Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

অকেজো ডেমো ট্রেন, ভাঙারির দোকানেও বিক্রির উপায় নেই (ভিডিও)

দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইন মেরামত না করে রেলের বহরে একের পর এক যোগ হচ্ছে নতুন ইঞ্জিন আর কোচ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় চলছে নৈরাজ্য আর অরাজকতা। অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে নারাজ রেলের কর্তাব্যক্তিরা।

তথ্যমতে, সিলেট-আখাউড়া রেলওয়ে সেকশনের মৌলভীবাজার অংশের অধিকাংশ রেল সেতুর বয়স শতবছরের ওপরে। জয়েন্টগুলোও ঢিলেঢালা, প্রতিনিয়ত চুরি হচ্ছে ক্লিপ, নাটবল্টু। ভাঙা স্লিপারও চোখে পড়ে। বাজেটের ঘাটতি না হলেও, বাড়েনি যাত্রী সেবার মান, যার কারণে ছোট-বড় মিলিয়ে ২০২০ সালে ১৫টি রেল দুর্ঘটনা ঘটে। ঝুঁকিপূর্ণ রেল লাইনের পেছনে কর্তৃপক্ষের নানা গাফিলতি রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এ ছাড়া দেশের অনেক জেলার স্টেশনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় কোটি কোটি টাকার সরঞ্জাম পড়ে আছে। সরকারি টাকায় কেনা এসব পণ্য নষ্ট হলেও দেখার যেন কেউ নেই।

এদিকে বছরের পর বছর রাজধানীর কমলাপুর পড়ে আছে ২০ সেট ডেমো ট্রেন। ৬৫৪ কোটি টাকা খরচে এগুলো কেনা হয়। তবে মেরামতের সরঞ্জাম না থাকায় এবং চুক্তি ছাড়া কেনাকাটা করায় অকেজো ট্রেনগুলো আজ ভাঙাড়ির দোকানেও বিক্রির উপায় নেই। আর যে ৩০ কর্মকর্তা ডেমো ট্রেন কিনতে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি কোন আইনি পদক্ষেপ।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ডক্টর ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, রেললাইন মেরামত না করে কেনাকাটা আর নতুন নতুন প্রকল্পে মনোযোগ বেশি রেল মন্ত্রণালয়ের।

তিনি বলেন, রেলখাতে যাত্রীসেবা থেকে শুরু করে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের অনিয়ম ও অরাজকতার নৈরাজ্য বিরাজ করছে। যারা এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সেটি করতে না পারলে অরাজকতা আরও বিস্তার লাভ করবে।

রেলের সার্বিক ব্যবস্থপনার অনিয়ম নিয়ে রেলমন্ত্রী, রেলের ডিজিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া মেলেনি।

আরএ/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS