smc
logo
  • ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ৬ কার্তিক ১৪২৭

পাম্পহাউজের সক্ষমতার অর্ধেকও ব্যবহার হচ্ছে না (ভিডিও)

  নাজিব ফরায়েজী, আরটিভি নিউজ

|  ১৭ অক্টোবর ২০২০, ১২:১৮ | আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২০, ১৫:৩৩
পাম্পহাউজের সক্ষমতার অর্ধেকও ব্যবহার হচ্ছে না
ফাইল ছবি
রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গোড়ানচটবাড়ী পাম্পহাউজ। অথচ নানান সমস্যায় পাম্পহাউজের সক্ষমতার অর্ধেকও ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যথাযথ উদ্যোগ নিলে এই পাম্পহাউজ দিয়ে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন করে রাজধানীর অর্ধেক এলাকাকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করা সম্ভব।

বর্ষা মৌসুমে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা এখন স্বাভাবিক বিষয়। শীতে রাজধানীর খালগুলোর পানি সুইচগেট দিয়ে সরাসরি চারপাশের নদীতে গিয়ে পড়লেও বর্ষায় তা হয় না। কারণ বর্ষায় খালের পানির চেয়ে নদীর পানির উচ্চতা বেশি থাকে। তখন বন্ধ করে দেয়া হয় সুইচগেট। এ সময় ওয়াসা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাম্পগুলো দিয়ে বৃষ্টির পানি নদীতে ফেলা হয়। কিন্তু সমস্যা হলো সামান্য বৃষ্টিতে যখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ডুবে থাকে তখন পাম্পিং স্টেশনের পাম্পগুলো চালানোর মতো পর্যাপ্ত পানি থাকে না। এর কারণ খালগুলোর বিভিন্ন স্থান দখল এবং ময়লা আবর্জনায় ভরাট থাকায় পানি পৌঁছতে পারে না পাম্পহাউজে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত না নামায় পাম্প চালাতে পারেন না অপারেটররা। 

উত্তরা, এয়ারপোর্ট, মিরপুর ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার পানি নিষ্কাশন করে জলাবদ্ধতা দূর করতে কাজ করছে রূপনগরের এই গোড়ানচটবাড়ী পাম্প হাউজ। এখানে ৭.৩৩ কিউমেক ক্ষমতার নয়টি পাম্প আছে। যেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৬৬ হাজার লিটার আর প্রতি মিনিটে প্রায় ৪০ লাখ লিটার পানি নিষ্কাশন করতে সক্ষম। অথচ বৃষ্টিতে যখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে যায় তখন পানির অভাবে এখানকার নয়টি পাম্পের মধ্যে চারটিও পুরোদমে চালাতে পারে না অপারেটররা।   

গোড়ানচটবাড়ী পাম্প হাউজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. এবাদুল হক জানান, এখানে ডিজাইন লেভেল হচ্ছে ৪ মিটার, অন্যদিকে এখানে ৪ মিটার পানি হয় নাই। এ কারণে পাম্পের সংখ্যা কমিয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমানে দুটি পাম্প চালু আছে আর পানি কম থাকাতে দুটি পাম্প দিয়ে কাজ চলছে। যখন বর্ষা মৌসুম ছিল তখন আমরা সর্বোচ্চ এক দুদিন ৪টি পাম্প চালু রেখেছিলাম। 

শুধু তাই নয়, বৃষ্টির পানি জমা হওয়ার জন্য পাম্পহাউজের সামনেই ছয়শ ১৫ একরের বিশাল আয়তনের পুকুরও আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালগুলো দখল ও দূষণমুক্ত হলেই পাম্পহাউজে পৌঁছাবে পানি আর তাতেই বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনসহ জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব।

বাংলাদেশে ইনস্টিটিউট অব প্যানার্সের সভাপতি অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, অল্প বৃষ্টিতে শহরে পানি জমে যাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে শহরের খাল ড্রেনগুলো সচল থাকে না। বিভিন্ন কারণে এসব খালগুলো দখল হয়ে যায়। এসব কারণে শহরের পানি পাম্পহাউজ পর্যন্ত যেতে পারে না। 

জিএম/এমকে 

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৩৯০২০৬ ৩০৫৫৯৯ ৫৬৮১
বিশ্ব ৪,০৩,৮২,৮৬২ ৩,০১,৬৯,০৫২ ১১,১৯,৭৪৮
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর সর্বশেষ
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর পাঠক প্রিয়