Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ১৬ মে ২০২১, ১৪:১৯
আপডেট : ১৬ মে ২০২১, ১৫:৪০

প্রিন্স উইলিয়ামের সামনেই ফিলিস্তিনের পতাকা নেন হামজা

prince william, hamza choudhury, Palestinian flag, Leicester City, bangladeshi muslim, cup victory, rtv online
ছবি- সংগৃহীত

চেলসির বিপক্ষে এফএ কাপের ফাইনালে মাঠে নেমেছিল লেস্টার সিটি। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতে নেয় লেস্টার। ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানিয়ে আলোচনায় হামজা চৌধুরীর নাম।

শনিবার রাতে লন্ডনের এই মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্স উইলিয়াম। ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ম্যাচের পর লেস্টার অধিনায়কের হাতে শিরোপাও তুলে দেন ডিউক অব কেমব্রিজ উইলিয়াম।

ব্রিটিশ রাজ পরিবারের সদস্যের উপস্থিতিতেই ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন বংশোদ্ভূত মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী।

রমজানের শেষ দিকে আল-আকসা প্রাঙ্গণে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি পুলিশ হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায় হামাসসহ সশস্ত্র বাহীনিগুলো। অন্যদিকে ফিলিস্তিনে বিমান হামলা চালানো শুরু করে ইসরায়েল। যা রোববার পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই হামলায় কমপক্ষে ১৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হন কয়েক হাজার।

ইংল্যান্ডে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জমলট দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে হামজাদের আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

লেস্টার তারকা হামজা ফিলিস্তিনিদের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করায় তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেনে ব্রিটেনে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জমলট।

চিঠিতে তিনি বলেন, ‘এফ এ কাপের শিরোপা জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে তুলে নেন হামজা চৌধুরী। ফিলিস্তিনি সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে জানাই গভীর কৃতজ্ঞতা।’

ইসলায়েল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় হাত রয়েছে ব্রিটেনের। প্রায় ১০০ বছর আগের একটি ঘোষণার মাধ্যমে ফিলিস্তিনের ভুখণ্ডে জন্ম হয় ‘অবৈধ’ রাষ্ট্রটির। আর এর সূচনা হয়েছিল ‘ব্যালফুর ডিক্লারেশন’ নামের ওই ঘোষণার মাধ্যমে।

১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটেনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার ব্যালফুরের দিয়েছিলেন ঘোষণাটি।

এরপর থেকেই আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সূচনা হয়।

এই ব্যালফুর ঘোষণার মধ্যে দিয়েই প্রথম ইহুদিদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ভাবনাকে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

ব্যালফুরের চিঠিতে মাত্র ৬৭ শব্দের একটি অংশে বলা হয়, ‘ব্রিটিশ সরকার ইহুদি জনগোষ্ঠীর জন্য ফিলিস্তিনে একটি রাষ্ট্র গঠন সমর্থন করে। তবে একই সাথে বলা হয়, সেখানে অ-ইহুদি যে জনগোষ্ঠী এখন আছে তাদের নাগরিক ও ধর্মীয় অধিকার কোনভাবেই বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়।’

দীর্ঘ দিন ধরে ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপন করে আসছে। ইসরায়েল। দিনের পর দিন হামলা, নির্যাতন চালিয়ে আসছে তারা।

সম্প্রতি নতুন করে উত্তেজনা শুরু হলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন দুই পক্ষকেই শান্ত হতে আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সংযম প্রদর্শন করতে।’

ওয়াই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS