logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬

চট্টগ্রামের মৎস্য জাদুঘরে ৩২৫ প্রজাতির মাছ (ভিডিও)

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
|  ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৩৮ | আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৪৯
মৎস্য জাদুঘর নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে হরেকরকম মাছের ছবি। বিলুপ্ত প্রায় ৩২৫ প্রজাতির মৎস্য সংরক্ষণ করা হয়েছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্স ইউনিভার্সিটির ফিশারিজ মিউজিয়াম বা মৎস্য জাদুঘরে। যেখানে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত সংরক্ষিত মাছের নমুনা নিয়ে পড়াশুনা ও গবেষণার পাশাপাশি দর্শনার্থীরাও মাছের বিভিন্ন প্রজাতির সাথে পরিচিতি হতে পারেন।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় ফিশারিজ অনুষদের উদ্যোগে প্রায় আড়াই হাজার বর্গফুট জায়গার ওপর গড়ে তোলা হয়েছে ‘ফিশারিজ মিউজিয়াম’ বা মৎস্য জাদুঘর। কর্ণফুলী, হালদা, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, সিলেটের হাওরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পুকুর, বিল ও নদী থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে দেশীয় প্রজাতির স্বাদু পানির ২০০ মাছ।

এসব মাছের মধ্য কাজলি, রানি, গুতুম, খলিশা, ঢেলা, রিঠা, মধুপাবদা, ফলি, বাইম, মহাশোলের মতো বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছ যেমন আছে, তেমনি রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল ও ইলিশ মাছ। 

তারা, ডেভিল রে, হাতুড়ি হাঙর, শাপলাপাতা, রেমুরাসহ দেড়শ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ও দেড়শ প্রজাতির শোল সংগ্রহ করা হয়েছে এখানে। এছাড়াও জাদুঘরটিতে দেশের ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার যন্ত্রপাতি রাখা আছে যা হারিয়ে যেতে বসেছে।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর এম নুরুল আবসার খান বলেন, ২০১৪ সালে দেশের স্বাদু পানি ও সামুদ্রিক সম্পদের অন্তর্ভুক্ত সকল জলজ প্রাণিকে সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের মাঝে পরিচিত করার লক্ষেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

প্রায় প্রতিদিনই সমৃদ্ধ হওয়া এই জাদুঘরটিতে পর্যায়ক্রমে ৪৭৫ প্রজাতির প্রতিটি মাছই সংগ্রহ করে রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়