• ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

জুভেন্টাস ছাড়তে পারেন রোনালদো!

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ২০ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:৪৪ | আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৯, ১০:৪১
ছবি- সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আয়াক্সের কাছে পরাজয়ের পর দল ছাড়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে জুভেন্টাস তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। জুভিদের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে উঠতে ব্যর্থ হন দলের সেরা তারকা রোনালদো। এর আগে রিয়ালের হয়ে প্রতিটি মৌসুমেই সেমিতে খেলেছিলেন রোনালদো। 

রোনালদো আসার পর পুরো জুভেন্টাসই তার উপর নির্ভরশীল হয়ে দাঁড়িয়েছে যেমনটা মেসির উপর নির্ভরশীল বার্সেলোনা। আয়াক্সের বিপক্ষে রোনালদোর উপর ভরসা করেই মাঠে খেলেছে পুরো জুভেন্টাস দল। গত বুধবার ইতালিয়ান সংবাদপত্র করিয়েরে দেল্লা সেরা জানিয়েছিলেন এ মৌসুমেই নাকি জুভেন্টাস ছাড়তে চাইছেন সিআরসেভেন। 

অথচ চলতি মৌসুমেই চার বছরের চুক্তিতে জুভেন্টাসে এসেছিলেন তিনি। ফলে ২০২০ সাল পর্যন্ত তুরিনে থাকার কথা পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর। বিশেষ করে তার পেছনে জুভেন্টাসের বিনিয়োগ চিন্তা করলে তো সেটা অসম্ভবই মনে হয়। অন্য একটি ইতালিয়ান পত্রিকা লা রিপাবলিকা জানিয়েছে, এ মৌসুমে না গেলেও পরের মৌসুমেই জুভেন্টাস ছাড়বেন রোনালদো, চুক্তির শেষ পর্যন্ত রোনালদোর জুভেন্টাসে থাকার সম্ভাবনা নেই। পরের মৌসুমই হয়তো ইতালিতে তার শেষ মৌসুম হবে।

রোনালদোর পেছনে ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি বিনিয়োগ করেছে জুভেন্টাস। এখন এ ধরনের সংবাদে দুশ্চিন্তা জাগতেই পারে তুরিনে। ঘরোয়া লিগে জুভিরা ফুটবলে শাসন করলেও ইউরোপিয়ান মঞ্চে সাফল্যের দেখা পাচ্ছিল না। সর্বশেষ ৪ মৌসুমের মধ্যে ২ বার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে ব্যর্থ। সেই দুবারই জুভিরা হারে স্পেনের দুই জায়ান্ট বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের কাছে। তাই তো চ্যাম্পিয়নস লিগকে সামনে রেখে রোনালদোকে কিনেছিল তুরিনের বুড়িরা। চুক্তি বাবদই ঢেলেছে ১১২ মিলিয়ন ইউরো। এর সঙ্গে বিশাল অঙ্কের বেতন, নানা রকম বোনাস, সাইনিং মানি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা মিলিয়ে ৩৪ বছর বয়সী রোনালদোর পেছনে তাদের মোট বিনিয়োগ ৩৪১ মিলিয়ন ইউরো।

চ্যাম্পিয়নস লিগ স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় রোনালদোর পেছনে ঢালা জুভেন্টাসের পুরো বিনিয়োগকেই তাই গচ্চা মনে করছেন ফুটবলবোদ্ধারা। কথাটা এক অর্থে ঠিকই। কারণ, শুধুমাত্র এই চ্যাম্পিয়নস লিগের জন্যই রোনালদোকে কিনেছে তারা।

এদিকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন রোনালদো। রোনালদো কান্না লুকাতে পারেননি মা মারিয়া ডলোরেস ডস স্যান্তোস অ্যাভিওরোর কাছে। তাদের কথোপকথন নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে একাধিক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম।

মারিয়া ডলোরেস বলেন, ম্যাচের পর রোনালদো আমার কাছে এসেছিল। ওর মন অত্যন্ত খারাপ ছিল। ভীষণভাবে ফাইনালে যেতে চেয়েছিল ও। আমাকে বলল, মা চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু অকল্পনীয় কিছু করতে পারিনি। আমাকে ক্ষমা করে দিও।

এএ/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়