logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২৩:২২

‘দেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ হওয়া বাকি ছিল’

মুমিনুল হক

অধিনায়কত্বের ভার কতটা বেশি সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন মুমিনুল হক। ২০১৯ সালে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের এক বছর নিষেধাজ্ঞায় পড়ার পর তড়িঘড়ি করেই মুমিনুলের কাঁধে চেপে দেয়া হয় গুরু দায়িত্ব।

মুমিনুলের অধিনায়কত্বের শুরুতে গত ২০১৯ সালের অক্টোবরে ভারতের কাছে হোয়াইটওয়াশ হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এরপর পাকিস্তানে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলে, সেখানেও হার। ঘরের মাঠে কেবল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি জয় গত বছর মার্চে।

এরপর লম্বা সময় করোনা বিরতির পর উইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুটি টেস্ট খেলে দুটোতেই হেরেছে বাংলাদেশ।

ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ শেষে মুমিনুল জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে বিদেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ পাওয়ার পর এবার দেশের মাটিতেও সেই তেতো স্বাদ পেতে হলো তাকে।

‘বিদেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশের অভিজ্ঞতা ছিল। দেশের মাটিতে বাকি ছিল, সেটাও হয়ে গেছে। দল যখন হারে, তখন তা অবশ্যই হতাশার। হয়তো এরপরও কিছু ইতিবাচক ব্যাপার থাকবে। আমাদের উন্নতির এখনও অনেক বাকি আছে। যেগুলো করলে হয়তো আমরা ভবিষ্যতে টেস্ট জিততে পারব দেশে ও দেশের বাইরে।’

করোনা বিরতির লম্বা সময় পর নতুন করে শুরু করতে গিয়েও বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে।

‘অধিনায়ক হিসেবে আমি সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। করোনাভাইরাসের জন্য লম্বা সময় কোনো টেস্ট খেলাই হয়নি। এক বছর পর আমরা টেস্ট খেলেছি। যদিও এটা কোনো অজুহাত নয়, কিন্তু আমার জন্য এটা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং ছিল। অধিনায়ক হিসেবে সব কিছু বুঝে উঠা, কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া।’

বিরতি পড়ে যাওয়ায় ফেরাটা চ্যালেঞ্জিং হলেও ধীরে ধীরে সব ঠিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক।

‘টেস্ট খেলায় যদি লম্বা বিরতি পড়ে, তখন খেলাটা কঠিন। যদিও এটাকে অজুহাত হিসেবে দেখালে পরাজিতের মতো চিন্তা হয়ে যাবে। কিন্তু এটা আমার জন্য একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিছুদিন পরপর টেস্ট খেললে কাজটা সহজ হয়ে যায়। বিরতি পড়লে কঠিন হয়ে ওঠে।’

এমআর/

RTV Drama
RTVPLUS