Mir cement
logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

খান আলামিন, আরটিভি নিউজ

  ১২ জুলাই ২০২১, ১২:২২
আপডেট : ১২ জুলাই ২০২১, ১৪:৪২

আদালতের নির্দেশনায় গতি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তদের অক্সিজেনের চাহিদা (ভিডিও)

আদালতের নির্দেশনায় গতি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তদের অক্সিজেনের চাহিদা
আদালতের নির্দেশনায় গতি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তদের অক্সিজেনের চাহিদা

হাইকোর্টের নির্দেশনার পর গতি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে বুয়েট উদ্ভাবিত 'অক্সিজেট' নামক স্বল্পমূল্যের সি-প্যাপ ভেন্টিলেটর ডিভাইস অনুমোদন প্রক্রিয়া। এরই মধ্যে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর একটি কমিটি করেছে। দ্রুতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কমিটি প্রধান। এটি উৎপাদনে ভারতের রিলায়েন্স গ্রুপ আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে করোনায় চারদিকে অক্সিজেনের জন্য হাহাকার। অনেক হাসপাতালেই নেই পর্যাপ্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন সুবিধা। এই সংকট মোকাবেলায় এগিয়ে আসে বুয়েটের একদল তরুণ গবেষক। তৈরি করে অক্সিজেট নামক স্বল্পমূল্যের সি-প্যাপ ভেন্টিলেটর ডিভাইস যেটি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই মিনিটে ৬০ লিটারের বেশি অক্সিজেন দিতে পারে। খরচ কেবল ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা, যেখানে হাই ফ্লো নেসাল কেনুলার দাম দুই থেকে ৫ লাখ টাকা।

দুই ধাপে ট্রায়াল শেষে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানালে অনুমোদনে বাঁধ সাধে নিয়মনীতি। বুয়েট উৎপাদক নয় প্রয়োজন তাই মানসম্মত উৎপাদক। দেশে এমন প্রতিষ্ঠান হলো জেএমআই, এএনসি, গেট ওয়েল, ইনসেপ্টা মেডিকেল ডিভাইস। তাদের সাথে আলোচনা হয় কিন্তু সাড়া মেলেনি। কারণ দামে কম মানে ভালো ফলে মুনাফার সুযোগ কম। তাই অনুমোদন প্রক্রিয়া এগোয়নি।

ফেসবুকে হতাশা জানিয়ে পোস্ট করেন গবেষক দলের প্রধান। সার্বিক বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনেন এক আইনজীবী। দেশীয় উদ্ভাবনের পৃষ্ঠপোষকতা না করায় হতাশ হয় উচ্চ আদালত। সঙ্গে কিছু নির্দেশনা দেয়। এরই প্রেক্ষিতে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয় গবেষক দল। অনুমোদন চায় বুয়েটের ল্যাবে অক্সিজেট উৎপাদনের।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহযোগী অধ্যাপক ড. তওফিক হাসান বলেন, যারা এটার পিছনে ইনভেস্ট করবে তাদের চিন্তা থাকবে করোনা চলে গেলে এটা আসলে কতোটুকু কাজে লাগবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহযোগী অধ্যাপক ড. তওফিক হাসান আরও বলেন, আমরা আবেদন করেছি ৭ জুলাই। এখন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ব্যাপারটি যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছেন। নড়ে বসেছে অধিদপ্তরও। কমিটি হয়েছে। বুয়েট ল্যাব পরিদর্শন করেছে কমিটি। শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা করি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার অনীক আর হক বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার হবে আমাদের টেকনোলজি দিয়ে আমাদের দেশের লোককে সাহায্য না করে যদি ভারতের কোনো কোম্পানির থেকে করে। তার পরে যদি ওখান থেকে আমাদের এখানে ফেরত নিয়ে আসতে হয়।

একই বিষয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন জানান, এটা নিয়ে আমরা খুব দ্রুত কাজ করছি।

এসজে/পি

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS