Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

ঈদ সামনে রেখে প্রস্তুত করা হচ্ছে ফিটনেসহীন লঞ্চ (ভিডিও)

ঈদকে সামনে রেখে প্রস্তুত করা হচ্ছে অনেক ফিটনেসহীন লঞ্চ। রঙের প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে জরাজীর্ণ চেহারা। কালবৈশাখী ঝড়ের মৌসুমে ঈদ হওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন এসব লঞ্চকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে। বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান জানান, ঈদে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো লঞ্চ চলতে দেওয়া হবে না।

এম ভি মানসী-৭ লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাট থেকে বরিশালের গৌরনদী-টরকী রুটে চলাচল করে। ৪০ মিটার দীর্ঘ ও সাত মিটার প্রস্থের জরাজীর্ণ এই লঞ্চটি ২০০১ সালের তৈরি। ঈদে যাত্রী পরিবহনের জন্য এখন ঢাকার কেরানীগঞ্চ ডকইয়ার্ডে লঞ্চটি ঘষেমেজে চকচকে করা হচ্ছে।

লঞ্চটির সংশ্লিষ্ট একজন বলেন, ইনশাল্লাহ ঈদের আগে নামাতে পারব। ঈদের স্পেশাল বা বিভিন্ন ট্রিপ দেওয়ার জন্য লঞ্চের ডকিং করাচ্ছি। বিভিন্ন অংশে মেরামত করাচ্ছি।

মানসী-৭ লঞ্চের মতো বহু লঞ্চের মেরামত কাজ চলছে কেরানীগঞ্চ ডকইয়ার্ডে। ঈদের আগে কাজ শেষ করতে হবে, তাই শ্রমিকদের যেন দম ফেলার ফুসরত নেই।

ত্রুটি মেরামত করে অনেক লঞ্চ রং করা হচ্ছে। আবার বেশি লাভের আশায় সংস্কার না করেই কোনো কোনো নৌযানে রঙের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। ফলে কালবৈশাখীর মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানগুলো চোখ এড়িয়ে যাত্রী পরিবহনে নেমে পড়বে।

আরেকজন বলেন, এখন ওভাবে ডক করা হয়নি। ছোটখাটো যে বিষয়গুলো আছে, একটু সাজানোর জন্য, মানুষকে আকর্ষণের জন্য রং করছি।

অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কতৃর্পক্ষ বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান জানান, ফিটনেসহীন লঞ্চকে ঘাটে ভিড়তে দেবেন না তারা।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডোর গোলাম সাদেক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান বলতে আমাদের যে ছোট নৌযান ছিল নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ রুটে আমরা এখন বন্ধ রেখেছি। আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বন্দর থেকে অনুমোদনহীন লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার কথা না। পাঁচটি মনিটরিং টিম কাজ করছে।

সম্প্রতি ত্রুটিযুক্ত ৯টি লঞ্চের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নৌপরিহবহন অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।

প্রতিবছরই ঈদ এলে জরাজীর্ণ লঞ্চগুলোকে এভাবে রঙের প্রলেপ দিয়ে চকচকে করে যাত্রী পরিবহন করা হয়। কিন্তু বাস্তব অবস্থা হলো 'ওপরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট'। এমন ঝুঁকিপুর্ণ ও জরাজীর্ণ লঞ্চগুলো শনাক্ত করে চলাচল বন্ধ করা না গেলে নৌ দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS