logo
  • ঢাকা সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

‘রাজউকের কর্তাব্যক্তিদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে’ (ভিডিও)

ছবি আরটিভি নিউজ।
সবুজ ঢাকা গড়ে তোলার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়নে নেই তেমন কোনও উদ্যোগ। রাজধানীতে গড়ে উঠা কিংবা চলমান সরকারি আবাসিক প্রকল্পে আজও করা হয়নি সামাজিক বনায়ন। এভাবে আগামীর সবুজ ঢাকা বাস্তবায়ন আদৌ সম্ভব কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবিদরা।

পূর্বাচল নতুন শহর। রাজধানী ঢাকার অদূরে গড়ে তোলা হচ্ছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নতুন এক শহর। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে এই প্রকল্পের কাজ চললেও এখনও সবুজ শহর গড়ে তোলার কোনও উদ্যোগ চোখে পড়েনি এ মেগা আবাসিক প্রকল্পে।

পুরো প্রকল্পের সড়কের কাজ প্রায় শেষ করা হলেও সড়কের ধারে কোনও বৃক্ষ রোপণ করা হয়নি। যা দেখা যাচ্ছে তা প্রাকৃতিকভাবেই জেগে উঠা গাছের সারি। অথচ প্রকল্পের শুরু থেকে যদি সড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ করা হতো, তাহলে গেলো দশ-পনেরো বছরে পূর্বাচল প্রকল্প সারাবিশ্বে একটি আদর্শ প্রকল্প হিসেবে পরিচিতি লাভ করতো বলে মনে করেন নগরবিদরা।

তারা বলেন, যে সব প্রকল্পে সরকারের সংস্থাগুলো যুক্ত রয়েছে সেই সমস্ত জায়গা উদাহরণ হতে পারতো বেসরকারি হাউজের জন্য। অন্যদিকে খেয়াল করে দেখবেন হাতিরঝিল প্রকল্প যখন করা হয় তখন কিন্তু গাছ লাগানো হয়েছে। এখন হাতিরঝিলে গিয়ে দেখতে পাবেন অনেক গাছ রয়েছে। আমরা কিন্তু সেই সময় লাগিয়ে ছিলাম যখন ভূমি ছিলো।

আরেক নগরবিদ বলেন, নগরায়নের নামে বা জনবসতি বিস্তারের নামে যদি পানি জলাভূমি ও সবুজকে ধ্বংস করা হয়। তাহলে কিন্তু আমরা নিজেদের অস্তিত্বের ওপর আঘাত করছি।  তবে গাছ যে লাগাতে হবে এই বিষয়টি নিয়ে হয়তো তারা চিন্তাই করে নাই তবে এটি যদি থাকে তাহলে ভালো হবে। 

একই অবস্থা রাজধানীর আরেক মেগা আবাসিক প্রকল্প, উত্তরা তৃতীয় পর্বের। এখানকার প্লট বরাদ্দ ও সড়কের কাজ শেষে বিশাল বিশাল ভবনও নির্মাণ করা হয়েছে কিন্তু সবুজায়নের উদ্যোগ নেই।

নেই লেকের পাড় ধরে বৃক্ষরোপণেরও কোনও উদ্যোগ। এ ব্যাপারে পূর্বাচল প্রকল্পের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সময়ক্ষেপণ না করে পূর্বাচল নতুন শহর উত্তরা তৃতীয় ও ঝিলমিলের মতো প্রকল্পে সবুজায়নে রাজউকের কর্তাব্যক্তিদের আরও বেশি সচেতন হওয়া দরকার বলে মনে করেন নগরবিদেরা।

জিএম/এম 

RTVPLUS