Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

ফিরতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রবাসীরা (ভিডিও)

ফিরতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রবাসীরা 
ফিরতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রবাসীরা 

বাংলাদেশি প্রবেশে বাধা না থাকলেও ৬টি দেশ ছাড়া সব দেশের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখায় বিপাকে পড়েছেন দেশে আসা প্রবাসীরা। নির্ধারিত সময়ে ফিরতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। সব দেশে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রাখার কারণ নেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, শ্রমিকদের কথা বিবেচনা করে বাকি দেশগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

কঠোর লকডাউন ঘোষণার পর সব দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয় সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। এরপর দেশে আসা প্রবাসী শ্রমিকদের চাপে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সবশেষ চীনের সঙ্গে বিশেষ ব্যবস্থায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়। তবে ওমানের ফ্লাইট আবারও বন্ধ হওয়ার মুখে।

এই ৬টির বাইরে বেশিরভাগ দেশে বাংলাদেশিদের প্রবেশে বাধা না থাকলেও ফ্লাইট বন্ধ থাকায় বিপাকে দেশে আসা প্রবাসীরা। মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসে এখন চাকরি হারানোর শঙ্কায় অনেক প্রবাসী। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

কর্মস্থলে ফিরতে না পারার বিষয় নিয়ে প্রবাসীরা বলেন, মালয়েশিয়া থেকে একটি নির্দেশনা আছে আমরা যেতে পারবো। তাহলে বাংলাদেশ থেকে আমাদের যেতে দিচ্ছে না কেনো। আমরা মালয়েশিয়া যেতে চাই।

এ সমস্যা নিয়ে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, অনেক দেশে যেতে মানা নেই। সুতরাং আমরা যদি এসব দেশে না যেতে পারি, তাহলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে। শ্রমিকরা যদি না যেতে পারে তাহলে তারা অন্যদেশ থেকে শ্রমিক নিবে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ বাংলাদেশি যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। তবুও কেন সিভিল এভিয়েশন ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত রেখেছে, তা বুঝে উঠতে পারছি না।

একই বিষয় নিয়ে সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, প্রতিবেশি দেশগুলো থেকে কাউকে যেতে দিচ্ছে না। কিন্তু আমাদের যেতে দিচ্ছে কারণ তাদের আস্থা আমাদের ওপর আছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জিএম/পি

RTV Drama
RTVPLUS