• ঢাকা শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১
logo
ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হত্যা, নির্বাচন স্থগিত
নরসিংদীতে প্রতিপক্ষের হামলায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিহত
নরসিংদীর রায়পুরায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণায় যাওয়ার সময় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুমন মিয়াকে (৪২) পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২২ মে) দুপুরে উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের মিরেরকান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। নিহত মো. সুমন মিয়া (৪২) নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন নাসুর ছেলে। তিনি রায়পুরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তালা প্রতীকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। নিহত সুমন মিয়ার সমর্থকরা জানান, বুধবার দুপুরে রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলীতে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণসংযোগ করতে যান ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন মিয়া। পাড়াতলী ইউনিয়নের মিরেরকান্দী পৌঁছলে তার প্রতিপক্ষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আবিদ হাসান রুবেল ও তার সমর্থকদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় রুবেলের সমর্থকরা সুমন মিয়াকে পিটিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সন্ধ্যার দিকে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  মো. সাফায়েত হোসেন পলাশ বলেন, ঘটনা শুনে পাড়াতলী ইউনিয়নে অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে আসা হয়। তবে ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
নরসিংদীতে সহিংসতায় আহত ১০
নরসিংদীতে বালু ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ 
নরসিংদীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত
চর আড়ালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হলেন মাসুদা জামান
রায়পুরায় ট্রাক্টর-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১ 
নরসিংদীর রায়পুরায় ট্রাক্টর ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন।  রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে মহেষপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের মান্নান মাস্টারের বাড়ির সামনে নীলকুঠি-আলগী আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক নিতাই চন্দ্র দাস।   নিহত মোটরসাইকেল চালকের নাম মো. মাহবুব মিয়া (২২)। তিনি মানিকনগর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে। এ সময় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ইব্রাহিম (১৮) আহত হয়েছেন। তাকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  স্থানীয়রা জানান, আলগী থেকে মোটরসাইকেলে চেপে ২ তরুণ বাড়ি ফিরছিলেন। তারা মানিকনগর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক্টরের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় মোটরসাইকেলের চালক ছিটকে পড়ে ট্রাক্টরের সামনের চাকার চাপায় গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে মো. মাহবুব মিয়ার মৃত্যু হয়।  রায়পুরা থানার এসআই নিতাই চন্দ্র দাস বলেন, এ বিষয়টি সকালে জানতে পারি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাক দেওয়ায় নারী চিকিৎসকের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন
নরসিংদীতে লতা আক্তার (২৭) নামে এক নারী চিকিৎসকের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছেন তার সাবেক স্বামী। আগুনে ওই চিকিৎসকের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে জেলার রায়পুরা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। ওই চিকিৎসকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক লতার খালু মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে লতা নারায়ণগঞ্জে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত। দুই বছর আগে খলিলুর রহমান নামের এক ছেলেকে ভালোবেসে বিয়ে করেন লতা। বিয়ের পর জানতে ওই ছেলে একজন ড্রাইভার। এরপর তাকে তালাক দেয় লতা। এরই জের ধরে বাসায় এসে লতার গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পালিয়ে যান খলিলুর। লতার প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতাল, অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়। ওই নারী চিকিৎসকের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. তরিকুল ইসলাম। বর্তমানে তাকে জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা বিষয়টি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জকে জানিয়েছি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, নরসিংদীর রায়পুরা থেকে এক নারী চিকিৎসক দগ্ধ হয়ে এসেছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রায়পুরায় র‌্যাবের ৩ সদস্যকে কুপিয়ে আসামি ছিনতাই
নরসিংদীর রায়পুরায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র‌্যাবের উপর হামলা করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা  র‌্যাবের তিন সদস্যকে কুপিয়ে আহত করে ইউনুস আলী (৪০) নামে এক মাদক মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের সোনাকান্দী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত ইমরান হোসেন (৩৫) নামে  র‌্যাব-১১ এর এক কনস্টেবলের নাম পাওয়া গেলেও বাকিদের তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার র‌্যাব-১ ও নরসিংদীর র‌্যাব-১১ এর একটি যৌথ দল মাদকবিরোধী অভিযানে নিলক্ষা ইউনিয়নের সোনাকান্দি এলাকায় যায়। এসময় নিলক্ষা ইউনিয়নের সোনাকান্দী গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ইউনুস আলীকে (৪০) আটকের পর নিয়ে আসার সময় তার আত্মীয় স্বজন ও তার পক্ষের লোকরা ব্যারিকেড দিয়ে র‌্যাব সদস্যদের উপর হামলা করে তাকে ছিনিয়ে নেয়। এসময় হামলাকারীদের কোপে র‌্যাবের কনস্টেবল ইমরান হোসেনের হাতের আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আরো দুই র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামসুল আরেফিন বলেন, র‌্যাবের  মাদকবিরোধী অভিযানে আসামি ধরে নিয়ে আসার সময় তাদের উপর হামলা হয়েছে। এতে তিন র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যে র‌্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে আটক পুলিশ সদস্য
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মাহমুদাবাদে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল ইমন মিয়াকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীর করা ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  জানা গেছে, কনস্টেবল ইমন উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর নগর এলাকার মাহে আলমের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত এবং দুই সন্তানের জনক। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে রায়পুরা থানায় একটি ধর্ষণের মামলা করেন।  মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দেড় বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইমনের সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীর। এরপর তাদের মধ্যে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে ওই তরুণীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন ইমন। সম্প্রতি দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি দেখা দেয়। গত রোববার দুপুরে দেখা করতে প্রেমিকার বাড়িতে আসেন তিনি। পরে পুনরায় শারীরিক মেলামেশা করতে চাইলে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন ওই তরুণী। এ সময় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা মিলে ইমনকে আটক করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইমন আমার সঙ্গে একাধিকবার মেলামেশা করেছে। এখন সে আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। এ ঘটনায় আমি ইমনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছি। রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক আবদুল হালিম বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর মামলায় অভিযুক্ত ইমনকে প্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।