Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ৯ আষাঢ় ১৪২৮

’কুয়েতে কেউ মা'রা গেলে প্রাপ্য আদায়সহ ম'রদেহ দেশে পাঠানো হবে’

কুয়েতে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কুয়েত প্রবাসী সাংবাদিকরা

কুয়েত প্রবাসীদের সব ধরনের সমস্যা সমাধানে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত। প্রবাসীদের আকামা জটিলতা, অপরিশোধিত বেতন, পাসপোর্ট সেবা, কন্সুলার সেবা, কর্মক্ষেত্রে কোম্পানি বা স্পন্সরের সঙ্গে সমস্যাসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে দূতাবাস প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। প্রবাসী সংবাদকর্মীরা কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতকালে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন...ফ্ল্যাটে আটকে রেখে মডেলকে দিনের পর দিন ধ’র্ষণ

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য দেশের প্রবাসীদের মতো কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, ব্যবসা-বাণিজ্য গুটিয়ে রীতিমতো নিঃস্বও হয়েছেন অনেকে। এমনকি দেশে ছুটিতে গিয়ে আকামার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় অনেকে কুয়েতের কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি।

এছাড়াও বর্তমানে ষাটোর্ধ বয়সী প্রবাসী বাংলাদেশিদের দীর্ঘদিনের কর্মস্থলে থাকা নিয়েও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান (এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসিজি) কুয়েত প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু কর্ম-পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন কুয়েত প্রবাসী সংবাদকর্মীদের সঙ্গে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি সংবাদকর্মীদের পক্ষে আ.হ. জুবেদ, শরিফ মিজান ও মোহাম্মদ হেফজু কুয়েত প্রবাসীদের নানা সমস্যা লিখিত ও মৌখিকভাবে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতের কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি আসামিদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাদের কারামুক্ত করে দেশে পাঠানোর জন্য লিখিত একটি আবেদন গ্রহণ করেন রাষ্ট্রদূত।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, যারা আমিরি ক্ষমা পেয়েছিলেন তাদের অনেককেই দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাকি যারা দেশে যেতে পারছেন না তাদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। স্থানীয় আইনি জটিলতা থাকলে সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্নেরও আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত।

আরও পড়ুন...কনডম ব্যবহারে আগ্রহ নেই ৯৭% নারী ও ৮৭% পুরুষের

প্রবাসী সংবাদকর্মীরা রাষ্ট্রদূতের কাছে আবেদন করেন যে, প্রবাসীরা মারা গেলে তাদের লাশ দেশে প্রেরণ, মৃত প্রবাসীর প্রাপ্য আদায়ে সহযোগিতা ও প্রত্যেক লাশের সঙ্গে দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি শোকবার্তা প্রবাসীর স্বজনকে পাঠানোর জন্য।

রাষ্ট্রদূত বিষয়টি শুনে অত্যন্ত গুরুত্ব-সহকারে উক্ত আবেদন গ্রহণ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ভিসা বাণিজ্য বন্ধ ও কুয়েতে আসার পর বাংলাদেশি শ্রমিকরা যাতে আকামা জটিলতা, কাজের সমস্যা, আবাসন সমস্যাসহ ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন না হন সেজন্য দূতাবাস পর্যাপ্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS