logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭

আরামেই দিন কাটছে সম্রাট-জি কে শামীমের (ভিডিও)

আপেল শাহরিয়ার, আরটিভি নিউজ
|  ২১ জুলাই ২০২০, ২১:২৯ | আপডেট : ২১ জুলাই ২০২০, ২২:৫৭
বিলাসী জীবনের ছোঁয়া কারাগারেও। ঠিকানা কারাগার হলেও বহাল তবিয়তে আছেন হাসপাতালে। করোনা দুর্যোগে প্রশাসনের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের এসি রুমে মাসের পর মাস, বেশ আরাম আয়েশেই দিন কাটাচ্ছেন ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার আলোচিত যুবলীগ নেতা সম্রাট ও বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীম। চিকিৎসকরা তিনমাস আগে নিয়ে যাওয়ার সুপারিশ করলেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পৌঁছায়নি। অভিযোগ উঠেছে, অসুস্থতার অজুহাতে কোনও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই বাড়তি সুবিধা ভোগ করছেন তারা। 

বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে এলোমেলো জনজীবন। আর এই সুযোগে ধামাচাপা পড়েছে ক্যাসিনোকাণ্ড। তবে কারাগারের বাইরে কি, আর ভেতর কি। ক্ষমতার দাপট বলে কথা। ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির ঘটনায় ২০১৯ সালের অক্টোবরে গ্রেপ্তার হন যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। পরদিনই চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এক সপ্তাহ পর মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার আসামি সম্রাটকে নেয়া হয় কাশিমপুর কারাগারে। 

২৪ নভেম্বর বুকে ব্যথার কথা বলে কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শে আবারও তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে সম্রাটের অনুসারীরা তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  সম্রাটও স্বপ্ন দেখছেন তার হারানো সাম্রাজ্য ফিরে পাওয়ার। 

বিএসএমএমইউ এর হৃদরোগ বিভাগের অধ্যাপক ডাক্তার চৌধুরী মেশকাত আহম্মেদ বলেন, তাৎক্ষনিক যে সমস্যাটা হচ্ছে, তার যে হৃদরোগ সমস্যা তা আমরা ওষুধ দিয়ে ঠিক করতে পারি নাই। আমরা তাদের বলছি, তাকে এমন কোথাও নেয়া হোক যেখানে তার ভালো হৃৎস্পন্দন সমস্যার চিকিৎসা হয়।

অন্যদিকে, অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন বহুল আলোচিত ঠিকাদার জি কে শামীম।  একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনিও। অভিযোগ আছে, বেশিদিন হাসপাতালে থাকার অজুহাত হিসেবে, শামীম তার ভাঙা ডান হাতের ক্ষতস্থান থেকে প্লেট সরাতে রাজি নন। 

জেল কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা নিয়মিত আসামিদের চিকিৎসার খোঁজ রাখছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেলে তাদের ফেরত আনা হবে। 

এ বিষয়ে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা বলেন, যেসব কারাবন্দিদের স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে  হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় আমরা প্রতিনিয়ত তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা জানতে চাই, তারা সুস্থ হয়েছে কিনা। সুস্থ হলে আমরা তাদের হাসপাতাল থেকে কারাগারে নিয়ে আসি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ডক্টর ইফতেখারুজ্জামান বলেন, চিকিৎসার নামে একধরণের ভিআইপি ট্রিটমেন্ট প্রদান করা হয়। এটি কিন্তু বাংলাদেশে এই প্রথম নয়। আসামিদের অনৈতিক সুযোগ দেয়া এক ধরনের দুর্নীতি।  

এ অবস্থায় বিতর্কিত ব্যক্তিদের অসুস্থতা যাচাইয়ের প্রয়োজন মনে করছে টিআইবি। 
আরও পড়ুন: 

এসএ/ এসএস

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ২৭৪৫২৫ ১৫৭৬৩৫ ৩৬২৫
বিশ্ব ২১৩৮৩৯৭৯ ১৪১৬৬৫৯১ ৭৬৪০৫১
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর সর্বশেষ
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর পাঠক প্রিয়