Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

নেই ব্রেকলাইট-সাইড ইনডিকেটর, তবুও রাস্তায় রাজত্ব! (ভিডিও)

রাজধানীর রাস্তায় রাজত্ব করছে লক্কড়-ঝক্কড়, রংচটা, ঝুঁকিপূর্ণ গণপরিবহন। বেশির ভাগ বাস-মিনিবাসের নেই ব্রেকলাইট কিংবা সাইড ইনডিকেটর। কোনোটির জানালা নেই, বাম্পার বেঁধে রাখা হয়েছে দড়ি দিয়ে। ভেতরের পরিবেশ আরও ভয়াবহ। অপরিচ্ছন্ন আর ভাঙা সিট, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অথচ, আইন অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ যান চলানো দণ্ডনীয় অপরাধ।

ব্রেকলাইট, ইনডিকেটর কিংবা সাইড মিররের মতো অতি প্রয়োজনীয় অংশ ছাড়াই চলছে বেশির ভাগ টাউন সার্ভিস। রংচটা চেহারা বলে দেয় অন্যদের ধাক্কা আর ঘসা দেওয়াই এর স্বভাব। এবড়োথেবড়ো শরীর সড়ক শৃঙ্খলার রুগ্ণ দশার প্রতীক।

দেখা যায়, মিরপুর ১২ নম্বরে যাত্রীর অপেক্ষায় দাঁড়ানো বাসটির দেহ যেন খসে পড়ছে। ভেতরে গা ঘিনঘিনে পরিবেশ। সিটগুলো তেল চিটচিটে, এখানে ওখানে লেগে আছে ময়লা। চালক ও হেলপাররা জানান, গাড়ির মেশিন ঠিক করা হলেও এর কাঠামো সচরাচর ঠিক করা হয় না।

নকশা ভেঙে আসন সংখ্যা বাড়ানোয় সিটে বসে পা রাখাই দায়। বিকল্প না থাকায় সব মেনে নিয়েই চলতে হয় সাধারণকে।

যাত্রীরা জানান, লোকাল বাসের সার্ভিস খুব নিম্নমানের, বাস মালিকদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

অথচ, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-তে বলা আছে, ফিটনেসবিহীন ঝুঁকিপূর্ণ যান চালানোর শাস্তি ২৫ হাজার টাকা, ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড। তাহলে এসব যানবাহন ফিটনেস সনদ পাচ্ছে কীভাবে?

বিআরটিএ ও পরিবহন মালিক সমিতি জানান, তারা কোনো অনিয়মের পক্ষে নেই। বরং যাদের গাড়ির ফিটনেস নেই তোদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নজরদারির অভাবেই ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন পথে নামার সাহস পায়।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ জানান, গণপরিবহনগুলোতে আমাদের দেশে ফিটনেস সার্টিফিকেট রয়েছে, কিন্তু আসলে ফিটনেস নেই, ফলে যাত্রীরা ঝুঁকির মধ্যে থাকে।

রাজধানীসহ এর আশপাশের বিভিন্ন স্থানে চলতি বছর এ পর্যন্ত প্রায় ১৯০টি সড়ক দুর্ঘটনায়, ১৯৭ জনের প্রাণহানি ও ১৮৭ জন আহত হন। এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ ফিটনেসবিহীন ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন।

ইজে/এসএস/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS