা দিতে এলে আসামি কাজী মো. মাহমুদুল হাসান ও তার সহযোগী মোহাম্মদ উল্লাহ আশরাফকে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।   মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রনজিত রায় চৌধুরী, অ্যাড. শেখ আবদুল লতিফ ও অ্যাড. মো. হেলাল উদ্দিন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ।
২৩ এপ্রিল ২০২৪, ২০:৪৫

সনদ বাণিজ্য : কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের স্ত্রী কারাগারে
সনদ বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর খানের স্ত্রী শেহেলা পারভীনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।  মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন। মিরপুর মডেল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সাব-ইন্সপেক্টর জালাল উদ্দিন জানান, এ থানার মামলায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে এদিন সেহেলা পারভীনকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালবাগ গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক আমিরুল ইসলাম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী আবদুর রহমান জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আগামীকাল বুধবার জামিন শুনানির দিন ধার্য করে সেহেলা পারভীনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল সেহেলা পারভীনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। ওইদিন আদালতে পুলিশের দেওয়া রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম এনালিস্ট এ কে এম শামসুজ্জামানকে পরিদর্শন শাখা থেকে কম্পিউটার সেলের সিস্টেম অ্যানালিস্ট হিসেবে পোস্টিংয়ের জন্য সাড়ে ৫ লাখ টাকা এবং পরবর্তীতে জাল সার্টিফিকেট তৈরি করলে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না মর্মে তিন লাখ টাকা সেহেলা পারভীনকে দিয়েছেন। এই মর্মে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এ কে এম শামসুজ্জামান। পরবর্তীতে গত ২০ এপ্রিল (শনিবার) সেহেলা পারভীন জিজ্ঞাসাবাদে একে এম শামসুজ্জামানের নিকট থেকে ৩ লাখ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন ও পোস্টিং সংক্রান্ত সাড়ে ৫ লাখ টাকার কথা কৌশলে এড়িয়ে যান। সেহেলা পারভীনের স্বামী মো. আলী আকবর খান কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হওয়ায় তার স্বামীর দ্বারা ইতোপূর্বে গ্রেপ্তারকৃত আসামি একে এম শামসুজ্জামানকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিন লাখ টাকা গ্রহণ করেছিল বলে স্বীকার করেন। সেহেলা পারভীনের সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আসামি একে এম শামসুজ্জামান নির্ভয়ে জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে দেশব্যাপী বিভিন্ন সার্টিফিকেট প্রত্যাশীদের কাছে বিক্রি করে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আপলোড করেছে। মামলার ঘটনার সঙ্গে আসামি সেহেলা পারভীনের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এর আগে একই মামলায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুজ্জামান, সাবেক কর্মচারী ও বর্তমানে শামসুজ্জামানের সনদ তৈরির নিজস্ব কারখানায় নিয়োজিত কম্পিউটারম্যান ফয়সাল হোসেন, গড়াই সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিচালক সানজিদা আক্তার ওরফে কলি, হিলফুল ফুজুল নামের কারিগরি প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল সরদার গোলাম মোস্তফা ও যাত্রাবাড়ীর ঢাকা পলিটেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক মাকসুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে রিমান্ডে আছেন। গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া গোয়েন্দা-লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) জানান, গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের একাধিক দল ১ এপ্রিল ভোররাত থেকে নজরদারিতে রেখে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিরপুরের দক্ষিণ ও মধ্য পীরেরবাগ এবং আগারগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট একেএম শামসুজ্জামান এবং তার সহযোগী ফয়সাল হোসেনকে গ্রেফতার করে। তিনি বলেন, গ্রেফতারের সময় কাছাকাছি দুটি বাসায় তাদের হেফাজত থেকে একাধিক কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে চুরি করে নেওয়া হাজার হাজার অরিজিনাল সার্টিফিকেট এবং মার্কশিটের ব্লাঙ্ক কপি, তৈরি করা শতাধিক সনদ এবং ট্রান্সক্রিপ্ট, বায়োডাটা ও গুরুত্বপূর্ণ দলিল উদ্ধার করা হয়েছে। এসব কম্পিউটার, প্রিন্টার ও ল্যাপটপ দিয়ে গত কয়েক বছরে পাঁচ হাজারের বেশি আসল সনদ, মার্কশিট বানিয়ে ভুয়া লোকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে জানান ডিসি মশিউর রহমান। এছাড়া সরকারি ওয়েবসাইট, সরকারি পাসওয়ার্ড ও অথরাইজেশন ব্যবহার করে ভুয়া লোকদের কাছে বিক্রি করা সনদগুলোকে বাংলাদেশ সরকারের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। ফলে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যেকোনো দেশে বসে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বরগুলোকে সার্চ করলে সার্টিফিকেটগুলো সঠিক বলে প্রমাণিত হবে। ডিসি মশিউর রহমান জানান, একে এম শামসুজ্জামানের বাড়ি দিনাজপুরে। তিনি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট হিসেবে যোগদান করেছেন ২০০৯ সালে। বর্তমানে তার পদ সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার বিভিন্ন থানার আনাচে-কানাচে অবস্থিত কারিগরি বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়গুলোতে পড়ালেখা করা হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন, রোল নম্বর, সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি, সেগুলোকে নির্দিষ্ট সার্ভারে আপলোড দেওয়া, ভেরিফিকেশন নিশ্চিত করা, কম্পিউটার সিস্টেম কোড সংরক্ষণ গোপনীয়তা বজায় রাখাসহ বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সকল প্রকার ডিজিটালাইজেশন এবং কম্পিউটারাইজেশন মূল দায়িত্ব তার কাঁধে। সিস্টেম অ্যানালিস্ট হওয়ার কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতি বছর কত হাজার পরীক্ষার্থী এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছে, কতজন ফরম ফিলআপ করে রোল নম্বর পেয়েছে, কতজন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি আবার কতজন কৃতকার্য ও অকৃতকার্য হয়েছে তার সব তথ্যই শামসুজ্জামানের কাছে থাকতো। এ বিশাল তথ্যভাণ্ডার, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্তৃপক্ষ, সিস্টেম কোড ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লাখ লাখ টাকার সনদ ও মার্কশিট বাণিজ্য করেছেন শামসুজ্জামান এবং তার সহযোগীরা। ডিবির এ কর্মকর্তা আরও জানান, ২০১৭ সালেও মার্কশিট ও সনদ বিক্রির অভিযোগে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট প্রকৌশলী একে এম শামসুজ্জামানকে সাময়িকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়। কিন্তু উচ্চ আদালতের মাধ্যমে আবার চাকরিতে পুনর্বহাল হয়ে তিনি এ পর্যন্ত পাঁচ হাজার সনদ-মার্কশিট বিক্রি করেছেন বলে স্বীকার করেছেন।
২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১৮:২৫

লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে
লালমনিরহাটে আলোচিত শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম মমিনুল হক এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর খানকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।  সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে জেলা দায়রা জজ মিজানুর রহমান এ আদেশ দেন। এর আগে দুপুরে লালমনিরহাটে অতিরিক্ত দায়রা জজ মিজানুর রহমানের আদালতে শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত বিএনপি ৯ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে দুই জনের জামিন না মঞ্জুর করেন আদালত। জানা যায়, গত বছরের ২৯ আগস্ট বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা হরতালে উভয় দলের সংঘর্ষে আহত হন শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীরসহ অনেকে। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। উক্ত ঘটনার ৩ দিন পর লালমনিরহাট সদর থানায় ৮১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত পরিচয়ের ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। 
২২ এপ্রিল ২০২৪, ১৭:৪৮

ঘোড়াঘাটের পৌর মেয়রসহ বিএনপির ৪ নেতাকর্মী কারাগারে
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার মেয়র, জেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলনসহ বিএনপির চার নেতাকর্মী নাশকতার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুরে দিনাজপুর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গিয়াস উদ্দিনের আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিরা হলেন- উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মাহবুব চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন ও সাবেক উপজেলা ছাত্রদল নেতা সোহেল প্রধান। আদালত সূত্রে জানা যায়, ঘোড়াঘাট উপজেলায় গত বছর জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও এবং অগ্নিসংযোগ করে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।  সরকারবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করে। আসামিরা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। রোববার (২১ এপ্রিল) তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২১ এপ্রিল ২০২৪, ২২:০০

বিএনপি-জামায়াতের ৩০ নেতাকর্মী কারাগারে
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় নাশকতার পৃথক দুটি মামলায় বিএনপি ও জামায়াতের ৩০ জন নেতাকর্মীকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর আগে এ দুটি মামলায় ৩২ জন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। পরে দুজনের জামিন মঞ্জুর করা হয় আর বাকিদের জামিন নামঞ্জুর করেন বিচারক। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে দিনাজপুর দায়রা জজ আদালতের বিচারক যাবিদ হোসেন এ নির্দেশ দেন। জামিন না পাওয়া নেতাকর্মীরা হলেন- ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী শামীম হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ মিয়া, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আল মামুন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম রেজা, ঘোড়াঘাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শহীদ পারভেজ, উপজেলা জামায়াতের আমির মোফাসায়ের ইসলাম মোল্লা, পৌর জামায়াতের আমির সেলিম মিয়া, গোলাম রব্বানী, আব্দুর রহিম, আলমগীর হোসেন, মাহফুজুর রহমান লাভলু, মনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মিঠু সিদ্দিক, ইবাদুর রহমান ইদুয়ার, আব্দুল মান্নান মন্ডল, সাইফুল ইসলাম, বেলায়েত হোসেন, আনোয়ার হোসেন, খোরশেদ আলম, মনিরুল ইসলাম, মিঠু, চান মিয়া, মাহফুজুর রহমান, তোজাম্মেল হক, আতিয়ার রহমান, শাহারুল ইসলাম, শাহিন মিয়া, পলাশ, হাছিবুল ইসলাম ও আল রাজিব। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর এবং একই সালের ১২ নভেম্বর আসামিরা সংঘবদ্ধ হয়ে নাশকতার চেষ্টা করেন। ওই সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করে ও নাশকতার জন্য ব্যবহৃত লাঠিসোঁটা ও বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়। এ দুই মামলায় আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন।  
১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১৬:১২
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়