Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮

সংক্রমণের হার বাড়ার আশঙ্কা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের (ভিডিও)

সংক্রমণের হার বাড়ার আশঙ্কা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের (ভিডিও)
ঈদে ঘরে ফেরা মানুষদের ভিড় বাস কাউন্টারে

ঈদের আগে লকডাউন শিথিল করা এবং কয়েক লাখ মানুষের গ্রামে যাতায়াতের কুফল বোঝা যাবে, দুই সপ্তাহ পরে। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াতের ফলে সংক্রমণের হার বাড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সামলানো কঠিন হবে। শুধু লকডাউন দিয়ে নয়, সংক্রমণের হার কমাতে ৭০ ভাগ মানুষকে টিকাদান ও জেলা উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

বিপুল সংখ্যক মানুষের এই চিত্র ঈদের আগের। ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন শিথিল হওয়ায় তারা ঢাকা ছেড়ে যান। আবার অনেকেই ফেরেন রাজধানীতে। বিটিআরসির তথ্য মতে, ঈদুল আজহার ছুটিতে ঢাকা ছাড়েন ১ কোটি ৫ লাখ মানুষ, ফিরেছেন ৮ লাখ। সড়ক, নৌ ও রেলপথে এই যাতায়াতে তেমন একটা স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির এই পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খুরশিদ আলম।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদুল ফিতরের পর দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি সীমান্তবর্তী এলাকার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ঢাকাতেও ছড়িয়ে পরতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, ১৪ দিন পরেও যদি লোকজন ঢাকায় ফিরতে শুরু করে। তখন গ্রামে যদি আমরা সংক্রমণ না থামাতে পারি। তাহলে তারা অনেকেই সংক্রমণটা নিয়ে ঢাকায় ফিরবেন বা বিভিন্ন শহরে যাবেন।

বিএসএমএমইউ রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ বলেন, ঈদের সময় এতো মানুষের সমাগমের ফলে ৩-৪ সপ্তাহ পর করোনা শনাক্তের হার আরও বেড়ে যাবে সেই ভয় তো থাকেই।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুধু লকডাউন দিয়ে কাজ হবে না। দেশের অধিকাংশ মানুষকে টিকা দিতে হবে এবং মাস্ক পড়াসহ সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ আরও বলেন, কখনোই লকডাউন ছাড়া সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে নিয়ে আসা সম্ভব না। দ্বিতীয়তো হলো এই লকডাউনটা সত্যিকার অর্থে কার্যকর হচ্ছে না। ১৬ কোটি মানুষের ৮০ ভাগ মানুষকে টিকা দেয়া চাট্টিখানি কথা না। আমরা এখন মাত্র কয়েক শতাংশ দিয়েছি। সুতরাং এটা অনেক লম্বা পথ। আর মাস্ককে আমাদের জীবনের অংশ করতে হবে।

জেলা উপজেলায় করোনা রোগীকে প্রাথমিক অবস্থায় হাসপাতালের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারলে মৃত্যুহার কমানো যাবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

বিএসএমএমইউ রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ আরও বলেন, যে মানুষগুলো মারা যাচ্ছে এর একটা বিশাল অংশ ঢাকার বাইরের। এরা শুরুতে কিন্তু হসপিটালে, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কেন্দ্র কোথাও যায় না। এরা ঘরেই থাকে। গা ছাড়া ভাব, কিছু্ হবে না। ফলে মৃত্যুর হার বেড়ে যাচ্ছে।

এসজে/পি

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS