Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

দেড়শ কোটি টাকার স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা অকার্যকর (ভিডিও)

দেড়শ কোটি টাকার স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা অকার্যকর (ভিডিও)

সমন্বয়হীনতা আর প্রক্রিয়ার গলদের কারণে কাজে আসছে না দেড়শ’ রাজধানীর কোটি টাকার স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা। নগর কর্তৃপক্ষ আর ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়ের অভাবে ১০৯টি স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল বাতির প্রায় সবগুলোটিই এখন অকার্যকর। দিনরাত সিগন্যাল বাতি জ্বললেও যানবাহন চলছে হাতের ইশারায়।

ট্রাফিক শৃঙ্খলার জন্য অতিপ্রয়োজনীয় সিগন্যাল বাতিগুলো যেন রাজধানীর সড়কের শোপিসে পরিণত হয়েছে। লাল বাতি জ্বললে যানবাহন চলছে তো সবুজ বাতিতে দাঁড়াচ্ছে। বেশির ভাগ মোড়েই এখন এই অবস্থা।

অথচ, রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশেনের প্রকল্পের আওতায় রিমোট কন্ট্রোলারসহ ১০৯টি স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল বাতি স্থাপনের কাজ শেষ হয় ২০১৯ সালে। তিন বছরেও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মোড় ছাড়া রাজধানীর বেশির ভাগ রাস্তায় যানবাহন চলছে ট্রাফিক পুলিশের হাতের ইশারায়।

এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য বলেন, অনেকে মানেন, আবার অনেকে মানেন না। এ জন্য আমাদের কষ্ট করা লাগে।

দায়িত্বরত ট্রাফিক সদস্যও মনে করে সিগন্যাল বাতি কাজে লাগানো গেলে সহজ হতো ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা।

এক ট্রাফিক সার্জেন্ট বলেন, সেটা আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে। এখনও সেই এনালগ পদ্ধতিতে সিগনালটা খুব কষ্ট। মানুষ অনেক সময় বুঝেও না। সিগন্যাল হলে আমাদের জন্য খুব সহযোগিতা হবে বলে আমরা আশা করি।

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ট্রাফিক বিভাগের হলেও সিগন্যাল বাতি ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণ করে নগর কর্তৃপক্ষ। ফলে সমন্বয়ের ঘাটতি শুরু থেকেই।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয় এই লাইটগুলো লাগানোর জন্য। যে টেন্ডার নেবে, কাজটি পাবে, তাদের সুবিধা। সেই ডিপার্টমেন্টের সুবিধা। এই সুবিধার জন্য মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব এগুলো লাগানোর। ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব হলো ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা। আমাদের এখানেই শুধু এই সমস্যা। পৃথিবীর কোথাও এ সমস্যা হয় না।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান বলেন, অনেকসময় সমন্বয়হীনতার বিষয় থাকে। আমাদের জিনিসটা তো ইনস্ট্যান্ট দরকার, সিটি করপোরেশন ওই সময় প্রয়োজনীয় লোকবল দিতে পারে না। তখন ওই জায়গায় সেবাটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে যখন আলোচনা হয়েছে- যেহেতু ট্রাফিক সিস্টেম ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, কাজেই এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় জনবল ট্রাফিক পুলিশের হাতে দিলে একহাতে কাজটা সমন্বিতভাবে এগোবে।

সিগন্যাল বাতি কার্যকর হলে সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা যে সহজ হয়, তার উদাহরণ রয়েছে গুলশানসহ রাজধানীর কয়েকটি মোড়ে।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

এনএইচ/এসএস/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS