logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

অস্বচ্ছল শিল্পীদের ফান্ডের টাকা নিয়েছেন ফেরদৌস-রিয়াজ?

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৬:৩৫
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি
আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এফডিসি কেন্দ্রিক উষ্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান অভিযোগ করে বলেন, গত বছর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আয়োজনে নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কে একটি কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। এতে অনেক তারকাই অংশ নেন। মূলত অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য তহবিল গঠন করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কথা ছিল কনসার্টের অর্থ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ফান্ডে জমা হবে। কিন্তু পারিশ্রমিক হিসেবে সেখান থেকে ৫০ হাজার করে টাকা নেন ফেরদৌস, রিয়াজ ও পপি।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে এসব কথাগুলো বলছিলেন জায়েদ খান। আসছে ২৫ অক্টোবর শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের আগে সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক চলছে। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছেন তাদের কমিটিরই সহ-সভাপতি রিয়াজ ও কার্যনিবাহী সদস্য ফেরদৌস আহমেদ।

জায়েদ খান বলেন, অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে আর্থিক অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য আট লাখ টাকার ফান্ড করেছিলাম। অনেকেই বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে রাজি হননি। অন্যরা টাকা নিতেই পারেন কমিটির সদস্য হয়ে পারিশ্রমিক নেন কীভাবে।

এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিয়াজ গণমাধ্যমে বলেন, ঘটনা হলো নারায়ণগঞ্জের সেই শোটি ছিল ৮ লাখ টাকা বাজেটের। তারমধ্যে ৪ লাখ টাকা শিল্পী সমিতির ফান্ডে জমা হয়েছে। আর বাকি চার লাখ টাকা যারা পারফর্ম করেছে তাদের দেয়া হয়েছে। সেটা কিন্তু পারিশ্রমিক হিসেবে নয়। ড্রেস ও অন্যান্য বাবদ। আর তা নির্ধারণ করা হয়েছে সবাই মিলেই। তো আমি, ফেরদৌস ও পপি যদি ৫০ হাজার করে দেড় লাখ টাকা নিয়ে থাকি বাকি আড়াই লাখ টাকা কোথায়? সেগুলো কে নিয়েছে?’

এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর শনিবার চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশনার। এর মধ্যে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলামের প্রার্থীতা বাতিল হওয়ায় এ পদে জ্যাকি আলমগীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদের বিপরীতে কোনও প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

অন্যদিকে, নির্বাচনে ১৮টি পদের জন্য ২৭ জন প্রার্থী হয়েছেন। এবার সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মিশা সওদাগর ও মৌসুমী। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জায়েদ খান ও ইলিয়াস কোবরা।

এম

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়