Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ১৩ জুন ২০২১, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৮:৫৩
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:১৯

গর্ভধারণ ছাড়াও যেসব কারণে মাসিক দেরিতে হতে পারে

গর্ভধারণ×মাসিক×বেশিরভাগ×ছয়×সপ্তাহ×দেরি×পেছন×নারী×
ছবি সংগৃহীত

সাধারণত প্রতি ২৮ থেকে ৩৫ দিন পর পর একজন নারীর পিরিয়ড বা মাসিক হয়ে থাকে। ১২ থেকে ৫৫ বছর বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে এমনটিই হয়ে থাকে।

প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারীর নিয়মিত ও সময়মতো মাসিক হওয়াটা সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। তা যদি অনিয়মিত হয়ে পড়ে, তার মানে হয়তো শারীরিক কোনও সমস্যা আছে।

এক্ষেত্রে কোনও অসুস্থতা শরীরে ভর করছে কিনা বা জীবনচর্চায় কোনও ক্ষতিকর অভ্যাস যুক্ত হয়েছে কিনা, তার দিকে নজর দেওয়া উচিত। পিরিয়ড দেরিতে হওয়ার পেছনে সাধারণত যে বিষয়গুলো দায়ী তা জেনে রাখুন-

আরও পড়ুন : ঘুম থেকে উঠেই হাঁটা যাবে কী?

মাসিক কতোটা দেরি হলে তাকে ‘লেট’ বলা যায়? বেশিরভাগ মাসিকের চক্র একই থাকে। তবে এক সপ্তাহ দেরি হওয়াটা স্বাভাবিক বলেই ধরা যায়। যেমন একজন নারীর মাসিক হয় ২৫ দিন পর পর। কোনও এক মাসে ৩০ দিন বা ৩১ দিন পর তার মাসিক হতেই পারে। আট দিন বা তার বেশিদিন দেরি হলে তাকে ‘লেট’ বলে গণ্য করতে পারেন।

দেরি হওয়ার কারণ

বেশ কিছু কারণে পিরিয়ড সাময়িক বন্ধ থাকতে পারে বা দেরি হতে পারে। যেমন-

গর্ভাবস্থা: পিরিয়ড দেরি হলে প্রথমেই নিশ্চিত হোন আপনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন কিনা।

বয়স: টিনেজ বয়সী ও মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পেছনের কারণটি হলো হরমোন।

স্টেস: লম্বা সময়ে স্ট্রেসে থাকলে অনেকেই মাসিক দেরিতে হতে পারে।

আরও পড়ুন : ঘরে থাকা মসলাতেই কমবে অনাকাঙ্ক্ষিত ওজন

আর্লি প্রেগন্যান্সি লস: একজন নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তা জানতেন না। এরপর নিজে থেকেই তার মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় সাধারণ পিরিয়ডের তুলনায় কিছু দিন পর ভারী রক্তপাত হতে পারে, যাকে অনেকেই দেরিতে মাসিক হওয়া বলে ধরে নেন।

কম ওজন: ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে। এমনকি কিছুদিন বন্ধও থাকতে পারে।

ফাইব্রয়েডস: জরায়ুতে টিউমার ধরনের এক ধরনের বৃদ্ধি হলো ফাইব্রয়েডস। এগুলো পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রকে বাধা দিতে পারে।

হরমনাল বার্থ কন্ট্রোল: জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা। যেমন-পিল, প্যাচ, ইনজেকশন, আইইউডি। এগুলো ব্যবহার করলে পিরিয়ড লেট হওয়া বা পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক।

আরও পড়ুন : নিয়মিত এলাচ চা পানের জাদুকরী উপকারিতা

স্বাস্থ্য সমস্যা: মনোনিউক্লিওসিস, ঠান্ডা, সর্দি, গলার ইনফেকশন- এ ধরনের সমস্যায় পিরিয়ড লেট হতে পারে। তবে বড় কোনও স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন থাইরয়েডের বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও পিরিয়ড লেট হতে দেখা যায়।

সূত্র: ভারতীয় গণমাধ্যম জি ২৪

জেবি

RTV Drama
RTVPLUS