Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮

কোভিডের কী সাধ্য পয়লা বৈশাখের প্রাণশক্তিকে চাপা দেয়: জয়া আহসান

কোভিডের কী সাধ্য পয়লা বৈশাখের প্রাণশক্তিকে চাপা দেয়: জয়া আহসান
জয়া আহসান

আজ পহেলা বৈশাখ। গত কয়েক বছরে বাংলা নববর্ষ 'জাতীয় উৎসবে' রূপ নিয়েছে। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে গত বছর সেই চিত্র ছিল না। এবারও লকডাউনের কারণে সর্বজনীনভাবে হচ্ছে না পহেলা বৈশাখ উদযাপন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে সীমিত পরিসরে প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ ১৪২৮। করোনা সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত এক সপ্তাহের লকডাউনের শুরুর দিন উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুরনো বছরের মতো পহেলা বৈশাখ উদযাপন না করতে পারলেও ভক্তদের উদ্দেশ্যে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

ইনস্টাগ্রামে ভিডিও পোস্ট করে দেয়া জয়ার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

'কোভিডের দুঃসময় আমরা পার হইনি। চারদিকে বিষণ্নতা আর মৃত্যু। কিন্তু দুঃসময়ই যে মানুষের শেষ কথা নয়, সে কথা জানাতেই তো বাংলা নববর্ষের আগমন।

করোনার বিস্তারে গত বছরের নববর্ষে আমরা সংযত থেকেছি। প্রত্যাশা করেছি, পরের নববর্ষে দুর্যোগের গাঢ় মেঘ মাথার ওপর থেকে সরে যাবে। এবারে কোভিড আরও জোরেসোরে ফিরে এসেছে। কিন্তু কোভিডের কী সাধ্য পয়লা বৈশাখের প্রাণশক্তিকে চাপা দেয়! মানুষকে পরাস্ত করা কি এতই সহজ! কত যুদ্ধ, মন্বন্তর, মারি পেছনে ফেলেই না এত দূর এগিয়ে এসেছে মানুষ।

মানুষ মানে এগিয়ে যাওয়া। ঘোর অন্ধকার আসে, তাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে চলো, সবাই হাত ধরে— পয়লা বৈশাখ ঠিক এই কথাটিই সবসময় বলে এসেছে।

আমরা সতর্ক আর নিরাপদ থাকব, নিজেদের সুস্থ রাখার জন্য সবকিছু করব, সবার জন্য দু হাত বাড়িয়ে রাখব, মনকে ভরে রাখব আলোয়। নববর্ষের কচি রোদ আমাদের সবার মুখের ওপরে।

এই বছর প্রথমবারের মত বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ফেসবুক একটি বিশেষ অগমেন্টেড রিয়ালিটি ইফেক্ট তৈরি করেছে। মনে হচ্ছে যেন সবার সাথেই মঙ্গল শোভাযাত্রায় বেরিয়েছি। শখ করে আলপনা দিয়েছি গালে। করোনা থেকে বাঁচতে মুখে আবার মাস্কও আছে! দুঃসময় পেরিয়ে আমাদের এই পথ চলাতেই আনন্দ। শুভ নববর্ষ।'

এনএস

RTV Drama
RTVPLUS