logo
  • ঢাকা শনিবার, ৩০ মে ২০২০, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু ২৮ জন, আক্রান্ত ১৭৬৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ৩৬০ জন, নমুনা পরীক্ষা ৯৯৮৭টি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ভালো দামের আশায় সাভারের ফুল চাষিরা

জিয়াউর রহমান (স্টাফ রিপোর্টার), সাভার
|  ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৭:৪৪
ভালো দামের আশায় সাভারের ফুল চাষিরা
লাল গোলাপ

এ যেন প্রকৃতির এক অপরূপ রূপের স্বর্গরাজ্য। অবারিত সবুজের বুকে ফুটে থাকা লাল গোলাপের সমারোহে নান্দনিক এক সৌন্দর্যের পরশ ছড়াচ্ছে সাভারের বিরুলিয়া সাদুল্লাহপুরের গোলাপ গ্রাম। প্রকৃতির বুকে ফুটে থাকা লাল গোলাপের সৌন্দর্য উপভোগে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা।

অনাবাদী ও পরিত্যক্ত উঁচু নিচু লাল মাটির বুকে কৃষক পরিবার সযত্নে গড়েছেন গোলাপ বাগান। গোলাপ চাষকেই বেছে নিয়েছেন জীবন-জীবিকার অবলম্বন হিসেবে। বছর জুড়ে যেনতেন ভাবে চললেও ভালোবাসা দিবস, ১লা ফাল্গুন আর ভাষা দিবসকেই ঘরে বহুগুণে বেড়ে যায় ফুলের চাহিদা। ফুলের বাড়তি সেই চাহিদা পূরণে ব্যস্ত গোলাপ চাষিরাও অপেক্ষায় রয়েছেন ভালো দামের আশায়।

গোলাপ গ্রামের গোলাপ চাষি মো. ফকির চাঁন ফুল চাষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত। ফুল বাগানের আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলছে তার পরিবারের জীবন-জীবিকা। পরিবারের সকলের মৌলিক চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক অস্বচ্ছলতার থেকে বেরিয়ে এসেছেন। ফুল বিক্রি করে সারাবছরের খরচ মিটিয়ে বাড়তি সঞ্চয় থাকায় বেশ ভালো আছেন বলে জানান তিনি।

গোলাপ গ্রামের রাসেল নামে আরেক তরুণ যুবক বলেন, বিশেষ দিবস ছাড়া সারা বছর এক একটি গোলাপ এক থেকে দেড় টাকায় বিক্রি হলেও বছরের এই সময়টি বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি মাসে ফুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় বেশ ভালো দাম পান তারা। ১লা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস ও মাতৃভাষা দিবসে বছরের এই তিনটি দিবসে তারা এক একটি গোলাপ ১০ থেকে ১৫ টাকা বিক্রি করতে পারেন।


 
জানা যায়, লালমাটির উঁচু নিচু পরিত্যক্ত ও অনাবাদী জমিতে তিন দশক আগে প্রথম গোলাপের চাষ শুরু হলেও সাভার উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়ন আজ পরিচিত গোলাপ গ্রাম হিসেবে। ইউনিয়নটির বাগ্নীবাড়ী, মইস্তাপাড়া, কাকাব, সামাইর, সাদুল্যাপুর, শ্যামপুর, আকরানসহ অন্যান্য গ্রামগুলোর ২৫০ হেক্টর জমিতে চাষিরা করেছেন গোলাপ চাষ। সবুজের বুকে ফুটে উঠা গোলাপের সৌন্দর্য মুগ্ধ নয়নে উপভোগে বন্ধু-বান্ধব ও প্রিয়জনদের নিয়ে উপভোগে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। বয়সের ভেদাভেদ ভুলে নিজেদের মতো করেই মেতে উঠেছেন আনন্দ উপভোগে।

ফুলচাষি মো. আজমত আলী জানান, তারা লাল গোলাপ, মেরিন্ডা, হাজারি, লিংকন, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জারবেরার চাষ করেন। তবে বাজারে লাল গোলাপের চাহিদা বেশি।

সাভার উপজেলা কৃষি অফিসার নাজিয়াত আহমেদ জানান, গোলাপের অত্যধিক চাষ হওয়ায় পুরো ইউনিয়নটি গোলাপ গ্রাম হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। সারা বছর ২০/২৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রি করেন চাষিরা। তবে, শুধুমাত্র বসন্ত বরণ, ভালোবাসা দিবস আর ভাষা দিবস- এই তিনটি দিবস উপলক্ষেই চাষিরা তিন কোটি টাকার বেশি টাকার ফুল বিক্রি করেন।

এ বছর ফুলের ফলন ভালো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমরা গোলাপের ব্যাপারে বিশেষভাবে তদারকির কাজ করছি। কৃষকের যেকোনও প্রয়োজনে আমরা পরামর্শ ও সরেজমিনে গিয়ে গাছের পরিচর্যার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পরামর্শ দিয়ে থাকি।  

এজে

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৪৪৬০৮ ৯৩৭৫ ৬১০
বিশ্ব ৫৯০৬২০২ ২৫৭৯৮৭৭ ৩৫২০২৪
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর সর্বশেষ
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর পাঠক প্রিয়