logo
  • ঢাকা রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬

ঝিনাই নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না

টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, আরটিভি অনলাইন
|  ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৮:২৩
ঝিনাই নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না
ঝিনাই নদী
টাঙ্গাইলের ঝিনাই নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এ নিয়ে বার বার প্রশাসনের দরজায় কড়া নাড়লেও বন্ধ হচ্ছে না বালু উত্তোলন। নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদীর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নদী পাড়ের মানুষদের থাকার মতো কোনও জায়গা থাকবে না বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। 

জানা যায়, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নথখোলা এলাকা দিয়ে বয়ে গেছে ঝিনাই নদী। এ নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু এবং তার দুপাশে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ। আর এ নদীর দু‘পাড়ে রয়েছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। 

বিগত বছরে এ নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করার ফলে ইতোমধ্যে একটি শহীদ মিনার নদী গর্ভে বিলীনসহ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাংশ এবং নদী ভাঙনের শিকার হয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এলাকাবাসী। এ বছরও শুরু হয়েছে এ নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন। অবৈধভাবে এ বালু উত্তোলন করায় ঝিনাই নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সেই সঙ্গে নদীর পাড় ঘেঁষে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ও দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বালু উত্তোলনের ফলে ধুলাবালির কারণে সড়ক দিয়ে চলাচলেও সমস্যা দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষদের। এ নিয়ে প্রতিবাদ করেও কোনও ফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নথখোলা ঝিনাই নদী থেকে বেকু দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করে প্রতিদিন প্রায় শত শত ট্রাক ও মাহিন্দ্র ট্রাক্টর দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বালু বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযোগ আছে, প্রায় সারা বছর ধরেই কোনও না কোনও প্রভাবশালী মহল এ নদী থেকে প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন করে আসছে। ফলে নদী ভাঙনসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্ষার পানি আসতে শুরু করলেই যেকোনো মুহূর্তে দেখা দিতে পারে এই ভাঙন।

এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ীদের একজন আলমগীর ও তার সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কথা বলতে রাজি হননি।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঝিনাই নদীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনও অনুমতি কিংবা নদী খনন প্রকল্প নেই। যারা এ নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আমাকে বলেছেন দ্রুত এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়