logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১১ মাঘ ১৪২৭

চা-চাষে সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে দেশের উত্তরের জেলা নীলফামারীতে (ভিডিও)

চা×জমি×সিলেট×নীলফামারী×বাংলাদেশ×
ছবি সংগৃহীত
চা-চাষে সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে দেশের উত্তরের জেলা নীলফামারীতে। কিশোরগঞ্জ উপজেলার কেশবা, নিতাই ও বাড়িমধুপুর এলাকার কয়েকজন গড়ে তুলেছেন চা বাগান। এক বছরের মাথায় বাগান থেকে তুলছেন চা-পাতা। তবে কোম্পানিগুলোর কাছে পাতা বিক্রি করে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশ উৎপাদনকারীরা।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ২০১৪ সালে মাত্র ৩০ শতাংশ জমিতে চারা রোপনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয় চা বাগানের। পর্যায়ক্রমে উপজেলা পরিষদের চার একর জমিতে চা বাগান করা হয়।

সেটি দেখে উদ্বুদ্ধ হন জাহাঙ্গীর আলম ও আখতারুজ্জামানসহ বেশ কয়েক। বর্তমানে এ জেলায় ৫০ একর জমিতে চা-গাছের চাষ করা হচ্ছে। সাথী ফসল হিসেবে বাগানে রোপণ করা হয়েছে সুপারি গাছ। এসব বাগানে কাজ করে আর্থিক সচ্ছলতা এসেছে শ্রমিকদের।

চা শ্রমিকরা বলেন, গ্রামে যখন ছিলাম খুব অভাব ছিল। এখন এখানে কাজ করে খুব ভালো আছি। প্রতিদিন ৩০০ টাকা করে মজুরি পাই। এতে সংসার ভালো চলছে।

তবে প্রক্রিয়াজাত কারখানা না থাকায় চা-পাতা বিক্রি নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয় বাগান মালিকদের। তাই নীলফামারীতে সরকারিভাবে কারখানা প্রতিষ্ঠার দাবি তাদের।

বাগান মালিকরা বলেন, দূরত্বের কারণে কেজি প্রতি ২ টাকা করে বাড়তি খরচ হয়। আমাদের এই অঞ্চলে যদি একটি চা প্রসেসিং সেন্টার হতো তাহলে খুব ভালো হতো। 

নীলফামারীর মাটি ও আবহাওয়া চা গাছ আবাদের জন্য অনুকূল হওয়ায় ব্যাপক সম্ভাবনা দেখছেন এ কর্মকর্তা।

বাংলাদেশ চা বোর্ড এর ঊর্ধ্বতন খামার সহকারী জায়েদ ইমাম সিদ্দিকী বলেন, সিলেট অঞ্চলে পাঁচ বছরে যে চা পাতা উৎপাদন হয়। সেখানে কিশোরগঞ্জ উপজেলাতে তা এক বছরে উৎপাদন হয়। 

সরকারি বেসরকারি সহায়তা পেলে নীলফামারীতে চা-বাগানের মাধ্যমে ঘুচবে বেকারত্ব আর একইসঙ্গে আসবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সবার।

জিএম/ এমকে

RTV Drama
RTVPLUS