logo
  • ঢাকা শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ২১ ফাল্গুন ১৪২৭

বাংলাদেশ-উইন্ডিজ সিরিজ ২০২১

ওদের শ্রম, প্রত্যাশা, স্বপ্নগুলো পূরণের পথে

বাঁ থেকে শরিফুল, হাসান ও মেহেদী

‘ঐ নতুনের কেতন ওড়ে কাল-বৈশাখীর ঝড়। তোরা সব জয়ধ্বনি কর!’ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার মতোই বাংলাদেশ জাতীয় দলে উড়ছে নতুনের কেতন।

২০২৩ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভাবতে শুরু করেছে এখন থেকেই। তারই ধারায় এক ঝাঁক তরুণের উপর আস্থা রাখতে যাচ্ছে বিসিবি। যার প্রথম ধাপে জাতীয় দলে ডাকা হয়েছে দুই পেসার শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ আর অফ-স্পিন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ঘোষিত ১৮ সদস্যের দলে জায়গা পেয়েছেন এই তিন জন। অথচ এই জায়গায় আসতে কত শ্রম দিতে হয়েছে, বুনতে হয়েছে কত স্বপ্ন। সেই শ্রমের মূল্য পেতে যাচ্ছেন তারা, পূরণ হতে যাচ্ছে স্বপ্ন।

জাতীয় দলে ডাক পাবার পর শরিফুলের যেমনটা মনে হয়েছে, ‘খবরটা শোনার পরে। অনেক খুশি লাগছিল যে আমি প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের স্কোয়াডে আছি। ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু করার চেষ্টা করবো।’

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য শরিফুল বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ এনে দিতেও রেখেছিলেন বড় ভূমিকা। সেই অভিজ্ঞতাগুলো কাজে লাগিয়ে এনে দিতে চান আরেকটা বিশ্বকাপ।

‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন (অ-১৯) হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের মূল একটা শক্তি ছিল যে সবাই আমরা একত্র ছিলাম, দেশের জন্য লড়ছি। সেটা, আমরা সবাই যদি ফাইট করতে পারি দেশের জন্য তো ইনশাআল্লাহ আমরা আবার একদিন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হব জাতীয় দলের হয়ে। ’

ওয়ানডের আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে হাসান মাহমুদের। গতবছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চমক জাগানিয়া কিছু দেখাতে না পারলেও ঘরের মাঠে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে চেনান নিজের জাত।

হাসান জানালেন, ‘যেদিন থেকে খেলা শুরু করেছিলাম, সেদিন থেকেই জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন ছিল। এখন সুযোগ পেয়েছি, আমি আমার সর্বোচ্চটা দেয়ার চেষ্টা করব।’

চাঁদপুর থেকে উঠে আসা এই তরুণ পেসার জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে ভুলে যাননি তাকে গড়ে তোলার কারিগরদের। ধন্যবাদ জানিয়েছেন সেসব কোচদের।

‘জেলা কোচ আছেন, মনির হোসেন। এরপরে ডিভিশন কোচ, ন্যাশনাল ক্রিকেটে এখানে আসছি এখানের কোচ বলেন, সবাই হেল্পফুল। অনেক দিন ধরেই পেস বোলিং কোচ জ্যাকি স্যারের তত্ত্বাবধানে বোলিং প্র্যাকটিস হয়েছে। সবমিলে সবাই হেল্প করেছে, জুয়েল স্যারও ছিল। সবাই যেন আমার জন্য দোয়া করে। থ্যাংক ইউ।’

হাসান মাহমুদের মতো মেহেদী হাসানও জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। যে কারণে মেহেদী হাসান আশাবাদী টি-টোয়েন্টির সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে ওয়ানডেতে ভালো খেলা।

‘অনেক পরিশ্রম করে আসছি বাংলাদেশ দলে খেলার জন্য। প্রথমে তো আমার টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছে, এখন ওয়ানডেতে সুযোগ এসেছে। যদি বেস্ট ইলেভেনে সুযোগ হয়, নিজের সেরাটা দেয়ার অবশ্যই চেষ্টা থাকবে।’

খুলনার মেহেদী হাসান টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডেতে অভিষেকের অপেক্ষায়। স্বপ্ন টেস্টেও খেলার।

‘যদি একাদশে সুযোগ হয়, অবশ্যই নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা থাকবে। যেহেতু আমি বোলিং করতে পারি, ব্যাটিং করতে পারি, যে জায়গায় যেখানে সুযোগ আসে চেষ্টা করব কাজে লাগানোর। যেহেতু আমি অলরাউন্ডার, চেষ্টা থাকবে তিন ফরম্যাটে ভালো করা।’

এমআর/

RTV Drama
RTVPLUS